মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০২:১৭ অপরাহ্ন

অরক্ষিত লেভেলক্রসিং, ঝরছে তাজা প্রাণ

নীলফামারী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৬৮
অরক্ষিত লেভেলক্রসিং, ঝরছে তাজা প্রাণ

একটি জীবন শুধু একজন মানুষের একক জীবন নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অনেক মানুষের জীবন। একটি জীবন বিচ্ছিন্ন হলে তখন অন্য জীবনেও নেমে আসে যন্ত্রণা।

একটি দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরও একটি দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। অরক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে ছোট একটি সতর্কীকরণ নোটিশ টাঙিয়ে কর্তৃপক্ষ দায় সারে। কিন্তু একবারও ভাবে না এটি ক্রসিং নামের মৃত্যুফাঁদ।

নীলফামারী জেলার ৬৩ কিলোমিটার রেলপথে ৩৩টি লেভেলক্রসিং থাকলেও এখানে গেটম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মাত্র ২১টিতে। বাকি ১২টি অরক্ষিত ও তিনটি অবৈধ ক্রসিং। ফলে নীলফামারী জেলায় একের পর এক বাড়ছে এ অসহনীয় মৃত্যুর মিছিল।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন উত্তরা ইপিজেডের সনিক কারখানার শ্রমিক রওশন আরা (৩৪) জানান, বাড়ি থেকে সাড়ে ৬টাই বের হই। আমরা যে অটোতে যাচ্ছিলাম অটোওয়ালা ট্রেনের হুইসেল শুনতে পারেনি সে কারণে এই ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্টরা এসব মৃত্যুর জন্য প্রায় ১০টির মতো কারণ চিহ্নিত করেছেন। এর মধ্যে অরক্ষিত ক্রসিং, অসতর্কতা, বাঁকা পথের কারণে ট্রেন দেখতে না পাওয়া, রেললাইন ধরে অন্যমনস্ক হয়ে হাঁটা, লাইনের দুপাশে দোকান-বাজার বা অবৈধ স্থাপনা, সিগন্যালে দায়িত্বরত লোক না থাকা অন্যতম।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ক্রসিংয়ের উন্নয়নে প্রকল্প হাতে নেয় ২০০৯ সালে। কিন্তু প্রকল্পটি অনুমোদন পেতে সময় লেগে যায় প্রায় ছয় বছর। অবশেষে প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও তেমন অগ্রগতি হয়নি।

আরও পড়ুন : বঙ্গবন্ধুর সফর স্মরণ করতে স্মারক বই প্রকাশ করবে

শেয়ার করুন

আরো খবর