রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৬:১০ অপরাহ্ন

বনানীতে গোপালগঞ্জের নাম ভাঙ্গিয়ে পায়েলের স্পা বাণিজ্যর খুটির জোর কোথায়?

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫৬
বনানীতে গোপালগঞ্জের নাম ভাঙ্গিয়ে পায়েলের স্পা বাণিজ্যর খুটির জোঁড় কোথায়?
ছবি: ক্রাইম এক্সপ্রেস

বনানীর আবাসিক এলাকাগুলোতে গড়ে উঠছে অবৈধ স্পা বাণিজ্য। যাহার নেই কোন অনুমোদন বা সাইনবোর্ড। তবে সিটি কর্পোরেশনের কাছ থেকে বিউটি পার্লার বা সেলুনের ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে চলছে স্পার নামে অসামাজিক কর্মকান্ডসহ নানা অপকর্ম। এসব প্রতিষ্ঠানের খদ্দের পূর্বের থেকেই দালাল চক্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করে থাকে এরা। প্রতিষ্ঠানের সোস্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত কাষ্টমার মেয়েদের ছবি ও বর্ণনা দিয়ে অসাধু কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এমনটাই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তেমনি তথ্য মিলে, বনানীর ৪নং রোডের ৩নং বাড়ীটির (২য় তলায়) একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে অতি লোভের আশায় বা নিজের চাহিদা মেটানোর জন্য একাধিক সুন্দরী রমনীদের নিয়ে স্পার নামে গড়ে তুলেছেন একটি মিনি পতিতালয়। যার খদ্দের অনেক উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশাজিবি পুরুষ। শুধু তাই নয় গোপালগঞ্জের এবং কিছু উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ক্ষমতার দাপটে চালিয়ে আসছেন প্রতিষ্ঠানটি। তবে সিটি কপোর্রেশনের এক কর্মকর্তা বলেন, কোন আবাসিক এলাকায় স্পা, গেষ্ট হাউজ কিংবা হোটেল অবৈধ। তাছাড়া অনৈতিক কর্মকান্ড প্রশ্নই উঠে না। আমরা মাঝে মধ্যে এদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করি এবং প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ রাখার জন্য বলা হয়। কিন্তু একটি অসাধু সিন্ডিকেট ম্যানেজ করে পুনরায় চালু করে থাকে। তাছাড়া এটি পুলিশ প্রসাশনের একটি বড় অংশ। তারা যদি সমাজ রক্ষার্থে ভূমিকা না রাখে তাহলে এসব প্রতিষ্ঠান হতে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। পরিচয় গোপন করে সেবা গ্রহীতা সেজে কথা হয় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার এরশাদ মোল্লার সাথে। তবে তাকে ম্যানেজার ও দালাল চক্রের হোতা হিসাবেও বলা যায়। তিনি প্রতিষ্ঠানে দ্বায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তি। কিন্তু কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে মুখ খুলতে রাজি হননি তারা। তিনি বলেন, আপনি কিধরনের সার্ভিস নিতে চান এবং কখন আসবেন। কি নামে বুকিং দিব। এদিকে পুলিশ নিরাপত্তার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের কর্নধার সবাইকে ম্যানেজ করেই ব্যবসা করে থাকেন। এখানে ঝামেলা হওয়ার কারন নেই। আপনি নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চত হতে পারেন।

অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের মালিক পায়েলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ওসি সাহেব আমার এলাকার এবং একটি সু—সম্পর্ক ও আমার আস্থাভাজন একজন ব্যক্তি। তিনি সংবাদকর্মীকে বলেন, আপনাদের ক্ষমতা এখন আর নেই। পারলে কিছু কইরেন। এমন কি আমার ছবি দিয়ে প্রতিবেদন করে টাঙ্গিয়ে দেন। এসব প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করলেই চোঁখে পরে বিভিন্ন অঙ্গি ভঙ্গিমার উঠতি বয়সের নারী। মনে হয় জলসা ঘর। যাহা চমকে ওঠার মতো বিষয়। ওয়েস্টার্ন পোশাক পরিহিত বিভিন্ন বয়সের নারীরা। কেউ মদ্যপান করছেন ছেলেদের সঙ্গে। আবার কেউ সিগারেট টানছেন এবং ১৫—২০ মিনিট পরপর বন্ধ দরজা খুলে বের হচ্ছেন তরুণ—তরুণীরা। এর আগে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ব্ল্যাকমেইলের ঘটনাও রয়েছে। হয়ত কেউ সম্মানের ভয়ে মুখ খুলতে রাজি নন, এদের অনেকেই রয়েছেন যারা সমাজেরই গণ্যমান্য ব্যক্তি। এভাবেই নষ্ট হচ্ছে আমাদের যুব সমাজ। এমনকি বয়সভিত্তিক বিভিন্ন ক্যাটাগরি হিসেবে মেয়েদের দ্বারা ম্যাসেজ করানোর নামে চলছে অশ্লিলতা। বয়স ছাড়াও ম্যাসেজে পারদর্শী ও অপারদর্শীদের আলাদা ক্যাটাগরি রয়েছে সেখানে। ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া কম বয়সী মেয়েরাও আছে। যদি কেউ প্রশিক্ষিত মেয়েদের নিয়ে ম্যাসেজ করাতে চান তাহলে ঘণ্টাপ্রতি ৩৫০০ থেকে ৫০০০টাকা।
বিস্তারিত আরো আছে…

আরো পড়ুন:
তাইওয়ান-চীন একীভূতের ঘোষণা শি জিনপিংয়ের

শেয়ার করুন

আরো খবর