বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন

সাতক্ষীরায় আশ্রয়কেন্দ্রে আসছে মানুষ

ক্রাইম এক্সপ্রেস ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
  • ২৪০

সাতক্ষীরার উপকূলবর্তী শ্যামনগর উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতের ঝুঁকিতে থাকা মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে। সোমবার (১৮ মে) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ১ হাজার ৫০১ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন।

উপজেলায় ঝুঁকিতে থাকা বাকি মানুষকে মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যার মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ ন ম আবুজর গিফারী। তিনি জানান, উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার লোককে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার চেষ্টা চলছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলা সমুদ্র উপকূলবর্তী হওয়ায় প্রথমে সেখান থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে মাস্ক ও সাবানের ব্যবস্থা আছে এবং আইসোলেশন রুমেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, গাবুরা, বুড়িগোয়ালিনী, পদ্মপুকুর ইউনিয়নের ৩৭ পয়েন্টের বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ, যে কোনো মুহূর্তে তা ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়ে যেতে পারে।

এদিকে, সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা, ঘূর্ণিঝড় আঘাতের পর উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ পরিচালনা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) রাত সাড়ে ৯টায় শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর ১৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের কনফারেন্স রুমে সভা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল।

সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নীলডুমুর ১৭ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবির) অধিনায়ক মো. আসাদুজ্জামান, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদুর রহমান, শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলন প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক জানান, জেলায় মোট আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ২৭২টি। সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ৩৩৩টি, শ্যামনগর উপজেলায় ৩০৩টি, কালীগঞ্জ উপজেলায় ১১৬টি, আশাশুনী উপজেলায় ১০৬টি, দেবহাটা উপজেলায় ১০৪টি, তালায উপজেলায় ৯২টি ও কলারোয়া উপজেলায় ২১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, এ সব আশ্রয়কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ৫ লাখ ২২ হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন

আরো খবর