বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

জাতীয়

মিয়ানমার হয়ে চীন করিডোরে ইতিবাচক ঢাকা

মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশ থেকে চীন পর্যন্ত প্রস্তাবিত করিডোর নিয়ে কোনো ধরনের ভূরাজনৈতিক শঙ্কা দেখছে না সরকার। বরং এ করিডোর বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে ঢাকা। তবে করিডোর চালুর আগে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংকে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার হয়ে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত করিডোর নিয়ে সরকারের কোনো ভূরাজনৈতিক উদ্বেগ নেই। এ করিডোর বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। আরও পড়ুন,ক্রসফায়ার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ফেরার অপেক্ষায় সরকারতবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান জরুরি। এদিকে আগামী ডিসেম্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিষয়টিকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা একজন পলাতক সন্ত্রাসী। তার ক্ষেত্রে দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি প্রযোজ্য নয়। বরং বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রযোজ্য। প্রস্তাবিত করিডোর বাস্তবায়ন, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান এবং চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক যোগাযোগ জোরদারের বিষয়গুলো নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি সংযোগ গড়ার পরিকল্পনা

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি সংযোগ গড়ার পরিকল্পনা

মোংলা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর বাগেরহাটের মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন সিআরসিসির মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ উপলক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। আরও পড়ুন,নারীর নেতৃত্ব বিকাশে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকারএ সময় তিনি মোংলাকে কেন্দ্র করে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে চীনা বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করতে চায়। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করায় চীনা প্রতিনিধিদলকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি দিনটিকে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের উল্লেখ করে দেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় এগিয়ে আসায় চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এসব তথ্য জানিয়েছেন।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
চাবড়ি বাজারে ভবন ধসে নিহত অন্তত দুই

চাবড়ি বাজারে ভবন ধসে নিহত অন্তত দুই

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে তিনতলা একটি ভবন ধসে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর সকালে দিল্লির চাবড়ি বাজার মেট্রো স্টেশনের কাছে গলি সিতারা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে হঠাৎ ভবনটি ধসে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের অন্তত ছয়টি ইউনিট। উদ্ধারকাজে পানিবাহী গাড়ি ও বিভিন্ন ধরনের উদ্ধারকারী যান মোতায়েন করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে চলছে উদ্ধার অভিযান। এদিকে, ভবন ধসের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আম আদমি পার্টির নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার সরকারের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেছেন, গত কয়েক মাসের মধ্যে রাজধানীতে এটি তৃতীয় ভবন ধসের ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ ভরদ্বাজ বলেন, আরও পড়ুন,অভিশংসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কড়া বার্তা ট্রাম্পেরচাবড়ি বাজার বা চাঁদনি চক এলাকায় আরেকটি তিনতলা ভবন ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। তার প্রশ্ন, দিল্লির সরকার ও পৌর করপোরেশন বিভিন্ন ভবনে একাধিকবার নিরাপত্তা নিরীক্ষা চালানোর পরও কেন এমন দুর্ঘটনা ঘটছে? আরেকটি পোস্টে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, নিরাপত্তা নিরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হলেও কার্যকর পদক্ষেপের পরিবর্তে বিভিন্ন বিভাগে ঘুষ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। তার অভিযোগ, এ কারণেই রাজধানীতে বারবার ভবন ধসের ঘটনা ঘটছে। তবে ভবন ধসের প্রকৃত কারণ এবং হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্যের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

২ ঘন্টা আগে
অভিশংসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কড়া বার্তা ট্রাম্পের

অভিশংসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কড়া বার্তা ট্রাম্পের

আগামী বছর কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে গেলে তারা যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসনের উদ্যোগ নেয়, তাহলে তাতে দলটি ধ্বংস হয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের পরদিন সম্ভাব্য অভিশংসন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, আরও পড়ুন,সুদানে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলাডেমোক্র্যাটরা যদি তাকে অভিশংসনের উদ্যোগ নেয়, তাহলে তা তাদের দলের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হবে। নিজের অবস্থানে অনড় থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, তাকে অভিশংসন করার মতো কোনো কারণ নেই। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল এবং কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

২ ঘন্টা আগে
সুদানে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা

সুদানে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা

সুদানের রাজধানী খার্তুমের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চালানো এ হামলায় খার্তুম ও আল-জাজিরা প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর মাত্র এক দিন আগে দেশটির চারটি প্রদেশের ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল বাহিনীটি। সুদানের জাতীয় বিদ্যুৎ কোম্পানির এক কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, আরএসএফের ড্রোনগুলো আল-মারখিয়াত ট্রান্সফরমার স্টেশনকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এতে রাজধানী খার্তুমসহ আল-জাজিরা প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর আগে সোমবার সমন্বিত ড্রোন হামলায় পূর্ব সুদানের চারটি প্রদেশে ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই হামলার পর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দেয়। ধারাবাহিক এসব হামলায় দেশটির বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের নিয়মিত সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে। দীর্ঘ এই যুদ্ধে দেশটির মধ্যাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের বড় অংশ বর্তমানে সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংঘাতের কারণে সুদানে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। ত্রাণকর্মীদের ধারণা, আরও পড়ুন,ইরানি নাবিকদের উদ্ধারএ পর্যন্ত যুদ্ধে দুই লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে ব্যাপকভাবে এবং বহু মানুষ খাদ্যসংকটে পড়েছেন। জাতিসংঘ বারবার সতর্ক করে বলেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা লাখ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবা সচল রাখার ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি তৈরি করছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হলে হাসপাতাল, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ে। গত বছর সেনাবাহিনী খার্তুম পুনর্দখল করার পর প্রায় ৩০ লাখ মানুষ খার্তুম প্রদেশে ফিরে এসেছেন। তবে যুদ্ধবিধ্বস্ত রাজধানীতে ফিরে অনেকেই নতুন করে জীবন গড়ে তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ এখনো অনিয়মিত। অবিস্ফোরিত বোমার ঝুঁকি এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। বর্তমানে সুদানের যুদ্ধে ড্রোন হামলা অন্যতম প্রধান কৌশল হয়ে উঠেছে। উভয় পক্ষই উন্নত প্রযুক্তির ড্রোন ব্যবহার করছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম তিন সপ্তাহেই ড্রোন হামলায় ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও কয়েকশ। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় ধারাবাহিক হামলায় দেশটির বিদ্যুৎ, পানি ও স্বাস্থ্যসেবা আরও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

২৭ অক্টোবর ২০২৬
ইরানি নাবিকদের উদ্ধার

ইরানি নাবিকদের উদ্ধার

শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের নিকটবর্তী আন্তর্জাতিক জলসীমায় অসুস্থ হয়ে পড়া ৪০ জন ইরানি নাবিককে সফলভাবে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে গত শনিবার রাতে তাঁদের বিশেষ বিমানে করে নিরাপদে ইরানে ফেরত পাঠানো হয়। শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র থুশারা রদ্রিগো বিবিসি সিনহালাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, কলম্বোয় অবস্থিত ইরানি দূতাবাসের উদ্যোগে এবং স্থানীয় শিপিং কোম্পানির সহায়তায় এই উদ্ধার ও চিকিৎসার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়। মার্কিন নৌ অবরোধ ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি জাহাজগুলো আটকা পড়ায় নাবিকদের মধ্যে এই সংকট তৈরি হয়েছিল।আরও পড়ুন,ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধ্বসজরুরি সাহায্য চেয়ে আবেদন পাওয়ার পর মানবিক বিবেচনা ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন মেনে শ্রীলঙ্কা এই উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে। তবে শ্রীলঙ্কা এই সংঘাতে নিজেদের কঠোরভাবে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার কথা স্পষ্ট করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিপদসংকেত পেলেই সাড়া দেওয়া আন্তর্জাতিক প্রথা এবং মানবতা রক্ষার্থে জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করা তাদের বাধ্যবাধকতা। এর আগে গত মার্চেও মার্কিন হামলায় ডুবে যাওয়া ইরানি জাহাজ ‘আইআরআইএস ডেনা’র বেঁচে যাওয়া নাবিকদের শ্রীলঙ্কা চিকিৎসা দিয়েছিল। তবে সম্প্রতি উপকূলের কাছে আটকে থাকা ১৯টি ইরানি জাহাজে খাদ্য ও জ্বালানির সংকট দেখা দিলেও জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে কোনো সহায়তা পাঠানো হয়নি বলে জানিয়েছে লঙ্কান কর্তৃপক্ষ।

২৬ অক্টোবর ২০২৬
ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধ্বস

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধ্বস

যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক পূর্বমুহূর্তে প্রকাশিত একাধিক শীর্ষস্থানীয় জনমত জরিপে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা আশঙ্কাজনকভাবে কমার চিত্র ফুটে উঠেছে। তবে এসব জরিপের বৈজ্ঞানিক ফলাফলকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে ট্রাম্প দাবি করেছেন, এসব জনমত জরিপ ‘ভুয়া’ এবং মার্কিন জনগণের মধ্যে তাঁর প্রকৃত সমর্থন মূলত ৬০ শতাংশের কাছাকাছি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন এক্সামিনারের সাংবাদিক বাইরন ইয়র্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জোর গলায় মন্তব্য করেন যে, বর্তমানে নির্বাচনে তাঁকে পরাজিত করা কারোর পক্ষেই সম্ভব নয়। সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন রিয়েলক্লিয়ারপলিটিকসের গড় ফলাফল তুলে ধরা হলে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের দায়িত্ব পালনে সন্তুষ্ট মাত্র ৩৮.৮ শতাংশ নাগরিক, যার বিপরীতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ৬০.৪ শতাংশ। আরও পড়ুন,ছাত্র আন্দোলন অব্যাহতএ ছাড়া নিউইয়র্ক টাইমস-সিয়েনা কলেজের সাম্প্রতিক জরিপে তাঁর সমর্থনের হার নেমে এসেছে ৩৪ শতাংশে, যা ১৯৪৬ সালে হ্যারি ট্রুম্যানের (৩৩%) পর মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কোনো প্রেসিডেন্টের জন্য সর্বনিম্ন। রয়টার্স-ইপসোসের জরিপেও তাঁর সমর্থন তাঁর দুই মেয়াদের মধ্যে সর্বনিম্ন ৩১ থেকে ৩৪ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপেও তাঁর প্রতি সমর্থন মিলছে মাত্র ৩০ শতাংশ। নিজের দাবির পক্ষে ট্রাম্প সিএনএনের প্রধান তথ্য বিশ্লেষক হ্যারি এনটেনের একটি বিশ্লেষণ উল্লেখ করে বলেন, 'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' (মাগা) সমর্থক ও রিপাবলিকানদের মধ্যে ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশ ভোটার এখনো তাঁর পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকান ঘাঁটিতে জনপ্রিয়তা থাকলেও মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার কারণে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ট্রাম্পের জনঅসন্তোষ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যাকে ‘পাঁচ মাত্রার ভয়াবহ বিপর্যয়’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবুও এসব পরিসংখ্যানকে তোয়াক্কা না করে ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, সাধারণ জনগণের শক্ত সমর্থনেই তিনি জয়ী হবেন।

২৬ অক্টোবর ২০২৬
ছাত্র আন্দোলন অব্যাহত

ছাত্র আন্দোলন অব্যাহত

ভারতের দিল্লির ঐতিহাসিক সংখ্যালঘু কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া-তে দুই সপ্তাহ ধরে চলা প্রবল ছাত্র আন্দোলনের মুখে অবশেষে নতিস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের পর আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মাহতাব আলম রিজভী ঘোষণা করেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে। একই সাথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিল করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তাও পর্যালোচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের পর থেকে এই ক্যাম্পাসে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ জমে ছিল। তবে কর্তৃপক্ষের মৌখিক প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা তাঁদের আন্দোলন ও অনশন কর্মসূচি এখনই স্থগিত করছেন না। আরও পড়ুন,কমপ্লায়েন্ট স্বীকৃতি পেল প্রায় ৩৯ হাজার কুয়েতি প্রতিষ্ঠানঅনশনরত এবং আন্দোলনকারী ছাত্র সংগঠনগুলোর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া এই নির্দেশ বিভ্রান্তিকর এবং তা আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত আকারে দেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীরা কেবল নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখই চান না, বরং আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নেওয়া সমস্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার, বহিস্কৃতদের পুনর্বাহাল এবং প্রধান প্রক্টর ও নিরাপত্তা উপদেষ্টার অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। ১৭ অক্টোবর ভোরে শিক্ষার্থীদের বলপ্রয়োগ করে সরানোর চেষ্টা এবং গত শনিবার বিশ্বাবদ্যালয়ের ৭ নম্বর গেটে নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশের সাথে সংঘাতের ঘটনারও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে। ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে ও সংকটজনক। গত শনিবার থেকে ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাইরে থেকে খাবার বা রসদ ঢুকতে না দেওয়ায় ভেতরের শিক্ষার্থীরা খাদ্য সংকটে পড়েছেন বলেও জানা গেছে। এরই মধ্যে রাসায়নিক বিজ্ঞান বিভাগের দেয়ালে 'ফ্রি কাশ্মীর' ও 'ফ্রি শারজিল ইমাম'-এর মতো বিতর্কিত গ্রাফিতি আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা শিক্ষার্থীরা স্পষ্টত ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। সার্বিকভাবে, লিখিত নিশ্চয়তা এবং অন্যান্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের 'গুলস্তাঁ-ই-গালিব' ভবনে অবস্থান ধর্মঘট ও গালিব লনে অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন।

২৬ অক্টোবর ২০২৬
কমপ্লায়েন্ট স্বীকৃতি পেল প্রায় ৩৯ হাজার কুয়েতি প্রতিষ্ঠান

কমপ্লায়েন্ট স্বীকৃতি পেল প্রায় ৩৯ হাজার কুয়েতি প্রতিষ্ঠান

কুয়েতে কর্মীদের নিয়মিত বেতন পরিশোধে অনিয়ম এবং বিভিন্ন আর্থিক জটিলতার সঙ্গে জড়িত ৮ হাজার ৮৪৯টি প্রতিষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করেছে সে দেশের পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ার (প্যাম)। একই সঙ্গে সরকারি নীতিমালা সঠিকভাবে মেনে সময়মতো কর্মীদের বেতন পরিশোধ করায় ৩৯ হাজার ৫৫৯টি প্রতিষ্ঠানকে নিয়মনিষ্ঠ বা কমপ্লায়েন্ট হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। প্যামের ডিজিটাল মজুরি পর্যবেক্ষণ বা ওয়েজ-পেমেন্ট মনিটরিং সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের সিস্টেমে মোট ১ লাখ ২৫২টি ফাইল নিবন্ধিত রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজনের কম কর্মী রয়েছে এমন ক্ষুদ্র ব্যবসা ও নিয়োগকর্তার সংখ্যা ৫১ হাজার ৮৪৪টি। অন্যদিকে, পাঁচ বা ততোধিক কর্মী রয়েছে এমন মাঝারি ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের মোট ফাইল সংখ্যা ৪৮ হাজার ৪০৮টি। আরও পড়ুন,ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলে পুড়েছে ১৯ লাখ হেক্টরএই বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকেই ৮ হাজার ৮৪৯টি প্রতিষ্ঠানের ফাইলে কর্মীদের বেতন প্রদানে অনিয়মের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এদিকে প্রবাসী কর্মীদের বেতন থেকে যত্রতত্র অর্থ কর্তন রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ। বেতন কাটার জন্য সুনির্দিষ্ট ১৩টি বৈধ কারণ নির্ধারণ করে দিয়েছে প্যাম। এর মধ্যে রয়েছে অবৈতনিক ছুটি, সন্তান প্রতিপালন ও অসুস্থতাজনিত ছুটি, আংশিক বেতনভুক্ত ছুটি, সাময়িক বরখাস্ত, কর্মক্ষেত্র থেকে অনুমতি ছাড়া প্রস্থান, কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং নোটিশ ছাড়া অনুপস্থিতির মতো পেশাগত বিভিন্ন কারণ। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কর্মীর বেতন থেকে অর্থ কাটতে হলে সেটির আইনগত যৌক্তিকতা প্রমাণে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক ও বৈধ নথিপত্র বাধ্যতামূলকভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। তাছাড়া কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্যাম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনো অবস্থাতেই এক মাসে কোনো কর্মীর মূল বেতনের ২৫ শতাংশের বেশি অর্থ কাটা যাবে না। এই সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কর্তনের ক্ষেত্রেও কর্তনের বৈধতা নিশ্চিতকারী সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য নথিপত্র সংযুক্ত করা আবশ্যক করা হয়েছে। কুয়েত প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপে দেশটিতে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২৫ অক্টোবর ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলে পুড়েছে ১৯ লাখ হেক্টর

ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলে পুড়েছে ১৯ লাখ হেক্টর

ইন্দোনেশিয়ায় চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ে গেছে ১৯ লাখ হেক্টরেরও বেশি এলাকা। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে বন উজাড় পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নুসানতারা অ্যাটলাস। সংস্থাটির আশঙ্কা, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রকাশিত হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে। নুসানতারা অ্যাটলাসের প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড গ্যাভো জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় মোট ১৯ লাখ ১৬ হাজার ৫৮৮ হেক্টর এলাকা পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন শনাক্ত করা হয়েছে। পুড়ে যাওয়া এই এলাকার আয়তন যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের প্রায় ১২ গুণ। তবে এই পরিসংখ্যানকে প্রাথমিক ও সতর্ক হিসাব হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। আরও পড়ুন,১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যুডেভিড গ্যাভোর মতে, ছোট ছোট পোড়া এলাকা হিসাবের বাইরে থেকে যাওয়া এবং ভুল শনাক্তকরণ এড়ানোর কারণে মোট ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিমাণ কম ধরা পড়তে পারে। এ ছাড়া, ঘন ধোঁয়াশার কারণে অনেক ক্ষেত্রে স্যাটেলাইটের ছবিতে আগুনে পুড়ে যাওয়া এলাকা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, ইন্দোনেশিয়া সরকার সর্বশেষ গত জুলাইয়ের শেষে জানিয়েছিল, তখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় ২ লাখ ২ হাজার হেক্টর এলাকা দাবানলে পুড়ে গেছে। এরপর থেকে সরকারিভাবে নতুন কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বেসরকারি পর্যবেক্ষণ সংস্থার সাম্প্রতিক হিসাবের সঙ্গে সরকারি তথ্যের বড় ব্যবধান দেখা যাচ্ছে। নুসানতারা অ্যাটলাসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত পুড়ে যাওয়া এলাকার পরিমাণ ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০১৫ সালে ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সে সময় বর্তমান পর্যবেক্ষণব্যবস্থায় ব্যবহৃত স্যাটেলাইটগুলো চালু না থাকায় ওই বছরের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য নেই। ডেভিড গ্যাভো আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, চলতি বছরের দাবানলও ২০১৫ সালের মতো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাঁর মতে, স্যাটেলাইটে শনাক্ত হওয়া আগুনের হটস্পটের সংখ্যা এখনো বাড়ছে, যা পরিস্থিতির আরও অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সব মিলিয়ে, ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রকৃত পরিমাণ এবং আগুনের বিস্তার সম্পর্কে আরও স্পষ্ট চিত্র পেতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।

১৯ অক্টোবর ২০২৬
বিদেশি বিনিয়োগে বদলে যাচ্ছে এথেন্সের পুরোনো পাড়া

বিদেশি বিনিয়োগে বদলে যাচ্ছে এথেন্সের পুরোনো পাড়া

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের এক্সারখিয়া এলাকায় বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটন বৃদ্ধির কারণে বদলে যাচ্ছে দীর্ঘদিনের আবাসিক পরিবেশ। একের পর এক ভবন কিনে স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার আবাসনে রূপান্তর করছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে বাড়ছে বাড়িভাড়া, উচ্ছেদের মুখে পড়ছেন পুরোনো বাসিন্দারা, আর হারিয়ে যাচ্ছে এলাকার ঐতিহ্য ও সামাজিক বন্ধন। এক্সারখিয়া দীর্ঘদিন ধরে বামপন্থী রাজনীতি, প্রতিবাদ আন্দোলন এবং ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতির জন্য পরিচিত। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এলাকায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইসরায়েলি ক্রেতাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। তবে এথেন্সে বাড়ির মালিকদের জাতীয়তা নিয়ে সরকারি পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান নেই। ১৯৮৬ সাল থেকে এলাকাটিতে বসবাস করছেন স্থপতি টোনিয়া ক্যাটেরিনি। তাঁর ভাষ্য, বিদেশি বিনিয়োগের কারণে পরিচিত পাড়ার চেহারা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তিনি ও তাঁর প্রতিবেশীরা সরকারি নথির ভিত্তিতে বিদেশিদের কেনা সম্পত্তির একটি ডিজিটাল মানচিত্রও তৈরি করেছেন। তাঁদের দাবি, নতুন গড়ে ওঠা কোম্পানি পরিচালিত হোটেল ও ভাড়ার আবাসনের উল্লেখযোগ্য অংশ ইসরায়েলি বিনিয়োগকারীদের মালিকানাধীন। আরও পড়ুন,১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যুএদিকে, দীর্ঘদিনের বাসিন্দা ও স্কুলশিক্ষিকা ক্রিসুলা পাপাজর্জিওর অভিযোগ, করোনাভাইরাস মহামারির পর পরিস্থিতির বড় পরিবর্তন ঘটে। ব্যক্তিগতভাবে ঘর ভাড়া দেওয়ার পরিবর্তে বিভিন্ন কোম্পানি পুরো ভবন কিনে পর্যটকদের জন্য ব্যবহার করতে শুরু করে। এর ফলে অনেক ভাড়াটিয়াকে এলাকা ছাড়তে হয়েছে। বাসিন্দা কমে যাওয়ায় স্থানীয় স্কুলগুলো শিক্ষার্থী হারিয়েছে, বন্ধ হয়েছে পুরোনো বইয়ের দোকান, ক্যাফে ও মুদি দোকান। বাড়িভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি মেট্রো স্টেশন নির্মাণ ও পর্যটকের সংখ্যা বাড়াও স্থানীয়দের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, এক্সারখিয়া ধীরে ধীরে আবাসিক এলাকা থেকে পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হবে। ২০২২ সাল থেকে এলাকাটির স্কয়ারে মেট্রো স্টেশন নির্মাণের কাজ চলছে। গ্রিসের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটির আবাসন খাতে বিদেশি অনাবাসীদের বিনিয়োগ রেকর্ড ২৭৫ কোটি ইউরোতে পৌঁছায়। আবাসন সংকট মোকাবিলায় সরকার বিদেশি ক্রেতাদের ওপর কর বাড়ানো এবং স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে। মধ্য এথেন্সে নতুন স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার লাইসেন্স দেওয়ার নিষেধাজ্ঞাও ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আবাসন ব্যবসায়ীদের মতে, সরকারি নিয়ম এবং তরুণ গ্রিকদের বাড়ি কেনার আগ্রহ বৃদ্ধির কারণে বিদেশি ক্রেতাদের অংশগ্রহণ কিছুটা কমেছে। তবে বাড়িভাড়া ও আবাসন সংকট এখনো পুরোপুরি কাটেনি। এক্সারখিয়ার বাসিন্দাদের দাবি, উন্নয়ন ও বিনিয়োগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সাশ্রয়ী আবাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে বিদেশি বিনিয়োগের চাপে এলাকার পুরোনো বাসিন্দা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বন্ধন আরও হারিয়ে যেতে পারে।

১৯ অক্টোবর ২০২৬
১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যু

১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যু

আলজেরিয়ার সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ নারী হিসেবে পরিচিত হাজ্জা সারহুদা সিতিতি মারা গেছেন। প্রচলিত জন্মসন অনুযায়ী, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১৩২ বছর। জীবনের শেষ দিকে পবিত্র হজ পালন করে আলোচনায় আসা এই নারীর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া। ১৮৯৪ সালে আলজেরিয়ার গালমা প্রদেশের শিনিউ এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন সারহুদা সিতিতি। পরবর্তী সময়ে তিনি তেবেসা শহরে বসবাস করতেন। দীর্ঘ জীবন, বড় পরিবার এবং জীবনের শেষ পর্যায়ে হজ পালনের কারণে তিনি দেশজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন। মাত্র ২০ বছর বয়সে বিয়ে করেন সারহুদা। তাঁর ছিল ১৫ সন্তান। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি সন্তান, নাতি-নাতনি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কাটিয়েছেন। তাঁর জীবনকাহিনি আলজেরিয়ার একাধিক প্রজন্মের পারিবারিক ও সামাজিক পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।আরও পড়ুন,নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালেন ট্রাম্প ২০২৪ সালের জুনে ১৩০ বছর বয়সে পবিত্র হজ পালন করেন সারহুদা সিতিতি। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে সৌদি আরবে হজ করতে যাওয়ার ঘটনা সে সময় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর আগে তিনি দুইবার ওমরাহ পালন করেছিলেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি আল আরাবিয়া তাঁর হজ পালনের বিশেষ ভিডিওচিত্র প্রকাশের পাশাপাশি মৃত্যুর খবরও জানায়। ১৮৯৪ সালের জন্মসন সঠিক হলে সারহুদা তাঁর দীর্ঘ জীবনে আলজেরিয়ার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ নানা অধ্যায়ের সাক্ষী হয়েছেন। তিনি দেখেছেন ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসন, স্বাধীনতার সংগ্রাম এবং দেশটির স্বাধীনতা অর্জন। পাশাপাশি স্বাধীনতা-পরবর্তী কয়েক দশকের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনও প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে আলজেরিয়ায় শোকের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। তবে তাঁর জন্মসন অনুযায়ী ১৩২ বছর বয়সের দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। দীর্ঘ জীবনের নানা অভিজ্ঞতা, বড় পরিবার এবং জীবনের শেষদিকে পবিত্র হজ পালনের মধ্য দিয়ে হাজ্জা সারহুদা সিতিতি আলজেরিয়ার মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

১৯ অক্টোবর ২০২৬
“

১১ মাসের সন্তান নিয়ে অনিশ্চয়তায় তৌফিকের স্ত্রী

গাজীপুরের শ্রীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিক হোসেনের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। স্বামীকে হারিয়ে ১১ মাসের শিশুসন্তান নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকা তৌফিকের স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলে পরিবারের আর্থিক অবস্থা ও বর্তমান দুরবস্থার খোঁজ নিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান জামায়াত আমির। পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান জানান, তৌফিক ও তার বড় ভাই দুজনই এতিম। দরিদ্র পরিবারে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা দুই ভাই একই পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। শ্রমিক আন্দোলনের সময় বড় ভাইয়ের চোখের সামনেই ছোট ভাই তৌফিকের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরও তৌফিক সংজ্ঞাহীন থাকায় শেষবারের মতো তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাননি বড় ভাই। তৌফিকের পরিবারের আর্থিক সংকটের কথাও তুলে ধরেন জামায়াত আমির। তিনি জানান, অভাবের কারণে তৌফিকের স্ত্রীও আগে পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তবে সন্তান জন্মের পর তার দেখাশোনার জন্য চাকরি ছেড়ে দেন। বর্তমানে শিশুটির বয়স মাত্র ১১ মাস। স্বামীকে হারিয়ে সন্তানকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তার। পরিবারটির নিজস্ব কোনো বসতভিটাও নেই। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে তাদের নামে মাথা গোঁজার মতো এক ইঞ্চি জমিও নেই। আরও পড়ুন,পোশাকশ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের অভিযোগবর্তমানে স্বামীর চাচার ছোট একটি ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন তৌফিকের স্ত্রী ও সন্তান। তৌফিকের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দরিদ্র মানুষের বিচার পাওয়ার সুযোগ নিয়ে সংশয় থাকলেও তারা ন্যায়বিচারের দাবি জানাবেন। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা গেলে অসহায় স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা কিছুটা হলেও সান্ত্বনা পাবেন। পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ইনশাআল্লাহ তারা এই পরিবারের পাশে থাকবেন। একই সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে অসহায় পরিবারটির জন্য সহায়তা কামনা করেন তিনি। ফোনালাপের সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের গাইবান্ধা জেলা আমির ও সংসদ সদস্য আব্দুল করিম, সাবেক জেলা আমির ডা. আব্দুর রহিম সরকার, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমিরসহ স্থানীয় নেতারা। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং স্বজনদের সান্ত্বনা জানান।

লিংক কপি করা হয়েছে!

জেলার খবর

নতুন দামে কত হলো এক ভরি স্বর্ণ

দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা। নতুন এই দাম বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকা। বাজুস আরও জানিয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী নির্ধারিত মজুরি প্রযোজ্য হবে। আরও পড়ুন,এফটিএ চুক্তিতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনাবিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া অলঙ্কার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ অর্থ বাদ দিতে হবে। এর আগে বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে আবারও বড় অঙ্কের মূল্যবৃদ্ধি হলো। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ১৩৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৫ বার দাম বেড়েছে, ৬৭ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।এদিকে স্বর্ণের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২১৬ টাকায়।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মিয়ানমার হয়ে চীন করিডোরে ইতিবাচক ঢাকা
এল ক্লাসিকোতে হার

এল ক্লাসিকোতে হার

বছরের প্রথম হাইভোল্টেজ এল ক্লাসিকোতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনাকে তাদেরই ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে ২-১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। রোমাঞ্চকর এই ম্যাচে লস ব্লাঙ্কোসদের হয়ে দুর্দান্ত প্রদর্শনী দেখিয়ে জোড়া গোল করেছেন তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই পরাজয়ের পর চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন বার্সেলোনার মিডফিল্ডার পেদ্রি। তবে পরাজয়ের জন্য অজুহাত না খুঁজে তিনি দলের ভেতরের দুর্বলতা এবং নিজেদের পারফরম্যান্সের ব্যর্থতাকেই স্পষ্টভাবে স্বীকার করে নিয়েছেন। ম্যাচ শেষে ডিএজেডএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার পেদ্রি জানান, সার্বিক বিচারে এটি তাঁদের দলের কাছ থেকে কোনো ভালো ম্যাচ ছিল না। বিশেষ করে প্রথমার্ধে বার্সেলোনা তাদের স্বাভাবিক ও পরিচিত ছন্দে খেলতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। আরও পড়ুন,আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজতিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খেলায় বলের গতি অত্যন্ত মন্থর ছিল এবং ফুটবলাররা প্রচুর সহজ ও বোকামি ভুল করে প্রতিপক্ষকে বল উপহার দিয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদের মতো বিশ্বমানের ও শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এ ধরনের মারাত্মক ভুল করার খেসারত যে হার দিয়ে দিতে হয়, সেটিও অকপটে স্বীকার করেন তিনি। এল ক্লাসিকোর এই পরাজয়ে স্বাভাবিকভাবেই ভীষণ হতাশ বার্সা শিবির। তবে পেদ্রি অতীতে পড়ে থাকতে নারাজ এবং দলীয় মনোযোগ সামনের দিকেই রাখতে চান। তাঁর মতে, দীর্ঘ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লা লিগার শিরোপা লড়াইয়ে এখনো অনেক পথ পাড়ি দেওয়া বাকি আছে। তাই এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে ভুলগুলো শুধরে খুব দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে হবে এবং আপাতত আসন্ন ম্যাচগুলোর দিকেই পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছে কাতালান ক্লাবটি।

বব উইলিস ট্রফি জিতলেন ওলি রবিনসন

বব উইলিস ট্রফি জিতলেন ওলি রবিনসন

দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের স্বীকৃতি পেলেন ইংল্যান্ডের ডানহাতি পেসার ওলি রবিনসন। অসাধারণ বোলিং পারফরম্যান্সের কারণে ইংল্যান্ডের বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ৩২ বছর বয়সী এই পেসার। ২০২১ সালে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় রবিনসনের। তবে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ টেস্ট খেলার পর দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। দীর্ঘ দুই বছর চার মাস পর ২০২৬ সালের জুনে আবারও ইংল্যান্ড দলে জায়গা পান রবিনসন। দলে ফিরেই বল হাতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টের দুই ইনিংসে যথাক্রমে পাঁচ ও দুই উইকেট শিকার করেন এই পেসার। এরপর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন টেস্টের ছয় ইনিংসে নেন ২১ উইকেট। আরও পড়ুন,এল ক্লাসিকোতে হারচলতি বছর চার টেস্টে এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ লর্ডসে আয়োজিত ‘ভাইটালিটি ক্রিকেট মিডিয়া ক্লাব অ্যাওয়ার্ড’-এ বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে রবিনসনের নাম ঘোষণা করা হয়। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক বব উইলিসের নামে দেওয়া হয় এই ট্রফি। পুরস্কার জয়ের পর নিজের অনুভূতি জানিয়ে রবিনসন বলেন, দীর্ঘ সময় ইংল্যান্ড দলের বাইরে থাকার পর ফিরে এসে এবারের গ্রীষ্মে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারা তার কাছে বিশেষ কিছু। এই স্বীকৃতি পাওয়াকে তিনি বড় সম্মানের বলে উল্লেখ করেন। দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের স্বীকৃতি পেলেন ইংল্যান্ডের ডানহাতি পেসার ওলি রবিনসন। অসাধারণ বোলিং পারফরম্যান্সের কারণে ইংল্যান্ডের বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ৩২ বছর বয়সী এই পেসার।২০২১ সালে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় রবিনসনের। তবে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ টেস্ট খেলার পর দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। এরপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।দীর্ঘ দুই বছর চার মাস পর ২০২৬ সালের জুনে আবারও ইংল্যান্ড দলে জায়গা পান রবিনসন। দলে ফিরেই বল হাতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তিনি।নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টের দুই ইনিংসে যথাক্রমে পাঁচ ও দুই উইকেট শিকার করেন এই পেসার। এরপর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন টেস্টের ছয় ইনিংসে নেন ২১ উইকেট।চলতি বছর চার টেস্টে এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ লর্ডসে আয়োজিত ‘ভাইটালিটি ক্রিকেট মিডিয়া ক্লাব অ্যাওয়ার্ড’-এ বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে রবিনসনের নাম ঘোষণা করা হয়। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক বব উইলিসের নামে দেওয়া হয় এই ট্রফি।পুরস্কার জয়ের পর নিজের অনুভূতি জানিয়ে রবিনসন বলেন, দীর্ঘ সময় ইংল্যান্ড দলের বাইরে থাকার পর ফিরে এসে এবারের গ্রীষ্মে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারা তার কাছে বিশেষ কিছু। এই স্বীকৃতি পাওয়াকে তিনি বড় সম্মানের বলে উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, এই যাত্রায় বেশ কিছু কঠিন মুহূর্ত পার করতে হয়েছে। তাই এমন পুরস্কারের গুরুত্ব তার কাছে আরও বেশি। ইংল্যান্ডের হয়ে আবার খেলতে পেরে তিনি আনন্দিত এবং ভবিষ্যতেও আরও সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশা করছেন।এদিকে বর্ষসেরা তরুণ ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন মিডলসেক্সের ২১ বছর বয়সী পেসার নাভিয়া শর্মা। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে নয় ম্যাচে ৩৫ উইকেট নিয়ে দলের হয়ে অবদান রাখেন তিনি। বর্তমানে ইংল্যান্ড লায়ন্স দলের হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে রয়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার।তিনি আরও বলেন, এই যাত্রায় বেশ কিছু কঠিন মুহূর্ত পার করতে হয়েছে। তাই এমন পুরস্কারের গুরুত্ব তার কাছে আরও বেশি। ইংল্যান্ডের হয়ে আবার খেলতে পেরে তিনি আনন্দিত এবং ভবিষ্যতেও আরও সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশা করছেন।এদিকে বর্ষসেরা তরুণ ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন মিডলসেক্সের ২১ বছর বয়সী পেসার নাভিয়া শর্মা। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে নয় ম্যাচে ৩৫ উইকেট নিয়ে দলের হয়ে অবদান রাখেন তিনি। বর্তমানে ইংল্যান্ড লায়ন্স দলের হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে রয়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার।

সুইং বাড়লেও সাফল্য নেই বাংলাদেশের

ওয়ানডে ক্রিকেটে আইসিসির নতুন নিয়মে বলের সুইং বাড়লেও সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ। বোলাররা বেশি সুইং পাচ্ছেন, কিন্তু উইকেট নেওয়ার সাফল্য বাড়ছে না। উল্টো বাড়ছে বোলিং গড় ও ওভারপ্রতি রান দেওয়ার হার। ব্যাটিংয়েও একই চিত্র। ইনিংসের শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার বদলে পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এর সর্বশেষ উদাহরণ গত শনিবার আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ। প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস থেমে যায় মাত্র ১৭২ রানে। ৯৯ রানের এই হার আবারও সামনে এনেছে বাংলাদেশের ব্যাটিং ও বোলিংয়ের দুর্বলতা। ম্যাচটিতে তাসকিন আহমেদ ৪৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেও শেষ দিকে রান আটকাতে পারেননি। প্রথম ছয় ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়া তাসকিন ডেথ ওভারের দুই ওভারে খরচ করেন ১৯ রান। মোস্তাফিজুর রহমানও শেষ দিকে তিন ওভারে দেন ২৪ রান, পাননি কোনো উইকেট। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের আলোচনায় উঠে আসছে আইসিসির বল ব্যবহারের নতুন নিয়ম। ইনিংসের প্রথম ৩৪ ওভার দুই প্রান্ত থেকে দুটি আলাদা বল ব্যবহারের পর অধিনায়ক একটি বল বেছে নেন। শেষ ১৬ ওভার চলে সেই বলেই। আরও পড়ুন,জ্যোতির বদলে নেতৃত্বে নাহিদা সহ-অধিনায়ক সোবহানাপুরোনো ও খসখসে বল রিভার্স সুইংয়ের জন্য উপযোগী হওয়ায় শেষ দিকে বোলাররা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। ক্রিকভিজের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন নিয়মে ডেথ ওভারে মোস্তাফিজের সুইং বেড়েছে ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং তাসকিনের বেড়েছে ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ। কিন্তু তাঁদের বোলিং গড় ও ইকোনমি রেট উল্টো বেড়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের নাসিম শাহ ও দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিডির মতো বোলাররা বাড়তি সুইংকে কাজে লাগিয়ে বোলিং গড় ও রান দেওয়ার হার কমিয়েছেন। ব্যাটিংয়ের পরিসংখ্যানও বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগজনক। নতুন নিয়ম চালুর আগে শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশের রানরেট ছিল ৭ দশমিক ৮৪। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৫৬-তে। অর্থাৎ শেষ ১০ ওভারে গড়ে প্রায় ১২ রান কম তুলছে দলটি। তবে একই নিয়মে ভারত ও ইংল্যান্ডের মতো দল শেষ দিকে রান তোলার গতি বাড়িয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পুরোনো বলের রিভার্স সুইং সামলানো এবং বোলিংয়ে বাড়তি সুইংকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো। সব মিলিয়ে আইসিসির নতুন নিয়ম বাংলাদেশের জন্য শুধু বোলিংয়ের পরীক্ষা নয়, ব্যাটিং কৌশল বদলেরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে দ্রুত কার্যকর পরিকল্পনা নিতে হবে বাংলাদেশ দলকে।

সুইং বাড়লেও সাফল্য নেই বাংলাদেশের

জ্যোতির বদলে নেতৃত্বে নাহিদা সহ-অধিনায়ক সোবহানা

বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক হয়েছেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার। তিনি নিগার সুলতানা জ্যোতির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে দলের নতুন সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যাটার সোবহানা মোস্তারি। রোববার ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বরাত দিয়ে ক্রিকেটবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিসিবির নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, নির্বাচক প্যানেলের সঙ্গে বৈঠক শেষে নাহিদা আক্তারকে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সোবহানা মোস্তারিকে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিসিবি মনে করছে, নাহিদার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার উপযুক্ত সময় এখনই। ২০২২ সালে নিগার সুলতানা জ্যোতি টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন নাহিদা। দীর্ঘদিন নেতৃত্বের সহায়ক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগাতে পারবেন তিনি। আরও পড়ুন,আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজএদিকে এশিয়ান গেমসের পর টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। নিজের খেলায় আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার লক্ষ্যেই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি। তবে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়লেও বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জ্যোতি। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও তার নেতৃত্বে খেলেছে বাংলাদেশ দল। নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তারের সামনে এখন দলকে আরও সুসংগঠিত করা এবং আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভালো ফল অর্জনের চ্যালেঞ্জ। সহ-অধিনায়ক সোবহানা মোস্তারিকে সঙ্গে নিয়ে নতুন নেতৃত্বে দল কতটা এগিয়ে যেতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। বাংলাদেশ নারী দলের পরবর্তী বড় লক্ষ্য আইসিসি উইমেন্স এমার্জিং নেশনস ট্রফি। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় এই প্রতিযোগিতায় আগামী ১২ নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। নতুন নেতৃত্বের অধীনে এই টুর্নামেন্ট দিয়েই দলের সামনে নিজেদের সামর্থ্য তুলে ধরার সুযোগ আসছে।

জ্যোতির বদলে নেতৃত্বে নাহিদা সহ-অধিনায়ক সোবহানা

মাঠের বাইরেও ধাক্কা ভিনিসিয়ুসের, প্রেমিকা ভার্জিনিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ

মাঠের ভেতরে লাল কার্ডের বিতর্ক, মাঠের বাইরে প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদ সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ডের সঙ্গে প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকার সম্পর্কের ইতি টানার খবর নিশ্চিত করেছে ফনসেকার দপ্তর। ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্টের বরাতে জানা গেছে, ফনসেকার দপ্তর ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কোনো ঝগড়া বা বিবাদ হয়নি। বরং দুজনের সম্মতিতেই সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন,আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজতবে এ বিষয়ে ভিনিসিয়ুস কিংবা ভার্জিনিয়া—কেউই এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। ভিনিসিয়ুস ও ভার্জিনিয়ার সম্পর্ক নিয়ে ব্রাজিল ও স্পেনের সংবাদমাধ্যমে আলোচনা চলছিল গত বছরের অক্টোবর থেকে। তাঁদের সম্পর্কে এর আগেও বিচ্ছেদ ঘটেছিল। গত মে মাসে আলাদা হয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশ্যে এলেও জুলাইয়ে আবার একসঙ্গে দেখা যায় দুজনকে। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও একসঙ্গে উপস্থিত হয়েছেন তাঁরা। সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি স্প্যানিশ ফর্মুলা ওয়ান গ্রাঁ প্রিতে হাত ধরে হাজির হয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস ও ভার্জিনিয়া। তাঁদের সেই উপস্থিতি নতুন করে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তবে এক মাস পার হওয়ার আগেই আবার বিচ্ছেদের খবর সামনে এল। এদিকে মাঠের পারফরম্যান্সের বাইরেও শাস্তির শঙ্কায় রয়েছেন ভিনিসিয়ুস। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখার পর রেফারির দিকে আক্রমণাত্মকভাবে তেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ম্যাচে নাথান সালিবার চুল টেনে ধরার ঘটনায় লাল কার্ড দেখানো হলে তা মেনে নিতে পারেননি এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। পরে রেফারি তাঁর প্রতিবেদনে ভিনিসিয়ুসের আক্রমণাত্মক আচরণের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

মাঠের বাইরেও ধাক্কা ভিনিসিয়ুসের, প্রেমিকা ভার্জিনিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে যা বললেন কনকচাঁপা

নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে যা বললেন কনকচাঁপা

ইসলাম ধর্মের প্রতি নিজের গভীর বিশ্বাস ও ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। তিনি বলেছেন, অন্য সব ধর্মের প্রতি সম্মান রেখেই নিজের ধর্ম ইসলাম, স্রষ্টা আল্লাহ তাআলা এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন তিনি। নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকাশ করতে তাঁর কোনো জড়তা বা কুণ্ঠাবোধ নেই বলেও জানিয়েছেন এই শিল্পী। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন কনকচাঁপা। সেখানে তিনি নিজের পরিচয়, পারিবারিক জীবন, পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ এবং ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। পোস্টে কনকচাঁপা নিজেকে বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক ও গর্বিত মুসলমান হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তাঁর সংগীতজগৎ রয়েছে এবং অসংখ্য ভক্ত তাঁর ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। ভক্তদের তিনি নিজের মতোই ভালোবাসেন ও সম্মান করেন। নিজের পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরে এই সংগীতশিল্পী জানান, তাঁর বাবা আজিজুল হক মোর্শেদ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপপরিচালক ছিলেন। তাঁর মা মোমেনা জাহান একজন ইসলামী চিন্তাবিদ ও সমাজসেবক। আরও পড়ুন,রেকর্ড গড়ল অপূর্ব-নীহাতাঁদের আদি নিবাস সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে হলেও কনকচাঁপার জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। তাঁর স্বামী মইনুল ইসলাম খান একজন সুরকার ও সংগীত পরিচালক। ধর্মীয় বিশ্বাস প্রসঙ্গে কনকচাঁপা বলেন, তিনি নিয়মিত আল্লাহকে স্মরণ করতে ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআন আরবিতে পড়ার পাশাপাশি বাংলায় এর অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝার চেষ্টা করেন। তাঁর মতে, মানবতার জন্য কাজ করার সঙ্গে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার কোনো বিরোধ নেই। বরং ধর্মীয় বিশ্বাস ও মানবিক মূল্যবোধ একসঙ্গে ধারণ করেই মানুষের কল্যাণে কাজ করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সব ধর্মের মূল শিক্ষা শান্তি। তবে নিজের বিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুশাসনকে ধারণ করার ক্ষেত্রে তাঁর কোনো সংকোচ নেই। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে বিদ্রূপেরও সমালোচনা করেন তিনি। পোস্টের শেষাংশে কনকচাঁপা জানান, মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়ার কারণে নয়, বরং নিজের অন্তরের দৃঢ় বিশ্বাস থেকেই তিনি ভালোবেসে ইসলামকে ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পী।

পরীমণির আদালতে উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা

পরীমণির আদালতে উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা

আদালত থেকে জামিন নিয়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে। এ সময় তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কায় এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে রক্তাক্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এসব ঘটনা ঘটে। পরীমণির আদালতে উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরদিনই আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে আদালতে যান পরীমণি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালতে পৌঁছানোর পর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে ঘিরে রাখেন। পরে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গাড়ি থেকে নেমে এজলাসের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। এ সময় ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কাধাক্কি হয়। লিফটে ওঠার সময় ভিডিও ধারণ করতে গেলে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন পরীমণি। আরও পড়ুন,নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে যা বললেন কনকচাঁপাপরে সাংবাদিক টান দিয়ে ফোনটি ফিরিয়ে নেন। এরপর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন পরীমণি। শুনানি শেষে ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। জামিন নিয়ে বের হওয়ার সময়ও সাংবাদিকদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কাধাক্কি হয়। এ সময় তাদের ধাক্কায় সুজন চন্দ্র মনি দাস নামে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায়। এদিকে, আদালত থেকে বের হয়ে গাড়িতে ওঠার আগে সাংবাদিক রবিউল হোসাইনের দিকে তেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে পরীমণির বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৬ জুলাই ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ এ মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করে পিবিআই। ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

জয়ার নতুন ফটোশুট

দেশের জনপ্রিয় এবং দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান তাঁর অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা ও মনোমুগ্ধকর রূপ দিয়ে দীর্ঘকাল ধরে কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করে চলেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর মার্জিত ব্যক্তিত্ব এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ তাঁকে অনুরাগীদের কাছে আরও বিশেষ করে তুলেছে। পর্দার গ্ল্যামারাস জগতের বাইরে তিনি নিজের মতো করে শান্তিতে সময় কাটাতে ভালোবাসেন এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা খোলামেলা কথা বলেন না। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর নিয়মিত উপস্থিতি এবং বিভিন্ন মুহূর্তের আপডেট ভক্তদের মাঝে দারুণ উন্মাদনা ও কৌতূহল তৈরি করে। বয়সের সংখ্যা কেবল বাড়লেও জয়া যেন রূপের জাদুতে সময়কে থমকে দিয়েছেন। সম্প্রতি এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাঁর ভেরিফাইড সামাজিক হ্যান্ডেলে নতুন একটি ফটোশুট শেয়ার করেছেন, আরও পড়ুন,টিন্ডারে ভয়ংকর ফাঁদযা মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কেড়েছে। গোলাপি আভায় মোড়ানো স্যাটিনের পোশাকে, খোলা চুলের মোহময় ঢেউ এবং নজরকাড়া মায়াবী অভিব্যক্তিতে তাঁকে অত্যন্ত অনবদ্য ও স্নিগ্ধ দেখাচ্ছিল। ছবিগুলোর সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন, ‘গোলাপির ছোঁয়া, ঝামেলার শেষ নেই।’ শেয়ার করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, কখনো ডাইনিং টেবিলে হালকা ভর দিয়ে, আবার কখনো আরামদায়ক চেয়ারে বসে ক্যামেরার সামনে ভিন্ন ও নান্দনিক ভঙ্গিতে পোজ দিয়েছেন তিনি। তাঁর এই সোবার মেকআপ ও স্বতন্ত্র ফ্যাশন-ভাবনা ভক্তদের মাঝে দারুণ প্রশংসিত হয়েছে। এদিকে জয়ার নতুন এই রূপের ঝলক দেখে সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা বইয়ে দিয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। কমেন্ট বক্স ভরে উঠেছে নানা রকম ভালোবাসার মন্তব্যে। একজন অনুরাগী মুগ্ধতা প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘ছবি যখন কথা বলে।’ অন্য আরেকজন তাঁর চিরসবুজ রূপের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘আপনি দিন দিন আরও সুন্দর হয়ে উঠছেন।’ বরাবরের মতো তাঁর এই স্টাইল ও আবেদনময়ী উপস্থিতি প্রমাণ করে যে বয়সের সীমানা পেরিয়ে ফ্যাশন ও সৌন্দর্যের আইকন হিসেবে তিনি কতটা অনন্য।

জয়ার নতুন ফটোশুট

টিন্ডারে ভয়ংকর ফাঁদ

টিন্ডারের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ঘটে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কার রোমহর্ষক ও নৃশংস সিডনি লুফে হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে হুলুর ট্রু ক্রাইম তথ্যচিত্র সিরিজ ‘সোয়াইপ রাইট অন দ্য ডেভিল’। ২০১৭ সালে ২৪ বছর বয়সী তরুণী সিডনিকে ডেটিংয়ে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় এবং তাঁর দেহ ১৪ টুকরা করে ফেলে দেওয়া হয়। এই ভয়াবহ অপরাধের পেছনে ছিল ৫১ বছর বয়সী আত্মঘোষিত ভ্যাম্পায়ার অউব্রে ট্রেইল ও ২৩ বছর বয়সী বেইলি বসওয়েলের তৈরি করা এক অন্ধকার জগৎ। তারা জাদুবিদ্যার চর্চা ও কথিত গোপন গোষ্ঠীর (কোভেন) আড়ালে টিন্ডারের মাধ্যমে নারীদের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা, যৌন নির্যাতন এবং নিয়ন্ত্রণের ভয়ংকর জাল বিস্তার করেছিল।আরও পড়ুন,পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাসতদন্তে বেরিয়ে আসে, ট্রেইল ও বসওয়েল বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতেন এবং অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার দাবি করে তাঁদের ওপর মানসিক নির্যাতন চালাতেন। এমনকি অতিরিক্ত ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাউকে হত্যা করে সেই দৃশ্য ধারণের ভয়ংকর পরিকল্পনাও ছিল তাঁদের। সিডনি হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন আগেই সেই গোষ্ঠী থেকে কয়েকজন নারী পালিয়ে বাঁচতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ায় অউব্রে ট্রেইলের মৃত্যুদণ্ড এবং বেইলি বসওয়েলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। পরিচালক ব্রায়ান বিগেলের তিন বছরের গবেষণায় নির্মিত এই তিন পর্বের তথ্যচিত্রটি কেবল কোনো খুনের রহস্য উদ্ঘাটন করে না, বরং অনলাইন ডেটিংয়ের ঝুঁকি, একাকিত্বের সুযোগ নেওয়া এবং ভয়াবহ মানসিক নিয়ন্ত্রণের অন্ধকার দিকগুলোকে অত্যন্ত গভীরভাবে তুলে ধরেছে।

টিন্ডারে ভয়ংকর ফাঁদ

পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাস

সিনেমায় স্পর্শকাতর ও অন্তরঙ্গ দৃশ্য ধারণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিশ্বাস, স্পষ্ট যোগাযোগ এবং সহশিল্পীর স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মত প্রকাশ করেছেন দুইবারের অস্কারজয়ী বর্ষীয়ান হলিউড অভিনেতা মাইকেল ডগলাস। তাঁর মতে, পর্দায় এই জাতীয় দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা সুনির্দিষ্ট কোরিওগ্রাফি বা যৌথ নাচের মহড়ার মতোই, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে পারস্পরিক সম্মতির বিষয়টি জড়িত থাকে। সম্প্রতি নিউইয়র্কের ‘৯২এনওয়াই’-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের আসন্ন স্মৃতিকথা ‘ওয়ান হেলুভা রাইড’-এর প্রচারকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড’ পডকাস্টের উপস্থাপক জশ হোরোভিটজ। 'বেসিক ইনস্টিংক্ট', 'ফ্যাটাল অ্যাট্রাকশন' ও 'ডিসক্লোজার'-এর মতো নব্বইয়ের দশকের বিশ্বখ্যাত সিনেমায় অভিনয়ের সুবাদে থ্রিলার ও স্পর্শকাতর চরিত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে ৮২ বছর বয়সী এই অভিনেতার। তিনি জানান, আরও পড়ুন,বিশ্বসংগীতে নতুন রেকর্ড দক্ষিণ কোরিয়ার বিটিএসের    সেই সময়ে আধুনিক শুটিং সেটের মতো 'ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর' বা অন্তরঙ্গ দৃশ্য সমন্বয়কের মতো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ফলে পুরো বিষয়টি পারস্পরিক গভীর বোঝাপড়া ও আস্থার ওপর নির্ভর করে করতে হতো। মারামারির দৃশ্য কোরিওগ্রাফির সাথে তুলনা করে ডগলাস বলেন, দৃশ্যধারণের আগেই সহশিল্পীর সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হতো কীভাবে স্পর্শ করা হবে, যাতে অনভিপ্রেত কোনো অস্বস্তি না থাকে। বিশেষ করে তখনকার দিনে শুটিং সেটে প্রধানত পুরুষ কলাকুশলীদের দাপট থাকায় নারী সহশিল্পীরা যেন কোনোভাবেই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন, সেদিকে তিনি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতেন। আলোচনায় নিজের স্মৃতিকথা ‘ওয়ান হেলুভা রাইড’ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন মাইকেল ডগলাস। বইটিতে নিজের অতীতের প্রেমের সম্পর্ক, মাদকের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই এবং হলিউড আইকন কার্ক ডগলাসের পুত্র হিসেবে বেড়ে ওঠার মানসিক চাপের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। জীবনের এসব অন্ধকার অধ্যায় প্রকাশের কারণ হিসেবে তিনি জানান, যাতে তাঁর নাতি-নাতনিরা দাদুর জীবনের পূর্ণাঙ্গ সত্যটা জানতে পারে। এছাড়া স্ত্রী ক্যাথরিন জেটা-জোনসের সঙ্গে পরিচয়ের আগের অনেক অজানা তথ্যও বইটিতে স্থান পেয়েছে। জীবনের দুর্বলতাগুলো জনসমক্ষে আনায় পাঠকদের ইতিবাচক সাড়াতে স্বস্তি প্রকাশ করেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।

পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাস
কোন পোস্ট নেই !