আন্তর্জাতিক
ছাত্র আন্দোলন অব্যাহত
ভারতের দিল্লির ঐতিহাসিক সংখ্যালঘু কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া-তে দুই সপ্তাহ ধরে চলা প্রবল ছাত্র আন্দোলনের মুখে অবশেষে নতিস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের পর আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মাহতাব আলম রিজভী ঘোষণা করেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে। একই সাথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিল করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তাও পর্যালোচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের পর থেকে এই ক্যাম্পাসে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ জমে ছিল। তবে কর্তৃপক্ষের মৌখিক প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা তাঁদের আন্দোলন ও অনশন কর্মসূচি এখনই স্থগিত করছেন না। আরও পড়ুন,কমপ্লায়েন্ট স্বীকৃতি পেল প্রায় ৩৯ হাজার কুয়েতি প্রতিষ্ঠানঅনশনরত এবং আন্দোলনকারী ছাত্র সংগঠনগুলোর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া এই নির্দেশ বিভ্রান্তিকর এবং তা আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত আকারে দেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীরা কেবল নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখই চান না, বরং আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নেওয়া সমস্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার, বহিস্কৃতদের পুনর্বাহাল এবং প্রধান প্রক্টর ও নিরাপত্তা উপদেষ্টার অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। ১৭ অক্টোবর ভোরে শিক্ষার্থীদের বলপ্রয়োগ করে সরানোর চেষ্টা এবং গত শনিবার বিশ্বাবদ্যালয়ের ৭ নম্বর গেটে নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশের সাথে সংঘাতের ঘটনারও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে। ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে ও সংকটজনক। গত শনিবার থেকে ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাইরে থেকে খাবার বা রসদ ঢুকতে না দেওয়ায় ভেতরের শিক্ষার্থীরা খাদ্য সংকটে পড়েছেন বলেও জানা গেছে। এরই মধ্যে রাসায়নিক বিজ্ঞান বিভাগের দেয়ালে 'ফ্রি কাশ্মীর' ও 'ফ্রি শারজিল ইমাম'-এর মতো বিতর্কিত গ্রাফিতি আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা শিক্ষার্থীরা স্পষ্টত ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। সার্বিকভাবে, লিখিত নিশ্চয়তা এবং অন্যান্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের 'গুলস্তাঁ-ই-গালিব' ভবনে অবস্থান ধর্মঘট ও গালিব লনে অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন।
বিআরটিএর বড় সুযোগ
মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। কোনো প্রকার জরিমানা প্রদান ছাড়াই মোটরযানের প্রয়োজনীয় সকল কর ও ফি পরিশোধের সুযোগ আরও বাড়াল সংস্থাটি। আজ সোমবার জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিআরটিএ গ্রাহকদের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা অবহিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার জরিমানা ছাড়া কেবল মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সব প্রকার মোটরযানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করার সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বর্ধিত করেছে। আরও পড়ুন,টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকএর আওতায় ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রগুলো অনায়াসে হালনাগাদ করা যাবে। বিআরটিএর পক্ষ থেকে মোটরযান মালিক ও চালকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন তারা নির্ধারিত এই অতিরিক্ত সময়ের সুযোগ গ্রহণ করেন। ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবারের মধ্যেই শেষবারের মতো এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোনো বাড়তি জরিমানা ছাড়াই কাগজপত্র হালনাগাদ করে নেয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে এবং সুবিধাজনকভাবে কাজ সম্পন্ন করতেই এই বিশেষ ছাড় দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
এল ক্লাসিকোতে হার
বছরের প্রথম হাইভোল্টেজ এল ক্লাসিকোতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনাকে তাদেরই ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে ২-১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। রোমাঞ্চকর এই ম্যাচে লস ব্লাঙ্কোসদের হয়ে দুর্দান্ত প্রদর্শনী দেখিয়ে জোড়া গোল করেছেন তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই পরাজয়ের পর চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন বার্সেলোনার মিডফিল্ডার পেদ্রি। তবে পরাজয়ের জন্য অজুহাত না খুঁজে তিনি দলের ভেতরের দুর্বলতা এবং নিজেদের পারফরম্যান্সের ব্যর্থতাকেই স্পষ্টভাবে স্বীকার করে নিয়েছেন। ম্যাচ শেষে ডিএজেডএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার পেদ্রি জানান, সার্বিক বিচারে এটি তাঁদের দলের কাছ থেকে কোনো ভালো ম্যাচ ছিল না। বিশেষ করে প্রথমার্ধে বার্সেলোনা তাদের স্বাভাবিক ও পরিচিত ছন্দে খেলতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। আরও পড়ুন,আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজতিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খেলায় বলের গতি অত্যন্ত মন্থর ছিল এবং ফুটবলাররা প্রচুর সহজ ও বোকামি ভুল করে প্রতিপক্ষকে বল উপহার দিয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদের মতো বিশ্বমানের ও শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এ ধরনের মারাত্মক ভুল করার খেসারত যে হার দিয়ে দিতে হয়, সেটিও অকপটে স্বীকার করেন তিনি। এল ক্লাসিকোর এই পরাজয়ে স্বাভাবিকভাবেই ভীষণ হতাশ বার্সা শিবির। তবে পেদ্রি অতীতে পড়ে থাকতে নারাজ এবং দলীয় মনোযোগ সামনের দিকেই রাখতে চান। তাঁর মতে, দীর্ঘ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লা লিগার শিরোপা লড়াইয়ে এখনো অনেক পথ পাড়ি দেওয়া বাকি আছে। তাই এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে ভুলগুলো শুধরে খুব দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে হবে এবং আপাতত আসন্ন ম্যাচগুলোর দিকেই পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছে কাতালান ক্লাবটি।
রেকর্ড গড়ল অপূর্ব-নীহা
ছোট পর্দার জনপ্রিয় জুটি জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও নাজনীন নীহা অভিনীত এবং জাকারিয়া সৌখিন পরিচালিত নতুন নাটক ‘ভালো আছো তো?’ মুক্তির পর থেকেই দর্শকহৃদয়ে ঝড় তুলেছে। এর আগে ‘মন দুয়ারি’ ও ‘মায়াপাখি’র মতো সফল কাজের পর এই জুটি আরও একবার নিজেদের জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিলেন। সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের মাত্র দুই দিনের মাথায় নাটকটি অভাবনীয়ভাবে এক কোটি ভিউ অতিক্রম করেছে, যা বাংলাদেশি একক নাটকের ইতিহাসে এক অনন্য ও নতুন রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নাটকটির এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত পুরো টিম এবং সংশ্লিষ্টরা। নাটকটির গল্প নির্মাণশৈলী, সাবলীল সংলাপ এবং আবেগের চমৎকার উপস্থাপনার কারণে দর্শক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। ইউটিউবের কমেন্ট বক্স এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন সিনে-গ্রুপে হাজার হাজার ইতিবাচক মন্তব্যে ভরিয়ে দিয়েছেন দর্শকরা। আরও পড়ুন,জয়ার নতুন ফটোশুটশুরুর দৃশ্যের চমক, আবেগময় টার্ন এবং একটি ব্যতিক্রমী সমাপ্তি দর্শকদের ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা দিয়েছে। নির্মাতা জাকারিয়া সৌখিন তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, তিনি সব সময় মনের মতো কাজ করার চেষ্টা করেন এবং এই সাফল্য তাঁর একার নয়, বরং পুরো টিম ও দর্শকদের সম্মিলিত প্রাপ্তি। অন্যদিকে, সিএমভির কর্ণধার এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু মানসম্মত কনটেন্ট উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দর্শকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। ‘ভালো আছো তো?’ নাটকে অপূর্ব ও নীহা ছাড়াও মিলি বাশার, সমাপ্তি মাশুক ও প্রান্তের মতো প্রতিভাবান শিল্পীরা গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নাটকের গল্প ও অভিনয়ের পাশাপাশি এর একমাত্র গান ‘যাকে ভালোবেসেছি’ও দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আহমেদ রিজভীর কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সাজিদ সরকার, আর চমৎকার কণ্ঠে গানটিতে প্রাণ দিয়েছেন মাহতিম সাকিব ও রুমি রুসা। সব মিলিয়ে দক্ষ নির্মাণ, শক্তিশালী অভিনয় ও সুরের মূর্ছনায় নাটকটি বাংলা নাটকের বাজারে নতুন এক মাইলফলক স্থাপন করেছে।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম