রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

কুড়িল বিশ্বরোডে পূর্বাচল হোটেলের নামে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২
  • ৫২
কুড়িল বিশ্বরোডে পূর্বাঞ্চল হোটেলের নামে অভিযোগ

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডে দিন দিন বেড়েই চলেছে আবাসিকের নামে হোটেলে নারীদেহ বাণিজ্য। এমনকি কিছু দিন পর পর ঘটছে আত্মহত্যার মতো ঘটনা। এর পেছনে রয়েছে সমাজের কিছু অর্থলোভীদের হাত। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় গ্রামের সহজ সরল নারীদেরকে প্রলভনের মাধ্যমে বোকা বানিয়ে চাকরী দেওয়ার নাম করে ঢাকায় নিয়ে এসে তাদেরকে দিয়ে দেহ ব্যবসাসহ নানা অপকর্ম করাতে পায়তারা চালায় হোটেল মালিক কর্র্তৃপক্ষের নারী পাচারকারী সিন্ডিকেট। এসমস্ত সিন্ডিকেট রাজধানীর আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এরা একধরনের খদ্দের যোগান দাতা। এমনকি পাচারকারীরা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় সুন্দরি যুবতিদের ছবি পোষ্ট করে খদ্দেরদের আকৃষ্ট করে ব্লাকমেইলের পায়তারা চালায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুড়িল বিশ্বরোডে অবস্থিত আবাসিক হোটেল পূর্বাচলের জেলা প্রশাসক কর্তৃক কোন অনুমোদন নেই বলে জানা গেছে। শুধুমাত্র বিল্ডিং ভাড়া নিয়ে সবাইকে ম্যানেজ করে নারী ও মাদক বাণিজ্য অহরহ। আবার এতে অনেক যুবক যুবতী মাদকে আশক্ত হয়ে যৌন বাণিজ্যে লিপ্ত হয়। যার কারণে রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে খুন রাহাজানি ও হত্যার ঘটনা ঘটে থাকে। তবে প্রতিষ্ঠানের মালিক ওদুদ দির্ঘদিন যাবৎ এ ব্যবসায় জড়িত থাকলেও বিভিন্ন ধরনের মামলা রয়েছে একাধিক। তাতেও মাথা ব্যথা নেই পুলিশ প্রশাসনের। হোটেলটিতে অনুসন্ধানে গেলে দেখা গেছে আবাসিক হোটেল নিয়ম অনুযায়ী বর্ডারদের রেজিষ্ট্রি খাতায় নাম ঠিকানা ও ছবি লিপিবদ্ধ থাকার কথা থাকলেও তার কোনটাই নেই। নামে মাত্র আবাসিক হোটেল। কিন্তু গড়ে তুলেছেন আবাসিক হোটেলের নামে পতিতালয়। এমনও দৃশ্য চোঁখে পড়ে বহিরাগত কপত কপতিরা ঘন্টা ভিত্তিক ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকায় রুম বরাদ্দ নিয়ে যৌন খেলায় মেতে উঠে। অর্থাৎ একে বলা হয় স্কর্ট সার্ভিস। এতে হোটেল মালিকের আয়ের পরিমানটাও বেশি।

এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত দেখি উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েরা উক্ত হোটেলটিতে যাতায়াত করছে। তবে হোটেল স্টাফদের নিকট জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তারা বলেন, আবাসিক হোটেলে এগুলো নতুন কিছু নয়। মালিক কর্র্তৃপক্ষ এবিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের সাথে সমঝোতা করেই হোটেলটি পরিচালনা করে আসছে। এবিষয়ে কারো মাথা ব্যাথা নেই। তবে পুলিশ মাঝে মধ্যে লোভ দেখানো অভিযান চালালেও সেটি খনিকের জন্য।

এবিষয়ে ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, এধরনের কোন অভিযোগ আমার নিকট নেই। তবে তদন্ত অনুসারে এগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: দৈনিক খবরা খবর
আরো পড়ুন: রাজধানীতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

শেয়ার করুন

আরো খবর