মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০১:০৬ অপরাহ্ন

গ্রেফতার হচ্ছে না দেহব্যবসায়ী পরীমনি, সিন্ডিকেটে কারা?

রিপন রুদ্র:
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১
  • ২৫২
গ্রেফতার হচ্ছে না দেহব্যবসায়ী পরিমনী,সিন্ডিকেটে কারা?
ছবি: পরীমনি

বাংলা চলচিত্রের নায়িকা পরীমনির আলোচনা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলেও এত অপরাধের পরও কেন তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না এনিয়ে নানা গুঞ্জন। কেবল মাত্র গুটি কয়েক ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে হয়েছেন কোটিপতি। কিন্তু বাংলাদেশের বিউটি কুইন অপু বিশ্বাস তিনি প্রায় ১শত ছবিতে অভিনয় করে কাটাতে পারেননি তারমতো বিলাসিতা জীবন। এমনো না যে, পরিমনী কোন ভাল পরিবারের মেয়ে। এক কথায় বলা চলে ফকিন্নি থেকে উঠে আসা এই নায়িকা। গ্রামের বাড়িতেও তার রেকর্ড ভাল না।

আরো পড়ুন
ইরানের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ইব্রাহিম রাইসি

আমাদের কিছু মিডিয়ার গনমাধ্যকর্মীরা একান্ড চালিয়েছে মাত্র। কারন তাদের স্বার্থ হাসিল করাটাই একমাত্র পথ ছিল। তানাহলে তার অপকর্মগুলো অনুসন্ধান না করে পরীমনির দালালী করত না। পরিমনির সেদিনের সংবাদ সম্মেলনটা ছিল একটি অভিনয়। সে এমনকি যে তার পক্ষে মিডিয়ার দালালী করতে হবে। তার নিজের চাহিদামত দিতে না পারায় নাসিরসহ তিন জনের বিরুদ্ধে এটা ষরযন্ত্র করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নাসিরের এক আত্মীয়।

আরো পড়ুন
কুষ্টিয়া পৌর এলাকায় বিধিনিষেধ বাড়ল আরও এক সপ্তাহ

অথচ পরিমনির অভিযোগ ধর্ষন ও হত্যা চেষ্টা। যদি পরীমনি ধর্ষন হয়ে থাকে তাহলে তাকে ডিএনএ টেষ্ট কেন করা হয়নি। তাকে ডিএনএ টেষ্ট করালে তার চরিত্র সম্পর্কে আরো তথ্য বেড়িয়ে আসত। অথচ পুলিশ নাসিরকে মাদকদ্রব্য আইনে গ্রেফতার করেছেন। একজন ভাল পরিবারের মেয়ে বা কোনো অভিনেত্রী এত রাত করে ক্লাবে যেতে পারে না। অথচ তার বনানীর নিজ বাসায় চলত মাদকের নিয়মিত আড্ডা ও কোন শিল্পপতি বা ক্ষমতালীর ব্যক্তির বেড পার্টনার। আবার কোন বৃত্তবানকে ভাগিয়ে মাঝে মধ্যে বিদেশ পারি দিতেন এবং থাকতেন মাসের পর মাস। হয়ত বড় কোন সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত বলে আজ এত টাকার মালিক। নেই কোন শিক্ষ্যাগত যোগ্যতাও। নিজের রুপ যৌবন বিক্রি করে বর্তমানে এতটাকার মালিক হওয়াটাও কঠিন ব্যপার। তাহলে তার পিছনে কে বা কাহারা রয়েছেন সেটিও ক্ষতিয়ে দেখার ব্যাপার। কারন গুলশান থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হওয়ার পরেও কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না। তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে হয়ত তার দেহ ব্যবসা থেকে শুরু করে অবৈধ উপার্জনের বিষয়টি বেড়িয়ে আসবে। তিনি  সাড়ে তিন কোটি টাকার গাড়ী কিনেছেন, হেলিকাপ্টার যোগে ডুবাই ভ্রমন করেছেন এবং থেকেছেন নামী দামী পাঁচতারকা হোটেলেও । তাহলে এত টাকা তিনি পেলেন কোথায়? পরিমনির টার্গেটেই ছিল সমাজের বৃত্তবান পুরুষরা। শুধু দেশে নয় দেশের বাইরেও।

আরো পড়ুন
আদালতে নেয়া হয়েছে ত্ব-হাকে

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মহিলা চলচিত্র পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী, মেকাপম্যান জিমি এবিষয়ে অনেকটাই সহযোগীতা করতেন। তবে চয়নিকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনেক মেয়ের জীবন নষ্টের অভিযোগ রয়েছে। তিনি পরীমনির প্রতিটি সাক্ষাতের সময় পাশেই ছিলেন। সেটি ভিডিও ফুটেজে উঠে আসে। তবে পরীমনির অপরাধের যোগসাজসে পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী অনেকটাই সহযোগীতা করেছেন। তিনি মেয়েদের নায়িকা বানানো নামে নামিয়ে দিতেন দেহ ব্যবসা ও নানা অপকর্মে এবং সুন্দরী মেয়েদের সংগ্রহ করে তাদের দিয়ে প্রডিউসারকে প্রলোভন দেখিয়ে ফ্লিম বানানোসহ হাতিয়ে নিতেন কাড়ি কাড়ি টাকা।

আরো পড়ুন
সাইবেরিয়ায় বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৭
https://www.youtube.com/watch?v=koxSCBheIjc

শেয়ার করুন

আরো খবর