রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

রাজনীতি

চিফ হুইপের বক্তব্যের নিন্দা জানাল জামায়াত

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জয়ী না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে উন্নয়নকাজ না করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনির বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার, ১৭ অক্টোবর দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান। বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ১৫ অক্টোবর বামনা আসমাতুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির এক কর্মীসভায় নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, দলীয় মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে কোনো উন্নয়নকাজ করা হবে না। জামায়াতের এই নেতা বক্তব্যটিকে দায়িত্বজ্ঞানহীন উল্লেখ করে বলেন, এটি জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও অভিযোগ করেন, চিফ হুইপ তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, দলীয় প্রার্থী জয়ী না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের মানুষ উন্নয়নকাজের জন্য তাঁর কাছে আসতে পারবেন না। আরও পড়ুন,অধিকার সুরক্ষিত থাকলে সমর্থন জানাবেন হিন্দুরা: সালাহউদ্দিনঅন্য প্রার্থী নির্বাচিত হলে ওই ইউনিয়নের ভাগ্য পুড়বে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।জামায়াতের এই নেতা বলেন, এ ধরনের বক্তব্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের হুমকি এবং নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এটি জনগণের স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা। বিবৃতিতে বর্তমান সরকারের কয়েকজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়েও সমালোচনা করেন এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তাঁর অভিযোগ, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার মতো বক্তব্য গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করে কেউ কেউ নব্য ফ্যাসিবাদের পরিচয় দিচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জামায়াতের এই নেতা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এমন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান তিনি। তবে এ ঘটনায় নূরুল ইসলাম মনির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কি না, তা সরবরাহ করা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর সুপারিশ

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর সুপারিশ

কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও বর্তমান আর্থিক লোকসানের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই, বাস্তবায়ন এবং লোকসানের কারণ নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে কাজ করার বিষয়ে কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ কাজে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। বৈঠকে কর্ণফুলী টানেলের ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বর্তমানে আর্থিক লোকসানের পেছনের কারণগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। তবে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা পরবর্তী বৈঠকে করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান এক হাজার ১৫৩টি প্রকল্পের তালিকা কমিটির সদস্যদের কাছে উপস্থাপন করা হয়। এসব প্রকল্পের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলপত্র তুলে ধরে কীভাবে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সে বিষয়েও কমিটিকে অবহিত করা হয়। বৈঠকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৫৬টি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর কারণও ব্যাখ্যা করা হয়। আরও পড়ুন,জিয়া ও খালেদা জিয়ার বই সংগ্রহে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়এর মধ্যে রয়েছে ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা, আমদানিনির্ভরতা, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে সমস্যা, যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ঘাটতি, সময়মতো অর্থ ছাড় না হওয়া এবং আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের অভাব। প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। পাশাপাশি প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নীতিমালাটি চূড়ান্ত হলে নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতা কমবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। বৈঠকে আরও জানানো হয়, অঞ্চলভিত্তিক বৈষম্য কমিয়ে ন্যায্যতার ভিত্তিতে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের চেষ্টা চলছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ২২১টি শূন্য পদের বিপরীতে বিভিন্ন গ্রেডে ৬৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের কার্যক্রমও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শূন্য পদের বিপরীতে সুপরিকল্পিত কর্মভার নির্ধারণ করে অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিয়োগ সম্পন্ন করতে নির্দেশনা দিয়েছেন কমিটির সভাপতি। বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশন, পরিকল্পনা বিভাগ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
অভিবাসন পথে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা অজানা

অভিবাসন পথে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা অজানা

উন্নত জীবন ও নিরাপত্তার আশায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে অভিবাসনের চেষ্টা করতে গিয়ে গত এক দশকে বিশ্বজুড়ে চার হাজার ৪১৪ জনের বেশি শিশু মারা গেছে অথবা নিখোঁজ হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই উদ্বেগজনক তথ্য। তবে নিখোঁজের ঘটনা এবং বয়স-পরিচয় শনাক্ত করতে না পারার কারণে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন অভিবাসন রুটে এসব শিশু মৃত্যুর ঘটনা নথিবদ্ধ হয়েছে। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ, মরুভূমির তীব্র গরম, পানিশূন্যতা, অনাহার এবং মানব পাচারকারীদের নির্যাতন বিভিন্ন কারণে প্রাণ হারাচ্ছে শিশুরা। শিশুদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক অভিবাসন রুট হিসেবে উঠে এসেছে ভূমধ্যসাগর। উত্তর আফ্রিকা থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে দুই হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু বা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার সময় মরুভূমির চরম আবহাওয়া ও নদীতে ডুবে অন্তত ৮৫০ শিশুর মৃত্যুর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আরও পড়ুন,ভূমিকম্পে কাঁপল খুজদারসহ আশপাশের এলাকাসাহারা মরুভূমি ও হর্ন অব আফ্রিকার দুর্গম পথেও পানিশূন্যতা ও তীব্র গরমে প্রাণ হারাচ্ছে বহু শিশু। আইওএম ও জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহ কিংবা দুর্ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের বড় একটি অংশের বয়স ও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। ফলে প্রকৃত চিত্র নথিভুক্ত পরিসংখ্যানের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মৃত শিশুদের মধ্যে যাদের বয়স শনাক্ত করা গেছে, তাদের মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুও রয়েছে। তবে বহু ঘটনার ক্ষেত্রে বয়স ও লিঙ্গের তথ্য পাওয়া যায়নি। গত এক দশকে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮১ হাজার অভিবাসীর মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নথিবদ্ধ করেছে আইওএম। এর মধ্যে ৪৪ হাজার ৮৬২টি ঘটনায় বয়সসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি। আইওএমের মহাপরিচালক বলেছেন, আইনি ও নিরাপদ অভিবাসনের সুযোগের অভাব শিশুদের চরম ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। অন্যদিকে সংস্থাটির ডেটা ও পলিসি বিভাগের প্রধান স্টুয়ার্ট ক্যাম্পো প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর তথ্য সঠিকভাবে নথিভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। শিশুদের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সীমান্তে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার, মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা এবং দেশগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।

৯ ঘন্টা আগে
ভূমিকম্পে কাঁপল খুজদারসহ আশপাশের এলাকা

ভূমিকম্পে কাঁপল খুজদারসহ আশপাশের এলাকা

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার ১৭ অক্টোবর স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৬ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া যায়নি। পাকিস্তানের আবহাওয়া দপ্তরের সিসমিক শাখা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বেলুচিস্তানের খুজদার জেলা থেকে ৪৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হওয়ায় আশপাশের এলাকায় তুলনামূলক তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, খুজদার ছাড়াও আশপাশের খারান ও কালাত জেলায় ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়। বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন,ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাততবে খুজদারের কাছাকাছি গ্রামীণ এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলো। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূপৃষ্ঠের ৭০ কিলোমিটারের কম গভীরে সংঘটিত ভূমিকম্পকে অগভীর ভূমিকম্প বলা হয়। এ ধরনের ভূমিকম্পের তরঙ্গ ভূপৃষ্ঠে পৌঁছানোর সময় তুলনামূলক কম শক্তি হারায়। ফলে দুর্বল কাঠামোর ভবনে ফাটল দেখা দেওয়া এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। উল্লেখ্য, প্রায় ৩ লাখ ৪৭ হাজার ১৯০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বেলুচিস্তান ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান ও অ্যারাবিয়ান—এই তিনটি বড় টেকটোনিক প্লেটের সক্রিয় সংযোগস্থলে অবস্থিত। প্লেটগুলোর নড়াচড়ার কারণে অঞ্চলটিতে প্রায়ই মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়। বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, ৬ মাত্রার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প তুলনামূলক বিরল হলেও বেলুচিস্তানে ৫ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প মাঝেমধ্যে আঘাত হানে।

১০ ঘন্টা আগে
ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাত

ইরানের হামলায় গোপন হুমকিতে ছিল আমিরাত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় একাধিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই। আকাশপথে হামলার পাশাপাশি ইরানি বাহিনীকে সহায়তাকারী গুপ্তচর ও ‘স্লিপার সেল’-এর মতো গোপন হুমকিও মোকাবিলা করতে হয়েছিল দেশটিকে। শুক্রবার ১৬ অক্টোবর গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। দুবাইয়ে ইউএই করেসপন্ডেন্টস কাউন্সিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় দেশটির ফেডারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের প্রতিরক্ষা, অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ডক্টর আলী রশিদ আল নুয়াইমি এসব নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের কথা জানান। তিনি বলেন, হামলার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও দেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিল সরকার। শপিং মল, রেস্তোরাঁ ও সমুদ্রসৈকত খোলা রেখে জনজীবন সচল রাখা হয়। আল নুয়াইমি জানান, হামলার সময় আবুধাবির গ্যালেরিয়া মলে তাঁর উপস্থিতি এক ইসরায়েলি পরিচিতজনকে বিস্মিত করেছিল। আরও পড়ুন,মোদি সরকারের সমালোচনা করে বিতর্কে সালমান রুশদিতাঁর মতে, সংঘাতের মধ্যেও এ ধরনের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে সামাজিক সহাবস্থান ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ইতিবাচক দিক তুলে ধরে। তিনি আরও জানান, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতেও সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর লক্ষ্যে সম্প্রতি পৃথকভাবে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। এদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুপ্তচরবৃত্তি ও নাশকতামূলক নেটওয়ার্ক ধ্বংসের কথা জানিয়েছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে কুয়েত, বাহরাইন ও কাতার। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় তাদের আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাভাবিক জনজীবন বজায় রাখা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১১ ঘন্টা আগে
মোদি সরকারের সমালোচনা করে বিতর্কে সালমান রুশদি

মোদি সরকারের সমালোচনা করে বিতর্কে সালমান রুশদি

ভারতে অসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি। ভারতের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনকে আশার আলো হিসেবে উল্লেখ করে তিনি দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এশিয়ান আমেরিকান রাইটার্স ওয়ার্কশপের তহবিল সংগ্রহে আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন রুশদি। অনুষ্ঠানে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সামাজিক সম্প্রীতি নিয়ে কথা বলেন তিনি। সালমান রুশদি বলেন, ভারতে বর্তমানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তবে দেশটির তরুণ-তরুণীরা দীর্ঘদিন পর মানুষের মধ্যে আশার আলো জাগিয়েছেন। এ সময় তিনি ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে উদ্‌যাপন এবং এর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন সাংবাদিক ও লেখক অমিতাভ কুমার। রুশদির এই বক্তব্যের পর ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক মহল ও ডানপন্থী চিন্তকদের একাংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অতীতে ইসলামি কট্টরপন্থার সমালোচনার কারণে যাঁরা তাঁকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে প্রশংসা করেছিলেন, তাঁদের একাংশ এখন মোদি সরকারের সমালোচনায় তাঁর অবস্থানের বিরোধিতা করছেন। ভারতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অতীত স্মৃতিও তুলে ধরেন সালমান রুশদি। আরও পড়ুন,৭০ বছর পর চালু হলো বাংলাদেশ-আসাম নৌবাণিজ্যপথশৈশবে বোম্বেতে বেড়ে ওঠার সময় বিভিন্ন ধর্মের মানুষের একসঙ্গে উৎসব উদ্‌যাপনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তখন কে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিষ্টান কিংবা পার্সি তা বিবেচনা না করে সবাই একসঙ্গে আনন্দে অংশ নিতেন। কিন্তু বর্তমান ভারতে সেই চিত্র আর আগের মতো দেখা যায় না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপূজায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্কও সামনে এসেছে। একটি সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এবার পূজামণ্ডপে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কট্টরপন্থীদের একাংশের প্রচারণাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির মা চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ারও ওই নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে তিনি নিজেকে ‘ককরোচদের মা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভারতে ‘আরশোলারা’ গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে। তাঁদের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সালমান রুশদির বক্তব্যের পক্ষে অনেকে সমর্থন জানালেও, তাঁর মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অসহিষ্ণুতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশ্নে এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

১১ ঘন্টা আগে
৭০ বছর পর চালু হলো বাংলাদেশ-আসাম নৌবাণিজ্যপথ

৭০ বছর পর চালু হলো বাংলাদেশ-আসাম নৌবাণিজ্যপথ

দেশভাগের পর দীর্ঘ ৭০ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও সচল হলো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক নৌবাণিজ্যপথ। ভারতের আসাম রাজ্যের ডিব্রুগড় থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে সরাসরি বাংলাদেশের বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে পণ্যবাহী জাহাজ। এই উদ্যোগকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত ৫ অক্টোবর আসামের ব্রহ্মপুত্র নদের বগিবিল টার্মিনাল থেকে ৫৪০ মেট্রিক টন মিথানল নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেয় ‘ডিএলবি পাটকাই’ নামের একটি কার্গো জাহাজ। জাহাজটিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে ‘কুশল কোঁয়র’ নামের একটি শক্তিশালী টাগবোট। মিথানল উৎপাদন করেছে আসাম সরকারের প্রতিষ্ঠান আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেডের নামরূপ কারখানা। ভারতের বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রণালয় এই যাত্রাকে ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে। কারণ, স্বাধীনতার পর এই প্রথম আসামের ডিব্রুগড় থেকে উৎপাদিত কোনো বাণিজ্যিক পণ্য সরাসরি বাংলাদেশের বন্দরের উদ্দেশে নদীপথে পাঠানো হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জাহাজটি ভারতের জাতীয় নৌপথ-২ ধরে প্রায় ৭৬৮ কিলোমিটার অতিক্রম করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছাবে। এরপর দুই দেশের অভ্যন্তরীণ নৌ ট্রানজিট ও বাণিজ্য প্রটোকল রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে পানগাঁও বন্দরের দিকে এগিয়ে যাবে। বগিবিল থেকে পানগাঁও পর্যন্ত মোট দূরত্ব প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার।আরোও পড়ুন,যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা কমাতে ভারতের সঙ্গে চুক্তিতে কানাডা এই নৌপথ চালুর ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পণ্য পরিবহনে নতুন বিকল্প তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে শিলিগুড়ি করিডোর দিয়ে সড়ক ও রেলপথে পণ্য পরিবহনের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বাজারে আসামের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সরাসরি পণ্য সরবরাহও সহজ হতে পারে। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এই উদ্যোগকে রাজ্যের জন্য গর্বের মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে নৌপথটি কতটা লাভজনক হবে, তা নির্ভর করবে পণ্য পৌঁছানোর সময়, পরিবহন খরচ এবং নিয়মিত জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর। এর আগে ২০২২ সালে বাংলাদেশের জলপথ ব্যবহার করে টাটা স্টিলের পণ্যবাহী বার্জ ভারতের পান্ডুতে পৌঁছেছিল। ২০২৩ সালে পর্যটকবাহী ‘এমভি গঙ্গা বিলাস’ও বাংলাদেশ অতিক্রম করে ডিব্রুগড়ের পথে যাত্রা করেছিল। তবে এবারের বিশেষত্ব হলো, আসাম থেকে সরাসরি বাংলাদেশের উদ্দেশে বাণিজ্যিক পণ্য পাঠানো। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি চালানের মাধ্যমে এই নৌপথের পূর্ণ সম্ভাবনা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। নিয়মিত পণ্য পরিবহন এবং ফিরতি পথে পণ্য বহনের সুযোগ তৈরি হলে দুই দেশের বাণিজ্য আরও গতিশীল হতে পারে। এখন দেখার বিষয়, ঐতিহাসিক এই যাত্রা কত দ্রুত একটি নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী বাণিজ্যপথে পরিণত হয়।

১৫ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা কমাতে ভারতের সঙ্গে চুক্তিতে কানাডা

যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা কমাতে ভারতের সঙ্গে চুক্তিতে কানাডা

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমাতে ভারতের সঙ্গে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে কানাডা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংরক্ষণবাদী বাণিজ্যনীতির প্রেক্ষাপটে নিজেদের বাণিজ্য বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে দেশটি। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে অটোয়ার। নয়াদিল্লিতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনিতা আনন্দ বলেন, ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বাণিজ্য বহুমুখীকরণ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আগামী ১০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্যান্য দেশের সঙ্গে কানাডার বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার আওতায় ভারত ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করতে চায় কানাডা। তবে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে দেশটি। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। আরোও পড়ুন,সার পরিবহনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে জাতিসংঘের আহ্বানসম্প্রতি ভারতের বাণিজ্য আলোচকেরা কানাডা সফর করেছেন। অন্যদিকে, কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী মানিন্দর সিধু একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল নিয়ে বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও নরেন্দ্র মোদিও এ চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছেন। আগামী ডিসেম্বরে মোদির কানাডা সফরের কথা রয়েছে। কানাডার হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের পণ্য ও সেবাবাণিজ্য বছরে সাত হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০২৫ সালে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৪০ কোটি ডলার। দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে কানাডার প্রতিষ্ঠান কামেকো ও ভারতের মধ্যে ২৬০ কোটি কানাডীয় ডলারের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তির কথাও উল্লেখ করেছেন অনিতা আনন্দ। পাশাপাশি ভারতের আইডিবিআই ব্যাংকের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা অধিগ্রহণে কানাডার ফেয়ারফ্যাক্স ফাইন্যানশিয়াল হোল্ডিংসের চুক্তিও অর্থনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে কানাডা ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। বর্তমানে সেই সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তা ও আইনের শাসনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হলে কানাডার বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কেও নতুন গতি আসতে পারে।

১৫ অক্টোবর ২০২৬
সার পরিবহনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে জাতিসংঘের আহ্বান

সার পরিবহনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে জাতিসংঘের আহ্বান

হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় এশিয়া ও আফ্রিকার কয়েকটি অঞ্চলে খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর প্রভাবে কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির প্রস্তাব, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে সার পরিবহনের ব্যবস্থা করা হোক। বুধবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্বব্যাংকের বৈঠকের ফাঁকে রয়টার্সকে এ কথা জানান জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল হোর্হে মোরেইরা দা সিলভা। তিনি বলেন, বীজ বপনের মৌসুম ঘনিয়ে আসায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাবে সম্মত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। নির্ধারিত সময়ে কৃষকেরা সার না পেলে ফসলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়বে খাদ্যের বাজারেও, বাড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। জাতিসংঘের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওমানে সংস্থাটির কর্মীদের পরিচালনায় একটি সমন্বয়কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এই কেন্দ্র থেকে জাহাজ নিবন্ধন এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে চলাচল তদারকি করা হবে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হলে মাত্র সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে এ ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন দা সিলভা।আরোও পড়ুন,জ্যোতিনগর কলোনিতে পানিসংকট, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগতাঁর মতে, প্রতিদিন মাত্র পাঁচটি জাহাজ চলাচল করতে পারলেও জরুরি ভিত্তিতে সার প্রয়োজন এমন দেশগুলোতে সরবরাহ অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। এদিকে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দামও বাড়ছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার খাদ্যমূল্য সূচক সেপ্টেম্বরে প্রায় চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা এর অন্যতম কারণ। এল নিনোর প্রভাবে চিনির দাম ১৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। অন্যদিকে কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে গমের ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তির দামও তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ইউরিয়া ও সালফারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সার এবং সার তৈরির কাঁচামাল পরিবহনও সংকটে পড়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট ইউরিয়া পরিবহনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এবং সমুদ্রপথে পরিবাহিত সালফারের প্রায় অর্ধেক এই প্রণালি দিয়ে যেত। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং খাদ্যনিরাপত্তার সংকট আরও গভীর হতে পারে। তাই সম্ভাব্য বড় ধরনের খাদ্যসংকট এড়াতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার পরিবহন স্বাভাবিক করতে দ্রুত আন্তর্জাতিক সমঝোতার ওপর জোর দিচ্ছে জাতিসংঘ।

১৫ অক্টোবর ২০২৬
জ্যোতিনগর কলোনিতে পানিসংকট, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

জ্যোতিনগর কলোনিতে পানিসংকট, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় জ্যোতিনগর কলোনির বাসিন্দাদের পানি সরবরাহ বন্ধ ও উচ্ছেদের নোটিশ ঘিরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য সমীরুল ইসলাম।সম্প্রতি কলোনিটির পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে চিঠিটি প্রকাশ করেন তিনি। সমীরুলের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিশোধ এবং ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কলোনির বাসিন্দাদের মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তবে তাঁর এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কলকাতার জ্যোতিনগর কলোনিতে পাঁচটি পানির কল দিয়ে প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত পানি সরবরাহ করা হতো। কিন্তু গত ২৯ জুলাই থেকে কলগুলোতে পানি আসছে না। তাঁদের অভিযোগ, রাস্তা মেরামতের কাজ চলার সময় ২৮ জুলাই রাতে কলোনির মূল পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। একই সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায়। আরোও পড়ুন,রিয়াদ বিমানবন্দরে একের পর এক হামলা, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসার উদ্বেগ সৌদিরবাসিন্দারা আরও জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ পরে পুনরায় চালু করা হলেও পানির সংকট কাটেনি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করেও স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। সমীরুল ইসলাম তাঁর চিঠিতে বলেছেন, নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাওয়া মানুষের মৌলিক মানবাধিকারের অংশ। দীর্ঘদিন পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় কলোনির বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ ও বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, কলোনির জমির মালিকানা ও উচ্ছেদ নিয়েও আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জমিটি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্ট ট্রাস্টের অধীন। বন্দর কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বাসিন্দারা। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কলকাতা হাইকোর্ট উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, বন্দর কর্তৃপক্ষ জমি দখল, রাজস্ব ক্ষতি ও নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয় তুলে ধরেছে। ফলে পানি সরবরাহ পুনরুদ্ধার, বাসিন্দাদের অধিকার এবং জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। জ্যোতিনগর কলোনির বাসিন্দাদের দুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

১৪ অক্টোবর ২০২৬
হরমুজে জাহাজে হামলা বাড়াচ্ছে ইরান, চাপে বিশ্ববাজার

হরমুজে জাহাজে হামলা বাড়াচ্ছে ইরান, চাপে বিশ্ববাজার

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব ফেলা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম চড়া রাখতে নতুন কৌশলে এগোচ্ছে ইরান। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার ধরন ও গতি পরিবর্তন করেছে দেশটি। ইরানের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে তেহরান। বিশ্বের মোট উৎপাদিত জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যুদ্ধের আগে এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। ইরানের হুমকি ও হামলার কারণে প্রণালিটি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আরোও পড়ুন,রিয়াদ বিমানবন্দরে একের পর এক হামলা, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসার উদ্বেগ সৌদিরএতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। রয়টার্সকে দেওয়া তথ্যে ইরানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রায় ১০ দিন আগে থেকে বিধিনিষেধ অমান্যকারী জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে নতুন ধরনের আক্রমণাত্মক কৌশল প্রয়োগ শুরু করেছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের তেলের দাম কমানোর প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত করাই এই কৌশলের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে দাবি করেছেন তিনি। এদিকে, মার্কিন সামরিক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে ছোট নৌযানে অস্ত্রবিহীন পর্যবেক্ষক বা ‘স্পটার’ ব্যবহার করছে। এসব পর্যবেক্ষক মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করছেন বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ ও জ্বালানি সংকট যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আগামী নভেম্বরে দেশটিতে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারিত হবে। সংঘাতের অবসানে সমঝোতায় পৌঁছাতে ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। দেশটির বন্দর ঘিরে নৌ অবরোধ জোরদার এবং নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা, জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি এবং জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।

১৪ অক্টোবর ২০২৬
সিজেপি নেতাদের জেল হেফাজত, প্রতিবাদে সরব রাহুল গান্ধী

সিজেপি নেতাদের জেল হেফাজত, প্রতিবাদে সরব রাহুল গান্ধী

ভারতের দিল্লিতে যন্তর মন্তরে লোহার ফটক টপকে প্রবেশ করে বিক্ষোভ করার অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। বুধবার সকালে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হলে দিল্লি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে দলের আরেক নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেকে শান্তি ভঙ্গ না করার শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে আশুতোষ, সৌরভ ও অজিঙ্ক তাঁদের সমর্থকদের নিয়ে পুলিশের নজর এড়িয়ে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন। সেখানে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেন তাঁরা। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে। দিনভর আটকে রাখার পর গভীর রাতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সিজেপির অভিযোগ, আটকে রাখার দীর্ঘ সময় নেতাদের আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি এবং তাঁদের ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আদালতে দিল্লি পুলিশ দাবি করে, আরোও পড়ুন,https://crimeexpress.net/post/6545/রিয়াদ বিমানবন্দরে একের পর এক হামলা, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসার উদ্বেগ সৌদিরসিজেপি নেতারা ফোন করে লোক জড়ো করেছিলেন এবং বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত নয়—এমন স্থানে বেআইনিভাবে প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের মুক্তি দেওয়া হলে আবারও শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে বলেও যুক্তি দেয় পুলিশ। এদিকে, সিজেপির দুই নেতাকে জেল হেফাজতে পাঠানোর ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়। এ কারণে তরুণদের কারাগারে পাঠানোকে কাপুরুষতার লক্ষণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাহুল গান্ধী আরও বলেন, ছাত্র, যুবক, সাংবাদিক ও বিরোধী জোটের ব্যানার আলাদা হলেও তাঁদের উদ্দেশ্য অভিন্ন। নাগরিকেরা তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার চাইছেন। অন্যদিকে, সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপক জানিয়েছেন, তাঁদের দল একটি স্বাধীন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে তাঁরা ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী। জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে দুই পক্ষের লক্ষ্য এক বলেও দাবি করেন তিনি।

১৪ অক্টোবর ২০২৬
“

শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, আদর্শিক নেতৃত্ব গঠন এবং শ্রমিক আন্দোলনকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। শুক্রবার ১৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর এলাকার শহীদ মুন্সি ফজলুর রহমান অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত দিনব্যাপী নেতৃত্ব উন্নয়ন শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে থানা ও সেক্টর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় সংগঠিত শ্রমিক আন্দোলনের বিকল্প নেই। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ জন্য দায়িত্বশীলদের সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বের যোগ্যতা ও দূরদর্শিতা বাড়ানোর পাশাপাশি শ্রমিকদের বাস্তব সমস্যাগুলো বুঝে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। আরও পড়ুন,চিফ হুইপের বক্তব্যের নিন্দা জানাল জামায়াততিনি আরও বলেন, শ্রমিক আন্দোলনকে আদর্শিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে। সততা, নিষ্ঠা, ত্যাগ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে শ্রমিকদের আস্থা অর্জন করতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের পাশাপাশি তাঁদের নৈতিক ও আদর্শিক উন্নয়নেও কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। শিবিরে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, শ্রমিকদের মধ্যে আদর্শের প্রচার করতে হলে দায়িত্বশীলদের নিজেদের জীবন ও কর্মে তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। শ্রমিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে তাঁদের সমস্যা, অধিকার ও প্রত্যাশা জানতে হবে। বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, শ্রমিক নেতৃত্বকে সৎ, দক্ষ, যোগ্য, ত্যাগী ও শ্রমিকবান্ধব হতে হবে। অন্যায়-অবিচার ও শোষণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্যিক অঞ্চল হিসেবে চট্টগ্রামের শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল শ্রমিক আন্দোলন প্রয়োজন। ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ শিবিরে জামায়াত ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী আয়োজনে মহানগর, থানা, সেক্টর, মহিলা বিভাগ ও ট্রেড ইউনিয়নের শ্রমিক নেতারা প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন
লিংক কপি করা হয়েছে!

জেলার খবর

নিত্যপণ্যের দামে চাপে সাধারণ ক্রেতা

‘মাছে-ভাতে বাঙালি’—বাঙালির এই চিরচেনা পরিচয় ধরে রাখাই এখন সাধারণ মানুষের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। রাজধানীর বাজারে মাছ ও আগাম শীতকালীন সবজির দাম বেশ চড়া। পাশাপাশি কয়েক ধরনের ডালের দামও বেড়েছে। তবে ডিম, মুরগি ও ভোজ্যতেলের বাজারে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনতে গিয়ে বাড়তি চাপের মুখে পড়ছেন সীমিত আয়ের মানুষ। শুক্রবার ১৬ অক্টোবর রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে রুই-কাতলা থেকে শুরু করে তেলাপিয়া, কৈ, পাঙাশ ও ছোট মাছ—সব ধরনের মাছ কিনতেই ক্রেতাদের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। রুই ও কাতলা মাছ ওজনভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকায়। তেলাপিয়ার দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। চাষের কৈ ও পাঙাশের কেজিও ২০০ টাকার নিচে নয়। আর শিংসহ ছোট মাছ কিনতে খরচ হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। চালের বাজারেও রয়েছে দামের পার্থক্য। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ২৮ ও পাইজাম চাল প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং স্বর্ণা চাল ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে নাজিরশাইল ও মিনিকেট চালের কেজি ৭৫ থেকে ৯০ টাকা। আরও পড়ুন,দুর্গাপূজার ছুটিতেও চালু থাকবে কাস্টমস কার্যক্রমতবে স্বস্তির খবর, সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি সুগন্ধি চিনিগুড়া চালের দাম কমেছে ২০ টাকা। এদিকে বাজারে আগাম শীতকালীন সবজি উঠতে শুরু করলেও দাম এখনও চড়া। ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি অন্তত ৫০ টাকায়। শিমের কেজি ১২০ টাকা। আকারভেদে লাউয়ের দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা। বেগুন ৫০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ টাকায়। টমেটোর দাম ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। এ ছাড়া বরবটি ৯০ থেকে ১০০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সবজির পাশাপাশি ছোলা, বুট, মুগ ও মটর ডালের দামও প্রতি কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়েছে। তবে ডিমের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন নেই। প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা, সাদা ডিম ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা এবং হাঁসের ডিম ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। মুরগির দামও রয়েছে প্রায় অপরিবর্তিত। বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০৪ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা এবং পাম তেল ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে মাছ, চাল, সবজি ও ডালের বাড়তি দামে চাপে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও পরিবারের প্রতিদিনের খাবারের খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সীমিত আয়ের মানুষকে।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চিফ হুইপের বক্তব্যের নিন্দা জানাল জামায়াত
আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজ

আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজ

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। দুই দল প্রথমবার টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৯ সালে। এরপর ২০২৩ সালে দ্বিতীয়বারের মতো টেস্টে লড়াইয়ে নামে তারা। এবার আবুধাবিতে শুরু হচ্ছে দুই দলের মধ্যকার তৃতীয় টেস্ট। ম্যাচ শুরুর আগে আগের দুই টেস্টের ব্যাটিং ও বোলিং পরিসংখ্যান নিয়ে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। ব্যাটিংয়ে দুই দলের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান তিনি। সেই ম্যাচে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি তুলে নেন নাজমুল। দুই ইনিংস মিলিয়ে তাঁর সংগ্রহ ছিল ২৭০ রান। এই পারফরম্যান্সের সুবাদে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্ট লড়াইয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন তিনি। তবে ২০১৯ সালে দুই দলের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের দলে ছিলেন না নাজমুল। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক। দুই টেস্টেই খেলা মুমিনুলের সংগ্রহ ১৯১ রান। ২০২৩ সালের ম্যাচে নাজমুলের জোড়া সেঞ্চুরির পাশাপাশি সেঞ্চুরি করেছিলেন মুমিনুলও। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকার শীর্ষ পাঁচে থাকা অন্য তিন ব্যাটসম্যান হলেন আফগানিস্তানের আসগর আফগান, রহমত শাহ ও আফসার জাজাই। আরও পড়ুন,মেসির ঝুলিতে এবার সম্মানসূচক ডক্টরেটবোলিংয়ের পরিসংখ্যানে অবশ্য এগিয়ে আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খান। ২০১৯ সালে দুই দলের প্রথম টেস্টে অসাধারণ বোলিং করে ১১ উইকেট শিকার করেন তিনি। সেই ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্সই তাঁকে তালিকার শীর্ষে জায়গা করে দিয়েছে। তবে ২০২৩ সালের দ্বিতীয় টেস্টে দলে ছিলেন না রশিদ। এবারের টেস্টেও খেলছেন না এই আফগান স্পিনার। বোলারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। দুই টেস্টে তাঁর শিকার ৮ উইকেট। তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। দুই ম্যাচে তিনি নিয়েছেন ৬ উইকেট। শীর্ষ পাঁচ বোলারের তালিকায় আরও রয়েছেন আফগানিস্তানের জহির খান ও বাংলাদেশের ইবাদত হোসেন। সব মিলিয়ে আগের দুই টেস্টে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। অন্যদিকে বোলিংয়ে রশিদ খানের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। এবার তৃতীয় টেস্টে দুই দল নতুন করে লড়াইয়ে নামছে। আগের পরিসংখ্যানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, নাকি নতুন কেউ আলো ছড়ান, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

মাঠের বাইরেও ধাক্কা ভিনিসিয়ুসের, প্রেমিকা ভার্জিনিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ

মাঠের বাইরেও ধাক্কা ভিনিসিয়ুসের, প্রেমিকা ভার্জিনিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ

মাঠের ভেতরে লাল কার্ডের বিতর্ক, মাঠের বাইরে প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদ সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ডের সঙ্গে প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকার সম্পর্কের ইতি টানার খবর নিশ্চিত করেছে ফনসেকার দপ্তর। ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্টের বরাতে জানা গেছে, ফনসেকার দপ্তর ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কোনো ঝগড়া বা বিবাদ হয়নি। বরং দুজনের সম্মতিতেই সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন,আবুধাবিতে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান তৃতীয় টেস্ট আজতবে এ বিষয়ে ভিনিসিয়ুস কিংবা ভার্জিনিয়া—কেউই এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। ভিনিসিয়ুস ও ভার্জিনিয়ার সম্পর্ক নিয়ে ব্রাজিল ও স্পেনের সংবাদমাধ্যমে আলোচনা চলছিল গত বছরের অক্টোবর থেকে। তাঁদের সম্পর্কে এর আগেও বিচ্ছেদ ঘটেছিল। গত মে মাসে আলাদা হয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশ্যে এলেও জুলাইয়ে আবার একসঙ্গে দেখা যায় দুজনকে। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও একসঙ্গে উপস্থিত হয়েছেন তাঁরা। সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি স্প্যানিশ ফর্মুলা ওয়ান গ্রাঁ প্রিতে হাত ধরে হাজির হয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস ও ভার্জিনিয়া। তাঁদের সেই উপস্থিতি নতুন করে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তবে এক মাস পার হওয়ার আগেই আবার বিচ্ছেদের খবর সামনে এল। এদিকে মাঠের পারফরম্যান্সের বাইরেও শাস্তির শঙ্কায় রয়েছেন ভিনিসিয়ুস। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখার পর রেফারির দিকে আক্রমণাত্মকভাবে তেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ম্যাচে নাথান সালিবার চুল টেনে ধরার ঘটনায় লাল কার্ড দেখানো হলে তা মেনে নিতে পারেননি এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। পরে রেফারি তাঁর প্রতিবেদনে ভিনিসিয়ুসের আক্রমণাত্মক আচরণের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

চার ওভার পিছিয়ে ভারত জরিমানা ২০ শতাংশ

তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানার মুখে পড়েছে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। নিউ চন্ডিগড়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে না পারায় ভারতের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ২০ শতাংশ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়দের ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় ভারত চার ওভার কম বল করেছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পিছিয়ে ছিল দুই ওভার। অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে দুই দলের জন্য ভিন্ন অঙ্কের জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে জরিমানার এই ঘটনা ম্যাচের উত্তেজনাকে ছাপিয়ে যায়নি। সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।আরও পড়ুন,মেসির ঝুলিতে এবার সম্মানসূচক ডক্টরেট শেষ ম্যাচে অবশ্য দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় ক্যারিবীয় দল।ভারতের দেওয়া ৩৫১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শাই হোপের ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে পাঁচ উইকেটের জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর মধ্য দিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচটি নিজেদের করে নেয় তারা।তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ভারত সিরিজ নিশ্চিত করেছিল। শেষ ম্যাচে জয় পেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ টি-টোয়েন্টি সিরিজ।আগামী ৬ অক্টোবর লখনউতে শুরু হবে দুই দলের পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ওয়ানডেতে সিরিজ হারলেও টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য থাকবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। অন্যদিকে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর টি-টোয়েন্টিতেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইবে ভারত।

 চার ওভার পিছিয়ে ভারত জরিমানা ২০ শতাংশ

স্প্যানিশ ক্লাব এলদেনসের মালিক হলেন লিওনেল মেসি

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব এলদেনসে মালিকানা অর্জনের প্রক্রিয়া শেষ করেছেন লিওনেল মেসি। বৃহস্পতিবার ক্লাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, মেসি ক্লাবটি অধিগ্রহণ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে শত বছরের বেশি পুরোনো ক্লাবটির ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।এক বিবৃতিতে এলদেনসে জানিয়েছে, ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব লিও মেসির মালিক হিসেবে স্প্যানিশ পেশাদার ফুটবলে আগমন ক্লাবটির ক্রীড়াগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের সূচনা করেছে।বর্তমানে এলদেনসের মালিকানা কলম্বিয়ান বিনিয়োগ গ্রুপ গ্রুপো টিএইচের হাতে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডেও ক্লাব রয়েছে। তবে মেসির অধিগ্রহণের চুক্তিটি স্পেনের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।এলদেনসে স্পেনে মেসির মালিকানাধীন দ্বিতীয় ক্লাব। এর আগে বার্সেলোনা শহরের পঞ্চম বিভাগের দল কর্নেলার মালিকানা কিনেছেন আর্জেন্টাইন এই তারকা। আড়ও পড়ুন,মেসির ঝুলিতে এবার সম্মানসূচক ডক্টরেটচলতি বছরের শুরুতে কর্নেলার মালিকানা নেন তিনি।এটি মেসির প্রথম কোনো পেশাদার ফুটবল ক্লাবে বিনিয়োগ। কর্নেলা বর্তমানে আধা-পেশাদার পর্যায়ে রয়েছে। দুই ক্লাবের মধ্যে তিন বিভাগের ব্যবধান থাকায় একই মালিকানার কারণে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিযোগিতাগত জটিলতার আশঙ্কা কম।১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এলদেনসে ক্লাবের ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় স্পেনের শীর্ষ দুই বিভাগের বাইরে কেটেছে। ২০২৩ সালে দীর্ঘ ৫৯ বছর পর দলটি দ্বিতীয় বিভাগে উন্নীত হয়। তবে ২০২৫ সালে অবনমিত হয়ে বর্তমানে তৃতীয় বিভাগে খেলছে এলদেনসে।এলদা শহরের ৫ হাজার ৭৭৬ আসনের নুয়েভো পেপিকো আমাত স্টেডিয়ামে নিজেদের হোম ম্যাচ খেলে ক্লাবটি। মেসির মালিকানায় এখন ক্লাবটির ক্রীড়া ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে কী ধরনের পরিবর্তন আসে, সেটিই দেখার বিষয়।

স্প্যানিশ ক্লাব এলদেনসের মালিক হলেন লিওনেল মেসি

মেসির ঝুলিতে এবার সম্মানসূচক ডক্টরেট

লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য ফুটবল ক্যারিয়ারে যুক্ত হচ্ছে নতুন এক অনন্য অধ্যায়। আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেস বিশ্ববিদ্যালয় মেসিকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক ডিগ্রি ডক্টর হোনরিস কউসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়টির উচ্চ পর্ষদ সর্বসম্মতিক্রমে এই সম্মাননা দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে। আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় ভোরে বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাচের আগে তাঁকে এই সম্মাননা দেওয়া হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে মেসির দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তাঁর অধ্যবসায়, বিনয়, কাজের ক্ষেত্রে নৈতিক আচরণ এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্বের প্রতি অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরা হয়েছে।আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির অর্জনও উঠে এসেছে প্রস্তাবে। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জয়ের পর ২০২২ সালে ফিনালিসিমা ও কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জেতেন তিনি।বুয়েনস এইরেস বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর রিকার্দা গেলপি বলেন,আড়ও পড়ুন,সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একাদশে চার পরিবর্তন, মাঠে বাংলাদেশপরিসংখ্যান ও ক্রীড়াবিদ হিসেবে অর্জনের বাইরেও একজন বিনয়ী ও অদম্য মানুষ হিসেবে মেসিকে সম্মান জানাতে চায় বিশ্ববিদ্যালয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মেসি আর্জেন্টিনার জনসংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক ও দূত।বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য এমিলিয়ানো ইয়াকোবিত্তি বলেন, এই সম্মানসূচক ডক্টরেট শুধু মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয় নয়, বরং আর্জেন্টাইন সমাজের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ।গত আগস্টে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন মেসি। তবে ঘরের মাঠে তাঁকে বিদায় জানানোর জন্য আরও একটি ম্যাচ খেলার অনুরোধ জানায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। সেই অনুরোধে রাজি হন তিনি।আন্তর্জাতিক বিরতিতে আর্জেন্টিনার তিনটি প্রীতি ম্যাচের শেষ ম্যাচে জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামবেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। বলিভিয়ার বিপক্ষে ৪–০ গোলের জয়ের ম্যাচে তিনি ছিলেন না। আগামী রোববার ভোরে বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচেও খেলবেন না তিনি।এরপর বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবলে মেসির দীর্ঘ অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে। আর সেই বিদায়ের মুহূর্তের আগেই বুয়েনস এইরেস বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক ডিগ্রি পেতে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলের এই কিংবদন্তি।

মেসির ঝুলিতে এবার সম্মানসূচক ডক্টরেট
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
সাত বছরের প্রেম ভাঙার অভিযোগে আলোচনায় সাবিলা নূর

সাত বছরের প্রেম ভাঙার অভিযোগে আলোচনায় সাবিলা নূর

ঢাকাই শোবিজে অভিনেত্রী সাবিলা নূর ও তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য জীবন নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছেন চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুন। তাঁর বিরুদ্ধে সাত বছরের প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রস্তুতি ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দীর্ঘদিনের প্রেমিকা তিশা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিশার দাবি, সাবিলা নূর অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর তাঁদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। শাকিব খানের মতো জনপ্রিয় তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগ বিবেচনায় তিনি নিজেই বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিতে রাজি হয়েছিলেন। দুই পরিবারের পক্ষ থেকেও বিয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিশার অভিযোগ, শুটিং শেষ হওয়ার পর হঠাৎ করেই আবদুল মামুন তাঁকে জানান, তিনি আর বিয়ে করতে চান না। এর কারণ জানতে চাইলেও স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাননি তিনি। পরে সাবিলা নূরের সঙ্গে মামুনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠার কথা জানতে পারেন বলে দাবি করেন তিশা। তিশা আরও বলেন, পরিবারের সদস্যরা মামুনকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য বোঝানোর চেষ্টা করলেও তাতে কোনো ফল হয়নি। তাঁর অভিযোগ, আরও পড়ুন,জেলার’-এর রেকর্ড ভাঙল রজনীকান্তের নতুন সিনেমাসাবিলা নূর তাঁদের সম্পর্কের বিষয়ে জানতেন। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এমন পরিণতিতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন বলেও জানান। তবে তিশার এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবিলা নূর, তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহের কিংবা আবদুল মামুনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে সাবিলা নূর ও নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়েও সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নানা খবর প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রেমের পর ২০১৯ সালে বিয়ে করেন এই দম্পতি। তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে এবং তাঁরা আলাদা থাকছেন—এমন খবরও ছড়িয়েছে। তবে নিজেদের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানাননি তাঁরা। অন্যদিকে সাবিলা নূর ও শাকিব খানের সম্পর্ক নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। ‘তাণ্ডব’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজের সূত্র ধরে তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিভিন্ন দাবি উঠলেও সেগুলোর পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এআই ভিডিও ছড়ানোয় ক্ষুব্ধ পরীমনি

এআই ভিডিও ছড়ানোয় ক্ষুব্ধ পরীমনি

এআই প্রযুক্তিতে তৈরি দুই তারকার বিকৃত ও আপত্তিকর ভিডিও একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের চিত্রনায়িকা পরীমনি। পেজ হ্যাক হওয়ার দাবি তুলে শুধু দুঃখপ্রকাশ করলেই সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম দায় এড়াতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সম্প্রতি নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে লাইভে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ও আপত্তিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা এবং টেলিভিশন চ্যানেলটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পরীমনি। অভিনেত্রীর দাবি, ভিডিওটি অনেক আগের একটি ভুয়া ক্লিপ হলেও প্রভাবশালী একটি গণমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সেটি নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁর অভিযোগ, ভিডিওটি টানা ১১ ঘণ্টা ইনস্টাগ্রাম পেজে থাকার পরও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। লাইভে পরীমনি প্রশ্ন তোলেন, একটি বড় গণমাধ্যমের পেজ হ্যাক হয়ে থাকলে সেটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে কেন এত সময় লাগল? তাঁর মতে,আরও পড়ুন,সাত বছরের প্রেম ভাঙার অভিযোগে আলোচনায় সাবিলা নূরএমন ঘটনার পর শুধু পেজ হ্যাক হওয়ার দাবি করে দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে আলোচনা ও প্রচার চালানো ব্যক্তিদেরও সমালোচনা করেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষ্য, অনেকে ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন না তুলে বরং সেটিকে আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত করেছেন। এমনকি বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক পোস্টের মন্তব্যের ঘরেও ভিডিওটির লিংক খোঁজা ও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা তাঁকে হতাশ করেছে। কটূক্তিকারীদের উদ্দেশে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যও করেন পরীমনি। তবে দীর্ঘ সময় লাইভে থাকার পর তিনি নিজের ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নেন। পরদিন সকালে সংক্ষিপ্ত এক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘ওপস সরি, ডিলেট করে দিয়েছি। শুভ সকাল।’ উল্লেখ্য, পরীমনি সম্প্রতি নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নতুন ওয়েব চলচ্চিত্র ‘সেপারেশন’-এর কাজ শেষ করেছেন। এতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ।

কুরুকের অভিযান নিয়ে আসছে নতুন অ্যানিমেশন

‘অ্যাভাটার: দ্য লাস্ট এয়ারবেন্ডার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ভক্তদের জন্য নতুন সুখবর। জনপ্রিয় এই অ্যানিমেটেড জগতের গল্পে যুক্ত হচ্ছে নতুন সিরিজ ‘অ্যাভাটার কুরুক: ওয়েভ অব ক্যাওস’। এবার কাহিনির কেন্দ্রে থাকছে ১৪ বছর বয়সী অ্যাভাটার কুরুকের কৈশোরের অভিযান এবং নানা বিপদের মুখে তার লড়াই। গত ৯ অক্টোবর নিউইয়র্ক কমিক কনে নতুন সিরিজটির ঘোষণা দেন ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-নির্মাতা মাইকেল দান্তে ডিমার্টিনো ও ব্রায়ান কোনিয়েটজকো। এ সময় দর্শকদের সামনে কুরুক ও তার পোষা প্রাণী নিকিকের প্রথম ঝলকও তুলে ধরা হয়। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্কাইড্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, নতুন সিরিজে কুরুককে দেখা যাবে নিজের রাগী শিক্ষকের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করতে। একই সঙ্গে তাকে মোকাবিলা করতে হবে দুরন্ত জলদস্যু ও বিশৃঙ্খল আত্মাদের। নানা বাধা ও বিপদের মধ্যেও নিজের মতো করে বিশ্বে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাবে সে। ‘অ্যাভাটার’ মহাবিশ্বে অ্যাভাটার এমন এক বিশেষ সত্তা, যে পানি, আগুন, মাটি ও বায়ু চারটি মৌলিক উপাদান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। চার জাতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই তার অন্যতম দায়িত্ব। আরও পড়ুন,মেয়ের প্রথম জন্মদিনে অপূর্বর আবেগঘন বার্তাকুরুক পানি জাতির একজন অ্যাভাটার। নতুন সিরিজে তার জীবনের আগের সময়ের গল্প তুলে ধরা হবে। এতে দর্শকেরা কুরুকের কৈশোর, নতুন কিছু শেখার চেষ্টা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নানা দিক দেখতে পাবেন। কুরুকের সঙ্গী নিকিকও সিরিজটির গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে। তবে তাদের অভিযান ঘিরে পূর্ণাঙ্গ কাহিনি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। সিরিজটি প্রচারিত হবে প্যারামাউন্ট প্লাসে। এখন পর্যন্ত মুক্তির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। এদিকে নতুন সিরিজের ঘোষণার পাশাপাশি ‘অ্যাভাটার: সেভেন হ্যাভেনস’-এর তৃতীয় ও চতুর্থ মৌসুমের অনুমোদনের কথাও জানিয়েছে প্যারামাউন্ট প্লাস। এই সিরিজের গল্পে রয়েছে পাভি ও তার যমজ বোন নিশার অভিযান। ‘দ্য লেজেন্ড অব কোররা’সহ একাধিক সিরিজের মাধ্যমে বিস্তৃত হয়েছে ‘অ্যাভাটার: দ্য লাস্ট এয়ারবেন্ডার’-এর কল্পজগৎ। নতুন প্রিক্যুয়েল সিরিজটি সেই জগতের অতীতের ঘটনা ও পরিচিত চরিত্রগুলোর পেছনের গল্প আরও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবে। সিরিজটির শোরানার হিসেবে থাকছেন ব্রায়ান কোনিয়েটজকো। এটি নির্মাণ করছে অ্যাভাটার স্টুডিওস ও নিকেলোডিয়ন অ্যানিমেশন স্টুডিওস। এখন কুরুকের নতুন অভিযান দেখার অপেক্ষায় ভক্তরা।

কুরুকের অভিযান নিয়ে আসছে নতুন অ্যানিমেশন

মেয়ের প্রথম জন্মদিনে অপূর্বর আবেগঘন বার্তা

মেয়ের প্রথম জন্মদিনে আবেগঘন ভালোবাসার বার্তা দিয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। একমাত্র কন্যা আনায়াকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছবি প্রকাশ করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই অভিনেতা। মেয়ের জীবনে আসার পর কীভাবে বদলে গেছে তাঁর পৃথিবী, সেই অনুভূতিও তুলে ধরেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার মেয়ের প্রথম জন্মদিন উপলক্ষে দেওয়া পোস্টে অপূর্ব লিখেছেন, ‘এক বছর আগে তুমি আমাদের জীবনে এসেছিলে, তারপর পৃথিবীর সবকিছুই বদলে গেছে।’ মেয়েকে ভালোবাসার ৩৬৫ দিন পূর্ণ হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি তাঁদের ছোট্ট রাজকন্যাকে প্রথম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। পোস্টে মেয়েকে বড় হতে দেখার আনন্দ ও বাবা হিসেবে নিজের অনুভূতির কথা তুলে ধরেছেন অপূর্ব। তিনি লিখেছেন, সময় কীভাবে চলে গেছে, তা বুঝতেই পারেননি। ঠিক এক বছর আগে এই দিনেই আনায়া তাঁদের পৃথিবীতে এসেছিল এবং সুন্দরভাবে সবকিছু বদলে দিয়েছিল। আরোও পড়ুন,মিস্টার ইন্ডিয়া’র জ্যাকেট এখনো যত্নে রেখেছেন অনিলমেয়ের বেড়ে ওঠা, নতুন নতুন বিষয় আবিষ্কার করা এবং তার হাসি-আনন্দে ঘর ভরে ওঠার অভিজ্ঞতাকে জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য বলে উল্লেখ করেছেন এই অভিনেতা। মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত ছবিতে আনায়ার মাথায় দেখা যায় ছোট্ট একটি মুকুট। ছবির সঙ্গে আবেগঘন বার্তায় অপূর্ব লিখেছেন, মেয়ের মাথায় হয়তো আজ ছোট্ট একটি মুকুট শোভা পাচ্ছে, কিন্তু জন্মের মুহূর্ত থেকেই সে তাঁদের হৃদয়ের মুকুট পরে আছে। পোস্টের শেষাংশে মেয়ের উজ্জ্বল ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করে অপূর্ব লেখেন, তাঁর ছোট্ট মেয়ের জীবন যেন তার মতোই উজ্জ্বল, জাদুময় ও অমূল্য হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী শাম্মা দেওয়ানকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। বিয়ের চার বছর পর এই দম্পতির ঘরে আসে কন্যাসন্তান আনায়া। গত বছরের ডিসেম্বরে বাবা হওয়ার সুখবর প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন অভিনেতা। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকা অপূর্বর এই আবেগঘন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

মেয়ের প্রথম জন্মদিনে অপূর্বর আবেগঘন বার্তা

মিস্টার ইন্ডিয়া’র জ্যাকেট এখনো যত্নে রেখেছেন অনিল

৩৯ বছর পর আবারও ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ সিনেমার সেই পরিচিত পোশাকে হাজির হয়েছেন বলিউড অভিনেতা অনিল কাপুর। ১৯৮৭ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটিতে পরা শার্ট, প্যান্ট ও জ্যাকেট এত বছর ধরে যত্ন করে নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রেখেছেন এই অভিনেতা। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে সেই পোশাক পরে হাজির হয়ে ভক্তদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন পুরোনো দিনের স্মৃতিতে। ‘ইন্ডিয়া কে টপ ওয়ান পারসেন্ট: দ্য অনিল কাপুর শো’ অনুষ্ঠানে নিজের জনপ্রিয় সিনেমার সেই পোশাক পরে উপস্থিত হন অনিল কাপুর। এ সময় তিনি জানান, ৩৯ বছর পেরিয়ে গেলেও শার্ট, প্যান্ট ও জ্যাকেট এখনো তাঁর গায়ে ঠিকঠাক বসে। বিষয়টি নিয়ে হাস্যরসের ছলে অভিনেতা বলেন, শার্ট এখনো তাঁর গায়ে ঠিক হয়, প্যান্টও ঠিক হয়, এমনকি জ্যাকেটও ঠিক হয়। দীর্ঘ সময় পরও পোশাকের মাপ ঠিক থাকায় বিষয়টি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। অনিল কাপুর জানান, অনুষ্ঠানের আয়োজকেরা ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ সিনেমার আসল পোশাকটি ফিরিয়ে আনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তখন তিনি তাঁদের জানান, পোশাকটি এত বছর ধরে নিজের কাছেই সংরক্ষণ করে রেখেছেন। সিনেমাটিতে তাঁর পরিচিত লুকের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জ্যাকেটটি। সেই জ্যাকেট কেনার পেছনের গল্পও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন অভিনেতা। আরোও পড়ুন,যুবকের সঙ্গে ছবি দিয়ে অপুর আবেগঘন পোস্টতিনি জানান, মুম্বাইয়ের চোর বাজার থেকে জ্যাকেটটি কিনেছিলেন। পোশাকের পাশাপাশি নিজের চুলের সাজেও ধরে রেখেছেন পুরোনো দিনের ছাপ। সিনেমাটিতে তাঁর লম্বা চুলের যে পরিচিত স্টাইল ছিল, এখনো সেভাবেই চুল বড় করেছেন তিনি। অনুষ্ঠানটির বিশেষ পর্বে দেশের ও সমাজের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা মানুষদের তুলে ধরা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে অনিল কাপুর বলেন, ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ সিনেমা থেকে শেখার বিষয় হলো, সবাই মিস্টার ইন্ডিয়া হতে পারেন। তাঁর মতে, যাঁরা কোনো পুরস্কার কিংবা স্বীকৃতির প্রত্যাশা ছাড়াই দেশের ও মানুষের সেবা করেন, তাঁরাও একেকজন মিস্টার ইন্ডিয়া। দায়িত্ববোধ থেকেই তাঁরা মানুষের জন্য কাজ করে যান। উল্লেখ্য, শেখর কাপুর পরিচালিত ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ মুক্তি পায় ১৯৮৭ সালে। সিনেমাটিতে অনিল কাপুরের সঙ্গে অভিনয় করেন শ্রীদেবী ও অমরীশ পুরী। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা পাওয়া অরুণ ভার্মাকে ঘিরে নির্মিত সিনেমাটি গান, সংলাপ ও স্মরণীয় চরিত্রের কারণে আজও দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়। বিশেষ করে অমরীশ পুরীর ‘মোগাম্বো খুশ হুয়া’ সংলাপটি হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত সংলাপ হিসেবে বিবেচিত।

মিস্টার ইন্ডিয়া’র জ্যাকেট এখনো যত্নে রেখেছেন অনিল
কোন পোস্ট নেই !