রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বাক্ষর জাল করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ!

ক্রাইম এক্সপ্রেস ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২০
  • ১০২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মেম্বারদের স্বাক্ষর জাল করে অনিয়মের লিখিত অভিযোগ আনা হয়েছে। চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম এমন দাবি করেছেন।

ক্ষুব্ধ কজন মেম্বারদের এমন কাজে ক্ষোভ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম।

সম্প্রতি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সৃষ্ট দুর্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদানের তালিকায় অনিয়ম তুলে ধরে অভিযোগ করেছিলেন ওয়ার্ড সদস্যরা।

এ নিয়ে ৯টি ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য ও ৩টি ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে শনিবার (৯ মে) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে দাবি চেয়ারম্যানের।

জানা যায়, সম্প্রতি করোনাভাইরাসের সৃষ্ট দুর্যোগে অসহায় ও দুস্থদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বিশেষ মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তালিকা চাওয়া হলে ইউপি চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে তালিকা প্রস্তুত করেন। প্রত্যেক সদস্যের নিকট হতে ৫০ জনের নামের তালিকা চান তিনি। কিন্তু চাহিদার তুলনায় বেশি বরাদ্দ চান সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্যরা।

এ নিয়ে চেয়ারম্যানের প্রতি ওয়ার্ড সদস্যদের ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

এ বিষয়ে ১নং ওয়ার্ড সদস্য মমরেজ আলী জানান, সংরক্ষিতসহ ৭জন সদস্য মিলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তবে অন্যান্য সদস্যদের স্বাক্ষরের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, তারা হয়তো এখন অস্বীকার করেছেন।

কানসাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। কয়েকজন সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য আমাকে তালিকা দিয়েছেন এবং তাদের তালিকা অনুযায়ী মানবিক সহায়তা কার্ডের তালিকা প্রস্তুত দিয়েছি।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে কথা হলে তারা জানায় যে, কোন ধরণের লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করেননি। পূর্বে কোন সালিশ বৈঠকের স্বাক্ষর অভিযোগপত্রে সংযুক্ত করেছেন কেউ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিমুল আকতারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার বাবুল আকতার জানান, প্রাথমিকভাবে তদন্তে জানা যায়, মেম্বাররা ৪০টি করে তালিকার কার্ড চেয়েছিল। আর চেয়ারম্যান ২৫ জনের কার্ড দেওয়ার কথা বলেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

আরো খবর