শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার, অভিযোগ ও অপরাধী

ক্রাইম এক্সপ্রেস ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২
  • ৩৪
তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার, অভিযোগ ও অপরাধী

বর্তমান বিশ্ব তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উপর নির্ভর। মানুষকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ অনেক ধাপ এগিয়ে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ক্ষেত্রে সাইবার সিকিউরিটি ও ক্রাইম ডিভিশনের প্রতিটি পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবী রাখে। একাধিক থানায় এবং সাইবার সিকিউরিটি ও ক্রাইম ডিভিশনে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে পাওয়া তথ্য অনুসারে মোঃ তাফছির আহমদ খাঁন নামক এক ব্যক্তি তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। ইতিমধ্যে প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ০৮/০৪/২০১৯ ইং তারিখ রমনা থানায় তার বিরুদ্ধে দুই ভুক্তভোগী সাধারণ ডায়েরি করেন, যার নম্বর ৪৭২, এবং ৪৭৩। ও গুলশান থানায় গত ২২/০৬/ ১৯ ইং তারিখে আরেক ভুক্তভোগী অভিযোগ দ্বায়ের করেন। যাহার নং—১৩৭১।

অপরদিকে ১২/১১/২০১৯ ইং তারিখ একজন করপোরেট ব্যাক্তিত্ব (নিরাপত্তার স্বার্থে নাম ব্যবহার করা হয়নি) রমনা থানায় তাফছির আহমদ ও তার সহধর্মিনী নাছরিন সুলতানা ওরফে নওরিন আহমেদ এর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করেন, যার নম্বর ৭৬১। এরকম একাধিক অভিযোগের পরও কেন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না তা নিয়ে সংসয় সাধারন জনগন। এছাড়া সাধারন মানুষকে বিভিণ্ণ সোসাল মিডিয়া ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইলের পায়তার চালিয়ে আসছেন বহুদিন ধরে।

অভিযোগের ধারাবাহিকতায় মোঃ তাফছির আহমদ খাঁন এর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সাইবার ট্রাইব্যুনাল, ঢাকাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২৩/২৪/২৫/২৬/৩৪ ধারায় মামলা চলমান, যার নম্বর ২৯৬/২০১৯। এছাড়াও আরও তিনজন করপোরেট কর্মকর্তা (দুইজন মহিলা ও একজন পুরুষ) আছেন, যারা লোকলজ্জায় কোন অভিযোগ না করে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত আছেন।
প্রাপ্ত তথ্যসমূহ যাচাই করতে গিয়ে জানা যায়, প্রতারক মোঃ তাফছির আহমদ খাঁন (জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বরঃ ১৯৯৫৪১১৪৭২৯০০০০০৭) ভিন্ন দুই প্রতিষ্ঠানের নাম ডিজিটাল ভাস্ট (ট্রেড লাইসেন্স নম্বরঃ ০৩—০৮৯৪৯০) ও স্পার্ক ভাস্ট (ট্রেড লাইসেন্স নম্বরঃ ০১৪৭৪০৩) নামক দুইটি ট্রেড লাইসেন্সের মাধ্যমে ব্যবসা করে। ট্রেড লাইসেন্সে বর্ণিত ব্যবসার ধরন অনুযায়ী তার ব্যবসা হলো আই টি ব্যবসা। তার এসব অপরাধের বিশ্বস্ত সাথী তার সহধর্মীনি নাছরিন সুলতানা ওরফে নওরিন।

সম্প্রত্তি,উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি আই টি ব্যবসার পরিচয় দিয়ে প্রথমে করপোরেট প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কাজ নেন, যেমন— ওয়েবসাইট তৈরি, সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপন, ইত্যাদি। কাজের স্বার্থে দায়িত্বপ্রাপ্ত করপোরেট ব্যাক্তিত্বদের সাথে ফেসবুক, ইমেইলে সখ্যতা গড়ে তুলে ষ পরবর্তীতে শুরু হয় তার ফেসবুক আই ডি হ্যাক করার আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। কখনো হ্যাক করতে সফল হয়, আবার কখনো হয়না। তার টার্গেটকৃত ব্যাক্তির নাম ব্যবহার করে ভুয়া ফেসবুক আই ডি খুলে আবার কখনও ভুয়া নামে—বেনামে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে থাকেন।

আরো পড়ুন : করোনায় আক্রান্ত শিক্ষামন্ত্রী

 

শেয়ার করুন

আরো খবর