মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ১২:২৭ অপরাহ্ন

অর্থপাচারকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে

ক্রাইম এক্সপ্রেস ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১
  • ৭২
প্রতীকী ছবি

গত বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশটির ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশিদের ৫ হাজার ২৯১ কোটি টাকা জমা রয়েছে। ২০২০ সালের হিসাব অনুযায়ী সুইস ব্যাংকে জমা অর্থের পরিমাণ ৫৬ কোটি ২৯ লাখ ফ্র্যাংক, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫ হাজার ২৯১ কোটি টাকা। (প্রতি সুইস ফ্র্যাংক ৯৪ টাকা হিসাবে)। আগের বছরের চেয়ে এই আমানত ৩৭৭ কোটি টাকা কমেছে। অর্থাৎ ২০১৯ সালে ছিল ৫ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন সিংহভাগই দেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া টাকা। টাকা পাচারের অন্যতম মাধ্যমগুলো হচ্ছে ব্যাংকিং খাত, শেয়ারবাজার ও বৈদেশিক বাণিজ্য। তবে এর মধ্যে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পণ্য আমদানির নামে তা বিদেশে পাচার করে দেওয়ার ঘটনাই বেশি ঘটছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমাকৃত টাকার অধিকাংশই দুর্নীতির মাধ্যমে আহরিত। এ ছাড়া দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ না থাকা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণেও অর্থপাচার বাড়ছে।

আরো পড়ুন
কুষ্টিয়া পৌর এলাকায় বিধিনিষেধ বাড়ল আরও এক সপ্তাহ

দেশ থেকে বিদেশে কোনো অর্থ নিতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন লাগে। কিন্তু এ পর্যন্ত কাউকে ব্যাংক থেকে এই ধরনের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তার পরও বাংলাদেশ মালয়েশিয়ায় কীভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী দেশ হলো। কানাডায় রয়েছে বাংলাদেশি অধ্যুষিত অঞ্চল বেগমপাড়া। এ ছাড়া ব্রিটেন, হংকং, সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন ব্যাংকেও বাংলাদেশিদের অর্থ রয়েছে। সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে (সুইস ব্যাংক) গচ্ছিত রাখা অবৈধ অর্থ ফেরানো কষ্টসাধ্য হলেও সম্ভব বলে মনে করেন দেশের অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সরকার উদ্যোগ নিলে সহজেই এই অর্থের মালিকদের তথ্য জানা সম্ভব।

আরো পড়ুন
শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে: ন্যাপ
https://twitter.com/CrimeexpressNet

শেয়ার করুন

আরো খবর