রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন

গুলশানে অবৈধ স্পার আড়ালে সুলতানার নারী বাণিজ্যর সিন্ডিকেট!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ৭২
গুলশানে অবৈধ স্পার আড়ালে সুলতানার নারী বাণিজ্যর সিন্ডিকেট!
ছবি: ক্রাইম এক্সপ্রেস

রাজধানীর গুলশানে অসাধু স্পা ব্যবসায়ীদের কালো টাকা উপার্জনের দৌড়াত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। গুলশান অবস্থিত ‘স্মার্ট বিউটি কেয়ার’ নামক একটি স্পার মালিক প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ করে দির্ঘদিন ধরেই অসামাজিক এবং নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছে।

আরো পড়ুন
https://www.facebook.com/profile.php?id=100050527901576

এমনকি প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশ প্রশাসনের অভিযান চালানোর সুযোগ হয়নি। গুলশান থানা পুলিশের একাধিক অবৈধ স্পার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বন্ধ করলেও কোন এক অপশক্তির কারনে ১৩১ নং রোডের `স্মার্ট বিউটি কেয়ার’ নামক প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানের মালিক সুমনা ওরফে (সুলতানা) পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে কিংবা নাম প্রকাশ্যে অনিছুক এক ক্ষমতাশালী ব্যক্তির মাধ্যমে ম্যানেজ করে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছে। সে ব্যাক্তিকে তার জিম্মি রেখে এধরনের অপকর্ম করছে।

তবে সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন পূর্বে এক সাংবাদিককে তার পরিচয় দিয়ে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়েছে, যাহা ভয়েজ রেকর্ট প্রমানিত। সেই ব্যক্তির পরিচয় আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে আসছে। এছাড়া রাজনৈতিক, গণমাধ্যমকর্মী ও প্রসাশনিক উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ক্ষমতার দাপটে চলছেন সুমনা ওরেফে (সুলতানা)। এধরনের অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে অনেককে হয়রানীর শিকার হতে হয় তার নিকট।

আরো পড়ুন
https://twitter.com/CrimeexpressNet

এবিষয়ে সুমনা ওরফে (সুলতানা) কে সংবাদকর্মীরা বলেন, আপনার কিসের ব্যবসা বা আপনার ব্যবসাটা কি? প্রশ্নের জবাবে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সংবাদকর্মীকে বলেন, আপনি কিসের সংবাদিক, আপনার সার্টিফিকেট আছে কিনাসহ নানাভাবে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করেন।

আরো পড়ুন
https://www.linkedin.com/in/crime-express-aa9a401a8/

তিনি আরো বলেন, আমার সাথে লাগতে আসবেন না, পরিনাম ভাল হবে না। এতেই বোঝা যায় অবৈধ ব্যবসায়ী সুলতানা কতটুকু শিক্ষিত এবং কতটুকু মূর্খ। আবার তার বাড়ি কখনো গাজীপুর, কখোনো নরসিংদী। যদিও তার আসল বাড়ি সিলেট জিন্দাবাজার অঞ্চলে। আবার নাকি পাপিয়ার মত সিন্ডিকেট তৈরি করে অবৈধ টাকা উপার্জন করছেন?

আরো পড়ুন
https://www.youtube.com/watch?v=ztPa6vkM-yY

তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, সুমনা ওরফে সুলতানা বিভিন্ন অবৈধ স্পা প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন । হঠাৎ এক বয়স্ক খদ্দেরের সাথে তার পরিচয় হয় যিনি ক্ষমতাশালী ব্যক্তি। শুধু তাই নয় সব সাংবাদিক, পুলিশ কিংবা, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সকল তথ্য নাকি তার জানা থাকে। আবার তার কথামত কেউ রাজি না থাকলে নিজেকে যৌনউল্লাস দিয়ে হাত করে নেন। এক কথায় বলা চলে এটি একটি কৌশল। এমনকি তার নিয়ন্ত্রিত মেয়েদের দ্বারা অনেকেও ব্ল্যাক মেইল বাণিজ্যও করে থাকেন।

এবিষয়ে গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসান বলেন, আমরা এধরনের অসাধু ব্যবসায়ী কিংবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছি এবং অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছি। তবে এদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। তবে আইনের উর্দ্ধে কেউ নয়। অবৈধ সকল ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনা হবে।

আরো পড়ুন
পা পিছলে নদীতে পড়ে এসআই’র মৃত্যু

শেয়ার করুন

আরো খবর