রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন

দুই লাখে কিডনি কিনে ১৫ থেকে ২০ লাখে বিক্রি

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫৮

দুই লাখ টাকায় ডোনারের কাছ থেকে কিডনি কিনে তা ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই চক্রটি অবৈধভাবে কিডনি কেনাবেচা করত বলে জানা গেছে। এ জন্য টার্গেট করা হতো গরিব ও অসহায় মানুষকে।

এ ঘটনায় কয়েকজন ভুক্তভোগী দেশের বিভিন্ন থানায় প্রতারণা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে মামলা করেন। এসব মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কিডনি কেনাবেচা চক্রের ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন ও অন্যতম মূল হোতা মো. শাহরিয়ার ইমরানসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত র‍্যাব-৫, র‍্যাব-২ ও র‍্যাব সদরদপ্তরের গোয়েন্দা শাখা যৌথ অভিযান চালিয়ে জয়পুরহাট ও রাজধানীর নর্দা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। আজ দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিএসইসি ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. শাহরিয়ার ইমরান আহম্মেদ (৩৬), মো. মেহেদী হাসান (২৪), মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), মো. আব্দুল মান্নান (৪৫) ও মো. তাজুল ইসলাম ওরফে তাজু (৩৮)।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, শাহরিয়ার দুটি ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন। একটির নাম ‘বাংলাদেশ কিডনি ও লিভার পেশেন্ট চিকিৎসা সেবা’ এবং অপরটি ‘কিডনি লিভার চিকিৎসা সেবা’। এসব পেজ থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরিব মানুষদের চিহ্নিত করে তাদের অর্থের বিনিময়ে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশনের জন্য ডোনার হতে প্রলুব্ধ করা হতো। এরপর ডোনারকে পাশের দেশ ভারতে পাঠানো হতো।

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘চক্রটি প্রতিটি কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য রোগীর কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা নিতো। কিন্তু কিডনির ডোনারকে তিন থেকে চার লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলে দিতো দুই লাখ টাকা। এ চক্রটি এখন পর্যন্ত শতাধিক মানুষকে কিডনি বিক্রির জন্য ভারতে পাচার করেছে।’

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ দ্রুত করোনা সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে

শেয়ার করুন

আরো খবর