শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন

ঝিনাইগাতী উপজেলা উন্নয়নের মডেল ছোঁয়া

নজরুল ইসলাম, ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৬
ঝিনাইগাতী উপজেলা উন্নয়নের মডেল ছোঁয়া
ছবি: ক্রাইম এক্সপ্রেস

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলা যেন এক উন্নয়নের ছোঁয়া। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলা মডেল হিসেবে পরিচিত হবে বলে সরকারের পটভূমিকা চলমান রয়েছে। তার ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতী উপজেললা হবে এক স্বপ্নের শহর। পৌরসভা এবং জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ বিভিন্ন ধরনের রাস্তা নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে। প্রশাসনিক পরিবর্তন, বিশেষ করে উপজেলা পদ্ধতি প্রবর্তনের পর এসব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম প্রসারিত হয়। বৃদ্ধি পায় এদের কর্মভারও। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বা লোকাল গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো, সংক্ষেপে এলজিইবি।

উল্লেখ্য, এলজিইবির পূর্বসূরি ছিল পূর্ত কর্মসূচি উইং। প্রতিটি উপজেলায় এলজিইবির কর্মকাণ্ড শুরু হয়। একই সময়ে বাংলাদেশ সরকার পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প কৌশল প্রণয়ন করে। এ কৌশলের আওতায় পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে রাস্তা, সেতু, কালভার্ট, গুদাম ও হাটবাজার নির্মাণ, স্থানীয় পর্যায়ে সেচ, গুচ্ছগ্রাম, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতিসহ ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়ন কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামে বসবাসকারী মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের অধিকতর সুযোগ সৃষ্টির সুপারিশ করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অধীন অবকাঠামো উন্নয়নে এলজিইবি বড় রকমের ভূমিকা রাখতে থাকে ঝিনাইগাতী উপজেলায়ও। নতুন নতুন রাস্তা নির্মাণ হতে থাকে। রাস্তার রক্ষণাবেক্ষণকাজ জোরদার করা হয়। রাস্তার দুই পাশে ফল, বন ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয় ঝিনাইগাতী উপজেলা শহরে। ঝিনাইগাতি থানার সদরের চেয়ারম্যান মোঃ মোফাজ্জল হোসেন চাঁন এবং আওয়ামীলীগের সেক্রেটারি মোঃ আমিরুজ্জামান লেবু বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ডে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোড মডেল। তিনি রাস্তা ঘাঠ, কালভার্ট, ব্রিজ এবং গরিব দুঃখিদের জন্য বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বেকার ভাতারও ব্যবস্থা করেছে। শুধু তাই নয়, গরীব দু:খী বসবাসের জন্য গড়ে তুলেছে গুচ্ছগ্রাম এবং প্রতিটি ঘড় বিতরন করেন। আগামীতে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পাবে। স্থানীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষমতাও বাড়বে। জনপ্রতিনিধি, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হবে। এতে ঝিনাইগাতী আরো উন্নয়নের এক উপ—শহর হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।

আরো পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় জমি দখলের চেষ্টা

শেয়ার করুন

আরো খবর