রাজনীতি
চিফ হুইপের বক্তব্যের নিন্দা জানাল জামায়াত
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জয়ী না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে উন্নয়নকাজ না করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনির বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার, ১৭ অক্টোবর দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান। বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ১৫ অক্টোবর বামনা আসমাতুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির এক কর্মীসভায় নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, দলীয় মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে কোনো উন্নয়নকাজ করা হবে না। জামায়াতের এই নেতা বক্তব্যটিকে দায়িত্বজ্ঞানহীন উল্লেখ করে বলেন, এটি জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও অভিযোগ করেন, চিফ হুইপ তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, দলীয় প্রার্থী জয়ী না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের মানুষ উন্নয়নকাজের জন্য তাঁর কাছে আসতে পারবেন না। আরও পড়ুন,অধিকার সুরক্ষিত থাকলে সমর্থন জানাবেন হিন্দুরা: সালাহউদ্দিনঅন্য প্রার্থী নির্বাচিত হলে ওই ইউনিয়নের ভাগ্য পুড়বে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।জামায়াতের এই নেতা বলেন, এ ধরনের বক্তব্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের হুমকি এবং নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এটি জনগণের স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা। বিবৃতিতে বর্তমান সরকারের কয়েকজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়েও সমালোচনা করেন এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তাঁর অভিযোগ, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার মতো বক্তব্য গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করে কেউ কেউ নব্য ফ্যাসিবাদের পরিচয় দিচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াতের এই নেতা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এমন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান তিনি। তবে এ ঘটনায় নূরুল ইসলাম মনির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কি না, তা সরবরাহ করা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
ইলিশ সংরক্ষণে মাঠপর্যায়ে এমপিদের সক্রিয় হওয়ার আহ্বান
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করতে দেশের ৩৮টি জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার বা আধা-সরকারি পত্র দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ। রোববার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের কাছে এসব নির্দেশনা পাঠানো হয়। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়াতে সংসদ সদস্যদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী। ডিও লেটারে আমিন উর রশিদ উল্লেখ করেন, ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মৎস্যসম্পদ এবং ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য। দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, পুষ্টিনিরাপত্তা ও সংস্কৃতির সঙ্গে ইলিশের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পদের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, অভিযান চলাকালে নির্ধারিত এলাকায় সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ও আইনত নিষিদ্ধ।আরও পড়ুন,দুর্নীতির মামলায় কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমানপ্রধানইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং ভবিষ্যতে উৎপাদন ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এ অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিও লেটারে তিনি আরও বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণের মতো জাতীয় কর্মসূচি সফল করতে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সামাজিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি জেলেদের আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা এবং অবৈধভাবে ইলিশ আহরণ নিরুৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মন্ত্রী। সংশ্লিষ্টদের আশা, জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান আরও কার্যকর হবে। এতে ইলিশের প্রজনন সুরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
জেলার খবর
জ্যোতির বদলে নেতৃত্বে নাহিদা সহ-অধিনায়ক সোবহানা
বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক হয়েছেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার। তিনি নিগার সুলতানা জ্যোতির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে দলের নতুন সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যাটার সোবহানা মোস্তারি। রোববার ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বরাত দিয়ে ক্রিকেটবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিসিবির নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, নির্বাচক প্যানেলের সঙ্গে বৈঠক শেষে নাহিদা আক্তারকে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সোবহানা মোস্তারিকে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিসিবি মনে করছে, নাহিদার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার উপযুক্ত সময় এখনই। ২০২২ সালে নিগার সুলতানা জ্যোতি টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন নাহিদা। দীর্ঘদিন নেতৃত্বের সহায়ক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগাতে পারবেন তিনি। আরও পড়ুন,আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজএদিকে এশিয়ান গেমসের পর টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। নিজের খেলায় আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার লক্ষ্যেই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি। তবে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়লেও বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জ্যোতি। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও তার নেতৃত্বে খেলেছে বাংলাদেশ দল। নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তারের সামনে এখন দলকে আরও সুসংগঠিত করা এবং আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভালো ফল অর্জনের চ্যালেঞ্জ। সহ-অধিনায়ক সোবহানা মোস্তারিকে সঙ্গে নিয়ে নতুন নেতৃত্বে দল কতটা এগিয়ে যেতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। বাংলাদেশ নারী দলের পরবর্তী বড় লক্ষ্য আইসিসি উইমেন্স এমার্জিং নেশনস ট্রফি। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় এই প্রতিযোগিতায় আগামী ১২ নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। নতুন নেতৃত্বের অধীনে এই টুর্নামেন্ট দিয়েই দলের সামনে নিজেদের সামর্থ্য তুলে ধরার সুযোগ আসছে।
৩৭ টিকিটের ৩৫টিই কিনল সিনেমার টিম
উৎসবের আমেজেও প্রেক্ষাগৃহে দর্শকখরা। নতুন মুক্তি পাওয়া ‘স্নেহের বন্ধন’ ও ‘কাটপিস’ সিনেমা দুটি দর্শক টানতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে জানা গেছে। রাজধানীর কেরানীগঞ্জের লায়ন সিনেমাসে ছবি দুটির টিকিট বিক্রির চিত্রে উঠে এসেছে হতাশাজনক পরিস্থিতি। প্রেক্ষাগৃহটির প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আবদুল খালেক জানান, মুক্তির প্রথম দিন সিনেমা দুটির একাধিক প্রদর্শনীতে কোনো দর্শকই ছিলেন না। শনিবার সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত ছবি দুটির দুটি প্রদর্শনীতে একটি টিকিটও বিক্রি হয়নি। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যার একটি শোতে ‘স্নেহের বন্ধন’ সিনেমার ৩৭টি টিকিট বিক্রি হয়। তবে এর মধ্যে ৩৫টি টিকিট কিনেছেন সিনেমাটির নিজস্ব টিমের সদস্যরা। সাধারণ দর্শক ছিলেন মাত্র দুজন। অন্যদিকে, একই দিনে ‘কাটপিস’ সিনেমার টিকিট বিক্রি হয়েছে মাত্র আটটি। সিনেমা মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট পেজে ছবিগুলো নিয়ে নানা প্রচারণামূলক দাবি দেখা গেছে। কোথাও বলা হয়েছে, সিনেমা দেখে দর্শক আবেগাপ্লুত হয়ে প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হচ্ছেন।আরও পড়ুন,হর্ষদীপের সঙ্গে রণবীরের গান মুগ্ধ করল দর্শকদেরআবার কোথাও পরিবার নিয়ে দেখার মতো ছবি হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে। তবে এসব প্রচারণার সঙ্গে প্রেক্ষাগৃহের টিকিট বিক্রির হিসাবের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। মির্জা আবদুল খালেকের ভাষ্য, সিনেমা চালানোর আগে পোস্টার ছাপানোসহ বিভিন্ন প্রচারণায় অর্থ ব্যয় হয়। কিন্তু দর্শক না এলে সেই উদ্যোগের সুফল পাওয়া যায় না। দর্শকশূন্য প্রদর্শনীতে বিদ্যুৎ ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার খরচসহ প্রেক্ষাগৃহের পরিচালন ব্যয়ও লোকসানের বোঝা বাড়ায়। স্নেহের বন্ধন’ সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয় চৌধুরী ও মৌ খান। কামরুজ্জামান পরিচালিত ছবিটির প্রযোজক শাহ আলম। মুক্তির আগে ছাদখোলা বাসে ঢাকা শহরে প্রচারণাও চালান ছবিটির অভিনয়শিল্পী ও প্রযোজক। লায়ন সিনেমাস ছাড়াও দেশের আরও ১৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। তবে সেখানেও দর্শক উপস্থিতি খুব একটা সন্তোষজনক নয় বলে জানা গেছে। একইভাবে দর্শকসংকটে রয়েছে ‘কাটপিস’ সিনেমাটিও। প্রেক্ষাগৃহমালিকের মতে, দেশের চলচ্চিত্রের দর্শক ফেরাতে মানসম্মত সিনেমা নির্মাণের পাশাপাশি কার্যকর প্রচারণা জরুরি। একই সঙ্গে সিনেমা দেখার পর দর্শকের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও মুখে মুখে প্রচারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভিডিও গ্যালারি
সকল ভিডিওজাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা
জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবির নেতার হুঁশিয়ারি
ভিপি জিএস হওয়ার কারণে যেসব সুবিধা পাবেন সাদিক ও ফরহাদ
দুই ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম- আবিদুলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়
সাইবার আক্র'মণের অভিযোগ নিয়ে যা বলছে ছাত্রদলের হামিম