সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন

পণ্য রপ্তানিতে বেশি প্লেনভাড়া বাংলাদেশে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫০
পণ্য রপ্তানিতে বেশি প্লেনভাড়া বাংলাদেশে
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ থেকে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে। সড়কে যাওয়া পণ্যগুলোর গন্তব্য কম দূরত্বের দেশগুলো। প্লেন বা উড়োজাহাজে বেশি যাচ্ছে পচনশীল পণ্য। কিন্তু রপ্তানির সবচেয়ে বড় কারবার হচ্ছে জাহাজের মাধ্যমে। বিশ্বের প্রায় ১৪০টি দেশে পণ্য যাচ্ছে নৌপথে। বর্তমানে এ তিন পথেরই বড় সমস্যা বাড়তি ভাড়া। পাশাপাশি অন্য সমস্যাও রয়েছে। সেসব সমস্যার বিষয়ে জাগো নিউজের তিন পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকছে প্রথম পর্ব।

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পণ্য পরিবহনে সবচেয়ে বেশি খরচ হয় আকাশপথে। তারপরও সবচেয়ে দ্রুততম পথ হওয়ায় প্লেনে যায় বেশিরভাগ পচনশীল পণ্য। এছাড়া যায় গার্মেন্টস পণ্যও। কিন্তু বাংলাদেশের তুলনায় পার্শ্ববর্তী দেশের প্লেনভাড়া কম। এ কারণে ভারত ও পাকিস্তানের রপ্তানিকারকরা কম খরচে পণ্য পৌঁছাতে পারেন বিদেশে। অন্যদিকে পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় প্রতিযোগীদের সঙ্গে পেরে উঠছেন না বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। ফলে চড়া দামের কারণে ক্রেতা হারাচ্ছেন তারা।

বাংলাদেশ থেকে পণ্য পরিবহনকারী প্লেনের আরেক বড় গন্তব্য মধ্যপ্রাচ্য। সেখানেও প্লেনভাড়ায় উল্লেখযোগ্য তারতম্য রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে কেজিপ্রতি পণ্যের প্লেনভাড়া গড়ে দেড় ডলার, যা পাকিস্তান থেকে মাত্র দশমিক ৪০ ডলার। অবশ্য একই গন্তব্যে ভারত থেকে কেজিপ্রতি পণ্যের প্লেনভাড়া ১ দশমিক ৮২ থেকে ১ দশমিক ৯১ ডলার পর্যন্ত।

সংগঠনটির তথ্য মতে, করোনা-পূর্ববর্তী সময়ে (২০১৯ সাল) ইউরোপে কেজিপ্রতি ২ দশমিক ২ থেকে ২ দশমিক ৩ ডলারে পণ্য পরিবহন করা যেত, যা এখন ৩ দশমিক ৬ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। আবার মধ্যপ্রাচ্যে প্রতি কেজি পণ্য ১ দশমিক ১৫ ডলারে পাঠানো যেতো, যা উঠেছে গড়ে দেড় ডলারে।

এ বিষয়ে কৃষিপণ্য রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিএফভিএপিইএর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনসুর জাগো নিউকে বলেন, নানা কারণে আমাদের রপ্তানিখাত বারবার হোঁচট খাচ্ছে। আগে থেকে পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় আমাদের পণ্য পরিবহন খরচ বেশি ছিল। এরপর আবার এখন করোনা-পরবর্তী সময়ে ভাড়া বেড়েছে।

আরো পড়ুন: কার্যালয়ে ঢুকে কাউন্সিলরকে গুলি

শেয়ার করুন

আরো খবর