শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০২:১২ পূর্বাহ্ন

তেল-পেঁয়াজ-সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪২
ছবি - সংগৃহীত

বাজারে তেল, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে সবজি, মুরগি সবকিছুর দামই ঊর্ধ্বমুখী। গত এক মাস ধরেই দফায় দফায় বাড়ছে ব্রয়লার ও কক জাতের সোনালি মুরগির দাম। এই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে পেঁয়াজ। তেলের দামও চড়া। অপরদিকে, ৪০ টাকার কেজির নিচে কোনো ধরনের সবজিই নেই। সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে মোটা চালের দাম বাড়ার কথাও জানিয়েছে।

এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষ। তারা বাজারের তালিকা বারবার কাটছাঁট করেও সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মালিবাগ, শান্তিনগর ও কাওরান বাজারে খোঁজ নিয়ে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার এ তথ্য পাওয়া যায়। গত এক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে পেঁয়াজ ও ব্রয়লার মুরগির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজে মানভেদে ২৫ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। গতকাল বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। অথচ গত সপ্তাহে তা যথাক্রমে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা ও ৪০ থেকে ৪৮ টাকায় বিক্রি হয়। কিন্তু হঠাত্ করেই পেঁয়াজের দাম বাড়ছে কেন?

এ প্রসঙ্গে হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ ইত্তেফাককে জানান, ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে অতিবৃষ্টির ফলে পেঁয়াজের উত্পাদন কম হয়েছে। সে কারণে ভারতের ব্যবসায়ীরা বুকিং রেট বাড়িয়েছে। আর যেসব পেঁয়াজ ভারত রপ্তানি করছে সেগুলো অপরিপক্ক হওয়ায় রাস্তায় বেশির ভাগ পঁচে যাচ্ছে। এছাড়া সামনেই দুর্গাপূজা। তখন ছুটির সময় ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ রাস্তায় আটকে যেতে পারে। এ কারণে লোকসানের আশঙ্কায় আমরা আমদানি কম করছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পূজা শেষে পেঁয়াজের দাম আবার কমে আসবে বলে আশা করছি।

ব্রয়লার মুরগি :নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে মাংস বলতে যে ব্রয়লার মুরগি তার দাম গত এক মাস ধরেই চড়া। টিসিবির হিসেবে, গত এক মাসে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ৩২ শতাংশের বেশি। গতকাল বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয় ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। আর গত বছর এই সময় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১১৫ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে। কক জাতের সোনালি মুরগিরও এক মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। মুরগির পাশাপাশি ডিমের দামও বাড়তি। গতকাল বাজারে প্রতি হালি লাল ডিম বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৩৭ টাকায়। যা একমাস আগেও ছিল ৩৩ থেকে ৩৫ টাকা।

আরও পড়ুন: অসম ভ্যাকসিন সরবরাহ অনৈতিক ও অন্যায্য: জাতিসংঘ

শেয়ার করুন

আরো খবর