বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:১৮ অপরাহ্ন

মেসেজ পেলেই খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে যাচ্ছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৮ মে, ২০২০
  • ২৩৬

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে কর্মহীন, অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারগুলো খাদ্য সমস্যার মধ্যে পড়েছে। তাদের পাশে সরকার ও ব্যক্তিগতভাবে অনেক মানুষ দাঁড়িয়েছে। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সাংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমপি। প্রতিনিয়ত তার নির্বাচনী এলাকা কসবায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ চলছে। মন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণসহ নানান উদ্যোগ নিচ্ছেন মন্ত্রীর সাবেক এপিএস ও কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাউসার ভূঁইয়া জীবন।

অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাউসার ভূঁইয়া জীবন জানান, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আইনমন্ত্রীর নির্দেশনায় কন্ট্রোল রুম করেছি। কন্ট্রোল রুম থেকে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। মন্ত্রী মহোদয়সহ আমাকে অনেকেই মুঠোফোনে মেসেজ দিচ্ছেন ত্রাণের জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে। মন্ত্রী মহোদয় সেই মেসেজ আমাকে ফরওয়ার্ড করে পাঠিয়ে দেন। বিশেষ করে আমাদের সমাজে এমন অনেক পরিবার আছেন যারা সরকারি ত্রাণ পান না, লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রাণ আনতে পারেন না, তারা ম্যাসেজ দিলে রাত অথবা দিন যখনই হোক খাবার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যতদিন করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থাকবে মন্ত্রী মহোদয়ের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রতিটি প্যাকেটে ১৬ কেজি করে খাবার সামগ্রী রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর আইনমন্ত্রীর নির্দেশে কসবা উপজেলার ৩৪ টি গ্রামে গিয়ে করোনা প্রতিরোধ কমিটি ও ত্রাণ কমিটি গঠন করেছি। সার্বক্ষণিক এই বিষয়ে সকলের সাথে যোগাযোগ করছি।’

কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান আরো বলেন, ‘গত ২৩ এপ্রিল কসবায় প্রথম আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমপির ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে কর্মহীন ও অসহায় মানুষকে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেন। এরপর থেকে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে তাদের মাধ্যমে এই ত্রাণ বিতরণ চলমান আছে। গত পহেলা মে পর্যন্ত কসবার ৩৯ হাজার ৬০৫ পরিবারের মাঝে দুই কোটি ৮০লক্ষ ৬১ হাজার ৯ শত টাকার ত্রাণ আইনমন্ত্রী ও দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। বর্তমানে এই সংখ্যা ৩ কোটি টাকার অনেক ওপরে হয়েছে। এরমধ্যে হরিজন, হিজড়া, সাঁওতাল ও গুচ্ছগ্রামকে আমরা হটস্পট হিসেবে নিয়েছি। এগুলোতে ত্রাণ বেশি দেওয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি খেটে খাওয়া কর্মহীন শ্রমিকদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছি।’

চেয়ারম্যান বলেন, ‘স্থানীয় হরিজন ও হিজড়ারা ত্রাণের জন্য ছুটাছুটি করছিল। এর মধ্যে অনেকেই ভোটার হয়নি। তাই তারা কোন জায়গা থেকে ত্রাণ পাচ্ছিল না। পরে আমি তাদের ত্রাণের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আসন্ন ঈদ উপলক্ষে আইনমন্ত্রী কসবায় ৪১ লক্ষ টাকার ১০ হাজার শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ করেছেন। এছাড়া দলের পক্ষ থেকে নেতা-কর্মীরা ঈদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ ইতিমধ্যে হাতে নিয়েছেন।’

অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাউসার ভূঁইয়া জীবন বলেন, ‘মন্ত্রীর এপিএস থাকাকালীন সময় থেকে অদ্যাবধি সচ্ছলতার সাথে কাজ করার চেষ্টা করেছি। উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে আমি শপথ করেছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স দেখাব।

শেয়ার করুন

আরো খবর