সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

সারাদেশ

শিশু নিখোঁজ ও হত্যায় উদ্বেগ, নিরাপত্তার বিকল্প খুঁজছেন শিশু নিখোঁজ ও হত্যায় উদ্বেগ, নিরাপত্তার বিকল্প খুঁজছেন অভিভাবকেরারা

বাইক কিংবা গাড়িতে নয়—এবার নিজের সন্তানকেও জিপিএস ট্র্যাকারে নজরদারির আওতায় রাখার কথা ভাবছেন অনেক অভিভাবক। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কোথায় আছে—সবসময় জানতে চান তাঁরা।কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিভাবকদের এমন উদ্বেগ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি গ্রুপে ইকবাল আহমেদের প্রশ্ন—বাইকে যেভাবে জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো হয়, সেভাবে কি শিশুর শরীরেও কোনো ডিভাইস ব্যবহার করা যায়? হাতঘড়ি কিংবা অন্য কোনো উপায়ে?নিজের সাড়ে চার বছরের সন্তানকে নিয়ে আতঙ্কের কথা জানিয়েছেন এই বাবা। তাঁর পোস্টে অর্ধশতাধিক অভিভাবকও একই ধরনের উদ্বেগের কথা বলেছেন।কেউ বলেছেন স্মার্টওয়াচ ব্যবহারের কথা। কেউ আবার স্কুলের পোশাক, ব্যাগ কিংবা জুতায় আলাদা ট্র্যাকার রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।তবে প্রশ্ন উঠছে—প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি কি শিশুর নিরাপত্তার স্থায়ী সমাধান?আমি চাই, আড়ও পড়ুন,জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল নিরাপত্তা থাকুক। সরকার যেন সেটা নিশ্চিত করে। মা–বাবা খেয়াল রাখবে, মা–বাবা দায়িত্ব নেবে, এটা বললে তো হবে না।”অভিভাবকদের এই উদ্বেগের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক একাধিক শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ঘটনা।কুমিল্লারকোটবাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার হয় লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে।পুলিশের ভাষ্য, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে পরিকল্পিতভাবে নির্জন এলাকায় নেওয়া হয়েছিল। বাধা দিলে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত হলে ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।“পরিবার কতখানি নিরাপত্তা দিতে পারে, সে প্রশ্নও আসে। পরিবারের ওপর দায়িত্ব চাপালে কিংবা ঘটনা ঘটার পর পরিবারের ওপর দায় চাপালে চলবে না।”অভিভাবকদের প্রশ্ন তাই শুধু জিপিএস ট্র্যাকার নিয়ে নয়—শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব কীভাবে আরও কার্যকর করা যায়, এখন সেই প্রশ্নই সামনে।

লংমার্চের সময় বিদেশে জামায়াতের ৩৪ সংসদ সদস্য

লংমার্চের সময় বিদেশে জামায়াতের ৩৪ সংসদ সদস্য

দলসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে ৩৪ সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৫ থেকে ২৬ জন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়েছেন। সফরকারীদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং সাবেক সংসদ সদস্য মেজর অবসরপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান। লেখক জিয়াউল হকও সফরসঙ্গী হয়েছেন।১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর দুই দফায় মালয়েশিয়ায় পৌঁছান তাঁরা। সেখানে তিন দিন অবস্থানের পর ১৭ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে যান। সিঙ্গাপুর সফর শেষে ফিলিপাইনে পৌঁছান সফরকারীরা।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
আল-আকসায় শত শত ইসরাইলি সেটেলার

আল-আকসায় শত শত ইসরাইলি সেটেলার

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে শত শত ইসরাইলি সেটেলার প্রবেশ করেছে।রোববার ভোরে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া পাহারায় তারা আল-আকসার সীমানার ভেতরে প্রবেশ করে।জেরুজালেম গভর্নরেটের মিডিয়া অফিসের তথ্যমতে, প্রায় ৫৭০ জন ইসরাইলি আল-আকসার উঠানে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা তালমুদিক আচার-অনুষ্ঠান ও প্রার্থনা করেন বলে জানানো হয়েছে।পুরো সময় তাদের নিরাপত্তায় ইসরাইলি সেনারা অস্ত্র হাতে মোতায়েন ছিল।ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন এর আগের দিনই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, কয়েকজন মন্ত্রী ও উগ্রপন্থীদের একটি দল অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের ওয়েস্টার্ন ওয়াল প্রাঙ্গণে যায়।আড়ও পড়ুন,মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা হলে পরিণতি ভোগ করতে হবেএর পরদিনই আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে শত শত ইসরাইলির প্রবেশের ঘটনা ঘটল।এদিকে সামনে ইহুদিদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব ইয়োম কিপুর। রোববার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে সোমবার রাত পর্যন্ত এই উৎসব পালিত হবে।উৎসবকে কেন্দ্র করে আল-আকসা এলাকায় ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। একই সময়ে সেটেলারদের প্রবেশের ঘটনায় পবিত্র এই স্থান ও এর আশপাশে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

১৮ ঘন্টা আগে
মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা হলে পরিণতি ভোগ করতে হবে

মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা হলে পরিণতি ভোগ করতে হবে

মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।রোববার আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।ইরানের সামরিক সদর দপ্তর খাতাম আল-আনবিয়া এক বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রতি এই সতর্কবার্তা দেয়।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের সামরিক অভিযানে কোনো আঞ্চলিক দেশ নিজেদের যুক্ত করলে তাদের সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।ইরানের সামরিক সদর দপ্তর আরও বলেছে, আঞ্চলিক দেশগুলো যদি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করে তাহলে পরবর্তীতে তারা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কাছ থেকে সংযম বা সৌজন্য আশা করতে পারবে না।আড়ও পড়ুন,চীনা নাগরিক ও বিদেশিদের দেশ ছাড়ায় বাড়ল নিয়ন্ত্রণবিবৃতিতে ইরান এ অঞ্চলের দেশগুলোর নীতিকে দ্বিমুখী হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করেছে। তেহরানের বক্তব্য অনুযায়ী, শক্তিশালী ও সার্বভৌম ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো বড় ধরনের আগ্রাসনে আঞ্চলিক সহযোগিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে।ইরানের সামরিক সদর দপ্তর বলছে, যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি বা অন্য কোনো সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়টি তারা গভীরভাবে বিবেচনা করবে এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভূমিকাকে সেই অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে।এদিকে ইরানের এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এবং সম্ভাব্য আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।তবে ইরানের এই বক্তব্যের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র বা সংশ্লিষ্ট মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার কথা ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

২০ ঘন্টা আগে
চীনা নাগরিক ও বিদেশিদের দেশ ছাড়ায় বাড়ল নিয়ন্ত্রণ

চীনা নাগরিক ও বিদেশিদের দেশ ছাড়ায় বাড়ল নিয়ন্ত্রণ

চীন ছাড়ার ওপর কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়িয়েছে বেইজিং। দেশটির নতুন একটি ১৯ ধারার বিধিমালা ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে জাতীয় নিরাপত্তা, ঝুঁকি কিংবা অপরাধ তদন্তের মতো বিভিন্ন কারণে চীনা নাগরিক ও বিদেশিদের দেশ ছাড়ার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে। নতুন এই ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।চীনে কার্যকর হয়েছে স্টেট কাউন্সিলের ‘রেগুলেশনস অন এক্সিট-এন্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’—ডিক্রি নম্বর ৮৪১।১৯ ধারার এই বিধিমালায় জাতীয় নিরাপত্তা ও বিভিন্ন ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে নাগরিক ও বিদেশিদের দেশ ছাড়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে।হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়াবিষয়ক উপপরিচালক মায়া ওয়াং বলছেন, নতুন বিধিমালা চীনা কর্তৃপক্ষকে কে দেশ ছাড়তে পারবেন আর কে পারবেন না—সে বিষয়ে আরও বিস্তৃত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।নতুন বিধিমালার দ্বিতীয় ধারায়, প্রয়োজন মনে করলে নাগরিকদের ‘উচ্চঝুঁকিপূর্ণ’ দেশ বা অঞ্চলে ভ্রমণ থেকে নিরুৎসাহিত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে।তবে ‘উচ্চঝুঁকিপূর্ণ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে কিংবা কোন পরিস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—তা স্পষ্ট নয় বলে সমালোচনা করেছে এইচআরডব্লিউ।অন্যদিকে, বিদেশে কোনো ‘অবৈধ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নাগরিককে চীন ছাড়তে বাধা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ বা প্রযুক্তি আমদানি-রপ্তানি বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রয়েছে।বিধিমালায় সাধারণভাবে নিষেধাজ্ঞার কারণ, আইনি ভিত্তি এবং প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ লিখিতভাবে জানানোর কথা বলা হয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তা বা অপরাধ তদন্তে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকলে এসব তথ্য না জানানোর সুযোগও রাখা হয়েছে।বিদেশিদের ক্ষেত্রেও বাড়ানো হয়েছে নিয়ন্ত্রণ। আড়ও পড়ুন,সৌদির রাজধানী রিয়াদে হামলা, দায় স্বীকার হুতিদেরবিভিন্ন চীনা নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের দেশ ছাড়তে বাধা দেওয়ার বিধান রয়েছে।হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি, গত এক দশকে চীনে দেশ ছাড়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই কঠোর হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, এর প্রভাব পড়ছে উইঘুরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু, মানবাধিকারকর্মী এবং কিছু সরকারি কর্মীর আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ওপরও।জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণায় প্রত্যেক ব্যক্তির নিজের দেশসহ যেকোনো দেশ ত্যাগের অধিকার স্বীকৃত। তবে জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনস্বাস্থ্য কিংবা অন্যের অধিকার সুরক্ষার মতো বৈধ কারণে আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক বিধিনিষেধের সুযোগ রয়েছে।চীনের নতুন বিধিমালা নিয়ে এখন মূল বিতর্ক—জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যক্তির আন্তর্জাতিক ভ্রমণের অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য কোথায়। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, বিধিমালার কিছু অস্পষ্ট ভাষা নির্বিচার প্রয়োগের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

২১ ঘন্টা আগে
সৌদির রাজধানী রিয়াদে হামলা, দায় স্বীকার হুতিদের

সৌদির রাজধানী রিয়াদে হামলা, দায় স্বীকার হুতিদের

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতিরা। শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে আগুনের শিখা ও কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডুলি দেখা যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর হামলার দায় স্বীকার করে তারা। তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।রিয়াদের আকাশে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডুলি। বিমানবন্দরের মহাসড়কের কাছ থেকে দেখা যায় আগুনের শিখাও।রয়টার্সের প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এর কয়েক ঘণ্টা পর রিয়াদসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার দাবি করে হুতিরা।হুতিদের দাবি, রিয়াদের পাশাপাশি লোহিত সাগরের তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তেলকেন্দ্র ইয়ানবুতে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনাকেও লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।তবে রিয়াদের ঠিক কোন কোন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি হুতিরা।তাদের দাবি, ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হামলার জবাব হিসেবেই এসব আক্রমণ চালানো হয়েছে।এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী জানায়, শনিবার ভোররাতে রিয়াদের দিকে ছোড়া হুতিদের একটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।একই সঙ্গে সৌদির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ ও ফারাসান,আড়ও পড়ুন,ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রেরপশ্চিমাঞ্চলের তায়িফ এবং ইয়ানবুতেও হামলার চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করেছে তারা।রিয়াদে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার সতর্কতা জারি করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় বাসিন্দারা বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানান। তবে এসব শব্দ ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন প্রতিহত করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণ থেকেও হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।জুলাই থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করে আসছে হুতিরা। তবে চলমান সংঘাত শুরুর পর রিয়াদে হামলার দাবি এবারই প্রথম।হামলার আশঙ্কায় শনিবার ভোররাতে রিয়াদ ও আশপাশের বাসিন্দাদের সতর্ক করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।এখন পর্যন্ত হামলায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত করা হয়নি।অ্যাঙ্কর আউট:রিয়াদে হামলার এই দাবির পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও তেল অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

২২ ঘন্টা আগে
ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসকে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন।সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।পেন্টাগনের হিসাবে, গত ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এর বাইরে অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ খরচ হয়েছে আরও ১৫০ কোটি ডলার।সব মিলিয়ে মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় কয়েক লাখ কোটি টাকার সমপরিমাণ।তবে এটিই ইরান যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ব্যয়ের হিসাব নয়।কারণ ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, স্থাপনা ও ভবন মেরামতের ব্যয় এখনো এই হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে যুদ্ধের চূড়ান্ত আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।পেন্টাগনের হিসাবে যুদ্ধের বড় একটি অংশের অর্থ ব্যয় হয়েছে অস্ত্র ও গোলাবারুদে। ইরান অভিযানে ব্যবহৃত বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পুনরায় সংগ্রহ করতেও যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হওয়া সামরিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন, বিমান পরিচালনা, আড়ও পড়ুন,ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্রনৌবাহিনী ও সেনাদের মোতায়েনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়েছে আরও কয়েক বিলিয়ন ডলার।এর আগে মার্কিন কংগ্রেসের বাজেট কার্যালয়ও জানিয়েছিল, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দ্রুত বাড়তে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, শুধু যুদ্ধ পরিচালনার খরচ নয়—যুদ্ধের পর ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতেও যুক্তরাষ্ট্রকে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে।ফলে পেন্টাগনের বর্তমান ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলারের হিসাবকে ইরান যুদ্ধের চূড়ান্ত ব্যয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, ততই বাড়বে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক ব্যয়ের চাপ।এখন বড় প্রশ্ন—ইরান যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কতটা দীর্ঘ এবং কতটা ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্র

ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্র

ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত তীব্র হয়ে উঠেছে। হুথিদের দাবি তাদের নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন এলাকায় সৌদি বাহিনীর বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার হুথিরা জানিয়েছিল গত এক সপ্তাহে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সৌদি হামলার সংখ্যা ৩০০-তে পৌঁছেছে।অন্যদিকে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার দাবি করেছে তাইজ প্রদেশের আল-ওয়াজিয়াহ জেলায় শুক্রবারের সংঘর্ষে তাদের বাহিনীর হাতে ৩০ জন হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে সরকার। চলতি সপ্তাহে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া এলাকাগুলোর মধ্যে আল-ওয়াজিয়াহ অন্যতম।সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে লড়াই বিস্তৃত হওয়ার পাশাপাশি রাজধানী সানাতেও বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে। শুক্রবারের ওই বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে।বিক্ষোভকারীরা ইরান-সমর্থিত হুথিদের প্রতি সমর্থন জানান। একই সঙ্গে তারা সৌদি আরবের বিরোধিতায় বিভিন্ন স্লোগান দেন।আড়ও পড়ুন,গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে সমঝোতা ফলে সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি ইয়েমেনের রাজধানীতেও রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে।ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতে সৌদি আরব ও হুথিদের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। নতুন করে তাইজসহ কয়েকটি এলাকায় লড়াই ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে।তবে হুথিদের পক্ষ থেকে সৌদি হামলার যে সংখ্যা এবং ইয়েমেন সরকারের পক্ষ থেকে হতাহতের যে হিসাব দেওয়া হয়েছে সেগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি। স্বাধীনভাবে এসব সংখ্যা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে সমঝোতা

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে সমঝোতা

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কৌশলগত উপস্থিতি আরও বাড়াতে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার স্থায়ী সক্ষমতা থাকবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও বলেছেন, সমঝোতাটি গ্রিনল্যান্ডকে উত্তর আমেরিকার কৌশলগত প্রতিরক্ষা এলাকার অংশ হিসেবে রাখবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সামরিক উপস্থিতি ঠেকাতে সহায়তা করবে।তবে এই সমঝোতার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হচ্ছে না। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবেই থাকছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতারা জানিয়েছেন, সমঝোতাটি তাদের সার্বভৌমত্ব ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় সংসদীয় প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করতে হবে।নতুন সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ন্যাটোর বাইরের কোনো দেশ সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বাইরে অন্য দেশগুলোর সংবেদনশীল বিনিয়োগও সীমিত করার ব্যবস্থা থাকছে। আড়ও পড়ুন,মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভতবে ঠিক কতটি নতুন ঘাঁটি তৈরি হবে বা মার্কিন সামরিক উপস্থিতির পরিধি কতটা বাড়বে সে বিষয়ে বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি অবশ্য নতুন নয়। ১৯৫১ সালের চুক্তির মাধ্যমে সেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও বিমান চলাচলের ব্যাপক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের পিটুফিক স্পেস ফোর্স ঘাঁটি রয়েছে। নতুন সমঝোতা মূলত বিদ্যমান সামরিক অধিকারকে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি করার পথ তৈরি করছে।গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থানও এ সমঝোতার অন্যতম কারণ। আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থের পাশাপাশি রাশিয়া ও চীনের সম্ভাব্য সামরিক ও অর্থনৈতিক উপস্থিতি নিয়েও ওয়াশিংটনের উদ্বেগ রয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় এসব প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সামরিক ঘাঁটি ও সংবেদনশীল বিনিয়োগ সীমিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।তবে সমঝোতার পূর্ণাঙ্গ নথি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক অধিকার কতটা বিস্তৃত হবে এবং গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও এর কোন কোন ধারা বহাল থাকবে তা নিয়ে এখনো কিছু প্রশ্ন রয়েছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতারা অবশ্য জানিয়েছেন, সমঝোতার লক্ষ্য আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভ

মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভ

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরের ত্রাণশিবিরে বাস্তুচ্যুত মানুষের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি গীতা মিত্তল কমিটির প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে ৩৪টি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ।বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনা। আদালত মণিপুরের মুখ্য সচিবকে ত্রাণশিবিরে মৃত্যু বিশেষ করে অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।আদালত জানতে চেয়েছে ৩৪টি মৃত্যুর মধ্যে কেন মাত্র ২০টি ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ কী ছিল এবং এসব ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও জানাতে বলা হয়েছে।মণিপুর রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর সব ঘটনায় এফআইআর নিশ্চিত করা এবং তদন্ত দ্রুত শেষ করার বিষয়ে আলাদা স্ট্যাটাস রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। ত্রাণশিবিরে থাকা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়েও কর্তৃপক্ষকে নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশের মধ্যে এসব মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।মণিপুরের জাতিগত সহিংসতার ঘটনায় চলমান মামলার অগ্রগতিও পর্যালোচনা করেছে আদালত। আড়ও পড়ুন,গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তিরাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি জানান, বিশেষ তদন্তকারী দলের অধীনে ৩ হাজার ২০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৮৩টি মামলায় ক্লোজার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, ৩০২টি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং ৩৮টি মামলায় বিচার শুরু হয়েছে। আরও ১ হাজার ১৩৫টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।সিবিআইয়ের তদন্তাধীন ৩১টি মামলার মধ্যে ২৮টিতে অভিযোগপত্র এবং তিনটিতে ক্লোজার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়। বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত করতে বিশেষ আদালতের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।২০২৩ সালের মে মাসে শুরু হওয়া মণিপুরের সহিংসতার পর বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেন। সেই শিবিরগুলোর পরিস্থিতি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বিচারপতি গীতা মিত্তল কমিটি নিয়মিত প্রতিবেদন দিচ্ছে। সর্বশেষ শুনানিতে এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। 

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তি

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তি

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর সুযোগ রেখে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।তার দাবি, নতুন এই সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ দেশগুলোকে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন ও স্পর্শকাতর বিনিয়োগ থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।বিশাল বরফে ঢাকা গ্রিনল্যান্ড। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উত্তর মেরু অঞ্চলের এই দ্বীপটির কৌশলগত গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।এই গ্রিনল্যান্ড নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প জানান, তার নির্দেশনায় ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র।ট্রাম্পের দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সক্ষমতা নিশ্চিত হয়েছে।চুক্তিটির নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ থাকবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।গ্রিনল্যান্ডের বরফে ঢাকা বিস্তীর্ণ অঞ্চল,আড়ও পড়ুন,রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল দুটি বিস্ফোরণের শব্দ গ্রিনল্যান্ডের মানচিত্র, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য, ডেনমার্কের পতাকা, গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকের দৃশ্য।তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।নতুন করে গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়।তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সমঝোতায় ন্যাটোর বাইরের দেশগুলোর গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের ওপর নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা থাকবে।পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সংবেদনশীল বিনিয়োগের সুযোগ রাখার কথাও বলা হয়েছে।সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রবেশাধিকার, সামরিক ঘাঁটি ব্যব

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল দুটি বিস্ফোরণের শব্দ

রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল দুটি বিস্ফোরণের শব্দ

ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হওয়ার মধ্যে এবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জারি হলো বিমান হামলার সতর্কতা। সতর্কবার্তা পাওয়ার কিছুক্ষণ পরই শহরে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।পরে সতর্কতা প্রত্যাহার করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।শনিবার ভোর। রিয়াদের বাসিন্দাদের মোবাইলে আসে জরুরি সতর্কবার্তা।বার্তায় জানানো হয়, এলাকাটি ‘শত্রুপক্ষের আকাশপথের হুমকির’ মধ্যে রয়েছে। বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।সতর্কবার্তার কিছুক্ষণ পরই দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন এএফপির সাংবাদিকরা।প্রায় আধা ঘণ্টা পর সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয়। রিয়াদে এই সতর্কতা জারি হওয়ার ঘটনা ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।আড়ও পড়ুন,ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন এরিক জেমুররিয়াদের স্কাইলাইন / রাতের শহর / সৌদি সিভিল ডিফেন্স / ইয়েমেনের মানচিত্র / হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকা।রিয়াদে এই সতর্কতার ঘটনা ঘটছে ইয়েমেনে হুথি বাহিনী ও সৌদি-সমর্থিত পক্ষগুলোর মধ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার সময়।সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে জেদ্দা, তাইফসহ বিভিন্ন এলাকায়ও সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।সংঘাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি।ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলজুড়ে হুথিদের অগ্রযাত্রায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বাব আল-মান্দেব এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্য এবং জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট। হুথিরা সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজের বিরুদ্ধে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, তাদের দাবি—সৌদি জাহাজ ছাড়া অন্য জাহাজের জন্য নৌপথটি উন্মুক্ত রয়েছে।এদিকে ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় মানবিক পরিস্থিতিও আরও খারাপ হচ্ছে। জাতিসংঘের হিসাবে সাম্প্রতিক লড়াইয়ে এক লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ সমুদ্রপথে জিবুতিতে পালিয়ে গেছে। 

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
লিংক কপি করা হয়েছে!

জেলার খবর

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল বাড়বে কি মূল্যস্ফীতির চাপ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে শুধু গাড়ির ভাড়া কিংবা যাতায়াত খরচই বাড়ে না। পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ধাপেই বাড়ে খরচ। যার প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে।আবারও ডিজেল পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। প্রথমবারের মতো পেট্রল ও অকটেনের দাম ছাড়িয়েছে দেড়শ টাকা। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষ।২০২২ সালের আগস্টের পর জ্বালানি তেলের দাম একবারে এতটা বাড়েনি।ওই বছরের ৬ আগস্ট ডিজেল কেরোসিন পেট্রল ও অকটেনের দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ানো হয়েছিল। পরদিন থেকেই কার্যকর হয় নতুন দাম।তখন ডিজেলের দাম ৮০ টাকা থেকে বেড়ে হয় ১১৪ টাকা। পেট্রলের দাম ৮৬ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ১৩০ টাকা। আর অকটেনের দাম ৮৯ টাকা থেকে বেড়ে হয় ১৩৫ টাকা।এর পরের মাসেই মূল্যস্ফীতির বড় ধরনের প্রভাব দেখা যায়।২০২২ সালের জুলাইয়ে যেখানে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ সেখানে আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৫২ শতাংশে।জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় পণ্য পরিবহন ও যাত্রী পরিবহনের খরচ। এর প্রভাব পড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও।এরপর বিভিন্ন সময়ে জ্বালানি তেলের দাম পরিবর্তন হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকটসহ নানা কারণে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও দীর্ঘ হয়েছে।২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি উঠেছিল ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও ১৪ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।এবার নতুন করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সামনে কী হবে মূল্যস্ফীতির?অর্থনীতিবিদদের মতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি পড়বে পরিবহন ব্যয়ে। আড়ও পড়ুন,https://crimeexpress.net/post/6129/এরপর বাড়তে পারে পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহের খরচ। আর শেষ পর্যন্ত এর চাপ গিয়ে পড়তে পারে ভোক্তার ওপর।বিশেষ করে যাঁদের আয় নির্দিষ্ট তাঁদের ওপর এই চাপ বেশি অনুভূত হতে পারে।জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বাজারে পণ্যের দাম বাড়বে। তবে এই সুযোগে যেন অতিরিক্ত মুনাফার প্রবণতা তৈরি না হয় সেদিকেও নজর দিতে হবে।ভয়েসওভার:জাহিদ হোসেনের মতে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে দেশে দাম না বাড়ালে সরকারের ওপর ভর্তুকির চাপ বাড়ত।তবে তাঁর মতে মাসের শুরুতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের যে নীতি রয়েছে এবার তা অনুসরণ করা হয়নি। মাসের শেষভাগে হঠাৎ দাম বাড়ানো হয়েছে।অন্যদিকে মানুষের হাতে অর্থের প্রবাহ বাড়লেও মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কার্যকর হলে বাজারে অর্থের প্রবাহ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ঋণের সুদ কমায় বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়লেও মূল্যস্ফীতির ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে।সব মিলিয়ে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যবৃদ্ধির পর সাধারণ মানুষের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—শুধু জ্বালানি নয় আগামী দিনে আর কোন কোন পণ্যের দাম বাড়বে এবং সেই বাড়তি খরচ সামলাবেন কীভাবে?অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।

২০ ঘন্টা আগে
শিশু নিখোঁজ ও হত্যায় উদ্বেগ, নিরাপত্তার বিকল্প খুঁজছেন শিশু নিখোঁজ ও হত্যায় উদ্বেগ, নিরাপত্তার বিকল্প খুঁজছেন অভিভাবকেরারা
লাপোর্তা চাননি মেসি বার্সেলোনায় ফিরুক দাবি জাভির

লাপোর্তা চাননি মেসি বার্সেলোনায় ফিরুক দাবি জাভির

লিওনেল মেসি ও বার্সেলোনা—ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত জুটি। ২০২১ সালে চোখের জলে ক্যাম্প ন্যু ছাড়ার পর থেকেই বার্সেলোনায় মেসির প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা ছিল।বিশেষ করে ২০২৩ সালে সেই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেসির আর বার্সেলোনায় ফেরা হয়নি।এবার সেই প্রত্যাবর্তন কেন বাস্তবায়িত হয়নি—এ নিয়ে নতুন দাবি করেছেন বার্সেলোনার সাবেক কোচ ও মেসির সাবেক সতীর্থ জাভি হার্নান্দেজ।এক সাক্ষাৎকারে জাভি দাবি করেছেন, মেসি বার্সেলোনায় ফিরতে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। তিনিও মেসিকে ফেরানোর পক্ষে ছিলেন এবং প্রায় চার মাস ধরে মেসির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন।জাভির ভাষ্য অনুযায়ী, কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়রাও মেসির প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনা সভাপতি হোয়ান লাপোর্তা মেসিকে পুনরায় দলে নিতে চাননি। জাভির দাবি, সভাপতির সিদ্ধান্তেই পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়।জাভি আরও বলেন, আড়ও পড়ুন,প্রথমবার আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ ফুটবল দল জাকার্তায়মেসি নিজেও অনেক আশা নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সবকিছু বাতিল হয়ে যাওয়ায় একটি স্বপ্নের অধ্যায় আর বাস্তবে রূপ নেয়নি।এদিকে মেসি গত ৩১ আগস্ট আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে জাতীয় দলের হয়ে বিদায়ী উপস্থিতির জন্য তাকে দলে ডাকা হয়েছে।জাভির মতে, মেসি এখন জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ করার বিষয়টি মেনে নিয়েছেন। তবে বার্সেলোনায় তার প্রত্যাবর্তনের যে সম্ভাবনা একসময় তৈরি হয়েছিল, সেটি আর বাস্তবে রূপ নেয়নি।

ম্যান সিটির ৫-৩ গোলের রোমাঞ্চকর জয়

ম্যান সিটির ৫-৩ গোলের রোমাঞ্চকর জয়

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে গোলের বন্যায় রোমাঞ্চকর এক ম্যাচ উপহার দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি ও সান্ডারল্যান্ড। ইতিহাদে ৮ গোলের ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৫-৩ ব্যবধানে জয় পেয়েছে পেপ গার্দিওলার দল।ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় সিটি। নবম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। সিটির জার্সিতে এটিই তাঁর প্রথম গোল।তবে দ্রুতই ম্যাচে ফিরে আসে সান্ডারল্যান্ড। এনজো লে ফির পাস থেকে গোল করে সমতা ফেরান ব্রায়ান ব্রোবি। এরপর সিটির ভুল কাজে লাগিয়ে রায়ান শেরকি আবারও এগিয়ে দেন স্বাগতিকদের।প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে আন্তোয়ান সেমেনিওর দারুণ শটে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার সিটি।দ্বিতীয়ার্ধে আবারও গোল করেন সেমেনিও। এতে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সিটি। কিন্তু ম্যাচে নাটক তখনো বাকি। দুই মিনিট পর গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ব্রায়ান ব্রোবি। ফলে ম্যাচের স্কোর দাঁড়ায় ৪-৩।সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সান্ডারল্যান্ড।আড়ও পড়ুন,লাপোর্তা চাননি মেসি বার্সেলোনায় ফিরুক দাবি জাভির সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোনারুম্মার ভুল থেকেও সুযোগ পেয়েছিল তারা। তবে রুবেন দিয়াজ দ্রুত পরিস্থিতি সামলে নেন।শেষ পর্যন্ত ৮১ মিনিটে সিটির জয় নিশ্চিত করেন আর্লিং হালান্ড। ইওস্কো গাভারদিওলের ক্রস থেকে গোল করে ব্যবধান ৫-৩ করেন নরওয়েজিয়ান তারকা।এই গোলের মাধ্যমে প্রিমিয়ার লিগে মুখোমুখি হওয়া প্রতিটি দলের বিপক্ষেই গোল করার কীর্তি গড়েন হালান্ড। আর ৫-৩ ব্যবধানের জয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি।একই দিনে বোর্নমাউথকে আলেকসান্ডার ইসাকের একমাত্র গোলে হারিয়েছে লিভারপুল।

দৌড়ের শুরু থেকেই এগিয়ে, শেষ করেই বিশ্বরেকর্ড

মাত্র এক সেকেন্ডের ব্যবধানে আগের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন কেনিয়ার দীর্ঘপাল্লার দৌড়বিদ অ্যাগনেস এনগেটিচ। ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স রোড রানিং চ্যাম্পিয়নশিপের নারীদের হাফ-ম্যারাথনে ১ ঘণ্টা ৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই অ্যাথলেট।কোপেনহেগেনের রৌদ্রোজ্জ্বল সকাল। দৌড় শুরুর পর প্রথম কিলোমিটার থেকেই এগিয়ে অ্যাগনেস এনগেটিচ।একবার লিড নেওয়ার পর আর পেছনে ফিরে তাকাননি কেনিয়ার এই দীর্ঘপাল্লার দৌড়বিদ। গতি ধরে রেখে একের পর এক প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলেছেন তিনি।শেষ পর্যন্ত ১ ঘণ্টা ৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে ফিনিশিং লাইন স্পর্শ করে গড়েছেন নতুন বিশ্বরেকর্ড।এনগেটিচ আগের বিশ্বরেকর্ডটি ভেঙেছেন মাত্র এক সেকেন্ডের ব্যবধানে। শুধু বিশ্বরেকর্ডই নয়, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও স্বদেশী ভেরোনিকা লোলোকে ৫০ সেকেন্ড পেছনে ফেলে সবার আগে দৌড় শেষ করেন তিনি।বিশ্বরেকর্ডের পর উচ্ছ্বসিত এনগেটিচ কৃতিত্ব দিয়েছেন তাঁর কোচকে। জানিয়েছেন, কোচের বিশ্বাসই তাঁকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।“আমার কোচ আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন এবং বলেছিলেন যে আমি এটা করতে পারব, আমি স্বর্ণপদক জিততে পারব। আড়ও পড়ুন,প্রীতি ম্যাচের আগে চমক: বাংলাদেশ মাঠে, চীন অনুপস্থিততাই এখন বিশ্ব হাফ-ম্যারাথন রেকর্ডের অধিকারী হতে পেরে আমি খুব খুশি এবং অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।”২৫ বছর বয়সী এনগেটিচের এই কীর্তি কেনিয়ার দীর্ঘপাল্লার দৌড়ের ঐতিহ্যেও যোগ করল নতুন এক অধ্যায়।শুরু থেকেই দৌড়ে আধিপত্য, শেষ পর্যন্ত অবিশ্বাস্য গতি ধরে রাখা—আর মাত্র এক সেকেন্ডে পুরোনো রেকর্ড ভেঙে বিশ্বসেরা হয়ে যাওয়া।কোপেনহেগেনের সেই সকালে অ্যাগনেস এনগেটিচ শুধু ফিনিশিং লাইনই স্পর্শ করেননি, ছুঁয়েছেন অ্যাথলেটিক্সের নতুন এক মাইলফলক।এক সেকেন্ড—দৌড়ের মঞ্চে সময়ের এই ক্ষুদ্র ব্যবধানই গড়ে দিল ইতিহাস। অ্যাগনেস এনগেটিচ এখন নারীদের হাফ-ম্যারাথনের নতুন বিশ্বরেকর্ডের মালিক।

দৌড়ের শুরু থেকেই এগিয়ে, শেষ করেই বিশ্বরেকর্ড

হোয়াইটওয়াশ ঠেকানোর ম্যাচে ৪০ বছরের ক্রেমার

বয়স ৪০। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন জিম্বাবুয়ের লেগ স্পিনার গ্রায়েম ক্রেমার। ২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়ানডে খেলতে নেমেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে একাদশে জায়গা পেয়েছেন এই অভিজ্ঞ স্পিনার। আর তাঁর অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে জিম্বাবুয়ে দলে একাদশে জায়গা পাওয়া চল্লিশোর্ধ্ব ক্রিকেটারের সংখ্যা দাঁড়াল চারজনে।দীর্ঘ সাত বছর পর ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন গ্রায়েম ক্রেমারের।৪০ বছরে পা দেওয়া এই লেগ স্পিনার ২০১৮ সালের পর প্রথমবার জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়ানডে খেলতে নেমেছেন। ব্রেন্ডন টেলর, ক্রেইগ আরভিন ও সিকান্দার রাজার পর জিম্বাবুয়ে দলের চতুর্থ চল্লিশোর্ধ্ব ক্রিকেটার হিসেবে একাদশে জায়গা পেয়েছেন তিনি।চোটের কারণে ওয়েলিংটন মাসাকাদজা এবং বিশ্রামে থাকা নিউম্যান নিয়ামহুরির জায়গায় একাদশে এসেছেন আর্নেস্ট মাসুকু ও গ্রায়েম ক্রেমার।গ্রায়েম ক্রেমার | ব্রেন্ডন টেলর | ক্রেইগ আরভিন | সিকান্দার রাজাতবে ম্যাচটির গুরুত্ব জিম্বাবুয়ের জন্য অন্য জায়গায়। আড়ও পড়ুন,আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেসিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে শেষ ম্যাচটি জিম্বাবুয়ের জন্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াই।দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে ফিরে ক্রেমার দলকে কতটা ভরসা দিতে পারেন, সেটিও থাকবে নজরে, একদিকে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর চ্যালেঞ্জ। আর সেই ম্যাচেই সাত বছর পর ওয়ানডেতে ফিরলেন ৪০ বছরের গ্রায়েম ক্রেমার। অভিজ্ঞ এই লেগ স্পিনারের প্রত্যাবর্তন কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার।

হোয়াইটওয়াশ ঠেকানোর ম্যাচে ৪০ বছরের ক্রেমার

আবারও ভারত-ধাক্কা, এশিয়ান গেমসের ফাইনাল থেকে ছিটকে বাংলাদেশ

দশ দিনের ব্যবধান। ভেন্যু আলাদা, টুর্নামেন্টও আলাদা। কিন্তু প্রতিপক্ষ সেই ভারত—আর ফলও একই।দুবাইয়ের পর এবার জাপান। নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালের পর এশিয়ান গেমসের শেষ চারের লড়াইয়েও ভারতের কাছে হেরে সোনার পদকের দৌড় থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ।কারোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৯৫ রান।ভারতের ইনিংসের সবচেয়ে বড় নায়ক শেফালি বর্মা। মাত্র ৪৯ বলে শতরান পূর্ণ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।জবাবে ১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ব্যাটাররা ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি।পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি নিগার সুলতানার দল।আড়ও পড়ুন,আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ১৫ দশমিক ৪ ওভারে মাত্র ৮১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।ফলে ভারতের কাছে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।দশ দিন আগে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালেও ভারতের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই ম্যাচে ১০৯ রান করেছিল নিগাররা। এবার স্কোর আরও কমে ঠেকেছে ৮১-তে।এদিকে দিনের প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের ১৭৭ রান ১৪ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।ফলে ২২ সেপ্টেম্বর সোনার পদকের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা।আর একই দিনে ব্রোঞ্জের পদকের জন্য মাঠে নামবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।সোনার লড়াইয়ে জায়গা না হলেও ব্রোঞ্জ জিতে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট অভিযান শেষ করার সুযোগ এখনো রয়েছে নিগার সুলতানাদের সামনে।

আবারও ভারত-ধাক্কা, এশিয়ান গেমসের ফাইনাল থেকে ছিটকে বাংলাদেশ
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
ন্যাম ভবনে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ন্যাম ভবনে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।রোববার সন্ধ্যায় ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।ঘটনার সময় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ফ্ল্যাটেই ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় এমপি ফ্ল্যাটে ছিলেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। তবে ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুরে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম তাঁর দুই স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খান। পরে বিকেলে তারা আলাদা কক্ষে চলে যান। বিকেল ৫টার পর মরিয়মকে ডাকতে গিয়ে দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। পরে জানালা দিয়ে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান এমপি। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।আড়ও পড়ুন,হাফেজদের দেওয়া নেক্সাস বই ফেরত নিল ধর্ম মন্ত্রণালয়খবর পেয়ে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আলামত সংগ্রহের জন্য সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।তবে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ বা ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে সে বিষয়ে এখনো পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।এদিকে একই দিন পল্লবী থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্ট থেকে পাওয়া জামিনের জামিননামা ঢাকার আদালতে দাখিল করেন গাজী নজরুল ইসলাম।

১৪ ঘণ্টায় ১০ লাখ ভিউ চয়নিকা চৌধুরীর বিষণ্ণ মেঘে

১৪ ঘণ্টায় ১০ লাখ ভিউ চয়নিকা চৌধুরীর বিষণ্ণ মেঘে

জনপ্রিয় নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনার ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে ১৮ সেপ্টেম্বর। বিশেষ এই উপলক্ষে দর্শকদের জন্য নতুন নাটক নিয়ে হাজির হয়েছেন তিনি। ‘বিষণ্ণ মেঘ’ শিরোনামের নাটকটি প্রকাশের পরপরই পেয়েছে দর্শকের ব্যাপক সাড়া।ইফফাত আরেফীন তন্বীর রচনায় নাটকটির গল্প ও পরিচালনা করেছেন চয়নিকা চৌধুরী। নাটকটি লেজারভিশন নাটক ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয় দুপুর ১২টায়।‘বিষণ্ণ মেঘ’-এ অভিনয় করেছেন জাকিয়া বারী মম,আড়ও পড়ুন,ন্যাম ভবনে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ইরফান সাজ্জাদ, সাদিয়া আয়মান, ডলি জহুর, মিলি বাসার ও ফারনাজ মেহেরিনসহ আরও অনেকে।নাটকটির আবহ সংগীত করেছেন প্রত্যয় খান। চিত্রগ্রহণ করেছেন সুমন হোসেন। এডিট ও কালার করেছেন রাশেদ রাব্বি। নাটকের গান গেয়েছেন সোমনূর মনির কোনাল ও রেজোয়ান শেখ।প্রকাশের পর থেকেই নাটকটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। এরই মধ্যে মাত্র ১৪ ঘণ্টায় ইউটিউবে নাটকটির ভিউ ১০ লাখ ছাড়িয়েছে।দর্শকের এই ভালোবাসায় উচ্ছ্বসিত নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। তিনি গল্পটিকে ভালোবাসা এবং ইতিবাচক মতামত দেওয়ার জন্য দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।পরিচালনার ২৫ বছর পূর্তিতে ‘বিষণ্ণ মেঘ’-এর এমন সাড়া চয়নিকা চৌধুরীর জন্য নিঃসন্দেহে বিশেষ এক উদযাপন হয়ে উঠেছে।

বাবা হওয়ার পর বদলে গেছে অনুপম রায়ের পূজার পরিকল্পনা

আসছে দুর্গাপূজা। উৎসবকে ঘিরে সবারই থাকে নানা পরিকল্পনা। তবে সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের এবারের পূজা হতে যাচ্ছে একেবারেই ভিন্ন।গত ১৬ বছর ধরে দুর্গাপূজার সময় দেশ-বিদেশে গানের অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন অনুপম রায়। কখনো আবার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় কেটে যেত পূজার দিনগুলো।কিন্তু এবার তার জীবনে এসেছে নতুন অধ্যায়। মাত্র এক মাস আগে বাবা হয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। আর পুত্রসন্তানের জন্মের পর বদলে গেছে তার দৈনন্দিন জীবন।অনুপম জানিয়েছেন, এখন আর নিজের ইচ্ছা কিংবা পরিকল্পনা অনুযায়ী কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। এক মাস বয়সী ছেলেকে ঘিরেই এখন তার প্রতিটি সিদ্ধান্ত।এবার দুর্গাপূজায় স্ত্রী প্রস্মিতা ও ছেলেকে নিয়ে বাড়িতেই থাকার ইচ্ছা অনুপমের। সন্তানকে নিয়ে বাইরে বের হওয়া কিছুটা কঠিন বলেও জানিয়েছেন তিনি।ছেলের জন্য পূজার কেনাকাটা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মজার ছলে অনুপম জানান, এখনো সেভাবে কিছু কেনা হয়নি। প্রতিদিনই কেউ না কেউ ছেলেকে উপহার দিচ্ছেন। তাই আলাদা করে কেনাকাটা করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি।আড়ও পড়ুন,অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি তারকাদেরঅনুপমের ভাষায়, এখন আগামীকাল সকাল থেকে কী করবেন সেটিও আগেভাগে পরিকল্পনা করা সম্ভব নয়। সবকিছুই চলছে ছেলের সুবিধা অনুযায়ী।‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’ গানের এই স্রষ্টা মজা করে বলেন, ওই গান প্রকাশের পর প্যান্ডেলে গেলেও কেউ তাকে আর নিজের মতো থাকতে দেয় না। তাই এখন প্যান্ডেলে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনাও নেই।একসময় বেঙ্গালুরুতে থাকার সময় দুর্গাপূজায় ঘুরে বেড়ানো, বাইরে খাওয়া-দাওয়াসহ নানা আনন্দে মেতে উঠতেন অনুপম। তবে এবার স্ত্রী ও সন্তানকে ঘিরেই তার পূজার আনন্দ।

বাবা হওয়ার পর বদলে গেছে অনুপম রায়ের পূজার পরিকল্পনা

অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি তারকাদের

বয়স মাত্র ১৩ বছর। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতিম ভালোবাসত প্রকৃতির ছবি তুলতে। গত শুক্রবার বিকেলেও মায়ের আইফোন হাতে ছবি তুলতে বাসা থেকে বের হয়েছিল সে। কিন্তু আর ফেরেনি। নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ।অপ্রতিমের এমন মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে পরিবারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক জানিয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।প্রকৃতির ছবি তোলার নেশা ছিল অপ্রতিমের। সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী শুক্রবার বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়।এরপর আর কোনো খোঁজ মেলেনি তার।দীর্ঘ প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের লালমাই পাহাড়ের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয় অপ্রতিমের মরদেহ।কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের সন্তান অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার।অপ্রতিমের ছবি → পরিবার → কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা → লালমাই পাহাড়ের দৃশ্য।ঘটনাটি নাড়া দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। শোবিজ অঙ্গনের একাধিক তারকা অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।অভিনেতা সিয়াম আহমেদ অপ্রতিমের ছবি দেখে নিজের সন্তানের কথা মনে পড়ার কথা জানিয়ে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তদন্তের মাধ্যমে সত্য সামনে আনার আহ্বান জানান তিনি।আড়ও পড়ুন,আমি ভুল করছি, দুঃখিত’—ম্যাকলমোর বিতর্কে এড শিরানঅভিনেত্রী পূজা চেরীও অপ্রতিমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার প্রত্যাশা—সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়ে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।তবে অপ্রতিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী—কীভাবে তার মৃত্যু হলো, সে বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।একটি শিশুর এভাবে চলে যাওয়া পরিবারকে যেমন গভীর শোকে ডুবিয়েছে, তেমনি প্রশ্ন তুলেছে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও।এখন পরিবারের অপেক্ষা—তদন্তে ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসবে এবং যদি কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে, দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।অপ্রতিমের পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়। তবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে—এটাই এখন পরিবারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা

অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি তারকাদের

আমি ভুল করছি, দুঃখিত’—ম্যাকলমোর বিতর্কে এড শিরান

ম্যাকলমোরকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই গাজা ও ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে মুখ খুলেছেন ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরান। ফিলাডেলফিয়ায় নিজের কনসার্টে শিরান বলেন, গাজায় যা ঘটছে তা ‘বিপর্যয়কর, অযৌক্তিক ও অসমানুপাতিক’। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে চালানো হামলাকে তিনি ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেন। ম্যাকলমোরকে তাঁর ‘লুপ ট্যুর’ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় দুঃখও প্রকাশ করেন শিরান।ফিলাডেলফিয়ার মঞ্চে এবার আর শুধু গান নয়—ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়েও কথা বললেন এড শিরান।তিনি বলেন, ক্যারিয়ারে নিজেকে কোনো রাজনৈতিক ভাষ্যকার হিসেবে দেখতে চাননি। তাঁর কনসার্ট হওয়া উচিত ঐক্য ও মানবতার জায়গা। কিন্তু গাজার পরিস্থিতিকে তিনি একটি মানবিক সংকট হিসেবে দেখছেন এবং এ বিষয়ে নিজের অনুভূতি আর গোপন রাখতে পারছেন না।আড়ও পড়ুন,তারকা দম্পতির ঘরে নতুন মুখ, পুত্রসন্তানের মা হলেন সোহিনীএড শিরান: ‘গাজায় যা ঘটছে, তা বিপর্যয়কর ও অসমানুপাতিক’শিরান বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে চালানো হামলা ছিল ভয়াবহ এবং তা ইহুদি জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের যন্ত্রণাকে আরও গভীর করেছে। একই সঙ্গে গাজায় বেসামরিক মানুষ ও শিশুদের প্রাণহানি এবং ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে বলে জানান তিনি। পশ্চিম তীরে পদ্ধতিগত অবিচারের অভিযোগও উপেক্ষা করা যায় না বলে মন্তব্য করেন শিরান।

আমি ভুল করছি, দুঃখিত’—ম্যাকলমোর বিতর্কে এড শিরান
কোন পোস্ট নেই !