মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

আন্তর্জাতিক

নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালেন ট্রাম্প

ইসরায়েলে আগামী ২৭ অক্টোবর পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে জনমত জরিপে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর প্রতি সরাসরি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর প্রশংসা করেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে মিত্র হিসেবে পাশে থাকার জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর প্রতি নিজের ‘পূর্ণাঙ্গ ও সম্পূর্ণ সমর্থন’ রয়েছে বলে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘বিবি নেতানিয়াহু আপনাদের কখনো হতাশ করবেন না!’ নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ করে দেওয়া ট্রাম্পের এই বার্তা ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। আরও পড়ুন,ড্রোন হামলায় রুশ তেল টার্মিনালে আগুনইসরায়েলের রাজনীতিতে নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তবে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। জনমত জরিপগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আভাস পাওয়ায় ক্ষমতায় থাকা তাঁর জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিকভাবে কতটা সহায়ক হবে, তা নিয়ে নজর রয়েছে পর্যবেক্ষকদের। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পাশাপাশি ইরানকে কেন্দ্র করে দুই দেশের নিরাপত্তা ও সামরিক সহযোগিতাও এই সমর্থনের পটভূমিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ট্রাম্পের সমর্থন নির্বাচনের ফলাফলে কী প্রভাব ফেলবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের ভোটাররা কোন দল ও নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখেন, সেটিই নির্ধারণ করবে দেশটির পরবর্তী সরকারের রাজনৈতিক সমীকরণ। আসন্ন নির্বাচন ঘিরে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন—দুই বিষয়ই এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজরে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান খান

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান খান

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মো. আতাউর রহমান খান। এর আগে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ২৫ মে তিনি সরকারের সচিব পদে পদোন্নতি পান। মো. আতাউর রহমান খান বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৯৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর সরকারি কর্মজীবন শুরু হয়। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে কাজ করা। এ ছাড়া ভৌত অবকাঠামো বিভাগ, শিল্প ও জ্বালানি বিভাগ এবং বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের প্রোগ্রামিং বিভাগেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখেন আতাউর রহমান খান। পাশাপাশি বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এ সময় দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো ও ডেটা সেন্টার সেবার উন্নয়নে কাজ করেন।আরও পড়ুন,ফ্যামিলি কার্ডে দারিদ্র্য ৫ শতাংশ কমার আশা শিক্ষাজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর উভয় ডিগ্রিতে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন তিনি। পরে জাপানের ন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট ফর পলিসি স্টাডিজ থেকে পাবলিক পলিসিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। যুক্তরাজ্যের লিভারপুল হোপ ইউনিভার্সিটি থেকে পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেওয়ার পাশাপাশি ঢাকার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ থেকে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সও সম্পন্ন করেছেন। সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, ইতালি, জার্মানি, নেদারল্যান্ডসসহ বিভিন্ন দেশে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। এসব প্রশিক্ষণের বিষয় ছিল সরকারি বিনিয়োগ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক বাণিজ্য, নীতিনির্ধারণ ও উন্নয়ন প্রকল্প মূল্যায়ন। নতুন দায়িত্বে দেশের নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন, সমুদ্র ও নৌবন্দরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নৌপথের কার্যকর ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আতাউর রহমান খান। নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলে পুড়েছে ১৯ লাখ হেক্টর

ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলে পুড়েছে ১৯ লাখ হেক্টর

ইন্দোনেশিয়ায় চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ে গেছে ১৯ লাখ হেক্টরেরও বেশি এলাকা। স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে বন উজাড় পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নুসানতারা অ্যাটলাস। সংস্থাটির আশঙ্কা, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রকাশিত হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে। নুসানতারা অ্যাটলাসের প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড গ্যাভো জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় মোট ১৯ লাখ ১৬ হাজার ৫৮৮ হেক্টর এলাকা পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন শনাক্ত করা হয়েছে। পুড়ে যাওয়া এই এলাকার আয়তন যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের প্রায় ১২ গুণ। তবে এই পরিসংখ্যানকে প্রাথমিক ও সতর্ক হিসাব হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। আরও পড়ুন,১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যুডেভিড গ্যাভোর মতে, ছোট ছোট পোড়া এলাকা হিসাবের বাইরে থেকে যাওয়া এবং ভুল শনাক্তকরণ এড়ানোর কারণে মোট ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিমাণ কম ধরা পড়তে পারে। এ ছাড়া, ঘন ধোঁয়াশার কারণে অনেক ক্ষেত্রে স্যাটেলাইটের ছবিতে আগুনে পুড়ে যাওয়া এলাকা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, ইন্দোনেশিয়া সরকার সর্বশেষ গত জুলাইয়ের শেষে জানিয়েছিল, তখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় ২ লাখ ২ হাজার হেক্টর এলাকা দাবানলে পুড়ে গেছে। এরপর থেকে সরকারিভাবে নতুন কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বেসরকারি পর্যবেক্ষণ সংস্থার সাম্প্রতিক হিসাবের সঙ্গে সরকারি তথ্যের বড় ব্যবধান দেখা যাচ্ছে। নুসানতারা অ্যাটলাসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত পুড়ে যাওয়া এলাকার পরিমাণ ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০১৫ সালে ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সে সময় বর্তমান পর্যবেক্ষণব্যবস্থায় ব্যবহৃত স্যাটেলাইটগুলো চালু না থাকায় ওই বছরের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য নেই। ডেভিড গ্যাভো আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, চলতি বছরের দাবানলও ২০১৫ সালের মতো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাঁর মতে, স্যাটেলাইটে শনাক্ত হওয়া আগুনের হটস্পটের সংখ্যা এখনো বাড়ছে, যা পরিস্থিতির আরও অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সব মিলিয়ে, ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রকৃত পরিমাণ এবং আগুনের বিস্তার সম্পর্কে আরও স্পষ্ট চিত্র পেতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।

১০ ঘন্টা আগে
বিদেশি বিনিয়োগে বদলে যাচ্ছে এথেন্সের পুরোনো পাড়া

বিদেশি বিনিয়োগে বদলে যাচ্ছে এথেন্সের পুরোনো পাড়া

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের এক্সারখিয়া এলাকায় বিদেশি বিনিয়োগ ও পর্যটন বৃদ্ধির কারণে বদলে যাচ্ছে দীর্ঘদিনের আবাসিক পরিবেশ। একের পর এক ভবন কিনে স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার আবাসনে রূপান্তর করছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে বাড়ছে বাড়িভাড়া, উচ্ছেদের মুখে পড়ছেন পুরোনো বাসিন্দারা, আর হারিয়ে যাচ্ছে এলাকার ঐতিহ্য ও সামাজিক বন্ধন। এক্সারখিয়া দীর্ঘদিন ধরে বামপন্থী রাজনীতি, প্রতিবাদ আন্দোলন এবং ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতির জন্য পরিচিত। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এলাকায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইসরায়েলি ক্রেতাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। তবে এথেন্সে বাড়ির মালিকদের জাতীয়তা নিয়ে সরকারি পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান নেই। ১৯৮৬ সাল থেকে এলাকাটিতে বসবাস করছেন স্থপতি টোনিয়া ক্যাটেরিনি। তাঁর ভাষ্য, বিদেশি বিনিয়োগের কারণে পরিচিত পাড়ার চেহারা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। তিনি ও তাঁর প্রতিবেশীরা সরকারি নথির ভিত্তিতে বিদেশিদের কেনা সম্পত্তির একটি ডিজিটাল মানচিত্রও তৈরি করেছেন। তাঁদের দাবি, নতুন গড়ে ওঠা কোম্পানি পরিচালিত হোটেল ও ভাড়ার আবাসনের উল্লেখযোগ্য অংশ ইসরায়েলি বিনিয়োগকারীদের মালিকানাধীন। আরও পড়ুন,১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যুএদিকে, দীর্ঘদিনের বাসিন্দা ও স্কুলশিক্ষিকা ক্রিসুলা পাপাজর্জিওর অভিযোগ, করোনাভাইরাস মহামারির পর পরিস্থিতির বড় পরিবর্তন ঘটে। ব্যক্তিগতভাবে ঘর ভাড়া দেওয়ার পরিবর্তে বিভিন্ন কোম্পানি পুরো ভবন কিনে পর্যটকদের জন্য ব্যবহার করতে শুরু করে। এর ফলে অনেক ভাড়াটিয়াকে এলাকা ছাড়তে হয়েছে। বাসিন্দা কমে যাওয়ায় স্থানীয় স্কুলগুলো শিক্ষার্থী হারিয়েছে, বন্ধ হয়েছে পুরোনো বইয়ের দোকান, ক্যাফে ও মুদি দোকান। বাড়িভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি মেট্রো স্টেশন নির্মাণ ও পর্যটকের সংখ্যা বাড়াও স্থানীয়দের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, এক্সারখিয়া ধীরে ধীরে আবাসিক এলাকা থেকে পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হবে। ২০২২ সাল থেকে এলাকাটির স্কয়ারে মেট্রো স্টেশন নির্মাণের কাজ চলছে। গ্রিসের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটির আবাসন খাতে বিদেশি অনাবাসীদের বিনিয়োগ রেকর্ড ২৭৫ কোটি ইউরোতে পৌঁছায়। আবাসন সংকট মোকাবিলায় সরকার বিদেশি ক্রেতাদের ওপর কর বাড়ানো এবং স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে। মধ্য এথেন্সে নতুন স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার লাইসেন্স দেওয়ার নিষেধাজ্ঞাও ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আবাসন ব্যবসায়ীদের মতে, সরকারি নিয়ম এবং তরুণ গ্রিকদের বাড়ি কেনার আগ্রহ বৃদ্ধির কারণে বিদেশি ক্রেতাদের অংশগ্রহণ কিছুটা কমেছে। তবে বাড়িভাড়া ও আবাসন সংকট এখনো পুরোপুরি কাটেনি। এক্সারখিয়ার বাসিন্দাদের দাবি, উন্নয়ন ও বিনিয়োগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সাশ্রয়ী আবাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে বিদেশি বিনিয়োগের চাপে এলাকার পুরোনো বাসিন্দা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বন্ধন আরও হারিয়ে যেতে পারে।

১০ ঘন্টা আগে
১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যু

১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যু

আলজেরিয়ার সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ নারী হিসেবে পরিচিত হাজ্জা সারহুদা সিতিতি মারা গেছেন। প্রচলিত জন্মসন অনুযায়ী, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১৩২ বছর। জীবনের শেষ দিকে পবিত্র হজ পালন করে আলোচনায় আসা এই নারীর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া। ১৮৯৪ সালে আলজেরিয়ার গালমা প্রদেশের শিনিউ এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন সারহুদা সিতিতি। পরবর্তী সময়ে তিনি তেবেসা শহরে বসবাস করতেন। দীর্ঘ জীবন, বড় পরিবার এবং জীবনের শেষ পর্যায়ে হজ পালনের কারণে তিনি দেশজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন। মাত্র ২০ বছর বয়সে বিয়ে করেন সারহুদা। তাঁর ছিল ১৫ সন্তান। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি সন্তান, নাতি-নাতনি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কাটিয়েছেন। তাঁর জীবনকাহিনি আলজেরিয়ার একাধিক প্রজন্মের পারিবারিক ও সামাজিক পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।আরও পড়ুন,নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালেন ট্রাম্প ২০২৪ সালের জুনে ১৩০ বছর বয়সে পবিত্র হজ পালন করেন সারহুদা সিতিতি। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে সৌদি আরবে হজ করতে যাওয়ার ঘটনা সে সময় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর আগে তিনি দুইবার ওমরাহ পালন করেছিলেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি আল আরাবিয়া তাঁর হজ পালনের বিশেষ ভিডিওচিত্র প্রকাশের পাশাপাশি মৃত্যুর খবরও জানায়। ১৮৯৪ সালের জন্মসন সঠিক হলে সারহুদা তাঁর দীর্ঘ জীবনে আলজেরিয়ার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ নানা অধ্যায়ের সাক্ষী হয়েছেন। তিনি দেখেছেন ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসন, স্বাধীনতার সংগ্রাম এবং দেশটির স্বাধীনতা অর্জন। পাশাপাশি স্বাধীনতা-পরবর্তী কয়েক দশকের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনও প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে আলজেরিয়ায় শোকের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। তবে তাঁর জন্মসন অনুযায়ী ১৩২ বছর বয়সের দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। দীর্ঘ জীবনের নানা অভিজ্ঞতা, বড় পরিবার এবং জীবনের শেষদিকে পবিত্র হজ পালনের মধ্য দিয়ে হাজ্জা সারহুদা সিতিতি আলজেরিয়ার মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

১০ ঘন্টা আগে
নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালেন ট্রাম্প

নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালেন ট্রাম্প

ইসরায়েলে আগামী ২৭ অক্টোবর পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে জনমত জরিপে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর প্রতি সরাসরি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর প্রশংসা করেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে মিত্র হিসেবে পাশে থাকার জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর প্রতি নিজের ‘পূর্ণাঙ্গ ও সম্পূর্ণ সমর্থন’ রয়েছে বলে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘বিবি নেতানিয়াহু আপনাদের কখনো হতাশ করবেন না!’ নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ করে দেওয়া ট্রাম্পের এই বার্তা ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। আরও পড়ুন,ড্রোন হামলায় রুশ তেল টার্মিনালে আগুনইসরায়েলের রাজনীতিতে নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তবে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। জনমত জরিপগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আভাস পাওয়ায় ক্ষমতায় থাকা তাঁর জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিকভাবে কতটা সহায়ক হবে, তা নিয়ে নজর রয়েছে পর্যবেক্ষকদের। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পাশাপাশি ইরানকে কেন্দ্র করে দুই দেশের নিরাপত্তা ও সামরিক সহযোগিতাও এই সমর্থনের পটভূমিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ট্রাম্পের সমর্থন নির্বাচনের ফলাফলে কী প্রভাব ফেলবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের ভোটাররা কোন দল ও নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখেন, সেটিই নির্ধারণ করবে দেশটির পরবর্তী সরকারের রাজনৈতিক সমীকরণ। আসন্ন নির্বাচন ঘিরে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন—দুই বিষয়ই এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজরে।

১১ ঘন্টা আগে
ড্রোন হামলায় রুশ তেল টার্মিনালে আগুন

ড্রোন হামলায় রুশ তেল টার্মিনালে আগুন

রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ ও আশপাশের লেনিনগ্রাদ অঞ্চলে ইউক্রেনের ১২৬টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। রোববার ১৮ অক্টোবরের এ ঘটনায় সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি তেল টার্মিনালে আগুন ধরে যায়। পাশাপাশি দেশটির অন্যতম ব্যস্ত পুলকোভো বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার দ্রোজদেনকো জানান, বড় পরিসরে চালানো ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে অভিযান চালানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ বাড়িঘর, গাড়ি ও বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়েছে। এতে কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি। সেন্ট পিটার্সবার্গের গভর্নর আলেকজান্ডার বেগলভ জানান, ইউক্রেনের হামলায় সেন্ট পিটার্সবার্গ অয়েল টার্মিনালে আগুন ধরে যায়। গত জুনেও এই টার্মিনালে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। আরও পড়ুন,বিদেশি কর্মীদের ‘দাস’ বলা নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন ভ্যান্সহামলার পর নিরাপত্তার কারণে শহরটির প্রধান বিমানবন্দর পুলকোভোর কার্যক্রম সীমিত করা হয়। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, বিমানবন্দরটিতে উড়োজাহাজের বহির্গমন ব্যাহত হয়েছে। এদিকে, রাশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভিকে দাবি করেছে, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ওই অঞ্চলে তাদের একটি ডেটা সেন্টার। তবে কেন্দ্রটির কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই হামলার ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে আবারও হামলা চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদপত্র ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলার জবাবে ইউক্রেন দেশটির ভূখণ্ডে পাল্টা হামলা চালাবে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতে রাশিয়ার তেল শোধনাগার ও তেলের ডিপোতে ইউক্রেনের হামলার সমালোচনা করেছেন। শুক্রবার রাশিয়ার জ্বালানি খাতের আয় লক্ষ্য করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক স্থগিত করার বিষয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন তিনি। এ পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে সমালোচনার মুখে পড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় জ্বালানি অবকাঠামো ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

১৮ অক্টোবর ২০২৬
বিদেশি কর্মীদের ‘দাস’ বলা নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন ভ্যান্স

বিদেশি কর্মীদের ‘দাস’ বলা নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন ভ্যান্স

এইচ-১বি ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করা বিদেশি কর্মীদের ‘চুক্তিবদ্ধ দাস’ বলার বিষয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি স্বীকার করেছেন, বক্তব্যের ভাষা হয়তো যথাযথ ছিল না। একই সঙ্গে নিজের ভারতীয় শ্বশুর-শাশুড়ির কথা উল্লেখ করে তাদের প্রতি ভালোবাসার কথাও জানিয়েছেন তিনি। রোববার ১৮ অক্টোবর ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসননীতিতে এমন ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন, যাতে বিদেশি কর্মীদের প্রতি সম্মান বজায় রাখার পাশাপাশি মার্কিন কর্মীদের স্বার্থও সুরক্ষিত থাকে। ভ্যান্সের স্ত্রী ঊষা ভ্যান্সের পরিবারের শিকড় দক্ষিণ ভারতে। তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ি ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়েছিলেন। ভ্যান্স বলেন, দক্ষিণ ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা তাঁর শ্বশুর-শাশুড়িকে তিনি ভালোবাসেন। তাঁদের মেয়ে ঊষা যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে দেশটির সেকেন্ড লেডি। স্ত্রীকে নিয়ে তিনি গর্বিত বলেও জানান। ভ্যান্সের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রে অবদান রাখতে আগ্রহী বিদেশি কর্মীদের স্বাগত জানানো উচিত। তবে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অজুহাতে কোনো প্রতিষ্ঠান আগে থেকে কর্মরত মার্কিন নাগরিকদের চাকরিচ্যুত করতে পারে না।আরও পড়ুন,মৃত যমজ ভাইয়ের পরিচয়ে ১৯ বছর পালিয়ে অবশেষে গ্রেপ্তারতাঁর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ বিদেশি ও মার্কিন উভয় কর্মীর জন্যই ক্ষতিকর। এই বিতর্কের সূত্রপাত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অভিবাসনসংক্রান্ত কঠোর অবস্থান থেকে। চলতি মাসের শুরুতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম বা পিইআরএমের আওতায় আবেদনপ্রক্রিয়া স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়। তালিকায় মাইক্রোসফট, কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস, উইপ্রো, এইচসিএল ও ক্যাপজেমিনির মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ায় পিইআরএম গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এর মাধ্যমে নিয়োগকর্তারা নির্দিষ্ট শর্তে বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের আবেদনে স্পনসর করতে পারেন। বিদেশি পেশাজীবীদের ‘চুক্তিবদ্ধ দাস’ হিসেবে বর্ণনা করার ঘটনায় এর আগে প্রতিবাদ জানিয়েছিল ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মন্তব্যটিকে অযৌক্তিক ও গভীরভাবে আপত্তিকর বলে উল্লেখ করে। ভারতের বক্তব্য, দেশটিতে জন্ম নেওয়া বহু দক্ষ পেশাজীবী যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও উদ্ভাবন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। ভ্যান্সের সর্বশেষ বক্তব্যে ভাষার জন্য দুঃখ প্রকাশের ইঙ্গিত থাকলেও অভিবাসননীতিতে মার্কিন কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষার অবস্থান তিনি বজায় রেখেছেন। ফলে এইচ-১বি ভিসা, বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগ এবং গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে বিতর্ক অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত মিলছে।

১৮ অক্টোবর ২০২৬
মৃত যমজ ভাইয়ের পরিচয়ে ১৯ বছর পালিয়ে অবশেষে গ্রেপ্তার

মৃত যমজ ভাইয়ের পরিচয়ে ১৯ বছর পালিয়ে অবশেষে গ্রেপ্তার

মৃত যমজ ভাইয়ের পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘ ১৯ বছর পুলিশের চোখ এড়িয়ে চলা চীনের এক পলাতক ডাকাত অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন। মৃত ভাইয়ের সাবেক প্রেমিকার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে ২০০২ সালের একটি ডাকাতির ঘটনার ২৪ বছর পর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা সামনে আসার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনাটি ২০০২ সালের। চীনের পূর্বাঞ্চলীয় ঝেজিয়াং প্রদেশের ইউহুয়ানে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে নগদ অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুটের ঘটনায় সাতজন জড়িত ছিলেন। পুলিশ দ্রুত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করতে পারলেও চেন নামের সপ্তম সন্দেহভাজন পালিয়ে যান। দীর্ঘদিন খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পাওয়ায় একপর্যায়ে তদন্ত থমকে যায়। এর পাঁচ বছর পর, ২০০৭ সালে মধ্য চীনের আনহুই প্রদেশ থেকে পুলিশ জানতে পারে, সড়ক দুর্ঘটনায় চেনের মৃত্যু হয়েছে এবং তার নাগরিক নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে তাকে মৃত ধরে তদন্ত স্থগিত করা হয়। আরও পড়ুন,অভিবাসন পথে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা অজানাতবে দীর্ঘদিন পর মামলাটি পুনরায় পর্যালোচনা করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, আনহুইয়ের এক ব্যক্তি তার মৃত যমজ ভাইয়ের পরিচয় ব্যবহার করে বসবাস করছেন। পুরোনো মামলার নথি যাচাই করে তদন্তকারীরা ওই ব্যক্তির পরিচয়, জন্মস্থান ও পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে মিল খুঁজে পান। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০৭ সালে কথিত মৃত্যুর মাত্র নয় দিন পর চেনের নাম পরিবর্তনের আবেদন করা হয়েছিল। পুরোনো ও নতুন পরিচয়পত্রের ছবি তুলনা করে তদন্তকারীরা চেহারা ও অভিব্যক্তির কিছু পার্থক্য শনাক্ত করেন। এতে তাদের সন্দেহ আরও জোরালো হয়। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পেয়ে পুলিশ চেনের মৃত যমজ ভাইয়ের সাবেক প্রেমিকা দেং-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে। দুর্ঘটনার আগে ওই ভাইয়ের সঙ্গে দেং-এর বিয়ের কথাবার্তা চলছিল। পুলিশকে তিনি জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন বড় ভাই, আর বেঁচে থাকা ব্যক্তিই ছিলেন পলাতক চেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে গত জুন মাসে চেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। চীনের ফৌজদারি আইন অনুযায়ী, ডাকাতির অপরাধে তার তিন থেকে দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে সাবেক প্রেমিকার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করছেন। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, পলাতক আসামির পরিচয় গোপন রাখতে পরিবারের সদস্যরা সহায়তা করে থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।

১৮ অক্টোবর ২০২৬
অভিবাসন পথে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা অজানা

অভিবাসন পথে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা অজানা

উন্নত জীবন ও নিরাপত্তার আশায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে অভিবাসনের চেষ্টা করতে গিয়ে গত এক দশকে বিশ্বজুড়ে চার হাজার ৪১৪ জনের বেশি শিশু মারা গেছে অথবা নিখোঁজ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই উদ্বেগজনক তথ্য। তবে নিখোঁজের ঘটনা এবং বয়স-পরিচয় শনাক্ত করতে না পারার কারণে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন অভিবাসন রুটে এসব শিশু মৃত্যুর ঘটনা নথিবদ্ধ হয়েছে। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ, মরুভূমির তীব্র গরম, পানিশূন্যতা, অনাহার এবং মানব পাচারকারীদের নির্যাতন বিভিন্ন কারণে প্রাণ হারাচ্ছে শিশুরা। শিশুদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক অভিবাসন রুট হিসেবে উঠে এসেছে ভূমধ্যসাগর। উত্তর আফ্রিকা থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে দুই হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু বা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার সময় মরুভূমির চরম আবহাওয়া ও নদীতে ডুবে অন্তত ৮৫০ শিশুর মৃত্যুর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আরও পড়ুন,ভূমিকম্পে কাঁপল খুজদারসহ আশপাশের এলাকাসাহারা মরুভূমি ও হর্ন অব আফ্রিকার দুর্গম পথেও পানিশূন্যতা ও তীব্র গরমে প্রাণ হারাচ্ছে বহু শিশু। আইওএম ও জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহ কিংবা দুর্ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের বড় একটি অংশের বয়স ও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। ফলে প্রকৃত চিত্র নথিভুক্ত পরিসংখ্যানের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মৃত শিশুদের মধ্যে যাদের বয়স শনাক্ত করা গেছে, তাদের মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুও রয়েছে। তবে বহু ঘটনার ক্ষেত্রে বয়স ও লিঙ্গের তথ্য পাওয়া যায়নি। গত এক দশকে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮১ হাজার অভিবাসীর মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নথিবদ্ধ করেছে আইওএম। এর মধ্যে ৪৪ হাজার ৮৬২টি ঘটনায় বয়সসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি। আইওএমের মহাপরিচালক বলেছেন, আইনি ও নিরাপদ অভিবাসনের সুযোগের অভাব শিশুদের চরম ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। অন্যদিকে সংস্থাটির ডেটা ও পলিসি বিভাগের প্রধান স্টুয়ার্ট ক্যাম্পো প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর তথ্য সঠিকভাবে নথিভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। শিশুদের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সীমান্তে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার, মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা এবং দেশগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।

১৭ অক্টোবর ২০২৬
ভূমিকম্পে কাঁপল খুজদারসহ আশপাশের এলাকা

ভূমিকম্পে কাঁপল খুজদারসহ আশপাশের এলাকা

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার ১৭ অক্টোবর স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৬ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া যায়নি। পাকিস্তানের আবহাওয়া দপ্তরের সিসমিক শাখা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বেলুচিস্তানের খুজদার জেলা থেকে ৪৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হওয়ায় আশপাশের এলাকায় তুলনামূলক তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, খুজদার ছাড়াও আশপাশের খারান ও কালাত জেলায় ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়। বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন,ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাততবে খুজদারের কাছাকাছি গ্রামীণ এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলো। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূপৃষ্ঠের ৭০ কিলোমিটারের কম গভীরে সংঘটিত ভূমিকম্পকে অগভীর ভূমিকম্প বলা হয়। এ ধরনের ভূমিকম্পের তরঙ্গ ভূপৃষ্ঠে পৌঁছানোর সময় তুলনামূলক কম শক্তি হারায়। ফলে দুর্বল কাঠামোর ভবনে ফাটল দেখা দেওয়া এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। উল্লেখ্য, প্রায় ৩ লাখ ৪৭ হাজার ১৯০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বেলুচিস্তান ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান ও অ্যারাবিয়ান—এই তিনটি বড় টেকটোনিক প্লেটের সক্রিয় সংযোগস্থলে অবস্থিত। প্লেটগুলোর নড়াচড়ার কারণে অঞ্চলটিতে প্রায়ই মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়। বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, ৬ মাত্রার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প তুলনামূলক বিরল হলেও বেলুচিস্তানে ৫ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প মাঝেমধ্যে আঘাত হানে।

১৭ অক্টোবর ২০২৬
ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাত

ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় একাধিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই। আকাশপথে হামলার পাশাপাশি ইরানি বাহিনীকে সহায়তাকারী গুপ্তচর ও ‘স্লিপার সেল’-এর মতো গোপন হুমকিও মোকাবিলা করতে হয়েছিল দেশটিকে। শুক্রবার ১৬ অক্টোবর গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। দুবাইয়ে ইউএই করেসপন্ডেন্টস কাউন্সিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় দেশটির ফেডারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের প্রতিরক্ষা, অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ডক্টর আলী রশিদ আল নুয়াইমি এসব নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের কথা জানান। তিনি বলেন, হামলার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও দেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিল সরকার। শপিং মল, রেস্তোরাঁ ও সমুদ্রসৈকত খোলা রেখে জনজীবন সচল রাখা হয়। আল নুয়াইমি জানান, হামলার সময় আবুধাবির গ্যালেরিয়া মলে তাঁর উপস্থিতি এক ইসরায়েলি পরিচিতজনকে বিস্মিত করেছিল। আরও পড়ুন,মোদি সরকারের সমালোচনা করে বিতর্কে সালমান রুশদিতাঁর মতে, সংঘাতের মধ্যেও এ ধরনের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে সামাজিক সহাবস্থান ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ইতিবাচক দিক তুলে ধরে। তিনি আরও জানান, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতেও সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর লক্ষ্যে সম্প্রতি পৃথকভাবে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। এদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুপ্তচরবৃত্তি ও নাশকতামূলক নেটওয়ার্ক ধ্বংসের কথা জানিয়েছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে কুয়েত, বাহরাইন ও কাতার। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় তাদের আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাভাবিক জনজীবন বজায় রাখা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১৭ অক্টোবর ২০২৬
“

ইশরাকের অস্ত্র হাতে নামার কারণ রাষ্ট্রের ব্যর্থতা

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণেই রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তাঁর দাবি, পরিস্থিতির কারণেই মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া ইশরাক হোসেনকে অস্ত্র হাতে মাঠে নামতে হয়েছে। সোমবার ১৯ অক্টোবর সকালে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আখতার হোসেন। তিনি বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে মাদক, চাঁদাবাজি, গুম, খুন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। ইশরাক হোসেনের ঘটনাতেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা সামনে এসেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আখতার হোসেনের অভিযোগ, মাদক নির্মূলে নিয়োজিত সংস্থাগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। আরও পড়ুন,প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দিলেন ইশরাকস্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক দেশে প্রবেশ করলেও তা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি। এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, শুধু ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে, এমন কোনো উদ্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে দেখা যাচ্ছে না। তাঁর মতে, পরিস্থিতির প্রকৃত উন্নয়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সীমান্ত সুরক্ষিত করতে হবে, যাতে অবৈধ মাদক দেশে প্রবেশ করতে না পারে। ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের পেছনের কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আখতার হোসেন। তিনি বলেন, পদত্যাগের বিষয়টি শুধু অস্ত্র হাতে নেওয়ার ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, নাকি এর পেছনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলও রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, লোকদেখানো পদক্ষেপ কিংবা একজন ব্যক্তির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ক্রাইম এক্সপ্রেস ১০ ঘন্টা আগে
ক্রাইম এক্সপ্রেস
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন
লিংক কপি করা হয়েছে!

জেলার খবর

২০২৭ সালজুড়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতির চাপের শঙ্কা

যুদ্ধ, জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি এবং এল নিনোর প্রভাবে খরার আশঙ্কা সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে এই চাপ তীব্র হতে পারে। এমনকি এর প্রভাব পুরো ২০২৭ সালজুড়েও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়বেন নিম্ন আয়ের মানুষ। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার ৬৩ বছর বয়সী পার্কিংকর্মী মুহাম্মদ ইয়াসিনের জীবনে এর প্রভাব ইতোমধ্যে স্পষ্ট। আগে চাল, টেম্পে ও টোফু কিনতে যেখানে তাঁর খরচ হতো ৭ থেকে ৮ হাজার রুপিয়া, এখন একই খাবারের জন্য দিতে হচ্ছে ১৫ হাজার রুপিয়া। চার সন্তানের বাবা ইয়াসিনের সাপ্তাহিক আয় ২ লাখ থেকে ৩ লাখ রুপিয়া। ফলে সংসারের খরচ সামলাতে তাঁকে খাবারের পরিমাণ কমাতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে গম পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। লোহিত সাগরে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে জাহাজকে দীর্ঘ পথ ঘুরে চলতে হচ্ছে। আরও পড়ুন,আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দামপাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত জ্বালানি ও সার সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর সঙ্গে এল নিনোর প্রভাবে খরার আশঙ্কা যুক্ত হওয়ায় কৃষি উৎপাদন নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো জানিয়েছেন, এসব কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সরবরাহব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য চাপের মুখে পড়েছে। সংস্থাটির খাদ্যমূল্য সূচক গত সেপ্টেম্বরে ১৩৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। চলতি বছর আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এশিয়ার প্রধান চাল রপ্তানিকারক দেশগুলোতে চালের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৩ শতাংশ। ইন্দোনেশিয়ায় ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে ৭ শতাংশ। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রান্নার তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। যুদ্ধের ঝুঁকি ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নৌপথে পণ্য পরিবহনের ভাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এতে আমদানিনির্ভর দেশগুলোর খাদ্য সংগ্রহের খরচ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী কয়েক মাসে বিভিন্ন দেশ আবার আন্তর্জাতিক বাজার থেকে খাদ্যশস্য আমদানি বাড়ালে চাহিদার ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। সয়াবিন ও ভুট্টার মজুত আপাতত পর্যাপ্ত থাকলেও ভবিষ্যৎ সরবরাহ নির্ভর করবে প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলোর ফলনের ওপর। সব মিলিয়ে, খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আরও কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ফলে বিশ্বজুড়ে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা আগামী দিনগুলোতে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালেন ট্রাম্প
সুইং বাড়লেও সাফল্য নেই বাংলাদেশের

সুইং বাড়লেও সাফল্য নেই বাংলাদেশের

ওয়ানডে ক্রিকেটে আইসিসির নতুন নিয়মে বলের সুইং বাড়লেও সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ। বোলাররা বেশি সুইং পাচ্ছেন, কিন্তু উইকেট নেওয়ার সাফল্য বাড়ছে না। উল্টো বাড়ছে বোলিং গড় ও ওভারপ্রতি রান দেওয়ার হার। ব্যাটিংয়েও একই চিত্র। ইনিংসের শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার বদলে পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এর সর্বশেষ উদাহরণ গত শনিবার আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ। প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস থেমে যায় মাত্র ১৭২ রানে। ৯৯ রানের এই হার আবারও সামনে এনেছে বাংলাদেশের ব্যাটিং ও বোলিংয়ের দুর্বলতা। ম্যাচটিতে তাসকিন আহমেদ ৪৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেও শেষ দিকে রান আটকাতে পারেননি। প্রথম ছয় ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়া তাসকিন ডেথ ওভারের দুই ওভারে খরচ করেন ১৯ রান। মোস্তাফিজুর রহমানও শেষ দিকে তিন ওভারে দেন ২৪ রান, পাননি কোনো উইকেট। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের আলোচনায় উঠে আসছে আইসিসির বল ব্যবহারের নতুন নিয়ম। ইনিংসের প্রথম ৩৪ ওভার দুই প্রান্ত থেকে দুটি আলাদা বল ব্যবহারের পর অধিনায়ক একটি বল বেছে নেন। শেষ ১৬ ওভার চলে সেই বলেই। আরও পড়ুন,জ্যোতির বদলে নেতৃত্বে নাহিদা সহ-অধিনায়ক সোবহানাপুরোনো ও খসখসে বল রিভার্স সুইংয়ের জন্য উপযোগী হওয়ায় শেষ দিকে বোলাররা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। ক্রিকভিজের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন নিয়মে ডেথ ওভারে মোস্তাফিজের সুইং বেড়েছে ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং তাসকিনের বেড়েছে ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ। কিন্তু তাঁদের বোলিং গড় ও ইকোনমি রেট উল্টো বেড়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের নাসিম শাহ ও দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিডির মতো বোলাররা বাড়তি সুইংকে কাজে লাগিয়ে বোলিং গড় ও রান দেওয়ার হার কমিয়েছেন। ব্যাটিংয়ের পরিসংখ্যানও বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগজনক। নতুন নিয়ম চালুর আগে শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশের রানরেট ছিল ৭ দশমিক ৮৪। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৫৬-তে। অর্থাৎ শেষ ১০ ওভারে গড়ে প্রায় ১২ রান কম তুলছে দলটি। তবে একই নিয়মে ভারত ও ইংল্যান্ডের মতো দল শেষ দিকে রান তোলার গতি বাড়িয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পুরোনো বলের রিভার্স সুইং সামলানো এবং বোলিংয়ে বাড়তি সুইংকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো। সব মিলিয়ে আইসিসির নতুন নিয়ম বাংলাদেশের জন্য শুধু বোলিংয়ের পরীক্ষা নয়, ব্যাটিং কৌশল বদলেরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে দ্রুত কার্যকর পরিকল্পনা নিতে হবে বাংলাদেশ দলকে।

তদন্তের মধ্যেই ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন রিজওয়ান

তদন্তের মধ্যেই ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরছেন রিজওয়ান

অনলাইন বেটিং এবং ইংল্যান্ড সফরে ড্রেসিংরুমের তথ্য ফাঁসের অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা পাকিস্তানের উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড পিসিবি। তদন্তের নিষ্পত্তি না হলেও বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়ে মাঠে ফিরছেন ৩৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির প্রেসিডেন্টস ট্রফির সপ্তম ও শেষ রাউন্ডে সুই নর্দান গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের অধিনায়কত্ব করবেন রিজওয়ান। দলটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গত মাসে ইংল্যান্ড সফরের মাঝপথে পাকিস্তানের টেস্ট দল থেকে বাদ পড়েন রিজওয়ান। দেশে ফিরে তিনি নিজের ঘরোয়া দল এসএনজিপিএলে যোগ দেন। দলের সঙ্গে অনুশীলন এবং টিম মিটিংয়েও অংশ নেন তিনি। তবে পরবর্তী সময়ে রিজওয়ানের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকার কথা জানিয়ে তাঁকে না খেলানোর নির্দেশ দেয় পিসিবি। এরপর দল ছাড়তে হয় এই ক্রিকেটারকে।আরও পড়ুন,জ্যোতির বদলে নেতৃত্বে নাহিদা সহ-অধিনায়ক সোবহানা এবার পিসিবির ঘরোয়া ক্রিকেট বিভাগের পরিচালকের কাছ থেকে ছাড়পত্র পাওয়ায় আবারও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত এখনো শেষ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের কথাও জানানো হয়নি। রিজওয়ানের প্রত্যাবর্তনে এসএনজিপিএল দল নতুন করে উজ্জীবিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ, আট দলের প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে দলটির অবস্থান বর্তমানে টেবিলের তলানিতে। ছয় ম্যাচ খেলে পাঁচটি ড্র ও একটি হারে তাদের সংগ্রহ ৫৩ পয়েন্ট। টুর্নামেন্টের শেষ রাউন্ডে ১৯ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডির শোয়েব আখতার স্টেডিয়ামে তৃতীয় স্থানে থাকা খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজের মুখোমুখি হবে এসএনজিপিএল। এই ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে রিজওয়ানের দায়িত্ব হবে দলকে জয় এনে দিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করার চেষ্টা করা। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি পাওয়া আর তদন্ত থেকে অব্যাহতি পাওয়া এক বিষয় নয়। অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত রিজওয়ানের তদন্তের বিষয়টি আলাদা প্রক্রিয়া হিসেবেই থাকবে।

মাঠের বাইরেও ধাক্কা ভিনিসিয়ুসের, প্রেমিকা ভার্জিনিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ

মাঠের ভেতরে লাল কার্ডের বিতর্ক, মাঠের বাইরে প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদ সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ডের সঙ্গে প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকার সম্পর্কের ইতি টানার খবর নিশ্চিত করেছে ফনসেকার দপ্তর। ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্টের বরাতে জানা গেছে, ফনসেকার দপ্তর ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কোনো ঝগড়া বা বিবাদ হয়নি। বরং দুজনের সম্মতিতেই সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন,আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজতবে এ বিষয়ে ভিনিসিয়ুস কিংবা ভার্জিনিয়া—কেউই এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। ভিনিসিয়ুস ও ভার্জিনিয়ার সম্পর্ক নিয়ে ব্রাজিল ও স্পেনের সংবাদমাধ্যমে আলোচনা চলছিল গত বছরের অক্টোবর থেকে। তাঁদের সম্পর্কে এর আগেও বিচ্ছেদ ঘটেছিল। গত মে মাসে আলাদা হয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশ্যে এলেও জুলাইয়ে আবার একসঙ্গে দেখা যায় দুজনকে। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও একসঙ্গে উপস্থিত হয়েছেন তাঁরা। সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি স্প্যানিশ ফর্মুলা ওয়ান গ্রাঁ প্রিতে হাত ধরে হাজির হয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস ও ভার্জিনিয়া। তাঁদের সেই উপস্থিতি নতুন করে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তবে এক মাস পার হওয়ার আগেই আবার বিচ্ছেদের খবর সামনে এল। এদিকে মাঠের পারফরম্যান্সের বাইরেও শাস্তির শঙ্কায় রয়েছেন ভিনিসিয়ুস। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখার পর রেফারির দিকে আক্রমণাত্মকভাবে তেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ম্যাচে নাথান সালিবার চুল টেনে ধরার ঘটনায় লাল কার্ড দেখানো হলে তা মেনে নিতে পারেননি এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। পরে রেফারি তাঁর প্রতিবেদনে ভিনিসিয়ুসের আক্রমণাত্মক আচরণের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

মাঠের বাইরেও ধাক্কা ভিনিসিয়ুসের, প্রেমিকা ভার্জিনিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ

আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজ

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। দুই দল প্রথমবার টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৯ সালে। এরপর ২০২৩ সালে দ্বিতীয়বারের মতো টেস্টে লড়াইয়ে নামে তারা। এবার আবুধাবিতে শুরু হচ্ছে দুই দলের মধ্যকার তৃতীয় টেস্ট। ম্যাচ শুরুর আগে আগের দুই টেস্টের ব্যাটিং ও বোলিং পরিসংখ্যান নিয়ে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। ব্যাটিংয়ে দুই দলের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান তিনি। সেই ম্যাচে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি তুলে নেন নাজমুল। দুই ইনিংস মিলিয়ে তাঁর সংগ্রহ ছিল ২৭০ রান। এই পারফরম্যান্সের সুবাদে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্ট লড়াইয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন তিনি। তবে ২০১৯ সালে দুই দলের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের দলে ছিলেন না নাজমুল। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক। দুই টেস্টেই খেলা মুমিনুলের সংগ্রহ ১৯১ রান। ২০২৩ সালের ম্যাচে নাজমুলের জোড়া সেঞ্চুরির পাশাপাশি সেঞ্চুরি করেছিলেন মুমিনুলও। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকার শীর্ষ পাঁচে থাকা অন্য তিন ব্যাটসম্যান হলেন আফগানিস্তানের আসগর আফগান, রহমত শাহ ও আফসার জাজাই। আরও পড়ুন,মেসির ঝুলিতে এবার সম্মানসূচক ডক্টরেটবোলিংয়ের পরিসংখ্যানে অবশ্য এগিয়ে আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খান। ২০১৯ সালে দুই দলের প্রথম টেস্টে অসাধারণ বোলিং করে ১১ উইকেট শিকার করেন তিনি। সেই ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্সই তাঁকে তালিকার শীর্ষে জায়গা করে দিয়েছে। তবে ২০২৩ সালের দ্বিতীয় টেস্টে দলে ছিলেন না রশিদ। এবারের টেস্টেও খেলছেন না এই আফগান স্পিনার। বোলারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। দুই টেস্টে তাঁর শিকার ৮ উইকেট। তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। দুই ম্যাচে তিনি নিয়েছেন ৬ উইকেট। শীর্ষ পাঁচ বোলারের তালিকায় আরও রয়েছেন আফগানিস্তানের জহির খান ও বাংলাদেশের ইবাদত হোসেন। সব মিলিয়ে আগের দুই টেস্টে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। অন্যদিকে বোলিংয়ে রশিদ খানের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। এবার তৃতীয় টেস্টে দুই দল নতুন করে লড়াইয়ে নামছে। আগের পরিসংখ্যানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, নাকি নতুন কেউ আলো ছড়ান, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজ

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি মেসির

বার্সেলোনার জার্সিতে যেমন ছিলেন আপন মহাতারকা তেমনি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ছিলেন সমালোচনার কেন্দ্রে। ক্লাবের হয়ে একের পর এক ব্যক্তিগত ও দলীয় সাফল্য পেলেও দেশের হয়ে শিরোপা জিততে না পারায় আর্জেন্টিনার মানুষের কাছে একসময় চক্ষুশূল হয়ে উঠেছিলেন লিওনেল মেসি। সেই দুঃখ আর অভিমানে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরও নিয়েছিলেন তিনি। তবে অবসর ভেঙে ফিরে আসার পর যেন নতুন এক মেসির জন্ম হয়। একের পর এক রেকর্ড গড়ে আর্জেন্টিনাকে এনে দেন শিরোপা। শেষ পর্যন্ত ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জিতে পূর্ণ করেন আজন্ম স্বপ্ন। ২০০৫ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয় ১৮ বছর বয়সী মেসির। কিন্তু অভিষেকটা ছিল দুঃস্বপ্নের। বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র ৪৪ সেকেন্ডের মধ্যে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ২০০৬ বিশ্বকাপে সর্বকনিষ্ঠ আর্জেন্টাইন হিসেবে বিশ্বকাপে অভিষেক করেন মেসি।আরও পড়ুন,অভিযোগের পর এসেক্সের হয়ে আর মাঠে নামেননি রবিনসার্বিয়ার বিপক্ষে ৬-০ গোলের জয়ে করেন বিশ্বকাপের প্রথম গোল। ২০০৮ সালে নাইজেরিয়াকে হারিয়ে অলিম্পিকের স্বর্ণপদক জেতেন তিনি। এরপর আসে হতাশার সময়। ২০১০ বিশ্বকাপ ও ২০১১ কোপা আমেরিকায় কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় আর্জেন্টিনা। ২০১৪ বিশ্বকাপে দলকে ফাইনালে তুললেও জার্মানির কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়। এরপর ২০১৫ ও ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালেও ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা। টানা ফাইনাল হারের পর ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মেসি। কিন্তু ২০১৮ বিশ্বকাপের আগে ফিরে আসেন জাতীয় দলে। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে আর্জেন্টিনার ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটান। এরপর ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ। ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। মেসি জেতেন গোল্ডেন বল। ২০২৪ সালে আবারও কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের উত্তরাধিকার আরও সমৃদ্ধ করেন।

২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি মেসির
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
নভেম্বরেই বন্ধ হচ্ছে গাজীপুরের উল্কা সিনেমা হল

নভেম্বরেই বন্ধ হচ্ছে গাজীপুরের উল্কা সিনেমা হল

দর্শক সংকট, মানসম্মত সিনেমার অভাব আর ক্রমাগত লোকসানের চাপে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের আরও একটি সিঙ্গেল স্ক্রিন সিনেমা হল। এবার বন্ধের তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে গাজীপুর চৌরাস্তার পরিচিত প্রেক্ষাগৃহ ‘উল্কা’। আগামী নভেম্বর থেকে হলটির কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উল্কা সিনেমা হলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিক উদ্দিন। তিনি জানান, বর্তমানে হলটি চরম আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে। সিনেমা প্রদর্শন করে বিদ্যুৎ বিলের খরচও তুলতে পারছেন না তারা। দর্শক উপস্থিতি এতটাই কম যে হাতেগোনা কয়েকজন দর্শক নিয়ে শো চালিয়েও ব্যয় মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। কর্মীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিলসহ নিয়মিত খরচ সামলাতে গিয়ে লোকসানের পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে। রফিক উদ্দিনের মতে, ভালো গল্পের সিনেমা এবং জনপ্রিয় নায়ক-নায়িকা থাকলে দর্শক প্রেক্ষাগৃহে আসেন। কিন্তু শুধু দুই ঈদে সিনেমা মুক্তির ওপর নির্ভর করে একটি হল টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তিনি মনে করেন, ঈদের বাইরেও জনপ্রিয় তারকা শাকিব খানের সিনেমা মুক্তি পেলে দর্শক সমাগম বাড়ত এবং প্রেক্ষাগৃহগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর কিছুটা সুযোগ পেত। আরও পড়ুন,বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নামে হুমকির পোস্ট তদন্তে মুম্বাই পুলিশহল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, লোকসানের পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলের চাপও অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। সব মিলিয়ে আর্থিক ক্ষতি সামাল দিতে না পেরে হলটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে উল্কা সিনেমা হলে চলছে কামরুজ্জামান পরিচালিত ‘স্নেহের বন্ধন’। গত শুক্রবার ১৪টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে জয় চৌধুরী ও মৌ খান অভিনীত সিনেমাটি। মুক্তির আগে প্রচারণা চালানো হলেও ছবিটি প্রত্যাশিত দর্শক টানতে পেরেছে কি না, তা নিয়ে হতাশার চিত্র উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে। একসময় শিল্পাঞ্চল গাজীপুরের মানুষের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল সিনেমা হল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে একের পর এক প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেই সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। দেড় বছর আগেও জেলায় চালু ছিল হাতেগোনা চারটি সিনেমা হল। উল্কা বন্ধ হয়ে গেলে চালু থাকবে শুধু বর্ষা ও ঝুমুর সিনেমা হল। তবে এই দুটি প্রেক্ষাগৃহও বর্তমানে আর্থিক সংকটে রয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, মানসম্মত সিনেমা নির্মাণ, দর্শক ফিরিয়ে আনা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলে দেশের সিঙ্গেল স্ক্রিন সিনেমা হলগুলোর সংকট আরও গভীর হতে পারে। উল্কা বন্ধের সিদ্ধান্ত সেই সংকটেরই আরেকটি উদাহরণ।

বিশ্বসংগীতে নতুন রেকর্ড দক্ষিণ কোরিয়ার বিটিএসের

বিশ্বসংগীতে নতুন রেকর্ড দক্ষিণ কোরিয়ার বিটিএসের

বিশ্বসংগীতে নতুন ইতিহাস গড়ল দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। সংগীত স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাইয়ে এক বছরে ১০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি স্ট্রিমের মাইলফলক অর্জন করেছে দলটি। কোনো ব্যান্ড হিসেবে এই প্রথম এমন রেকর্ড গড়ল জিন, সুগা, জে-হোপ, আরএম, জিমিন, ভি ও জাংকুকের দল। বিটিএসের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বিগহিট মিউজিক সম্প্রতি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, এর আগে টেইলর সুইফট, আরিয়ানা গ্র্যান্ডে ও ব্যাড বানি একক সংগীতশিল্পী হিসেবে স্পটিফাইয়ে ১০ বিলিয়ন স্ট্রিমের মাইলফলক অর্জন করেন। তবে কোনো সংগীত দল হিসেবে এই কৃতিত্ব এবারই প্রথম অর্জন করল বিটিএস। গত বছর স্পটিফাইয়ে বিটিএসের গান শোনা হয়েছিল প্রায় ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন বার। চলতি বছর সেই সংখ্যা বেড়ে ১০ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। আরও পড়ুন,নভেম্বরেই বন্ধ হচ্ছে গাজীপুরের উল্কা সিনেমা হলএই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে ব্যান্ডটির পঞ্চম স্টুডিও অ্যালবাম ‘আরিরাং’। গত ২০ মার্চ প্রকাশিত অ্যালবামটির গানগুলো এখন পর্যন্ত স্পটিফাইয়ে পাঁচ বিলিয়নেরও বেশি বার শোনা হয়েছে। চলতি বছর প্রকাশিত অ্যালবামগুলোর মধ্যে প্ল্যাটফর্মটিতে সর্বোচ্চ স্ট্রিমের রেকর্ডও গড়েছে এটি। দীর্ঘ চার বছরের বিরতি শেষে বিটিএসের সব সদস্য সামরিক প্রশিক্ষণ শেষ করে একসঙ্গে ফেরার পর প্রকাশিত হয় ‘আরিরাং’। অ্যালবামটি ঘিরে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়। মুক্তির প্রথম দিনেই স্পটিফাইয়ে এর গানগুলো ১১ কোটিরও বেশি বার শোনা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে। স্পটিফাইয়ের পাশাপাশি বিলবোর্ডের তালিকাতেও সাফল্য ধরে রেখেছে বিটিএস। ২০১২ সালে ব্রিটিশ ব্যান্ড মামফোর্ড অ্যান্ড সন্সের অ্যালবাম ‘বাবেল’-এর পর বিটিএসের ‘আরিরাং’ প্রথম কোনো ব্যান্ডের অ্যালবাম হিসেবে বিলবোর্ড ২০০ চার্টে টানা তিন সপ্তাহ শীর্ষস্থান ধরে রাখার কৃতিত্ব অর্জন করেছে। বিশ্বজুড়ে কে-পপের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় বিটিএসের এই অর্জন দক্ষিণ কোরিয়ার সংগীতশিল্পের জন্যও বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ডিজিটাল সংগীতের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নতুন এই রেকর্ডের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনে নিজেদের শক্ত অবস্থান আরও সুদৃঢ় করল ব্যান্ডটি।

বিয়ের অজানা গল্প ফাঁস করলেন বিজয় রাশ্মিকা

বিজয় দেবরাকোন্ডাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এক বছর ধরে চেষ্টা করেছিলেন রাশ্মিকা মান্দানা! এমনই চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন নববিবাহিত এই তারকা দম্পতি। করণ জোহরের জনপ্রিয় টক শো ‘কফি উইথ করণ’-এর নবম সিজনের নতুন পর্বের ট্রেলারে নিজেদের প্রেম ও বিয়ের অজানা গল্প তুলে ধরেছেন বিজয় ও রাশ্মিকা। প্রকাশিত ট্রেলারে করণ জোহর বিজয়কে প্রশ্ন করেন, রাশ্মিকাকে বিয়ের প্রস্তাব কে দিয়েছিলেন? এ সময় রাশ্মিকা মাথা নেড়ে জানান, বিজয় তাঁকে প্রস্তাব দেননি। এরপর হাসিঠাট্টার ছলে বিজয় বলেন, রাশ্মিকাই প্রথম তাঁকে বিয়ের কথা বলেছিলেন। এমনকি অন্তত ১০০ বার একই কথা বলেছেন বলেও রসিকতা করেন তিনি। করণ জোহর বিষয়টি নিয়ে রাশ্মিকার কাছে জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করেন, প্রায় এক বছর ধরে বিজয়কে বিয়ের বিষয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। রাশ্মিকার এই স্বীকারোক্তিতে অবাক হন করণ। অন্যদিকে বিজয় মজা করে বলেন, তিনি বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখার মতো হৃদয়হীন ছিলেন না; বরং পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছিলেন।আরও পড়ুন,রহস্যময় পোস্টে ভক্তদের কৌতূহল বাড়ালেন নামির বিয়ের গল্পের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উঠে আসে আরও বেশ কিছু মজার মুহূর্ত। র‍্যাপিড-ফায়ার রাউন্ডে আল্লু অর্জুন ও রণবীর কাপুরের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে বলা হলে রাশ্মিকা বেছে নেন আল্লু অর্জুনকে। অন্যদিকে, রাশ্মিকা ছাড়া আর কোন অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের পর্দার রসায়ন ভালো—এমন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগেই রাশ্মিকা বলে ওঠেন, অন্য কারও সঙ্গে নয়। স্ত্রীর কথায় সায় দিয়ে বিজয় রসিকতা করে বলেন, বিবাহিত জীবনের প্রথম নিয়ম হলো স্ত্রীর সব কথায় সায় দেওয়া। ২০১৮ সালে ‘গীত গোবিন্দম’ সিনেমায় প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করেন বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশ্মিকা মান্দানা। পরের বছর ‘ডিয়ার কমরেড’ ছবিতে তাঁদের রসায়ন দর্শকদের নজর কাড়ে। এরপর থেকেই তাঁদের প্রেম নিয়ে আলোচনা চললেও ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন নীরব ছিলেন দুজনেই। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তেলেগু ও কোডাভা ঐতিহ্য মেনে বিয়ে করেন এই তারকা জুটি। বাস্তব জীবনের পাশাপাশি পর্দাতেও আবার একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে তাঁদের। রাহুল সাংকৃত্যায়ন পরিচালিত ‘রণবলী’ ছবিতে অভিনয় করেছেন দুজন। ১৬ অক্টোবর মুক্তি পাওয়া ছবিটি ঘিরেও দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে।

বিয়ের অজানা গল্প ফাঁস করলেন বিজয় রাশ্মিকা

রহস্যময় পোস্টে ভক্তদের কৌতূহল বাড়ালেন নামির

সফটওয়্যার প্রকৌশলীর পেশা ছেড়ে অভিনয়ে এসে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন পাকিস্তানি অভিনেতা নামির খান। ‘কার্জ-ই-জান’, ‘এক অউর পাকিজা’ এবং ‘দার-ই-নাজাত’ ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকের নজর কেড়েছেন তিনি। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর একটি ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। আঙুলে সোনালি আংটি আর রহস্যময় ক্যাপশন দেখে ভক্তদের ধারণা, ব্যক্তিগত জীবনে হয়তো নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন এই অভিনেতা। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করেন নামির খান। ছবিতে তাঁর আঙুলে দেখা যায় সোনালি রঙের আংটি। তবে ভক্তদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে ছবির ক্যাপশন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘বুঝে নিন, আর বিরক্ত করবেন না।’ নামিরের এই রহস্যময় মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। অনেকেই মনে করছেন, আংটি পরার মাধ্যমে হয়তো নিজের বাগ্‌দানের খবরই ইঙ্গিতে জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুন,৩৭ টিকিটের ৩৫টিই কিনল সিনেমার টিমকয়েকজন ভক্ত তাঁকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি অভিনেতা। তাই তাঁর বাগ্‌দানের খবরটি এখনো নিশ্চিত নয়। বর্তমানে ‘দার-ই-নাজাত’ ধারাবাহিকে জামিল চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় রয়েছেন নামির। উমেরা আহমেদের লেখা এই ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন সাকিব খান। এতে তাঁর বিপরীতে জারিয়াব চরিত্রে অভিনয় করছেন দুরে ফিশান সেলিম। আর আবু বকর চরিত্রে রয়েছেন শেহরিয়ার মুনাওয়ার। ২০২৩ সালে ‘মেইন’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে ছোট পর্দায় অভিষেক হয় নামিরের। এরপর ‘কার্জ-ই-জান’, ‘মেইন মান্টো নেহি হুঁ’ এবং ‘এক অউর পাকিজা’ ধারাবাহিকে অভিনয় করে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন তিনি। তবে অভিনয়ে আসার আগে তাঁর জীবন ছিল একেবারেই ভিন্ন। লাহোরে জন্ম ও বেড়ে ওঠা নামির সফটওয়্যার প্রকৌশলে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে এক বছর এই পেশায় কাজ করে উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডায় যান। সেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি সফটওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবেও কাজ করেন। এক সাক্ষাৎকারে নামির জানিয়েছিলেন, প্রযুক্তি খাতে কাজ করার সময় নিজের জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে তাঁর মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। পরে নিজের আগ্রহ অনুসরণ করেই বিনোদনজগতে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এখন অভিনয় দিয়ে দর্শকের মন জয় করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আলোচনায় নামির খান। তবে সোনালি আংটি কি সত্যিই বাগ্‌দানের ইঙ্গিত, নাকি নিছকই রহস্যময় পোস্ট—সেই উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে অভিনেতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।

রহস্যময় পোস্টে ভক্তদের কৌতূহল বাড়ালেন নামির

৩৭ টিকিটের ৩৫টিই কিনল সিনেমার টিম

উৎসবের আমেজেও প্রেক্ষাগৃহে দর্শকখরা। নতুন মুক্তি পাওয়া ‘স্নেহের বন্ধন’ ও ‘কাটপিস’ সিনেমা দুটি দর্শক টানতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে জানা গেছে। রাজধানীর কেরানীগঞ্জের লায়ন সিনেমাসে ছবি দুটির টিকিট বিক্রির চিত্রে উঠে এসেছে হতাশাজনক পরিস্থিতি। প্রেক্ষাগৃহটির প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আবদুল খালেক জানান, মুক্তির প্রথম দিন সিনেমা দুটির একাধিক প্রদর্শনীতে কোনো দর্শকই ছিলেন না। শনিবার সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত ছবি দুটির দুটি প্রদর্শনীতে একটি টিকিটও বিক্রি হয়নি। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যার একটি শোতে ‘স্নেহের বন্ধন’ সিনেমার ৩৭টি টিকিট বিক্রি হয়। তবে এর মধ্যে ৩৫টি টিকিট কিনেছেন সিনেমাটির নিজস্ব টিমের সদস্যরা। সাধারণ দর্শক ছিলেন মাত্র দুজন। অন্যদিকে, একই দিনে ‘কাটপিস’ সিনেমার টিকিট বিক্রি হয়েছে মাত্র আটটি। সিনেমা মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট পেজে ছবিগুলো নিয়ে নানা প্রচারণামূলক দাবি দেখা গেছে। কোথাও বলা হয়েছে, সিনেমা দেখে দর্শক আবেগাপ্লুত হয়ে প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হচ্ছেন।আরও পড়ুন,হর্ষদীপের সঙ্গে রণবীরের গান মুগ্ধ করল দর্শকদেরআবার কোথাও পরিবার নিয়ে দেখার মতো ছবি হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে। তবে এসব প্রচারণার সঙ্গে প্রেক্ষাগৃহের টিকিট বিক্রির হিসাবের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। মির্জা আবদুল খালেকের ভাষ্য, সিনেমা চালানোর আগে পোস্টার ছাপানোসহ বিভিন্ন প্রচারণায় অর্থ ব্যয় হয়। কিন্তু দর্শক না এলে সেই উদ্যোগের সুফল পাওয়া যায় না। দর্শকশূন্য প্রদর্শনীতে বিদ্যুৎ ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার খরচসহ প্রেক্ষাগৃহের পরিচালন ব্যয়ও লোকসানের বোঝা বাড়ায়। স্নেহের বন্ধন’ সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয় চৌধুরী ও মৌ খান। কামরুজ্জামান পরিচালিত ছবিটির প্রযোজক শাহ আলম। মুক্তির আগে ছাদখোলা বাসে ঢাকা শহরে প্রচারণাও চালান ছবিটির অভিনয়শিল্পী ও প্রযোজক। লায়ন সিনেমাস ছাড়াও দেশের আরও ১৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। তবে সেখানেও দর্শক উপস্থিতি খুব একটা সন্তোষজনক নয় বলে জানা গেছে। একইভাবে দর্শকসংকটে রয়েছে ‘কাটপিস’ সিনেমাটিও। প্রেক্ষাগৃহমালিকের মতে, দেশের চলচ্চিত্রের দর্শক ফেরাতে মানসম্মত সিনেমা নির্মাণের পাশাপাশি কার্যকর প্রচারণা জরুরি। একই সঙ্গে সিনেমা দেখার পর দর্শকের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও মুখে মুখে প্রচারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৩৭ টিকিটের ৩৫টিই কিনল সিনেমার টিম
কোন পোস্ট নেই !