রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

রাজধানী

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন, ডিএমপির নজরদারি জোরদার

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো পরিকল্পিত নাশকতার অংশ বলে মনে করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে এসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। নাশকতায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত, গোয়েন্দা নজরদারি এবং পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিস্ফোরণ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের প্রতিটি ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন ও অঙ্গসংগঠনের সদস্যও রয়েছেন। ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাশকতা চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযান বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে।আরও পড়ুন, মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি সংযোগ গড়ার পরিকল্পনাজননিরাপত্তা নিশ্চিত ও মানুষের আতঙ্ক দূর করতে ডিএমপির মোবাইল পার্টি এবং পিকেট ডিউটি অব্যাহত রয়েছে। সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ওপরও বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে, যাতে নাশকতার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের চেষ্টা আগেই শনাক্ত করা যায়। ককটেল তৈরির উপাদান কোথায় প্রস্তুত এবং কীভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আকতার হোসেন বলেন, এর আগেও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরকদ্রব্যসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তিনি আরও জানান, নাশকতায় ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্পসহ বিভিন্ন উৎস থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। নাশকতা প্রতিরোধে অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।

প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব

প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব

সারাদেশে প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এ ক্ষেত্রে উপজেলা সদরের ইউনিয়নগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। রোববার (৮ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান ইসি সিনিয়র সচিব। আখতার আহমেদ বলেন, প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এসব নির্বাচনে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে না। ভোটগ্রহণ হবে প্রচলিত ব্যালট পদ্ধতিতে।আরও পড়ুন, সমবায় সমিতিকে দুর্নীতিমুক্ত ও সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতিরতিনি আরও জানান, ইভিএম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও অব্যবহৃত ইভিএম মেশিনগুলোর ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা ও নিষ্পত্তির বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের এ ঘোষণার ফলে প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ও নির্বাচনী কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ ও বিস্তারিত সময়সূচি সম্পর্কে এ বক্তব্যে কিছু জানানো হয়নি।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
নেতানিয়াহুকে সরিয়ে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন গাদি আইজেনকট

নেতানিয়াহুকে সরিয়ে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন গাদি আইজেনকট

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব পেয়েছেন বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকট। তবে প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে দায়িত্ব পেলেও সরকার গঠনের পথে তাঁকে কঠিন রাজনৈতিক সমীকরণের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন, জোটের শরিকদের মতপার্থক্য দূর করা এবং সম্ভাব্য শরিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করাই এখন তাঁর প্রধান চ্যালেঞ্জ। টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার গঠনের জন্য আইজেনকটকে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৮ দিনের মধ্যে তাঁকে প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে প্রেসিডেন্ট আরও ১৪ দিন সময় বাড়াতে পারবেন। গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ডানপন্থি ও ধর্মীয় জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। আরব নেতৃত্বাধীন দুই দল পেয়েছে ১৯টি আসন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন। আইজেনকটের সামনে প্রথম বিকল্প হলো আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সমর্থন নেওয়া। এসব দলের সমর্থন পেলে তাঁর জোটের আসনসংখ্যা ৬৭-তে পৌঁছাবে। নির্বাচনের পর দলগুলো আইজেনকটের পক্ষে প্রেসিডেন্টের কাছে সুপারিশও করেছে। তবে তাঁর জোটের কয়েকটি দল আরব দলগুলোর সমর্থনের ওপর নির্ভর করে সরকার গঠনে আপত্তি জানিয়েছে। বিশেষ করে আভিগদর লিবারম্যানের নেতৃত্বাধীন ইসরাইল বেইতেনু এ বিষয়ে বিরোধিতা করছে।আরও পড়ুন, অভিশংসনের পর গৃহবন্দী সাবেক প্রেসিডেন্ট পেনাদ্বিতীয় বিকল্প অতি-অর্থোডক্স ইহুদি দল শাস ও ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের সমর্থন নেওয়া। এ দুই দলের মোট আসন ১৩টি। তাদের সমর্থন পেলে আইজেনকটের জোট ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে। তবে অতি-অর্থোডক্স তরুণদের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবিতে দল দুটির সঙ্গে আইজেনকটের জোটের মতপার্থক্য রয়েছে। এ ছাড়া নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির সঙ্গে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। তবে নির্বাচনি প্রচারে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় তাঁর সঙ্গে সরকার গঠনে অনাগ্রহী আইজেনকট। এদিকে আইজেনকট ব্যর্থ হলে নেতানিয়াহু বিরোধী জোটের আইনপ্রণেতাদের নিজের পক্ষে টানার চেষ্টা করতে পারেন বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করেছে রয়টার্স। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ সরকার গঠন করতে না পারলে নতুন নির্বাচনের সম্ভাবনাও রয়েছে। সে পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নেতানিয়াহু। সব মিলিয়ে আরব দলগুলোর সমর্থন, অতি-অর্থোডক্স দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা এবং নিজ জোটের ঐক্য ধরে রাখাই আইজেনকটের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। শেষ পর্যন্ত তিনি সরকার গঠনে সফল হন কি না, তা নির্ভর করছে এসব রাজনৈতিক সমীকরণের সমাধানের ওপর।

৭ ঘন্টা আগে
অভিশংসনের পর গৃহবন্দী সাবেক প্রেসিডেন্ট পেনা

অভিশংসনের পর গৃহবন্দী সাবেক প্রেসিডেন্ট পেনা

ব্যাংকিং কেলেঙ্কারির জেরে প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনাকে অভিশংসনের পর প্যারাগুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন পেদ্রো আলিয়ানা। গত শুক্রবার ৫২ বছর বয়সী আলিয়ানা শপথ গ্রহণ করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি লাতিন আমেরিকার দেশটির ৫৩তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেন।আলিয়ানার শপথ গ্রহণের দিনই পেনার ক্ষমতার অবসান ঘটে। দেশটির প্রভাবশালী ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান উয়েনো ব্যাংকের পতনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া সংকটের পর তাঁকে দ্রুত ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। প্যারাগুয়ের ৪৫ সদস্যের সিনেটে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেন ৪৪ জন। একজন ভোটদানে বিরত থাকেন। ব্যাংকটির আর্থিক অনিয়ম এবং সরকারের সঙ্গে এর সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকটির কার্যক্রমে যথাযথ নজরদারি ছিল কি না এবং প্রেসিডেন্ট পেনার সঙ্গে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হয়েছিল কি না, তা নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিশংসনের পর আস্থার অপব্যবহারসহ কয়েকটি অপরাধের সন্দেহে পেনাকে গৃহবন্দী রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলিরা। বিদায়ের দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, কৃতজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছেন। যাঁরা এখনো উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন, তাঁদের কষ্ট তিনি উপলব্ধি করছেন। আরও পড়ুন,চাবড়ি বাজারে ভবন ধসে নিহত অন্তত দুইগত মঙ্গলবার প্যারাগুয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, উয়েনো ব্যাংক আইন অনুযায়ী নির্ধারিত আর্থিক সক্ষমতার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ব্যাংকটির ঋণ ও বিনিয়োগের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত না থাকার বিষয়টি সামনে আসার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ব্যাংকটির অবশিষ্ট সম্পদ অন্য ব্যাংকগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় প্রায় ৩০ লাখ গ্রাহক বিপাকে পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্যারাগুয়ের প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ রয়েছেন। ব্যাংকটিতে সাধারণ গ্রাহকদের পাশাপাশি পেনশন ও সরকারি বিভিন্ন তহবিলের অর্থও জমা ছিল। ফলে ব্যাংকটির পতনে লাখ লাখ মানুষ নিজেদের সঞ্চয় ও পেনশনের অর্থ ব্যবহারে বাধার মুখে পড়েছেন। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান কার্লোস কারভালোর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। উয়েনো ব্যাংকের ওপর যথাযথ নজরদারি করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগের মধ্যে গত সপ্তাহে তিনি পদত্যাগ করেন। এদিকে সরকারি পেনশন তহবিলের প্রায় ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যাংকটিতে বিনিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।উল্লেখ্য, ৪৭ বছর বয়সী সান্তিয়াগো পেনা ২০২৩ সালের আগস্টে প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ব্যাংকিং সংকট ও অভিশংসনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা ছাড়তে হলো তাঁকে।

০৭ নভেম্বর ২০২৬
চাবড়ি বাজারে ভবন ধসে নিহত অন্তত দুই

চাবড়ি বাজারে ভবন ধসে নিহত অন্তত দুই

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে তিনতলা একটি ভবন ধসে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর সকালে দিল্লির চাবড়ি বাজার মেট্রো স্টেশনের কাছে গলি সিতারা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে হঠাৎ ভবনটি ধসে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের অন্তত ছয়টি ইউনিট। উদ্ধারকাজে পানিবাহী গাড়ি ও বিভিন্ন ধরনের উদ্ধারকারী যান মোতায়েন করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে চলছে উদ্ধার অভিযান। এদিকে, ভবন ধসের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আম আদমি পার্টির নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার সরকারের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেছেন, গত কয়েক মাসের মধ্যে রাজধানীতে এটি তৃতীয় ভবন ধসের ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ ভরদ্বাজ বলেন, আরও পড়ুন,অভিশংসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কড়া বার্তা ট্রাম্পেরচাবড়ি বাজার বা চাঁদনি চক এলাকায় আরেকটি তিনতলা ভবন ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। তার প্রশ্ন, দিল্লির সরকার ও পৌর করপোরেশন বিভিন্ন ভবনে একাধিকবার নিরাপত্তা নিরীক্ষা চালানোর পরও কেন এমন দুর্ঘটনা ঘটছে? আরেকটি পোস্টে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, নিরাপত্তা নিরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হলেও কার্যকর পদক্ষেপের পরিবর্তে বিভিন্ন বিভাগে ঘুষ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। তার অভিযোগ, এ কারণেই রাজধানীতে বারবার ভবন ধসের ঘটনা ঘটছে। তবে ভবন ধসের প্রকৃত কারণ এবং হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্যের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

০৫ নভেম্বর ২০২৬
অভিশংসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কড়া বার্তা ট্রাম্পের

অভিশংসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কড়া বার্তা ট্রাম্পের

আগামী বছর কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে গেলে তারা যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসনের উদ্যোগ নেয়, তাহলে তাতে দলটি ধ্বংস হয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের পরদিন সম্ভাব্য অভিশংসন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, আরও পড়ুন,সুদানে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলাডেমোক্র্যাটরা যদি তাকে অভিশংসনের উদ্যোগ নেয়, তাহলে তা তাদের দলের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হবে। নিজের অবস্থানে অনড় থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, তাকে অভিশংসন করার মতো কোনো কারণ নেই। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল এবং কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

০৫ নভেম্বর ২০২৬
সুদানে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা

সুদানে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা

সুদানের রাজধানী খার্তুমের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চালানো এ হামলায় খার্তুম ও আল-জাজিরা প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর মাত্র এক দিন আগে দেশটির চারটি প্রদেশের ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল বাহিনীটি। সুদানের জাতীয় বিদ্যুৎ কোম্পানির এক কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, আরএসএফের ড্রোনগুলো আল-মারখিয়াত ট্রান্সফরমার স্টেশনকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এতে রাজধানী খার্তুমসহ আল-জাজিরা প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর আগে সোমবার সমন্বিত ড্রোন হামলায় পূর্ব সুদানের চারটি প্রদেশে ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই হামলার পর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দেয়। ধারাবাহিক এসব হামলায় দেশটির বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের নিয়মিত সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে। দীর্ঘ এই যুদ্ধে দেশটির মধ্যাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের বড় অংশ বর্তমানে সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংঘাতের কারণে সুদানে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। ত্রাণকর্মীদের ধারণা, আরও পড়ুন,ইরানি নাবিকদের উদ্ধারএ পর্যন্ত যুদ্ধে দুই লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে ব্যাপকভাবে এবং বহু মানুষ খাদ্যসংকটে পড়েছেন। জাতিসংঘ বারবার সতর্ক করে বলেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা লাখ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবা সচল রাখার ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি তৈরি করছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হলে হাসপাতাল, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ে। গত বছর সেনাবাহিনী খার্তুম পুনর্দখল করার পর প্রায় ৩০ লাখ মানুষ খার্তুম প্রদেশে ফিরে এসেছেন। তবে যুদ্ধবিধ্বস্ত রাজধানীতে ফিরে অনেকেই নতুন করে জীবন গড়ে তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ এখনো অনিয়মিত। অবিস্ফোরিত বোমার ঝুঁকি এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। বর্তমানে সুদানের যুদ্ধে ড্রোন হামলা অন্যতম প্রধান কৌশল হয়ে উঠেছে। উভয় পক্ষই উন্নত প্রযুক্তির ড্রোন ব্যবহার করছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম তিন সপ্তাহেই ড্রোন হামলায় ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও কয়েকশ। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় ধারাবাহিক হামলায় দেশটির বিদ্যুৎ, পানি ও স্বাস্থ্যসেবা আরও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

২৭ অক্টোবর ২০২৬
ইরানি নাবিকদের উদ্ধার

ইরানি নাবিকদের উদ্ধার

শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের নিকটবর্তী আন্তর্জাতিক জলসীমায় অসুস্থ হয়ে পড়া ৪০ জন ইরানি নাবিককে সফলভাবে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে গত শনিবার রাতে তাঁদের বিশেষ বিমানে করে নিরাপদে ইরানে ফেরত পাঠানো হয়। শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র থুশারা রদ্রিগো বিবিসি সিনহালাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, কলম্বোয় অবস্থিত ইরানি দূতাবাসের উদ্যোগে এবং স্থানীয় শিপিং কোম্পানির সহায়তায় এই উদ্ধার ও চিকিৎসার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়। মার্কিন নৌ অবরোধ ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি জাহাজগুলো আটকা পড়ায় নাবিকদের মধ্যে এই সংকট তৈরি হয়েছিল।আরও পড়ুন,ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধ্বসজরুরি সাহায্য চেয়ে আবেদন পাওয়ার পর মানবিক বিবেচনা ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন মেনে শ্রীলঙ্কা এই উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে। তবে শ্রীলঙ্কা এই সংঘাতে নিজেদের কঠোরভাবে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার কথা স্পষ্ট করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিপদসংকেত পেলেই সাড়া দেওয়া আন্তর্জাতিক প্রথা এবং মানবতা রক্ষার্থে জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করা তাদের বাধ্যবাধকতা। এর আগে গত মার্চেও মার্কিন হামলায় ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ ‘আইআরআইএস ডেনা’র বেঁচে যাওয়া নাবিকদের শ্রীলঙ্কা চিকিৎসা দিয়েছিল। তবে সম্প্রতি উপকূলের কাছে আটকে থাকা ১৯টি ইরানি জাহাজে খাদ্য ও জ্বালানির সংকট দেখা দিলেও জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে কোনো সহায়তা পাঠানো হয়নি বলে জানিয়েছে লঙ্কান কর্তৃপক্ষ।

২৬ অক্টোবর ২০২৬
ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধ্বস

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধ্বস

যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক পূর্বমুহূর্তে প্রকাশিত একাধিক শীর্ষস্থানীয় জনমত জরিপে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা আশঙ্কাজনকভাবে কমার চিত্র ফুটে উঠেছে। তবে এসব জরিপের বৈজ্ঞানিক ফলাফলকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে ট্রাম্প দাবি করেছেন, এসব জনমত জরিপ ‘ভুয়া’ এবং মার্কিন জনগণের মধ্যে তাঁর প্রকৃত সমর্থন মূলত ৬০ শতাংশের কাছাকাছি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন এক্সামিনারের সাংবাদিক বাইরন ইয়র্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জোর গলায় মন্তব্য করেন যে, বর্তমানে নির্বাচনে তাঁকে পরাজিত করা কারোর পক্ষেই সম্ভব নয়। সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন রিয়েলক্লিয়ারপলিটিকসের গড় ফলাফল তুলে ধরা হলে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের দায়িত্ব পালনে সন্তুষ্ট মাত্র ৩৮.৮ শতাংশ নাগরিক, যার বিপরীতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ৬০.৪ শতাংশ। আরও পড়ুন,ছাত্র আন্দোলন অব্যাহতএ ছাড়া নিউইয়র্ক টাইমস-সিয়েনা কলেজের সাম্প্রতিক জরিপে তাঁর সমর্থনের হার নেমে এসেছে ৩৪ শতাংশে, যা ১৯৪৬ সালে হ্যারি ট্রুম্যানের (৩৩%) পর মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কোনো প্রেসিডেন্টের জন্য সর্বনিম্ন। রয়টার্স-ইপসোসের জরিপেও তাঁর সমর্থন তাঁর দুই মেয়াদের মধ্যে সর্বনিম্ন ৩১ থেকে ৩৪ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপেও তাঁর প্রতি সমর্থন মিলছে মাত্র ৩০ শতাংশ। নিজের দাবির পক্ষে ট্রাম্প সিএনএনের প্রধান তথ্য বিশ্লেষক হ্যারি এনটেনের একটি বিশ্লেষণ উল্লেখ করে বলেন, 'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' (মাগা) সমর্থক ও রিপাবলিকানদের মধ্যে ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশ ভোটার এখনো তাঁর পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকান ঘাঁটিতে জনপ্রিয়তা থাকলেও মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার কারণে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ট্রাম্পের জনঅসন্তোষ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যাকে ‘পাঁচ মাত্রার ভয়াবহ বিপর্যয়’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবুও এসব পরিসংখ্যানকে তোয়াক্কা না করে ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, সাধারণ জনগণের শক্ত সমর্থনেই তিনি জয়ী হবেন।

২৬ অক্টোবর ২০২৬
ছাত্র আন্দোলন অব্যাহত

ছাত্র আন্দোলন অব্যাহত

ভারতের দিল্লির ঐতিহাসিক সংখ্যালঘু কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া-তে দুই সপ্তাহ ধরে চলা প্রবল ছাত্র আন্দোলনের মুখে অবশেষে নতিস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের পর আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মাহতাব আলম রিজভী ঘোষণা করেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে। একই সাথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিল করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তাও পর্যালোচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের পর থেকে এই ক্যাম্পাসে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ জমে ছিল। তবে কর্তৃপক্ষের মৌখিক প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা তাঁদের আন্দোলন ও অনশন কর্মসূচি এখনই স্থগিত করছেন না। আরও পড়ুন,কমপ্লায়েন্ট স্বীকৃতি পেল প্রায় ৩৯ হাজার কুয়েতি প্রতিষ্ঠানঅনশনরত এবং আন্দোলনকারী ছাত্র সংগঠনগুলোর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া এই নির্দেশ বিভ্রান্তিকর এবং তা আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত আকারে দেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীরা কেবল নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখই চান না, বরং আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নেওয়া সমস্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার, বহিস্কৃতদের পুনর্বাহাল এবং প্রধান প্রক্টর ও নিরাপত্তা উপদেষ্টার অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। ১৭ অক্টোবর ভোরে শিক্ষার্থীদের বলপ্রয়োগ করে সরানোর চেষ্টা এবং গত শনিবার বিশ্বাবদ্যালয়ের ৭ নম্বর গেটে নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশের সাথে সংঘাতের ঘটনারও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে। ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে ও সংকটজনক। গত শনিবার থেকে ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাইরে থেকে খাবার বা রসদ ঢুকতে না দেওয়ায় ভেতরের শিক্ষার্থীরা খাদ্য সংকটে পড়েছেন বলেও জানা গেছে। এরই মধ্যে রাসায়নিক বিজ্ঞান বিভাগের দেয়ালে 'ফ্রি কাশ্মীর' ও 'ফ্রি শারজিল ইমাম'-এর মতো বিতর্কিত গ্রাফিতি আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা শিক্ষার্থীরা স্পষ্টত ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। সার্বিকভাবে, লিখিত নিশ্চয়তা এবং অন্যান্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের 'গুলস্তাঁ-ই-গালিব' ভবনে অবস্থান ধর্মঘট ও গালিব লনে অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন।

২৬ অক্টোবর ২০২৬
কমপ্লায়েন্ট স্বীকৃতি পেল প্রায় ৩৯ হাজার কুয়েতি প্রতিষ্ঠান

কমপ্লায়েন্ট স্বীকৃতি পেল প্রায় ৩৯ হাজার কুয়েতি প্রতিষ্ঠান

কুয়েতে কর্মীদের নিয়মিত বেতন পরিশোধে অনিয়ম এবং বিভিন্ন আর্থিক জটিলতার সঙ্গে জড়িত ৮ হাজার ৮৪৯টি প্রতিষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করেছে সে দেশের পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ার (প্যাম)। একই সঙ্গে সরকারি নীতিমালা সঠিকভাবে মেনে সময়মতো কর্মীদের বেতন পরিশোধ করায় ৩৯ হাজার ৫৫৯টি প্রতিষ্ঠানকে নিয়মনিষ্ঠ বা কমপ্লায়েন্ট হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। প্যামের ডিজিটাল মজুরি পর্যবেক্ষণ বা ওয়েজ-পেমেন্ট মনিটরিং সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের সিস্টেমে মোট ১ লাখ ২৫২টি ফাইল নিবন্ধিত রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজনের কম কর্মী রয়েছে এমন ক্ষুদ্র ব্যবসা ও নিয়োগকর্তার সংখ্যা ৫১ হাজার ৮৪৪টি। অন্যদিকে, পাঁচ বা ততোধিক কর্মী রয়েছে এমন মাঝারি ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের মোট ফাইল সংখ্যা ৪৮ হাজার ৪০৮টি। আরও পড়ুন,ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলে পুড়েছে ১৯ লাখ হেক্টরএই বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকেই ৮ হাজার ৮৪৯টি প্রতিষ্ঠানের ফাইলে কর্মীদের বেতন প্রদানে অনিয়মের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এদিকে প্রবাসী কর্মীদের বেতন থেকে যত্রতত্র অর্থ কর্তন রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ। বেতন কাটার জন্য সুনির্দিষ্ট ১৩টি বৈধ কারণ নির্ধারণ করে দিয়েছে প্যাম। এর মধ্যে রয়েছে অবৈতনিক ছুটি, সন্তান প্রতিপালন ও অসুস্থতাজনিত ছুটি, আংশিক বেতনভুক্ত ছুটি, সাময়িক বরখাস্ত, কর্মক্ষেত্র থেকে অনুমতি ছাড়া প্রস্থান, কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং নোটিশ ছাড়া অনুপস্থিতির মতো পেশাগত বিভিন্ন কারণ। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কর্মীর বেতন থেকে অর্থ কাটতে হলে সেটির আইনগত যৌক্তিকতা প্রমাণে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক ও বৈধ নথিপত্র বাধ্যতামূলকভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। তাছাড়া কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্যাম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনো অবস্থাতেই এক মাসে কোনো কর্মীর মূল বেতনের ২৫ শতাংশের বেশি অর্থ কাটা যাবে না। এই সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কর্তনের ক্ষেত্রেও কর্তনের বৈধতা নিশ্চিতকারী সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য নথিপত্র সংযুক্ত করা আবশ্যক করা হয়েছে। কুয়েত প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপে দেশটিতে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২৫ অক্টোবর ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলে পুড়েছে ১৯ লাখ হেক্টর

ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলে পুড়েছে ১৯ লাখ হেক্টর

ইন্দোনেশিয়ায় চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ে গেছে ১৯ লাখ হেক্টরেরও বেশি এলাকা। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে বন উজাড় পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নুসানতারা অ্যাটলাস। সংস্থাটির আশঙ্কা, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রকাশিত হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে। নুসানতারা অ্যাটলাসের প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড গ্যাভো জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় মোট ১৯ লাখ ১৬ হাজার ৫৮৮ হেক্টর এলাকা পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন শনাক্ত করা হয়েছে। পুড়ে যাওয়া এই এলাকার আয়তন যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের প্রায় ১২ গুণ। তবে এই পরিসংখ্যানকে প্রাথমিক ও সতর্ক হিসাব হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। আরও পড়ুন,১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যুডেভিড গ্যাভোর মতে, ছোট ছোট পোড়া এলাকা হিসাবের বাইরে থেকে যাওয়া এবং ভুল শনাক্তকরণ এড়ানোর কারণে মোট ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিমাণ কম ধরা পড়তে পারে। এ ছাড়া, ঘন ধোঁয়াশার কারণে অনেক ক্ষেত্রে স্যাটেলাইটের ছবিতে আগুনে পুড়ে যাওয়া এলাকা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, ইন্দোনেশিয়া সরকার সর্বশেষ গত জুলাইয়ের শেষে জানিয়েছিল, তখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় ২ লাখ ২ হাজার হেক্টর এলাকা দাবানলে পুড়ে গেছে। এরপর থেকে সরকারিভাবে নতুন কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বেসরকারি পর্যবেক্ষণ সংস্থার সাম্প্রতিক হিসাবের সঙ্গে সরকারি তথ্যের বড় ব্যবধান দেখা যাচ্ছে। নুসানতারা অ্যাটলাসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত পুড়ে যাওয়া এলাকার পরিমাণ ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০১৫ সালে ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সে সময় বর্তমান পর্যবেক্ষণব্যবস্থায় ব্যবহৃত স্যাটেলাইটগুলো চালু না থাকায় ওই বছরের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য নেই। ডেভিড গ্যাভো আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, চলতি বছরের দাবানলও ২০১৫ সালের মতো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাঁর মতে, স্যাটেলাইটে শনাক্ত হওয়া আগুনের হটস্পটের সংখ্যা এখনো বাড়ছে, যা পরিস্থিতির আরও অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সব মিলিয়ে, ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রকৃত পরিমাণ এবং আগুনের বিস্তার সম্পর্কে আরও স্পষ্ট চিত্র পেতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।

১৯ অক্টোবর ২০২৬
“

পাঁচ জেলায় দীর্ঘদিনের আমিরদের বিদায়

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃত্বে নতুন মেয়াদে কিছু পরিবর্তন এলেও অধিকাংশ সাংগঠনিক শাখায় পুরোনো নেতৃত্বই বহাল রয়েছে। ঘোষিত ৭৭টি সাংগঠনিক শাখার মধ্যে ৫১টিতে আগের আমিররা পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ১০ জেলার আমির এক দশক বা তার বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। ঝালকাঠিতে ২০০৪ সাল থেকে টানা ২২ বছর আমিরের দায়িত্বে থাকা হাফিজুর রহমানও আবার নির্বাচিত হয়েছেন। গত বুধবার রাতে ২০২৭-২৮ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত জেলা ও মহানগর আমিরদের নাম ঘোষণা করে জামায়াতে ইসলামী। রাজধানীর মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংগঠনের রুকনদের গোপন ভোটে আমিররা নির্বাচিত হয়েছেন। দলীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ঝালকাঠি, ময়মনসিংহ, শেরপুর, মেহেরপুর, টাঙ্গাইল, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলায় দীর্ঘদিনের আমিররাই পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে রাঙামাটি ও বান্দরবানে ১৬ বছর এবং সিরাজগঞ্জে ১৪ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা। তবে দীর্ঘদিনের কয়েকজন আমিরের জায়গায় নতুন নেতৃত্ব এসেছে। খাগড়াছড়িতে প্রায় ২৮ বছর দায়িত্ব পালন করা সৈয়দ মো. আবদুল মোমেনের পরিবর্তে আমির হয়েছেন মিনহাজুর রহমান। আরও পড়ুন,১১ মাসের সন্তান নিয়ে অনিশ্চয়তায় তৌফিকের স্ত্রীএ ছাড়া জয়পুরহাট, খুলনা, বরিশাল, রাজবাড়ী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়েছে। এসব জেলায় আগের আমিররা ১৭ থেকে ২৩ বছর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। মহানগর পর্যায়েও নতুন মুখ এসেছে। বগুড়ায় আবদুল মালেক, রাজশাহীতে মো. জাহাঙ্গীর, ময়মনসিংহে আসাদুজ্জামান সোহেল এবং গাজীপুরে খায়রুল হাসান নতুন আমির নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ কয়েকটি শাখার আমিররা পঞ্চম মেয়াদে দায়িত্ব পেয়েছেন। এবার কুমিল্লা মহানগর ও জামালপুর জেলা শাখার আমিরের নাম ঘোষণা করা হয়নি। কুমিল্লায় কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে কার্যালয় চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনার পর মহানগর কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। ফলে সেখানে নতুন করে ভোট গ্রহণ হয়নি। জামালপুরে ভোট হলেও পর্যালোচনার কারণে ফল স্থগিত রাখা হয়েছে। জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, জেলা ও মহানগর আমিরদের মেয়াদ দুই বছর। ৯ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।দীর্ঘদিন একই ব্যক্তির নেতৃত্বে থাকার বিষয়ে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম বলেন, রুকনরা গোপন ভোটের মাধ্যমে দায়িত্বশীল নির্বাচন করেন। এক বা দুই বছর দায়িত্ব পালন করে অনেকে সংগঠনের কার্যক্রম পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেন না। এ কারণে কেউ কেউ একাধিকবার নির্বাচিত হন। তাঁর দাবি, নেতৃত্ব নির্বাচনে রুকনদের ভোটই চূড়ান্ত ভূমিকা রাখে।

সংবাদ দিগন্ত ০৭ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ দিগন্ত
লিংক কপি করা হয়েছে!

জেলার খবর

বিনিয়োগকারীদের অর্থ ব্যবহারে অনিয়মের সন্দেহ

শেয়ারবাজার থেকে সংগ্রহ করা অর্থের ব্যবহার নিয়ে সন্দেহ দেখা দেওয়ায় এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানি দুটি হলো ওয়েব কোটস ও কৃষিবিদ সিড। কিউআইও পদ্ধতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে কোম্পানি দুটি মোট ১৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছিল। এর মধ্যে কৃষিবিদ সিড সংগ্রহ করে ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ওয়েব কোটস সংগ্রহ করে ৫ কোটি টাকা। ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ পরিশোধ, যন্ত্রপাতি কেনা ও চলতি মূলধনের চাহিদা পূরণে এসব অর্থ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কোম্পানি দুটি। তবে সংগৃহীত অর্থ ঘোষিত উদ্দেশ্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে বিএসইসি। এ লক্ষ্যে গত ২ নভেম্বর পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, কৃষিবিদ সিডের তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন সংস্থাটির উপপরিচালক মওদুদ মোমেন ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রুমান হোসেন। অন্যদিকে ওয়েব কোটসের তদন্ত করবেন বিএসইসির যুগ্ম পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও সহকারী পরিচালক ফারহানা ওয়ালেজা। বিএসইসির তদন্ত আদেশে বলা হয়েছে, কিউআইওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যয় হয়েছে কি না, তা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। এ জন্য কোম্পানি দুটির আর্থিক বিবরণী পরীক্ষা করার পাশাপাশি অর্থ ব্যয়ের বিপরীতে বাস্তবায়িত প্রকল্প, কেনা সম্পদ ও পরিচালিত কার্যক্রম সরেজমিনে যাচাই করতে হবে।আরও পড়ুন,নতুন দামে কত হলো এক ভরি স্বর্ণএ ছাড়া অর্থ লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করার পাশাপাশি কোম্পানি দুটির ব্যাংক হিসাবের লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে তদন্ত দলকে। অর্থ ব্যবহারে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তিদের ভূমিকা নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে সিকিউরিটিজ আইন, বিধি ও বিএসইসির নির্দেশনার কোনো ব্যত্যয় ঘটেছে কি না, তা শনাক্ত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা, কোম্পানি সচিব, নিরীক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্বও তদন্তের আওতায় থাকবে। শেয়ারবাজারসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কৃষিবিদ সিড ২০২২ সালে এবং ওয়েব কোটস ২০২৪ সালে এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত হয়। তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়ার আগে কোম্পানি দুটি সংগৃহীত অর্থ কোন খাতে এবং কত দিনের মধ্যে ব্যয় করবে, সে বিষয়ে পরিকল্পনা জমা দিয়েছিল। তদন্তে এসব পরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তবে অর্থ ব্যয়ের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোম্পানি দুটির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ বা অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

২৬ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন, ডিএমপির নজরদারি জোরদার
বব উইলিস ট্রফি জিতলেন ওলি রবিনসন

বব উইলিস ট্রফি জিতলেন ওলি রবিনসন

দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের স্বীকৃতি পেলেন ইংল্যান্ডের ডানহাতি পেসার ওলি রবিনসন। অসাধারণ বোলিং পারফরম্যান্সের কারণে ইংল্যান্ডের বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ৩২ বছর বয়সী এই পেসার। ২০২১ সালে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় রবিনসনের। তবে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ টেস্ট খেলার পর দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। দীর্ঘ দুই বছর চার মাস পর ২০২৬ সালের জুনে আবারও ইংল্যান্ড দলে জায়গা পান রবিনসন। দলে ফিরেই বল হাতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টের দুই ইনিংসে যথাক্রমে পাঁচ ও দুই উইকেট শিকার করেন এই পেসার। এরপর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন টেস্টের ছয় ইনিংসে নেন ২১ উইকেট। আরও পড়ুন,এল ক্লাসিকোতে হারচলতি বছর চার টেস্টে এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ লর্ডসে আয়োজিত ‘ভাইটালিটি ক্রিকেট মিডিয়া ক্লাব অ্যাওয়ার্ড’-এ বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে রবিনসনের নাম ঘোষণা করা হয়। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক বব উইলিসের নামে দেওয়া হয় এই ট্রফি। পুরস্কার জয়ের পর নিজের অনুভূতি জানিয়ে রবিনসন বলেন, দীর্ঘ সময় ইংল্যান্ড দলের বাইরে থাকার পর ফিরে এসে এবারের গ্রীষ্মে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারা তার কাছে বিশেষ কিছু। এই স্বীকৃতি পাওয়াকে তিনি বড় সম্মানের বলে উল্লেখ করেন। দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের স্বীকৃতি পেলেন ইংল্যান্ডের ডানহাতি পেসার ওলি রবিনসন। অসাধারণ বোলিং পারফরম্যান্সের কারণে ইংল্যান্ডের বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ৩২ বছর বয়সী এই পেসার।২০২১ সালে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় রবিনসনের। তবে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ টেস্ট খেলার পর দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।দীর্ঘ দুই বছর চার মাস পর ২০২৬ সালের জুনে আবারও ইংল্যান্ড দলে জায়গা পান রবিনসন। দলে ফিরেই বল হাতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তিনি।নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টের দুই ইনিংসে যথাক্রমে পাঁচ ও দুই উইকেট শিকার করেন এই পেসার। এরপর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন টেস্টের ছয় ইনিংসে নেন ২১ উইকেট।চলতি বছর চার টেস্টে এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ লর্ডসে আয়োজিত ‘ভাইটালিটি ক্রিকেট মিডিয়া ক্লাব অ্যাওয়ার্ড’-এ বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে রবিনসনের নাম ঘোষণা করা হয়। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক বব উইলিসের নামে দেওয়া হয় এই ট্রফি।পুরস্কার জয়ের পর নিজের অনুভূতি জানিয়ে রবিনসন বলেন, দীর্ঘ সময় ইংল্যান্ড দলের বাইরে থাকার পর ফিরে এসে এবারের গ্রীষ্মে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারা তার কাছে বিশেষ কিছু। এই স্বীকৃতি পাওয়াকে তিনি বড় সম্মানের বলে উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, এই যাত্রায় বেশ কিছু কঠিন মুহূর্ত পার করতে হয়েছে। তাই এমন পুরস্কারের গুরুত্ব তার কাছে আরও বেশি। ইংল্যান্ডের হয়ে আবার খেলতে পেরে তিনি আনন্দিত এবং ভবিষ্যতেও আরও সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশা করছেন।এদিকে বর্ষসেরা তরুণ ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন মিডলসেক্সের ২১ বছর বয়সী পেসার নাভিয়া শর্মা। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে নয় ম্যাচে ৩৫ উইকেট নিয়ে দলের হয়ে অবদান রাখেন তিনি। বর্তমানে ইংল্যান্ড লায়ন্স দলের হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে রয়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার।তিনি আরও বলেন, এই যাত্রায় বেশ কিছু কঠিন মুহূর্ত পার করতে হয়েছে। তাই এমন পুরস্কারের গুরুত্ব তার কাছে আরও বেশি। ইংল্যান্ডের হয়ে আবার খেলতে পেরে তিনি আনন্দিত এবং ভবিষ্যতেও আরও সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশা করছেন।এদিকে বর্ষসেরা তরুণ ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন মিডলসেক্সের ২১ বছর বয়সী পেসার নাভিয়া শর্মা। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে নয় ম্যাচে ৩৫ উইকেট নিয়ে দলের হয়ে অবদান রাখেন তিনি। বর্তমানে ইংল্যান্ড লায়ন্স দলের হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে রয়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার।

চলতি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আশা ছেড়ে পরের চক্রে বাবর

চলতি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আশা ছেড়ে পরের চক্রে বাবর

চলতি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তানের আশা প্রায় শেষ। তাই এবারের আসর নিয়ে আর ভাবছেন না পাকিস্তান টেস্ট দলের অধিনায়ক বাবর আজম। তাঁর লক্ষ্য এখন পরবর্তী বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের জন্য প্রতিযোগিতামূলক দল গড়ে তোলা। এ জন্য দলে তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের মধ্যে ভারসাম্য রাখার পরিকল্পনা করছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের ঘরের মাঠের টেস্ট সিরিজের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান বাবর। তিনি বলেন, ইংল্যান্ড সফরের পর থেকেই পাকিস্তান দল নতুন পরিকল্পনায় এগোচ্ছে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে দল পুনর্গঠনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাবরের ভাষায়, ‘আমাদের দল খুবই তরুণ। ইংল্যান্ড সফরের পর আমরা অন্য পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি।’ চলতি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স হতাশাজনক। ৯ ম্যাচ খেলে ৭টিতেই হেরেছে দলটি। পয়েন্টের শতকরা হার মাত্র ৪.৬৩। বর্তমানে চক্রের তলানিতে রয়েছে পাকিস্তান।আরও পড়ুন, বব উইলিস ট্রফি জিতলেন ওলি রবিনসনবাবরও স্বীকার করেছেন, চলতি আসরে পাকিস্তানের সম্ভাবনা প্রায় শেষ। তাই পরবর্তী চক্রের প্রস্তুতিতেই এখন বেশি মনোযোগ দিচ্ছে দল। তিনি বলেন, ‘এ বছরের ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে আমরা প্রায় ছিটকে গেছি। তাই আমাদের নজর এখন পরের চক্রে। আমরা আসন্ন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য তৈরি হচ্ছি। প্রতিযোগিতামূলক দল গড়তে আমরা আলাদা পথ নিয়েছি।’ দলে তরুণদের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চান পাকিস্তান অধিনায়ক। তাঁর মতে, সিনিয়র ও জুনিয়রদের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়ে তোলা জরুরি। এতে তরুণ ক্রিকেটাররা নিজেদের দক্ষতা প্রকাশের সুযোগ পাবেন এবং দলের শক্তিও বাড়বে। বাবর আশা প্রকাশ করেন, নতুন পরিকল্পনা পাকিস্তান দলকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তবে আপাতত তাঁদের মনোযোগ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজে।

তদন্তের মধ্যেই ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন রিজওয়ান

অনলাইন বেটিং এবং ইংল্যান্ড সফরে ড্রেসিংরুমের তথ্য ফাঁসের অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা পাকিস্তানের উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড পিসিবি। তদন্তের নিষ্পত্তি না হলেও বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়ে মাঠে ফিরছেন ৩৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির প্রেসিডেন্টস ট্রফির সপ্তম ও শেষ রাউন্ডে সুই নর্দান গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের অধিনায়কত্ব করবেন রিজওয়ান। দলটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গত মাসে ইংল্যান্ড সফরের মাঝপথে পাকিস্তানের টেস্ট দল থেকে বাদ পড়েন রিজওয়ান। দেশে ফিরে তিনি নিজের ঘরোয়া দল এসএনজিপিএলে যোগ দেন। দলের সঙ্গে অনুশীলন এবং টিম মিটিংয়েও অংশ নেন তিনি। তবে পরবর্তী সময়ে রিজওয়ানের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকার কথা জানিয়ে তাঁকে না খেলানোর নির্দেশ দেয় পিসিবি। এরপর দল ছাড়তে হয় এই ক্রিকেটারকে।আরও পড়ুন,জ্যোতির বদলে নেতৃত্বে নাহিদা সহ-অধিনায়ক সোবহানা এবার পিসিবির ঘরোয়া ক্রিকেট বিভাগের পরিচালকের কাছ থেকে ছাড়পত্র পাওয়ায় আবারও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত এখনো শেষ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের কথাও জানানো হয়নি। রিজওয়ানের প্রত্যাবর্তনে এসএনজিপিএল দল নতুন করে উজ্জীবিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ, আট দলের প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে দলটির অবস্থান বর্তমানে টেবিলের তলানিতে। ছয় ম্যাচ খেলে পাঁচটি ড্র ও একটি হারে তাদের সংগ্রহ ৫৩ পয়েন্ট। টুর্নামেন্টের শেষ রাউন্ডে ১৯ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডির শোয়েব আখতার স্টেডিয়ামে তৃতীয় স্থানে থাকা খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজের মুখোমুখি হবে এসএনজিপিএল। এই ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে রিজওয়ানের দায়িত্ব হবে দলকে জয় এনে দিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করার চেষ্টা করা। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি পাওয়া আর তদন্ত থেকে অব্যাহতি পাওয়া এক বিষয় নয়। অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত রিজওয়ানের তদন্তের বিষয়টি আলাদা প্রক্রিয়া হিসেবেই থাকবে।

তদন্তের মধ্যেই ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন রিজওয়ান

সুইং বাড়লেও সাফল্য নেই বাংলাদেশের

ওয়ানডে ক্রিকেটে আইসিসির নতুন নিয়মে বলের সুইং বাড়লেও সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ। বোলাররা বেশি সুইং পাচ্ছেন, কিন্তু উইকেট নেওয়ার সাফল্য বাড়ছে না। উল্টো বাড়ছে বোলিং গড় ও ওভারপ্রতি রান দেওয়ার হার। ব্যাটিংয়েও একই চিত্র। ইনিংসের শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার বদলে পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এর সর্বশেষ উদাহরণ গত শনিবার আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ। প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস থেমে যায় মাত্র ১৭২ রানে। ৯৯ রানের এই হার আবারও সামনে এনেছে বাংলাদেশের ব্যাটিং ও বোলিংয়ের দুর্বলতা। ম্যাচটিতে তাসকিন আহমেদ ৪৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেও শেষ দিকে রান আটকাতে পারেননি। প্রথম ছয় ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়া তাসকিন ডেথ ওভারের দুই ওভারে খরচ করেন ১৯ রান। মোস্তাফিজুর রহমানও শেষ দিকে তিন ওভারে দেন ২৪ রান, পাননি কোনো উইকেট। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের আলোচনায় উঠে আসছে আইসিসির বল ব্যবহারের নতুন নিয়ম। ইনিংসের প্রথম ৩৪ ওভার দুই প্রান্ত থেকে দুটি আলাদা বল ব্যবহারের পর অধিনায়ক একটি বল বেছে নেন। শেষ ১৬ ওভার চলে সেই বলেই। আরও পড়ুন,জ্যোতির বদলে নেতৃত্বে নাহিদা সহ-অধিনায়ক সোবহানাপুরোনো ও খসখসে বল রিভার্স সুইংয়ের জন্য উপযোগী হওয়ায় শেষ দিকে বোলাররা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। ক্রিকভিজের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন নিয়মে ডেথ ওভারে মোস্তাফিজের সুইং বেড়েছে ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং তাসকিনের বেড়েছে ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ। কিন্তু তাঁদের বোলিং গড় ও ইকোনমি রেট উল্টো বেড়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের নাসিম শাহ ও দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিডির মতো বোলাররা বাড়তি সুইংকে কাজে লাগিয়ে বোলিং গড় ও রান দেওয়ার হার কমিয়েছেন। ব্যাটিংয়ের পরিসংখ্যানও বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগজনক। নতুন নিয়ম চালুর আগে শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশের রানরেট ছিল ৭ দশমিক ৮৪। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৫৬-তে। অর্থাৎ শেষ ১০ ওভারে গড়ে প্রায় ১২ রান কম তুলছে দলটি। তবে একই নিয়মে ভারত ও ইংল্যান্ডের মতো দল শেষ দিকে রান তোলার গতি বাড়িয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পুরোনো বলের রিভার্স সুইং সামলানো এবং বোলিংয়ে বাড়তি সুইংকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো। সব মিলিয়ে আইসিসির নতুন নিয়ম বাংলাদেশের জন্য শুধু বোলিংয়ের পরীক্ষা নয়, ব্যাটিং কৌশল বদলেরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে দ্রুত কার্যকর পরিকল্পনা নিতে হবে বাংলাদেশ দলকে।

সুইং বাড়লেও সাফল্য নেই বাংলাদেশের

জ্যোতির বদলে নেতৃত্বে নাহিদা সহ-অধিনায়ক সোবহানা

বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক হয়েছেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার। তিনি নিগার সুলতানা জ্যোতির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে দলের নতুন সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যাটার সোবহানা মোস্তারি। রোববার ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বরাত দিয়ে ক্রিকেটবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিসিবির নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, নির্বাচক প্যানেলের সঙ্গে বৈঠক শেষে নাহিদা আক্তারকে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সোবহানা মোস্তারিকে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিসিবি মনে করছে, নাহিদার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার উপযুক্ত সময় এখনই। ২০২২ সালে নিগার সুলতানা জ্যোতি টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন নাহিদা। দীর্ঘদিন নেতৃত্বের সহায়ক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগাতে পারবেন তিনি। আরও পড়ুন,আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজএদিকে এশিয়ান গেমসের পর টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। নিজের খেলায় আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার লক্ষ্যেই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি। তবে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়লেও বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জ্যোতি। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও তার নেতৃত্বে খেলেছে বাংলাদেশ দল। নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তারের সামনে এখন দলকে আরও সুসংগঠিত করা এবং আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভালো ফল অর্জনের চ্যালেঞ্জ। সহ-অধিনায়ক সোবহানা মোস্তারিকে সঙ্গে নিয়ে নতুন নেতৃত্বে দল কতটা এগিয়ে যেতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। বাংলাদেশ নারী দলের পরবর্তী বড় লক্ষ্য আইসিসি উইমেন্স এমার্জিং নেশনস ট্রফি। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় এই প্রতিযোগিতায় আগামী ১২ নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। নতুন নেতৃত্বের অধীনে এই টুর্নামেন্ট দিয়েই দলের সামনে নিজেদের সামর্থ্য তুলে ধরার সুযোগ আসছে।

জ্যোতির বদলে নেতৃত্বে নাহিদা সহ-অধিনায়ক সোবহানা
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে যা বললেন কনকচাঁপা

নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে যা বললেন কনকচাঁপা

ইসলাম ধর্মের প্রতি নিজের গভীর বিশ্বাস ও ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। তিনি বলেছেন, অন্য সব ধর্মের প্রতি সম্মান রেখেই নিজের ধর্ম ইসলাম, স্রষ্টা আল্লাহ তাআলা এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন তিনি। নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকাশ করতে তাঁর কোনো জড়তা বা কুণ্ঠাবোধ নেই বলেও জানিয়েছেন এই শিল্পী। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন কনকচাঁপা। সেখানে তিনি নিজের পরিচয়, পারিবারিক জীবন, পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ এবং ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। পোস্টে কনকচাঁপা নিজেকে বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক ও গর্বিত মুসলমান হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তাঁর সংগীতজগৎ রয়েছে এবং অসংখ্য ভক্ত তাঁর ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। ভক্তদের তিনি নিজের মতোই ভালোবাসেন ও সম্মান করেন। নিজের পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরে এই সংগীতশিল্পী জানান, তাঁর বাবা আজিজুল হক মোর্শেদ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপপরিচালক ছিলেন। তাঁর মা মোমেনা জাহান একজন ইসলামী চিন্তাবিদ ও সমাজসেবক। আরও পড়ুন,রেকর্ড গড়ল অপূর্ব-নীহাতাঁদের আদি নিবাস সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে হলেও কনকচাঁপার জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। তাঁর স্বামী মইনুল ইসলাম খান একজন সুরকার ও সংগীত পরিচালক। ধর্মীয় বিশ্বাস প্রসঙ্গে কনকচাঁপা বলেন, তিনি নিয়মিত আল্লাহকে স্মরণ করতে ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআন আরবিতে পড়ার পাশাপাশি বাংলায় এর অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝার চেষ্টা করেন। তাঁর মতে, মানবতার জন্য কাজ করার সঙ্গে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার কোনো বিরোধ নেই। বরং ধর্মীয় বিশ্বাস ও মানবিক মূল্যবোধ একসঙ্গে ধারণ করেই মানুষের কল্যাণে কাজ করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সব ধর্মের মূল শিক্ষা শান্তি। তবে নিজের বিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুশাসনকে ধারণ করার ক্ষেত্রে তাঁর কোনো সংকোচ নেই। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে বিদ্রূপেরও সমালোচনা করেন তিনি। পোস্টের শেষাংশে কনকচাঁপা জানান, মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়ার কারণে নয়, বরং নিজের অন্তরের দৃঢ় বিশ্বাস থেকেই তিনি ভালোবেসে ইসলামকে ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পী।

পরীমণির আদালতে উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা

পরীমণির আদালতে উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা

আদালত থেকে জামিন নিয়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে। এ সময় তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কায় এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে রক্তাক্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এসব ঘটনা ঘটে। পরীমণির আদালতে উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরদিনই আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে আদালতে যান পরীমণি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালতে পৌঁছানোর পর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে ঘিরে রাখেন। পরে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গাড়ি থেকে নেমে এজলাসের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। এ সময় ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কাধাক্কি হয়। লিফটে ওঠার সময় ভিডিও ধারণ করতে গেলে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন পরীমণি। আরও পড়ুন,নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে যা বললেন কনকচাঁপাপরে সাংবাদিক টান দিয়ে ফোনটি ফিরিয়ে নেন। এরপর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন পরীমণি। শুনানি শেষে ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। জামিন নিয়ে বের হওয়ার সময়ও সাংবাদিকদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কাধাক্কি হয়। এ সময় তাদের ধাক্কায় সুজন চন্দ্র মনি দাস নামে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায়। এদিকে, আদালত থেকে বের হয়ে গাড়িতে ওঠার আগে সাংবাদিক রবিউল হোসাইনের দিকে তেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে পরীমণির বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৬ জুলাই ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ এ মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করে পিবিআই। ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

জয়ার নতুন ফটোশুট

দেশের জনপ্রিয় এবং দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান তাঁর অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা ও মনোমুগ্ধকর রূপ দিয়ে দীর্ঘকাল ধরে কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করে চলেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর মার্জিত ব্যক্তিত্ব এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ তাঁকে অনুরাগীদের কাছে আরও বিশেষ করে তুলেছে। পর্দার গ্ল্যামারাস জগতের বাইরে তিনি নিজের মতো করে শান্তিতে সময় কাটাতে ভালোবাসেন এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা খোলামেলা কথা বলেন না। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর নিয়মিত উপস্থিতি এবং বিভিন্ন মুহূর্তের আপডেট ভক্তদের মাঝে দারুণ উন্মাদনা ও কৌতূহল তৈরি করে। বয়সের সংখ্যা কেবল বাড়লেও জয়া যেন রূপের জাদুতে সময়কে থমকে দিয়েছেন। সম্প্রতি এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাঁর ভেরিফাইড সামাজিক হ্যান্ডেলে নতুন একটি ফটোশুট শেয়ার করেছেন, আরও পড়ুন,টিন্ডারে ভয়ংকর ফাঁদযা মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কেড়েছে। গোলাপি আভায় মোড়ানো স্যাটিনের পোশাকে, খোলা চুলের মোহময় ঢেউ এবং নজরকাড়া মায়াবী অভিব্যক্তিতে তাঁকে অত্যন্ত অনবদ্য ও স্নিগ্ধ দেখাচ্ছিল। ছবিগুলোর সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন, ‘গোলাপির ছোঁয়া, ঝামেলার শেষ নেই।’ শেয়ার করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, কখনো ডাইনিং টেবিলে হালকা ভর দিয়ে, আবার কখনো আরামদায়ক চেয়ারে বসে ক্যামেরার সামনে ভিন্ন ও নান্দনিক ভঙ্গিতে পোজ দিয়েছেন তিনি। তাঁর এই সোবার মেকআপ ও স্বতন্ত্র ফ্যাশন-ভাবনা ভক্তদের মাঝে দারুণ প্রশংসিত হয়েছে। এদিকে জয়ার নতুন এই রূপের ঝলক দেখে সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা বইয়ে দিয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। কমেন্ট বক্স ভরে উঠেছে নানা রকম ভালোবাসার মন্তব্যে। একজন অনুরাগী মুগ্ধতা প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘ছবি যখন কথা বলে।’ অন্য আরেকজন তাঁর চিরসবুজ রূপের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘আপনি দিন দিন আরও সুন্দর হয়ে উঠছেন।’ বরাবরের মতো তাঁর এই স্টাইল ও আবেদনময়ী উপস্থিতি প্রমাণ করে যে বয়সের সীমানা পেরিয়ে ফ্যাশন ও সৌন্দর্যের আইকন হিসেবে তিনি কতটা অনন্য।

জয়ার নতুন ফটোশুট

টিন্ডারে ভয়ংকর ফাঁদ

টিন্ডারের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ঘটে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কার রোমহর্ষক ও নৃশংস সিডনি লুফে হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে হুলুর ট্রু ক্রাইম তথ্যচিত্র সিরিজ ‘সোয়াইপ রাইট অন দ্য ডেভিল’। ২০১৭ সালে ২৪ বছর বয়সী তরুণী সিডনিকে ডেটিংয়ে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় এবং তাঁর দেহ ১৪ টুকরা করে ফেলে দেওয়া হয়। এই ভয়াবহ অপরাধের পেছনে ছিল ৫১ বছর বয়সী আত্মঘোষিত ভ্যাম্পায়ার অউব্রে ট্রেইল ও ২৩ বছর বয়সী বেইলি বসওয়েলের তৈরি করা এক অন্ধকার জগৎ। তারা জাদুবিদ্যার চর্চা ও কথিত গোপন গোষ্ঠীর (কোভেন) আড়ালে টিন্ডারের মাধ্যমে নারীদের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা, যৌন নির্যাতন এবং নিয়ন্ত্রণের ভয়ংকর জাল বিস্তার করেছিল।আরও পড়ুন,পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাসতদন্তে বেরিয়ে আসে, ট্রেইল ও বসওয়েল বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতেন এবং অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার দাবি করে তাঁদের ওপর মানসিক নির্যাতন চালাতেন। এমনকি অতিরিক্ত ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাউকে হত্যা করে সেই দৃশ্য ধারণের ভয়ংকর পরিকল্পনাও ছিল তাঁদের। সিডনি হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন আগেই সেই গোষ্ঠী থেকে কয়েকজন নারী পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ায় অউব্রে ট্রেইলের মৃত্যুদণ্ড এবং বেইলি বসওয়েলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। পরিচালক ব্রায়ান বিগেলের তিন বছরের গবেষণায় নির্মিত এই তিন পর্বের তথ্যচিত্রটি কেবল কোনো খুনের রহস্য উদ্ঘাটন করে না, বরং অনলাইন ডেটিংয়ের ঝুঁকি, একাকিত্বের সুযোগ নেওয়া এবং ভয়াবহ মানসিক নিয়ন্ত্রণের অন্ধকার দিকগুলোকে অত্যন্ত গভীরভাবে তুলে ধরেছে।

টিন্ডারে ভয়ংকর ফাঁদ

পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাস

সিনেমায় স্পর্শকাতর ও অন্তরঙ্গ দৃশ্য ধারণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিশ্বাস, স্পষ্ট যোগাযোগ এবং সহশিল্পীর স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মত প্রকাশ করেছেন দুইবারের অস্কারজয়ী বর্ষীয়ান হলিউড অভিনেতা মাইকেল ডগলাস। তাঁর মতে, পর্দায় এই জাতীয় দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা সুনির্দিষ্ট কোরিওগ্রাফি বা যৌথ নাচের মহড়ার মতোই, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে পারস্পরিক সম্মতির বিষয়টি জড়িত থাকে। সম্প্রতি নিউইয়র্কের ‘৯২এনওয়াই’-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের আসন্ন স্মৃতিকথা ‘ওয়ান হেলুভা রাইড’-এর প্রচারকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড’ পডকাস্টের উপস্থাপক জশ হোরোভিটজ। 'বেসিক ইনস্টিংক্ট', 'ফ্যাটাল অ্যাট্রাকশন' ও 'ডিসক্লোজার'-এর মতো নব্বইয়ের দশকের বিশ্বখ্যাত সিনেমায় অভিনয়ের সুবাদে থ্রিলার ও স্পর্শকাতর চরিত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে ৮২ বছর বয়সী এই অভিনেতার। তিনি জানান, আরও পড়ুন,বিশ্বসংগীতে নতুন রেকর্ড দক্ষিণ কোরিয়ার বিটিএসের    সেই সময়ে আধুনিক শুটিং সেটের মতো 'ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর' বা অন্তরঙ্গ দৃশ্য সমন্বয়কের মতো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ফলে পুরো বিষয়টি পারস্পরিক গভীর বোঝাপড়া ও আস্থার ওপর নির্ভর করে করতে হতো। মারামারির দৃশ্য কোরিওগ্রাফির সাথে তুলনা করে ডগলাস বলেন, দৃশ্যধারণের আগেই সহশিল্পীর সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হতো কীভাবে স্পর্শ করা হবে, যাতে অনভিপ্রেত কোনো অস্বস্তি না থাকে। বিশেষ করে তখনকার দিনে শুটিং সেটে প্রধানত পুরুষ কলাকুশলীদের দাপট থাকায় নারী সহশিল্পীরা যেন কোনোভাবেই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন, সেদিকে তিনি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতেন। আলোচনায় নিজের স্মৃতিকথা ‘ওয়ান হেলুভা রাইড’ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন মাইকেল ডগলাস। বইটিতে নিজের অতীতের প্রেমের সম্পর্ক, মাদকের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই এবং হলিউড আইকন কার্ক ডগলাসের পুত্র হিসেবে বেড়ে ওঠার মানসিক চাপের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। জীবনের এসব অন্ধকার অধ্যায় প্রকাশের কারণ হিসেবে তিনি জানান, যাতে তাঁর নাতি-নাতনিরা দাদুর জীবনের পূর্ণাঙ্গ সত্যটা জানতে পারে। এছাড়া স্ত্রী ক্যাথরিন জেটা-জোনসের সঙ্গে পরিচয়ের আগের অনেক অজানা তথ্যও বইটিতে স্থান পেয়েছে। জীবনের দুর্বলতাগুলো জনসমক্ষে আনায় পাঠকদের ইতিবাচক সাড়াতে স্বস্তি প্রকাশ করেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।

পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাস
কোন পোস্ট নেই !