বৃহস্পতিবার, ০৮ জুন ২০২৩, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
গনমাধ্যমকর্মীকে প্রাননাশের হুমকি!

ডিসি ওসি আমার ভাই ও গোপালগঞ্জের নাম ভাঙ্গিয়ে পায়েলের যত কর্মকান্ড!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০২৩
  • ২১১
অপরাধী পায়েল মোল্লার দাপটে অতিষ্ট এলাকাবাসী।

রাজধানীর গুলশান-বনানীতে একাধিক ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে বাড়ির মালিকের যোগসাজে পয়েলের স্পা ও গেষ্ট হাউজের আড়ালে নারী বাণিজ্যসহ নানা অপরাধের তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি গনমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে পায়েল মোল্লা গনমাধ্যমকর্মীকে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে বলেন, আপনি পারলে গুলশান-বনানীতে আসেন এবং আপনাকে দেখে নেওয়াসহ হত্যার হুমকি দিয়ে থাকেন। তিনি আরো বলেন, আমার বাড়ি গোপালগঞ্জ গুলশান-বনানী থানার ওসি আমার ভাই।শুধু তাই না গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আমার এলাকার। তাই তাদের কাছে অভিযোগ করে কোন লাব হবে না। অথচ পায়েলের গুলশানের ২৪ নং রোডে একটি গেষ্ট হাউজে কিছুদিন আগে গুলশান থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে নারী ও খদ্দেরসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেন। সেবিষয়ে পালে মোল্লা বলেন, আমি ঢাকায় ছিলাম না, তাহলে থানা পুলিশ কেন আমার অফিসে কেউ অভিযান চালাবে এমন সাহস কারো হয়নি। এসকল তথ্য তার ভয়েজ রেকর্ড প্রমানিত রয়েছে। শুধু তাই না বনানী এলাকার ৪ নং রোডে তার একটি স্পা সেন্টারে ভিডিও ফুটেজ প্রমানিত এবং বনানী থানার তার বিরুদ্ধে ২ টি মানব পাচার দমন আইনে মামলা রয়েছে। তার একটি মামলার নং—০৩, তাং—০৪—০১—২২ যাহা মানব পাচার দমন আইনে ধারা ১১.১২.১৩। এরপরও থেমে নেই তার এই অনৈতিক কর্মকান্ডসহ নানা অপরাধ। তিনি আরো বলেন, আপনাদের পত্রিকা পরে কয়জন প্রয়োজনে এসকল পত্রিকাগুলোর আমি ব্যন্ড করে দিব বলে ভয়ভিতি দেখান।

আরো পড়ুন: ওসি গৃহবধূ নির্যাতনের মামলা না নিয়ে নির্যাতনকারীর মামলা নিলেন

অনেক গনমাধ্যমকর্মীকে তিনি এভাবেই হুমকি দিয়ে থাকেন। আবার তিনি কখনো বড় নেতার ভাই, ডিআইজির ভাই, ডিসির ভাই,ওসির ভাই এসব নাম ভাঙ্গিয়ে তাদের পরিচয়ে দাপটের শহিদ পুলিশ প্রশাসন নাকের ডগায় ফ্ল্যাট বাসায় নারী চক্রের সিন্ডিকেট দ্বাড়া প্রকাশ্যে নারী বাণিজ্যসহ মাদক কারবারীর সাথে যুক্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া তিনি নিজেই একজন মাদক নেশাখোড়। তার নির্দেশে নারী চক্রের মূল হোতারা গ্রাম—গঞ্জের সহজ সরল উঠতি বয়সের সুন্দরী রমনীদের সংগ্রহ করে উক্ত অবৈধ ফ্ল্যাট বাসায় তাদের দিয়ে দেহ ব্যবসার মত যঘণ্য কাজ করাতে বাধ্য করেন।

আরো পড়ুন: মাদক কারবারিদের হামলায় র‌্যাবের ২ সদস্য আহত,
সম্প্রত্তি, অথচ ইতিপূর্বে এসব প্রতিষ্ঠানে বনানী ও গুলশান থানা পুলিশ একাধিক অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এখন আবার বিভিন্ন ছত্রছায়ায় এসব প্রতিষ্ঠানে অনৈতিক কর্মকান্ডে যেন ছয়লাব। পুলিশের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ কারবারীরা তাদের আপরাধ কর্মকান্ডে দিন দিন তৎপর হয়ে উঠছে। তবে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকলেও এরা থেমে নেই এধরনের অনৈতিক কার্যক্রম থেকে। যাদের খদ্দের উঠতি বয়সের বৃত্তবান পরিবারের সন্তানসহ দেশি বিদেশি বিভিন্ন মহলের ব্যক্তিরা। এসব ব্যবসা ঘিরে প্রতিদিন লেনদের হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এরকম বনানী—গুলশান আবাসিক ও অফিস পাড়ায় নামে বেনামে গড়ে উঠেছে পায়েল মোল্লার স্পা সেন্টার ও গেষ্ট হাউজ। এতে সক্রিয় হচ্ছে নারীপাচার চক্রের সদস্যরা ও মাদক পাচারকারীরা। সূত্র জানায়, পুলিশি অভিযান শেষ হলেই তার কয়েকদিন বা কিছুখন পর আবারো শুরু করেন স্পার নামে তথা দেহ ব্যবসা। এছাড়া খদ্দেরদের আকর্ষণ বাড়াতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারও চালায় তারা। সেখান থেকেই ফোন নাম্বারের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। কোনো রকমের সন্দেহ হলেই ভুল ঠিকানা দিয়ে এড়িয়ে চলেন তারা। পায়েলের এক কর্মকর্তার নিকট পুলিশের ঝামেলা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা মালিক তাদের সাথে মাসিক হিসেবে কন্ট্রক্ট কেও নেয়। যার ফলে ঝামেলাটাও কম হয়।

আরো পড়ুন: জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কেরানীগঞ্জে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
অণ্যদিকে স্পা সেন্টারে কাজ করনে এমন এক যুবতী বলেন, আমরা শুধু বডি মেসেজ করলে যা বেতন পাই তা দিয়ে চলে না। বাড়তি কিছু কামাই করার জন্যই এ সব করি। যারা এ সব জায়গায় আসেন তাদের বডি মেসেজের দিকে আকর্ষণ কম থাকে। যার ফলে আমরাও সেই দিকে গুরুত্ব বেশি দেই। দিন শেষে আয়ও ভাল হয়।
এদিকে এলাকাবাসি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিনিয়ত অসংখ্য লোকের যাতায়ত রয়েছে এখানে। কিছুখন পর পরই আসছে যাচ্ছে। আর স্পা সেন্টারের দেহব্যবসায়ীরা ভোরে বোকরা পরে উঠতে দেখা যায়। তবে এতে এলাকার সামাজিক ভারসম্য কোথায় গিয়ে দাড়িয়েছে সেটা পুলিশ প্রসাশন ভাল বলতে পারবে। কারন তারা প্রায়ই অভিযান চালিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা গ্রেফতার করে এবং মামলাও দেন। তারপরও তারা আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে বেড়িয়ে এসে আবারো এধরনের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন। আরো বিস্তারিত আছে..

আরো পড়ুন: ‘আদিম’ ২৬ মে মুক্তি পাচ্ছে

শেয়ার করুন

আরো খবর