বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

ঝুঁকির মধ্যে ভোলা ২০ হাজার বাসিন্দা

ক্রাইম এক্সপ্রেস ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
  • ১১৫

এদিকে মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন কলাতলীরচর, ঢালচর ও চরশামসুদ্দিনের বাসিন্দারা রয়েছেন চরম ঝুঁকির মধ্যে। ওই সমস্ত বিচ্ছিন্ন চরে বসবাস করেন ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ। সেখানে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নেই বলে চরম ঝুঁকির মধ্যে আছেন তারা।

তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চরের বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউএনও বিপুল চন্দ্র দাস।

এ উপজেলার মূল-ভূখণ্ডের স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাইমারি ও মাধ্যমিক স্কুল ভবন, রেডক্রিসেন্ট ও কারিতাসের আশ্রয়কেন্দ্র, উপজেলার পরিষদের বিভিন্ন ভবনসহ ৭৪ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস।

এদিকে উপজেলার সিপিপির ৮২৫ স্বেচ্ছাসেবী কর্মী স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে ও দুর্যোগ পরবর্তী সহযোগিতায় জন্য প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা সিপিপি’র টিম লিডার এরফান উল্লা চৌধুরী অনি।

এছাড়াও সিপিপি’র পক্ষ থেকে উপজেলার সর্বত্র বাসিন্দাদের সর্তক অবস্থানে থাকতে মাইকিং করা হচ্ছে। তবে উপজেলার সর্বত্র রৌদ্রজ্জল আবহাওয়া। মেঘনার পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল চন্দ্র দাস জানান, উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিং করা হয়েছে। চরের বসবাসরত মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে ব্যবস্থা নেওযা হচ্ছে। উপজেলা কন্ট্রোলরুম খোলাসহ ৭৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও শুকনো খাবার মজুদ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভোলার বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপ উপজেলাটি তিনদিকে মেঘনা ও একদিকে বঙ্গোপসাগর বেস্টিত থাকায় যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এই দ্বীপটির উপর আঘাত হানে, ক্ষয়ক্ষতি হয় বেশি।

 

শেয়ার করুন

আরো খবর