শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন

রাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

রাবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫০
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমরুল কায়েস। ছবি : সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইমরুল কায়েস নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজ ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন তাঁর সহপাঠীরা।

ইমরুল কায়েস গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলে থাকতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর গ্রামে। তাঁর বাবা ও মা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিন ভাই বোনের মধ্যে তিনি বড়।

ইমরুলের পরিবারের বরাত দিয়ে সহপাঠীরা জানান, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তিনি পরিবার ও নিজের জীবন নিয়ে ‘সন্তুষ্ট’ ছিলেন না। তাঁর অস্বাভাবিক চলাচল ও আচরণের জন্য পরিবার থেকে এর আগে তাঁকে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারেও রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে মায়ের কাছে মোটরসাইকেল কিনে দিতে বলেন। মোটরসাইকেল কিনেও দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। এরপর মায়ের কাছে ডিএসএলআর ক্যামেরা চান। ক্যামেরা কিনে না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে রুমের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেয় ইমরুল। পরে রুমের দরজা ভেঙে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শের-ই বাংলা হলের ইমরুলের সঙ্গে একই রুমে থাকতেন সুকান্ত রায়। তিনি জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে ইমরুল হতাশায় ছিল। হয়তো এই ডিপ্রেশন থেকেই সে আত্মহত্যা করেছে।’

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মুসতাক আহমেদ বলেন, ‘ইমরুলের মৃত্যুতে বিভাগের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করেছি। তার পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাই।’

আরও পড়ুন: বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখ খুলে দেয় : খাদ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন

আরো খবর