রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

সারাদেশ

সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে নামাজের ধারা, এবার সংরক্ষণের দাবি

সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহাসিক ‘বাবা আদম শহীদ মসজিদ’।সুলতানি আমলের স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত ছয় গম্বুজের এই মসজিদে আজও নিয়মিত ভেসে আসে আজানের ধ্বনি। হয় নামাজ আদায়।ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি প্রাচীন স্থাপত্য, ইতিহাস আর লোককথার কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে এখনো আকর্ষণের কেন্দ্র এই মসজিদ।মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার দরগাহবাড়ি এলাকায় অবস্থিত মসজিদটি নির্মিত হয় ১৪৮৩ খ্রিষ্টাব্দে, সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের শাসনামলে।ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে, তৎকালীন বিক্রমপুরের শাসক মালিক কাফুর শাহ এটি নির্মাণ করেন। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত আছে, প্রখ্যাত মুসলিম প্রচারক ও সাধক বাবা আদম শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর মাজারের পাশে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।প্রায় ৪৩ ফুট দীর্ঘ ও ৩৬ ফুট প্রস্থের মসজিদটির দেয়াল প্রায় চার ফুট পুরু। লাল পোড়ামাটির ইট, সুরকি ও চুনের গাঁথুনিতে তৈরি এ স্থাপনায় রয়েছে তিনটি খিলানাকৃতির প্রবেশপথ, তিনটি মেহরাব, গ্রানাইট পাথরের স্তম্ভ এবং পোড়ামাটির নান্দনিক অলংকরণ।প্রায় ৫৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখানে নামাজের ধারা বন্ধ হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা।আড়ও পড়ুন,রাজাপুরে প্রথমবার মাদকবিরোধী মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিতবর্তমানে মসজিদের ভেতরে একসঙ্গে দুই শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। আর প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে ভেতরে-বাইরে মিলিয়ে সমাগম হয় প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ মুসল্লির।তবে সময়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটিতে দেখা দিয়েছে ক্ষয়ের চিহ্ন।দেয়ালের বিভিন্ন অংশে শ্যাওলা, কোথাও ফাটল। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি মসজিদের ভেতরে ঢুকে পড়ার অভিযোগও রয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১৪ থেকে ১৫ বছর আগে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে সংস্কার ও রং করা হয়েছিল। এরপর বড় ধরনের সংস্কার হয়নি।১৯৪৮ সাল থেকে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। ফলে মসজিদ কমিটিও নিজেদের উদ্যোগে বড় ধরনের সংস্কার করতে পারছে না।স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংরক্ষণ করা না হলে কালের সাক্ষী এই স্থাপনার ঐতিহাসিক স্থাপত্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।তাই দাবি একটাই—ধর্মীয় ঐতিহ্য ও প্রাচীন স্থাপত্যের এই নিদর্শনটি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ।

রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক

রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে হার্টের রিং বা করোনারি স্টেন্ট বিক্রি এবং রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।এ ছাড়া সেবা দিতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও রোগী হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটিতে এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন—দুদক।রোববার দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য জানান।দুদক জানিয়েছে, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নির্ধারিত নতুন মূল্য কার্যকর না করে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে হার্টের রিং বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পাওয়া যায়।এর সঙ্গে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং সেবা প্রদানে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগও ছিল।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানকালে সম্প্রতি হার্টের রিং পরানো হয়েছে—এমন কয়েকজন রোগীর ক্ষেত্রে নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী লেনদেন হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়।এ জন্য দৈবচয়ন ভিত্তিতে রোগীদের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে এনফোর্সমেন্ট টিম।আড়ও পড়ুন,অপ্রতিম হত্যা: ১২ ঘণ্টায় চার গ্রেপ্তার, দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার আশ্বাসপাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি থাকা হার্টের রিং পরানো রোগীদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হয়।তাদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা হয়রানির ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করেছে দুদক।তবে অভিযানেই অনিয়ম প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনো জানায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন।অভিযানে সংগৃহীত তথ্য, রোগীদের বক্তব্য এবং রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করা হবে।এরপর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনের কাছে দাখিল করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অভিযোগের সত্যতা এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।হার্টের রিংয়ের মূল্য ও রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের বিষয়টি তাই এখন দুদকের যাচাই-বাছাইয়ের মধ্যে রয়েছে।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসকে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন।সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।পেন্টাগনের হিসাবে, গত ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এর বাইরে অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ খরচ হয়েছে আরও ১৫০ কোটি ডলার।সব মিলিয়ে মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় কয়েক লাখ কোটি টাকার সমপরিমাণ।তবে এটিই ইরান যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ব্যয়ের হিসাব নয়।কারণ ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, স্থাপনা ও ভবন মেরামতের ব্যয় এখনো এই হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে যুদ্ধের চূড়ান্ত আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।পেন্টাগনের হিসাবে যুদ্ধের বড় একটি অংশের অর্থ ব্যয় হয়েছে অস্ত্র ও গোলাবারুদে। ইরান অভিযানে ব্যবহৃত বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পুনরায় সংগ্রহ করতেও যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হওয়া সামরিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন, বিমান পরিচালনা, আড়ও পড়ুন,ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্রনৌবাহিনী ও সেনাদের মোতায়েনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়েছে আরও কয়েক বিলিয়ন ডলার।এর আগে মার্কিন কংগ্রেসের বাজেট কার্যালয়ও জানিয়েছিল, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দ্রুত বাড়তে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, শুধু যুদ্ধ পরিচালনার খরচ নয়—যুদ্ধের পর ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতেও যুক্তরাষ্ট্রকে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে।ফলে পেন্টাগনের বর্তমান ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলারের হিসাবকে ইরান যুদ্ধের চূড়ান্ত ব্যয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, ততই বাড়বে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক ব্যয়ের চাপ।এখন বড় প্রশ্ন—ইরান যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কতটা দীর্ঘ এবং কতটা ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।

৪২ মিনিট আগে
ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্র

ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্র

ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত তীব্র হয়ে উঠেছে। হুথিদের দাবি তাদের নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন এলাকায় সৌদি বাহিনীর বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার হুথিরা জানিয়েছিল গত এক সপ্তাহে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সৌদি হামলার সংখ্যা ৩০০-তে পৌঁছেছে।অন্যদিকে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার দাবি করেছে তাইজ প্রদেশের আল-ওয়াজিয়াহ জেলায় শুক্রবারের সংঘর্ষে তাদের বাহিনীর হাতে ৩০ জন হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে সরকার। চলতি সপ্তাহে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া এলাকাগুলোর মধ্যে আল-ওয়াজিয়াহ অন্যতম।সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে লড়াই বিস্তৃত হওয়ার পাশাপাশি রাজধানী সানাতেও বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে। শুক্রবারের ওই বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে।বিক্ষোভকারীরা ইরান-সমর্থিত হুথিদের প্রতি সমর্থন জানান। একই সঙ্গে তারা সৌদি আরবের বিরোধিতায় বিভিন্ন স্লোগান দেন।আড়ও পড়ুন,গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে সমঝোতা ফলে সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি ইয়েমেনের রাজধানীতেও রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে।ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতে সৌদি আরব ও হুথিদের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। নতুন করে তাইজসহ কয়েকটি এলাকায় লড়াই ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে।তবে হুথিদের পক্ষ থেকে সৌদি হামলার যে সংখ্যা এবং ইয়েমেন সরকারের পক্ষ থেকে হতাহতের যে হিসাব দেওয়া হয়েছে সেগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি। স্বাধীনভাবে এসব সংখ্যা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

১৭ ঘন্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে সমঝোতা

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে সমঝোতা

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কৌশলগত উপস্থিতি আরও বাড়াতে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার স্থায়ী সক্ষমতা থাকবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও বলেছেন, সমঝোতাটি গ্রিনল্যান্ডকে উত্তর আমেরিকার কৌশলগত প্রতিরক্ষা এলাকার অংশ হিসেবে রাখবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সামরিক উপস্থিতি ঠেকাতে সহায়তা করবে।তবে এই সমঝোতার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হচ্ছে না। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবেই থাকছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতারা জানিয়েছেন, সমঝোতাটি তাদের সার্বভৌমত্ব ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় সংসদীয় প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করতে হবে।নতুন সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ন্যাটোর বাইরের কোনো দেশ সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বাইরে অন্য দেশগুলোর সংবেদনশীল বিনিয়োগও সীমিত করার ব্যবস্থা থাকছে। আড়ও পড়ুন,মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভতবে ঠিক কতটি নতুন ঘাঁটি তৈরি হবে বা মার্কিন সামরিক উপস্থিতির পরিধি কতটা বাড়বে সে বিষয়ে বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি অবশ্য নতুন নয়। ১৯৫১ সালের চুক্তির মাধ্যমে সেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও বিমান চলাচলের ব্যাপক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের পিটুফিক স্পেস ফোর্স ঘাঁটি রয়েছে। নতুন সমঝোতা মূলত বিদ্যমান সামরিক অধিকারকে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি করার পথ তৈরি করছে।গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থানও এ সমঝোতার অন্যতম কারণ। আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থের পাশাপাশি রাশিয়া ও চীনের সম্ভাব্য সামরিক ও অর্থনৈতিক উপস্থিতি নিয়েও ওয়াশিংটনের উদ্বেগ রয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় এসব প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সামরিক ঘাঁটি ও সংবেদনশীল বিনিয়োগ সীমিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।তবে সমঝোতার পূর্ণাঙ্গ নথি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক অধিকার কতটা বিস্তৃত হবে এবং গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও এর কোন কোন ধারা বহাল থাকবে তা নিয়ে এখনো কিছু প্রশ্ন রয়েছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতারা অবশ্য জানিয়েছেন, সমঝোতার লক্ষ্য আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া।

১৮ ঘন্টা আগে
মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভ

মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভ

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরের ত্রাণশিবিরে বাস্তুচ্যুত মানুষের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি গীতা মিত্তল কমিটির প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে ৩৪টি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ।বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনা। আদালত মণিপুরের মুখ্য সচিবকে ত্রাণশিবিরে মৃত্যু বিশেষ করে অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।আদালত জানতে চেয়েছে ৩৪টি মৃত্যুর মধ্যে কেন মাত্র ২০টি ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ কী ছিল এবং এসব ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও জানাতে বলা হয়েছে।মণিপুর রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর সব ঘটনায় এফআইআর নিশ্চিত করা এবং তদন্ত দ্রুত শেষ করার বিষয়ে আলাদা স্ট্যাটাস রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। ত্রাণশিবিরে থাকা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়েও কর্তৃপক্ষকে নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশের মধ্যে এসব মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।মণিপুরের জাতিগত সহিংসতার ঘটনায় চলমান মামলার অগ্রগতিও পর্যালোচনা করেছে আদালত। আড়ও পড়ুন,গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তিরাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি জানান, বিশেষ তদন্তকারী দলের অধীনে ৩ হাজার ২০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৮৩টি মামলায় ক্লোজার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, ৩০২টি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং ৩৮টি মামলায় বিচার শুরু হয়েছে। আরও ১ হাজার ১৩৫টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।সিবিআইয়ের তদন্তাধীন ৩১টি মামলার মধ্যে ২৮টিতে অভিযোগপত্র এবং তিনটিতে ক্লোজার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়। বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত করতে বিশেষ আদালতের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।২০২৩ সালের মে মাসে শুরু হওয়া মণিপুরের সহিংসতার পর বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেন। সেই শিবিরগুলোর পরিস্থিতি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বিচারপতি গীতা মিত্তল কমিটি নিয়মিত প্রতিবেদন দিচ্ছে। সর্বশেষ শুনানিতে এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। 

১৯ ঘন্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তি

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তি

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর সুযোগ রেখে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।তার দাবি, নতুন এই সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ দেশগুলোকে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন ও স্পর্শকাতর বিনিয়োগ থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।বিশাল বরফে ঢাকা গ্রিনল্যান্ড। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উত্তর মেরু অঞ্চলের এই দ্বীপটির কৌশলগত গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।এই গ্রিনল্যান্ড নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প জানান, তার নির্দেশনায় ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র।ট্রাম্পের দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সক্ষমতা নিশ্চিত হয়েছে।চুক্তিটির নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ থাকবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।গ্রিনল্যান্ডের বরফে ঢাকা বিস্তীর্ণ অঞ্চল,আড়ও পড়ুন,রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল দুটি বিস্ফোরণের শব্দ গ্রিনল্যান্ডের মানচিত্র, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য, ডেনমার্কের পতাকা, গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকের দৃশ্য।তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।নতুন করে গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়।তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সমঝোতায় ন্যাটোর বাইরের দেশগুলোর গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের ওপর নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা থাকবে।পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সংবেদনশীল বিনিয়োগের সুযোগ রাখার কথাও বলা হয়েছে।সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রবেশাধিকার, সামরিক ঘাঁটি ব্যব

২৩ ঘন্টা আগে
রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল দুটি বিস্ফোরণের শব্দ

রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল দুটি বিস্ফোরণের শব্দ

ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হওয়ার মধ্যে এবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জারি হলো বিমান হামলার সতর্কতা। সতর্কবার্তা পাওয়ার কিছুক্ষণ পরই শহরে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।পরে সতর্কতা প্রত্যাহার করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।শনিবার ভোর। রিয়াদের বাসিন্দাদের মোবাইলে আসে জরুরি সতর্কবার্তা।বার্তায় জানানো হয়, এলাকাটি ‘শত্রুপক্ষের আকাশপথের হুমকির’ মধ্যে রয়েছে। বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।সতর্কবার্তার কিছুক্ষণ পরই দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন এএফপির সাংবাদিকরা।প্রায় আধা ঘণ্টা পর সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয়। রিয়াদে এই সতর্কতা জারি হওয়ার ঘটনা ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।আড়ও পড়ুন,ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন এরিক জেমুররিয়াদের স্কাইলাইন / রাতের শহর / সৌদি সিভিল ডিফেন্স / ইয়েমেনের মানচিত্র / হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকা।রিয়াদে এই সতর্কতার ঘটনা ঘটছে ইয়েমেনে হুথি বাহিনী ও সৌদি-সমর্থিত পক্ষগুলোর মধ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার সময়।সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে জেদ্দা, তাইফসহ বিভিন্ন এলাকায়ও সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।সংঘাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি।ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলজুড়ে হুথিদের অগ্রযাত্রায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বাব আল-মান্দেব এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্য এবং জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট। হুথিরা সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজের বিরুদ্ধে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, তাদের দাবি—সৌদি জাহাজ ছাড়া অন্য জাহাজের জন্য নৌপথটি উন্মুক্ত রয়েছে।এদিকে ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় মানবিক পরিস্থিতিও আরও খারাপ হচ্ছে। জাতিসংঘের হিসাবে সাম্প্রতিক লড়াইয়ে এক লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ সমুদ্রপথে জিবুতিতে পালিয়ে গেছে। 

২৩ ঘন্টা আগে
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন এরিক জেমুর

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন এরিক জেমুর

ফ্রান্সের আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ডানপন্থী রাজনীতিক এরিক জেমুর।শুক্রবার বিএফএমটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের প্রার্থিতার বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিকনকোয়েস্ট পার্টির এই নেতা। ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ অবস্থানে থাকা জেমুর এবার অভিবাসন নিয়ন্ত্রণকে তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে সামনে এনেছেন।জেমুর বলেছেন, তিনি ক্ষমতায় গেলে বিদেশি অপরাধীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেবেন। এমনকি কারাগারে না থাকা বিদেশিদের ক্ষেত্রেও এই নীতি প্রয়োগের কথা বলেছেন তিনি।এ ছাড়া অনিবন্ধিত অভিবাসীদের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বেকার থাকা এবং সরকারি কল্যাণ ভাতার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল বিদেশিদেরও নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন জেমুর।আগামী বছর প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবে ফ্রান্সে। এরই মধ্যে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়েছেন দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।ডানপন্থী ন্যাশনাল র‌্যালি পার্টির নেতা মেরিন লি পেনও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন।আড়ও পড়ুন,ইরানে মার্কিন হামলায় যুদ্ধাপরাধের যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘ গত দুই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ম্যাক্রোঁর কাছে রানারআপ হন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে নির্বাচনের প্রথম দফায় লি পেনকে এগিয়ে থাকার তথ্য উঠে এসেছে।তবে নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় কারা মুখোমুখি হতে পারেন তা নিয়ে এখনো নানা সমীকরণ রয়েছে। সাম্প্রতিক একটি জরিপে মধ্যপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার ফিলিপের সঙ্গে লি পেনের সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা বলা হয়েছে। আবার অন্য পরিস্থিতিতে কট্টর বামপন্থী নেতা জ্যাঁ-লুক মেলঁশঁ লি পেনের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন বলে জরিপে উঠে এসেছে।১৩ হাজার ভোটারের ওপর পরিচালিত ওই জরিপের ফলাফলে এসব সম্ভাব্য সমীকরণের কথা বলা হয়েছে। তবে নির্বাচন এখনো সামনে থাকায় প্রার্থিতা ও রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে।

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইরানে মার্কিন হামলায় যুদ্ধাপরাধের যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘ

ইরানে মার্কিন হামলায় যুদ্ধাপরাধের যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘ

ইরানে দুটি সামরিক হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মতো যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘের ইরানবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান মিশন। একই সঙ্গে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে ইরানি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগও এনেছে সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে উপস্থাপনের কথা রয়েছে।তদন্ত মিশনটি ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান এবং এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে ইরানি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা পর্যালোচনা করেছে।প্রতিবেদনে দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরের শাজারেহ তায়েবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে ওই হামলার জন্য মার্কিন বাহিনী দায়ী হওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট কারণ রয়েছে।ইরানি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হামলায় ১৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের বড় অংশই ছিল স্কুলশিক্ষার্থী। জাতিসংঘের মিশন বলছে হামলাটি নির্বিচার ছিল এবং এতে বেসামরিক মানুষ ও একটি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।তদন্তকারীরা বলছেন হামলার আগে এমন গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভর করা হয়েছিল যাতে দাবি করা হয় একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সামরিক কমান্ডার ওই এলাকায় অবস্থান করছেন। আড়ও পড়ুন,মোদির জন্মদিনে পুতিনের বিশেষ বার্তা, একই গাড়িতে দুই নেতাকিন্তু হামলার আগে তথ্যটি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। স্কুলটি সামরিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল এমন কোনো প্রমাণও তদন্তকারীরা পাননি।লামের্দ শহরের একটি ক্রীড়াকেন্দ্রে হামলার বিষয়েও একই ধরনের উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের মিশন। তাদের মতে ওই হামলায় আশপাশের আবাসিক ভবন ও একটি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বেসামরিক মানুষ হতাহত হন। তদন্তকারীরা এটিকেও নির্বিচার হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।অন্যদিকে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তদন্ত মিশন। তাদের অনুসন্ধানে বেসামরিক মানুষের ওপর ব্যাপক ও পরিকল্পিত হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে এসেছে। এর মধ্যে বেআইনি হত্যাকাণ্ড নির্যাতন নির্বিচারে আটক জোরপূর্বক গুম এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।তবে ইরান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তেহরানের দাবি বিক্ষোভ ও অস্থিরতার পেছনে বিদেশি সমর্থিত বিরোধী গোষ্ঠী এবং সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাকারীরা জড়িত ছিল।জাতিসংঘের তদন্ত মিশন জানিয়েছে বিক্ষোভে নিহত মানুষের প্রকৃত সংখ্যা তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। তবে তাদের ধারণা প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় বেশি হতে পারে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এর আগে দাবি করেছেন তাদের সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও যুদ্ধের নিয়ম মেনেই পরিচালিত হয়েছে। ইরানও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মোদির জন্মদিনে পুতিনের বিশেষ বার্তা, একই গাড়িতে দুই নেতা

মোদির জন্মদিনে পুতিনের বিশেষ বার্তা, একই গাড়িতে দুই নেতা

জন্মদিনে মোদিকে পুতিনের শুভেচ্ছা। আর সেই বার্তায় উঠে এসেছে ভারত-রাশিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের প্রসঙ্গ।বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুতিনের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ করে ভারতে অবস্থিত রুশ দূতাবাস‘দ্রুঝবা-দোস্তি’—অর্থাৎ বন্ধুত্বের বার্তা—হ্যাশট্যাগে প্রকাশ করা ওই বার্তায় পুতিন মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। পুতিনের বার্তায় বলা হয়, মোদি ভারতের জনগণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক সম্মানের অধিকারীভারত-রাশিয়ার বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে মোদির ব্যক্তিগত অবদানের প্রশংসাও করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।ভিজ্যুয়াল: মোদি-পুতিনের বৈঠক, করমর্দন ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফুটেজ।গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন।সেই সম্মেলনে রুশ প্রতিনিধিদলকে আতিথেয়তার জন্য মোদিকে ধন্যবাদ জানান পুতিন।শুধু তাই নয়, মোদির সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকেও বস্তুনিষ্ঠ ও ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন তিনি। পুতিনের ভাষ্য, মোদির রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।ভিজ্যুয়াল: ব্রিকস সম্মেলন, মোদি-পুতিন বৈঠক, করমর্দন ও সম্মেলনের বিভিন্ন দৃশ্য।ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও পুতিনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,আরব সাগরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষএকই সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুও আলোচনায় আসে। ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার বৈঠকের ক্লোজ শট।আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকটের প্রভাব, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতার আলোচনার কথা উঠে এসেছে।বৈঠক শেষে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে করে একটি প্রদর্শনী পরিদর্শন করতে দেখা যায়।ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার একই গাড়িতে জন্মদিনে মোদিকে পুতিনের শুভেচ্ছা। আর সেই বার্তায় উঠে এসেছে ভারত-রাশিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের প্রসঙ্গ।বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুতিনের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ করে ভারতে অবস্থিত রুশ দূতাবাস।‘দ্রুঝবা-দোস্তি’—অর্থাৎ বন্ধুত্বের বার্তা—হ্যাশট্যাগে প্রকাশ করা ওই বার্তায় পুতিন মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। পুতিনের বার্তায় বলা হয়, মোদি ভারতের জনগণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক সম্মানের অধিকারী।ভারত-রাশিয়ার বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে মোদির ব্যক্তিগত অবদানের প্রশংসাও করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।ভিজ্যুয়াল: মোদি-পুতিনের বৈঠক, করমর্দন ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফুটেজ।গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন।সেই সম্মেলনে রুশ প্রতিনিধিদলকে আতিথেয়তার জন্য মোদিকে ধন্যবাদ জানান পুতিন।শুধু তাই নয়, মোদির সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকেও বস্তুনিষ্ঠ ও ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন তিনি। পুতিনের ভাষ্য, মোদির রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।ভিজ্যুয়াল: ব্রিকস সম্মেলন, মোদি-পুতিন বৈঠক, করমর্দন ও সম্মেলনের বিভিন্ন দৃশ্য।ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও পুতিনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুও আলোচনায় আসে। ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার বৈঠকের ক্লোজ শট।আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকটের প্রভাব, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতার আলোচনার কথা উঠে এসেছে।বৈঠক শেষে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে করে একটি প্রদর্শনী পরিদর্শন করতে দেখা যায়।ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার একই গাড়িতে ওঠা ও প্রদর্শনী পরিদর্শনের ফুটেজ।দুই নেতার একসঙ্গে চলাচলের এই দৃশ্য নতুন করে আলোচনায় আসে। এর আগেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সম্মেলনে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে।সব মিলিয়ে মোদির জন্মদিনে পুতিনের বার্তায় ব্যক্তিগত শুভেচ্ছার পাশাপাশি ভারত-রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়টিই গুরুত্ব পেয়েছে।মোদির ৭৬তম জন্মদিনে পুতিনের শুভেচ্ছাবার্তা এবং সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক—দুই দেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ককে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এনেছে। ওঠা ও প্রদর্শনী পরিদর্শনের ফুটেজ।দুই নেতার একসঙ্গে চলাচলের এই দৃশ্য নতুন করে আলোচনায় আসে। এর আগেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সম্মেলনে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে।সব মিলিয়ে মোদির জন্মদিনে পুতিনের বার্তায় ব্যক্তিগত শুভেচ্ছার পাশাপাশি ভারত-রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়টিই গুরুত্ব পেয়েছে।মোদির ৭৬তম জন্মদিনে পুতিনের শুভেচ্ছাবার্তা এবং সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক—দুই দেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ককে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এনেছে। 

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরব সাগরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ

আরব সাগরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ

আন্তর্জাতিক জলসীমায় ভারত ও পাকিস্তানের নৌযানের সংঘর্ষকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।ঘটনার জেরে পাকিস্তানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সাদ আহমদ ওয়ারাইচকে তলব করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের দাবি, সংঘর্ষে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও পাকিস্তানি নৌযানের চলাচল ছিল অগ্রহণযোগ্য ও অপেশাদার।ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় সংঘটিত এই ঘটনা ১৯৯১ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সামরিক মহড়া, আড়ও পড়ুন,ইয়েমেনে ফের উত্তাপ, হাউছিদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনীর হামলাকৌশলগত চলাচল ও সেনা স্থানান্তরের বিষয়ে আগাম নোটিশ সংক্রান্ত চুক্তির ১০ নম্বর অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন।পাকিস্তানি কূটনীতিককে ভারতের উদ্বেগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সামরিক ইউনিটগুলোকে সতর্ক থাকার এবং দুই দেশের বিদ্যমান চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংবিধান সংস্কারে সংসদীয় উদ্যোগ, মত দেবে জুলাই সনদে সই করা দলগুলো

জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে আজ মতবিনিময়ে বসছে জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি।জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বেলা আড়াইটায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক। এতে জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী ২৬টি দল ও জোটের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।দল ও জোটগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পর্যায়ের দুজন করে প্রতিনিধিকে মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আলোচনায় সংবিধান সংশোধন বিষয়ে দলগুলোর মতামত জানতে চাওয়া হবে।তবে এই মতবিনিময়ে অংশ না নেওয়ার অবস্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপিসহ কয়েকটি দল। তাদের বক্তব্য, গণভোটে জনগণের দেওয়া রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা প্রয়োজন ছিল। সেই পরিষদ গঠন না করে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংস্কার প্রক্রিয়ায় তারা অংশ নিতে চায় না।এর আগে গত ৪ আগস্ট বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে রাজনৈতিক দল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত হয়।আড়ও পড়ুন,১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা হয়েছে রিজভী তারই ধারাবাহিকতায় আজকের মতবিনিময়।জুলাই জাতীয় সনদে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সংস্কার বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়েই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।একদিকে বিশেষ কমিটি সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে মতামত নিচ্ছে। অন্যদিকে জামায়াত-এনসিপিসহ কয়েকটি দল গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে।ফলে আজকের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মতামতের পাশাপাশি যারা থাকছে না, তাদের অবস্থানও সামনে আসবে।এখন দেখার বিষয়, মতপার্থক্যের মধ্যেও সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো নতুন সমঝোতার সুযোগ তৈরি হয় কি না।

লিংক কপি করা হয়েছে!

জেলার খবর

ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, বড় সমস্যা আস্থার সংকট

ঋণের সুদের হার কমেছে। কমেছে নীতিসুদও। কিন্তু তাতেও গতি ফিরছে না বেসরকারি খাতের ঋণগ্রহণ ও বিনিয়োগে।ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আগস্টে নীতিসুদ ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে নামিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ব্যাংকঋণের ভারিত গড় সুদ ১২ দশমিক ১৬ শতাংশে উঠেছিল—যা অন্তত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। চলতি বছরের জুলাইয়ে তা কমে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৮১ শতাংশে।তারপরও বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা বাড়েনি।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুনে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে আসে মাত্র ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে—৩৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। জুলাইয়ে সামান্য বেড়ে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ হলেও ডিসেম্বরের মধ্যে ৬ দশমিক ৮ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় তা এখনও অনেক কম।ব্যবসায়ীদের মতে, বিনিয়োগের পথে এখন শুধু সুদের হার বাধা নয়। বরং বড় সমস্যা আস্থা।ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলছেন, পর্যাপ্ত চাহিদা, স্থিতিশীল ব্যবসায়িক পরিবেশ ও যুক্তিসংগত মুনাফার নিশ্চয়তা না থাকলে কম সুদেও উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন না।গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, উচ্চ পরিচালন ব্যয়, দুর্বল ভোক্তা চাহিদা, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা এবং খেলাপি ঋণের উচ্চ হারও ব্যবসায়িক আস্থায় প্রভাব ফেলছে।আড়ও পড়ুন,নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত? জানুন ২০ গ্রেডের হিসাবঅন্যদিকে ব্যাংকগুলোও খেলাপি ঋণ ও আর্থিক খাতের দুর্বলতার কারণে নতুন ঋণ বিতরণে সতর্ক।অর্থনীতিবিদদের মতে, সুদের হার কমা অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের একমাত্র সূচক নয়। বিনিয়োগ দুর্বল থাকলে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীলতার ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।ব্যবসায়ীদের আস্থা ফেরাতে তাই শুধু ঋণের খরচ কমানো নয়—নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি, স্থিতিশীল নীতিমালা, বাজারে চাহিদা এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের বিষয়ে পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।অর্থাৎ, ঋণ এখন তুলনামূলক সস্তা হলেও ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন—ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করলে সেই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ কতটা নিরাপদ?এই আস্থার প্রশ্নের উত্তর মিললেই বেসরকারি বিনিয়োগে গতি ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে নামাজের ধারা, এবার সংরক্ষণের দাবি
হেডের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড

হেডের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড

হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রানের পাহাড় গড়েছে অস্ট্রেলিয়া। টস হেরে আগে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৫৬ রান সংগ্রহ করেছে অজিরা। দলের বড় সংগ্রহে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন ট্রাভিস হেড।ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৮৪ বলে ১১২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন হেড। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ১৫টি চার ও তিনটি ছক্কা। এই ইনিংসের পথে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন তিনি।হেড সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ৮৪ বলে। এর আগে এই রেকর্ড ছিল ম্যাট রেনশর দখলে। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতেই ৮৬ বলে শতক করেছিলেন রেনশ।হেডের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে অস্ট্রেলিয়াকে দারুণ শুরু এনে দেন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। দুজন মিলে মাত্র ১৯ ওভারে যোগ করেন ১৩০ রান। মার্শ ৬৩ বলে তিনটি চার ও তিনটি ছক্কায় করেন ৫৩ রান।২৮তম ওভারে হেডের বিদায়ের পর ইনিংসের হাল ধরেন তিন নম্বরে নামা কনোলি। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৬৯ বলে ৭৮ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংসেও ছিল তিনটি চার ও তিনটি ছক্কা।শেষদিকে জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান পিক। সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৮ বলে অপরাজিত ৪১ রান করেন তিনি। হাঁকান দুটি চার ও তিনটি ছক্কা। তাঁর ঝড়ো ব্যাটিংয়েই শেষদিকে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ তিনশ পঞ্চাশ ছাড়িয়ে যায়।এই সংগ্রহের মাধ্যমে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে নিজেদের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোরের রেকর্ডও গড়েছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে ২০১৪ সালে হারারেতেই ৬ উইকেটে ৩৫০ রান করেছিল তারা।ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি হেডের অষ্টম সেঞ্চুরি। আড়ও পড়ুন,আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেআর সব সংস্করণ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর শতকের সংখ্যা এখন ২০টি। এর মধ্যে ১২টি সেঞ্চুরি এসেছে টেস্ট ক্রিকেটে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনো তিন অঙ্কের দেখা পাননি এই বাঁহাতি ব্যাটার।ম্যাচে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন হেড। মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই ব্র্যাড ইভান্সকে চার মেরে রানের খাতা খোলেন তিনি। ৩২ বলে পূর্ণ করেন অর্ধশতক। এরপর কিছুটা ধীর গতিতে খেললেও পরের ৫০ রান করতে তাঁর লাগে মাত্র ৪৩ বল।তবে রেকর্ড সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি হেড। ওয়েসলি মাধেভেরের বলে টাইমিংয়ে ভুল করে বদলি ফিল্ডার রায়ান বার্লের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এরপর কনোলি ও পিকের ব্যাটিংয়ে আবারও চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ের বোলিং আক্রমণ।স্বাগতিকদের হয়ে তিন উইকেট নেন ব্র্যাড ইভান্স। তবে ৯ ওভারে ৮৬ রান দিয়ে ছিলেন বেশ খরুচে। ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ৯ ওভারে ৫১ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট।

আবারও ভারত-ধাক্কা, এশিয়ান গেমসের ফাইনাল থেকে ছিটকে বাংলাদেশ

আবারও ভারত-ধাক্কা, এশিয়ান গেমসের ফাইনাল থেকে ছিটকে বাংলাদেশ

দশ দিনের ব্যবধান। ভেন্যু আলাদা, টুর্নামেন্টও আলাদা। কিন্তু প্রতিপক্ষ সেই ভারত—আর ফলও একই।দুবাইয়ের পর এবার জাপান। নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালের পর এশিয়ান গেমসের শেষ চারের লড়াইয়েও ভারতের কাছে হেরে সোনার পদকের দৌড় থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ।কারোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৯৫ রান।ভারতের ইনিংসের সবচেয়ে বড় নায়ক শেফালি বর্মা। মাত্র ৪৯ বলে শতরান পূর্ণ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।জবাবে ১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ব্যাটাররা ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি।পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি নিগার সুলতানার দল।আড়ও পড়ুন,আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ১৫ দশমিক ৪ ওভারে মাত্র ৮১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।ফলে ভারতের কাছে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।দশ দিন আগে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালেও ভারতের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই ম্যাচে ১০৯ রান করেছিল নিগাররা। এবার স্কোর আরও কমে ঠেকেছে ৮১-তে।এদিকে দিনের প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের ১৭৭ রান ১৪ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।ফলে ২২ সেপ্টেম্বর সোনার পদকের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা।আর একই দিনে ব্রোঞ্জের পদকের জন্য মাঠে নামবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।সোনার লড়াইয়ে জায়গা না হলেও ব্রোঞ্জ জিতে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট অভিযান শেষ করার সুযোগ এখনো রয়েছে নিগার সুলতানাদের সামনে।

আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে

মিরপুরে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। কেউ এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আবার কেউ আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এরই মধ্যে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।তবে ঘোষিত দলে জায়গা হয়নি পেসার নাহিদ রানার। গত জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে চোট পাওয়ার পর এখনো মাঠে ফিরতে পারেননি তিনি।বিসিবির পাঠানো ভিডিও বার্তায় প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন ১০ অক্টোবরের আগে নাহিদ রানার খেলার মতো ফিট হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই আগামী ৯ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হতে যাওয়া আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টেও থাকছেন না তিনি।টেস্টের পর আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজেও নাহিদের খেলার সম্ভাবনা কম। তবে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে তাঁকে দলে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী নির্বাচকেরা।হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে নাহিদ রানাকে খুব করে চাইছে বাংলাদেশ।আড়ও পড়ুন,ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন বাবর তাঁর ফেরার প্রস্তুতি হিসেবে ত্রিদেশীয় সিরিজে দুটি ওয়ানডে খেলানো অথবা জাতীয় ক্রিকেট লিগে প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।এদিকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে পেসার তাসকিন আহমেদকেও। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তাঁকে পুরোপুরি পাওয়ার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক। তবে ত্রিদেশীয় সিরিজে তাসকিন খেলতে পারেন।আফগানিস্তান টেস্টের দলে জায়গা হয়নি অস্ট্রেলিয়া সিরিজে থাকা উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অমিত হাসানেরও। তাঁর পরিবর্তে দলে ফিরেছেন জাকের আলী। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণে আবারও তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে।জুনে জিম্বাবুয়ে ইমার্জিং দলের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই ফিফটি করেছিলেন জাকের। এরপর গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে করেছেন ৯৪ রান।

আফগানিস্তান টেস্টে নেই নাহিদ রানা ফিরতে পারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে

পুরস্কার না পেলেও মেসিই সেরা, ইয়ামালের মুখে প্রশংসা

বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও আলো ছড়িয়েছেন লিওনেল মেসি।গ্রুপ পর্ব থেকে ফাইনাল পর্যন্ত আট ম্যাচে মেসির গোল আটটি। সঙ্গে রয়েছে চারটি গোল করানোর অবদান।টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকেরও দেখা পেয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও দলের দুটি গোলেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।মেসির ম্যাচের দৃশ্য, গোল উদ্‌যাপন, সতীর্থদের সঙ্গে মুহূর্ত এবং ফাইনালের দৃশ্য।শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা।ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ শেষ করতে হয় মেসিদের।ব্যক্তিগত পুরস্কারের তালিকাতেও মেসির নাম ছিল না। গোল্ডেন বুট জিতেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। আর সেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বল উঠেছে স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির হাতে।তবে মেসির পারফরম্যান্স নিয়ে ভিন্ন মূল্যায়ন স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের।ইয়ামালের মতে, মেসি এমন একটি পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, যা অনেকের প্রত্যাশারও বাইরে ছিল।আড়ও পড়ুন,প্রীতি ম্যাচের আগে চমক: বাংলাদেশ মাঠে, চীন অনুপস্থিততিনি মনে করেন, আর্জেন্টিনায় অনেক ভালো খেলোয়াড় থাকলেও মেসি সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন।ইয়ামালের ভাষায়, মেসি ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়—আর তাঁর কাছে এবারের বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ও মেসিই।বিশ্বকাপের শিরোপা ও ব্যক্তিগত পুরস্কার—দুটিই এবার মেসির হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে আবারও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।আর তাঁর সেই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি মিলেছে প্রতিপক্ষ শিবিরের অন্যতম বড় তারকা লামিন ইয়ামালের প্রশংসায়।

পুরস্কার না পেলেও মেসিই সেরা, ইয়ামালের মুখে প্রশংসা

প্রীতি ম্যাচের আগে চমক: বাংলাদেশ মাঠে, চীন অনুপস্থিত

নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রস্তুত নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। কিন্তু প্রতিপক্ষ চীন? মাঠেই এল না! এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই এমন অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। চীনের অনুরোধে আয়োজন করা হয়েছিল একটি প্রীতি ম্যাচ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচে দেখা গেল না চীনের নারী ক্রিকেট দলকে।শনিবার সকাল ৯টায় ম্যাচ। তাই নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই মাঠে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ দল।সকাল সাড়ে ৭টায় মাঠে গিয়ে অবশ্য শুরুতেই আসে অনিশ্চয়তার খবর। কিউরেটরের কাছ থেকে বাংলাদেশ জানতে পারে, ম্যাচটি নাও হতে পারে।কিছুক্ষণ পর নিশ্চিত হওয়া যায়—চীন দল মাঠে আসছে না।বাংলাদেশ নারী দলের ম্যানেজার ফাইয়াজ আহমেদ জানান, ম্যাচ না হওয়ায় পরদিনের সেমিফাইনালের প্রস্তুতিতেই মনোযোগ দিয়েছে দল।মূলত চীনের আগ্রহেই আয়োজন করা হয়েছিল এই প্রীতি ম্যাচ। বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন ইমরোজ আহমেদ জানান, অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া—OCA বাংলাদেশকে চীনের সঙ্গে ম্যাচ খেলার অনুরোধ করেছিল।বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশও তাতে সম্মতি দেয়। সবকিছু চূড়ান্ত হওয়ার পরও চীন মাঠে না আসায় বিষয়টি OCA-কে জানানো হয়েছে।চীনের পক্ষ থেকে ম্যাচে অনুপস্থিত থাকার কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আড়ও পড়ুন,দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হারল বাংলাদেশতবে বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন ধারণা করছেন, আনুষ্ঠানিক ম্যাচ আয়োজন নিয়ে দুই পক্ষের যোগাযোগে কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকতে পারে। অবশ্য এটি এখনো নিশ্চিত নয়।এর আগে বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ ও চীনের নারী ক্রিকেট দলের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়নি। মাঠ খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয় এবং আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশ সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়।এরপর চীনের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু দ্বিতীয়বারও মুখোমুখি হওয়া হলো না দুই দলের।ফলে এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতায় যোগ হলো আরেকটি অদ্ভুত অধ্যায়।প্রতিপক্ষ না এলেও থেমে নেই বাংলাদেশ। সামনে সেমিফাইনাল—সেখানেই এখন পুরো মনোযোগ নিগার সুলতানা জ্যোতিদের।

প্রীতি ম্যাচের আগে চমক: বাংলাদেশ মাঠে, চীন অনুপস্থিত
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোকাহত শোবিজ তারকারা

অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোকাহত শোবিজ তারকারা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতীমের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে। এ ঘটনায় শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।অভিনেতা সিয়াম আহমেদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রতীমের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, অপ্রতীমের ছবির দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারছেন না। বাবা হওয়ার পর কোনো শিশুর এমন খবর দেখলে নিজের সন্তানের মুখই বারবার চোখের সামনে ভেসে ওঠে বলে জানান তিনি।সিয়াম বলেন, একটি সন্তান ছবি তুলবে বলে বিকেলে বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সেই সন্তান আর বাসায় ফেরেনি। একজন বাবা-মায়ের জন্য এর চেয়ে ভয়ংকর অপেক্ষা বা সংবাদ আর কী হতে পারে তা তিনি জানেন না বলেও উল্লেখ করেন।তিনি অপ্রতীমের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তার সঠিক উত্তর তদন্তের মাধ্যমে সামনে আসা প্রয়োজন। কোনোভাবেই যেন সত্য চাপা না পড়ে এবং সর্বোচ্চ সততার সঙ্গে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয় বলেও প্রত্যাশা জানান তিনি।অভিনেত্রী পূজা চেরীও অপ্রতীমের মৃত্যুতে গভীরভাবে মর্মাহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, একজন মায়ের একমাত্র সন্তান এবং একটি পরিবারের স্বপ্ন এভাবে অকালে ঝরে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়।পূজা আরও বলেন, একটি শিশুর এমন মৃত্যু শুধু একটি পরিবারকে নয়, পুরো সমাজকেই শোকাহত করে। আড়ও পড়ুন,দ্বিতীয়বার কন্যাসন্তানের মা–বাবা দীপিকা ও রণবীরঅপ্রতীমের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি সৃষ্টিকর্তার কাছে পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি দেওয়ার প্রার্থনা করেন।ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সত্য সামনে আনা এবং যারা দায়ী তাদের আইনের আওতায় আনার প্রত্যাশাও জানান পূজা চেরী।অন্যদিকে অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ শোকের পাশাপাশি নিজের ক্ষোভের কথাও জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার ভাষ্য, একটি শিশুকে যেন বাসা থেকে বের হয়ে লাশ হয়ে ফিরতে না হয় সেই নিশ্চয়তা তৈরি করা জরুরি।অপ্রতীমের মৃত্যুতে তারকাদের এসব প্রতিক্রিয়ায় একদিকে যেমন পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা উঠে এসেছে তেমনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিও জোরালো হয়েছে।

তারকা দম্পতির ঘরে নতুন মুখ, পুত্রসন্তানের মা হলেন সোহিনী

তারকা দম্পতির ঘরে নতুন মুখ, পুত্রসন্তানের মা হলেন সোহিনী

দুই থেকে তিন হলেন টলিউডের তারকা দম্পতি সোহিনী সরকার ও শোভন গঙ্গোপাধ্যায়।রোববার সকালে প্রথমবারের মতো মা হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে জন্ম নেয় তাদের পুত্রসন্তান।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মা ও সদ্যোজাত—দুজনেই ভালো আছেন।সন্তান জন্মের সুখবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে যৌথভাবে জানিয়েছেন সোহিনী ও শোভন।সেখানে তারা লিখেছেন—‘আমাদের বীরপুরুষ, আমাদের নতুন সদস্য এসেছে। তোমরা সবাই আশীর্বাদ করো।’ছোট্ট এই বার্তার মধ্যেই নতুন অতিথিকে ঘিরে তাদের আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়েছেন তারকা দম্পতি।অভিনেত্রী সোহিনী সরকার টলিউডের পরিচিত মুখ। আড়ও পড়ুন,অপ্রতীমের মৃত্যুতে শোকাহত শোবিজ তারকারাঅভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ রয়েছে। এবার জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন তিনি—মা হওয়ার মধ্য দিয়ে।আর শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাদের সংসারে এলো প্রথম সন্তান।সন্তান জন্মের খবর প্রকাশ্যে আসার পর শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসছেন তারকা দম্পতি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানাচ্ছেন অভিনন্দন।দীর্ঘ অভিনয়জীবনের নানা ব্যস্ততার পর এবার সোহিনী-শোভনের জীবনের সবচেয়ে বড় নতুন চরিত্র—বাবা ও মা।নতুন অতিথিকে ঘিরে তাদের সংসারে এখন আনন্দের আবহ।সোহিনী ও শোভনের জীবনের এই নতুন অধ্যায় আরও আনন্দময় হয়ে উঠুক—শুভকামনা রইল নবজাতক ও তার মা-বাবার জন্য।

১৪ দিনে ২০০ কোটি ছাড়াল ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’

ওটিটিতে দীর্ঘদিন দর্শকদের মাতিয়ে রাখা কালিন ভাইয়া মুন্না ত্রিপাঠি ও গুড্ডু পণ্ডিত এবার বড় পর্দাতেও দর্শকদের সাড়া পাচ্ছেন। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’ এবার বক্স অফিসে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে।স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী মুক্তির ১৪তম দিনে ভারতের বক্স অফিসে সিনেমাটির মোট নিট আয় ২০০ কোটি রুপির গণ্ডি ছাড়িয়েছে। দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার ভারতে সিনেমাটি আয় করেছে ৩ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। এতে দেশটিতে ছবিটির মোট নিট আয় দাঁড়িয়েছে ২০৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে।গুরমিত সিংয়ের পরিচালনায় এবং পুনীত কৃষ্ণের গল্পে নির্মিত সিনেমাটিতে জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজের প্রথম সিজনের ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্বের মধ্যবর্তী সময়ের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,বাবার সুরে মালতির নাচ, নিকের জন্মদিনে প্রিয়াঙ্কার আবেগঘন পোস্ট সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়কে এবার বড় পর্দার জন্য নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হয়েছে।সিনেমাটির অন্যতম আকর্ষণ জনপ্রিয় চরিত্রগুলোর প্রত্যাবর্তন। বিশেষ করে দিব্যেন্দুর মুন্না ত্রিপাঠি ও শ্বেতা ত্রিপাঠির গোলু গুপ্তাকে আবারও একসঙ্গে পর্দায় দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন দর্শকেরা।এক্সেল এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন রিতেশ সিধওয়ানি ও ফারহান আখতার। কালিন ভাইয়া চরিত্রে পঙ্কজ ত্রিপাঠি গুড্ডু পণ্ডিতের ভূমিকায় আলী ফজল এবং মুন্না ত্রিপাঠি চরিত্রে দিব্যেন্দু আবারও হাজির হয়েছেন।সিনেমাটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন রসিকা দুগল শ্রিয়া পিলগাঁওকর জিতেন্দ্র কুমার রবি কিষাণ অভিষেক ব্যানার্জি সোনাল চৌহান মোহিত মালিক ও সুশান্ত সিং।

১৪ দিনে ২০০ কোটি ছাড়াল ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’

বাবার সুরে মালতির নাচ, নিকের জন্মদিনে প্রিয়াঙ্কার আবেগঘন পোস্ট

জন্মদিনে নিক জোনাস, আর বিশেষ দিনে স্ত্রী প্রিয়াঙ্কার ভালোবাসায় ভরা শুভেচ্ছা।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে প্রিয়াঙ্কা নিককে এমন একজন মানুষ হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি প্রতিদিন তাদের স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রূপ দেন।একটি ছবিতে দেখা যায়, নিকের গালে ভালোবাসার চুমু দিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা। পাশাপাশি ছিল গলফ থিমে আয়োজিত জন্মদিন উদযাপনের নানা মুহূর্ত।তবে সবকিছু ছাপিয়ে ভক্তদের মন জয় করেছে বাবা-মেয়ের একটি ভিডিও।নিকের পিয়ানো বাজানোর দৃশ্য / মালতির নাচের দৃশ্য / জন্মদিনের আয়োজন / প্রিয়াঙ্কা-নিকের ছবি।ভিডিওতে দেখা যায়, গ্র্যান্ড পিয়ানোর সামনে বসে রিহানার জনপ্রিয় গান ‘ডায়মন্ডস’ বাজাচ্ছেন নিক জোনাস। আর পাশেই গোলাপি রঙের পোশাকে ছোট্ট মালতি বাবার সুরের সঙ্গে নাচছে ও গান গাইছে।বাবা-মেয়ের এই স্বতঃস্ফূর্ত মুহূর্ত মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কাড়ে।ছবি ও ভিডিওর সঙ্গে আবেগঘন বার্তায় প্রিয়াঙ্কা লেখেন—শুভ জন্মদিন সেই মানুষটিকে, যিনি প্রতিদিন তাদের সব স্বপ্ন সত্যি করেন। নিককে উদ্দেশ করে ভালোবাসার কথাও জানান তিনি।২০১৮ সালে সম্পর্কের পর একই বছর ডিসেম্বরেই বিয়ে করেন প্রিয়াঙ্কা ও নিক। আড়ও পড়ুন,ঢাকার আকাশে মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রাভারতীয় ঐতিহ্য এবং খ্রিস্টান রীতিতে অনুষ্ঠিত হয় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।এর কয়েক বছর পর, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সারোগেসির মাধ্যমে তাদের পরিবারে আসে কন্যাসন্তান মালতি মেরি।মালতির জন্মের পর প্রাথমিক সময়ে তাকে দীর্ঘদিন নিবিড় চিকিৎসা পর্যবেক্ষণে থাকতে হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই সময়কে নিক অত্যন্ত কঠিন অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেন।আর প্রিয়াঙ্কার কাছে, জীবনের নানা অর্জনের পাশাপাশি মেয়ে মালতিই যে সবচেয়ে বড় আনন্দ—বিভিন্ন সময়ে তার কথায় উঠে এসেছে সেই আবেগ।নিকের জন্মদিনের এবারের আয়োজনেও তাই আলোচনার কেন্দ্রে তারকা দম্পতির গ্ল্যামার নয়; বরং বাবা-মেয়ের ছোট্ট, ভালোবাসায় ভরা মুহূর্ত।

বাবার সুরে মালতির নাচ, নিকের জন্মদিনে প্রিয়াঙ্কার আবেগঘন পোস্ট

সময়ের স্রোত পেরিয়েও অমর সালমান শাহ

নব্বইয়ের দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের আকাশে যে তারকা খুব অল্প সময়েই ঝলসে উঠেছিলেন, তিনি সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমা উপহার দিয়ে যিনি হয়ে উঠেছিলেন একটি প্রজন্মের স্বপ্নের নায়ক।আজ সেই প্রয়াত চিত্রনায়কের জন্মদিন। বেঁচে থাকলে ৫৫ বছরে পা দিতেন তিনি। তবে বয়স বাড়েনি, বদলায়নি তাঁর জনপ্রিয়তাও। সময়ের সঙ্গে বরং আরও গভীর হয়েছে দর্শকের ভালোবাসা।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জে জন্ম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমনের। চলচ্চিত্রে এসে নাম নেন সালমান শাহ।টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে শুরু। এরপর ১৯৯৩ সালে কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমায় বড় পর্দায় অভিষেক। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে খুব অল্প সময়েই পৌঁছে যান জনপ্রিয়তার শীর্ষে।শুধু অভিনয় নয়—সালমান শাহ হয়ে উঠেছিলেন ফ্যাশন ও তারুণ্যের প্রতীক। তাঁর চুলের স্টাইল, পোশাক, কথা বলার ধরন কিংবা পর্দায় ব্যক্তিত্ব—সবকিছুই অনুসরণ করত তরুণ প্রজন্ম।চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে তাঁর জুটি পেয়েছিল বিশেষ জনপ্রিয়তা। সালমান শাহ অভিনীত ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতেই তাঁর নায়িকা ছিলেন শাবনূর।আড়ও পড়ুন,ক্যাটরিনার চেহারা নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ আলী জাফরেরস্বপ্নের ঠিকানা, চাওয়া থেকে পাওয়া, জীবন সংসার, আনন্দ অশ্রুসহ একের পর এক সিনেমা আজও দর্শকের স্মৃতিতে অমলিন।কিন্তু মাত্র ২৫ বছর বয়সেই থেমে যায় এই স্বপ্নের নায়কের জীবন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে যায় চলচ্চিত্র অঙ্গন। তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও আইনি প্রক্রিয়া চলেছে।সালমান শাহ নেই—কিন্তু তাঁর সিনেমা আছে, গান আছে, স্মৃতি আছে। নতুন প্রজন্মের দর্শকরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর অভিনয় ও স্টাইল নিয়ে আলোচনা করেন।চার বছরের ক্যারিয়ার হয়তো খুব ছোট। কিন্তু একজন শিল্পীর প্রভাব যে সময় দিয়ে মাপা যায় না, সালমান শাহ তারই উদাহরণ।জীবন থেমেছিল ২৫-এ, কিন্তু দর্শকের হৃদয়ে সালমান শাহ আজও সেই চিরতরুণ নায়ক। জন্মদিনে তাই নতুন করে ফিরে আসে বাংলা চলচ্চিত্রের সেই স্বপ্নের রাজপুত্রের স্মৃতি।

সময়ের স্রোত পেরিয়েও অমর সালমান শাহ
কোন পোস্ট নেই !