রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন

গুলশানে স্পা ব্যবসায়ী সুমনা ওরফে সুলতানার গোপন তথ্য!

রুমি ইয়াসমিন:
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৪ মে, ২০২১
  • ৯৬
ছবি: ক্রাইম এক্সপ্রেস

বর্তমান সরকারের সামাজিক বিধিনিষেধের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এমন কিছু চোঁখে পরে অসামাজিকতা। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কালো টাকা উপার্জনের দৌড়াত্ব্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। তেমনি অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে গুলশানে অবস্থিত ‘স্মার্ট বিউটি কেয়ার নামক একটি স্পা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের। প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ করে দির্ঘদিন ধরেই অসামাজিক এবং নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছে। এমনকি প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ রেখে পরিচালনা করায় পুলিশ প্রশাসনের অভিযান চালানোর সুযোগ হয়না। গুলশান থানা পুলিশের একাধিক অবৈধ স্পার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৩১ নং রোডের স্মার্ট বিউটি কেয়ার নামক প্রতিষ্ঠানটি কোন এক অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। পুলিশের অভিযানকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক সুমনা ওরফে সুলতানা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু তাতেও তিনি ব্যর্থ হন। পরে এক অপশক্তিকে ম্যানেজ করে প্রতিষ্ঠানটি চলমান রয়েছে এবং রাজনৈতিক, গণমাধ্যমকর্মী ও প্রসাশনিক উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ক্ষমতার দাপটে চলছেন সুমনা ওরেফে সুলতানা। এধরনের অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে অনেককে হয়রানীর শিকার হতে হয়।

এবিষয়ে সুমনা ওরফে সুলতানাকে সংবাদকর্মীরা বলেন, অপনার কিসের ব্যবসা বা আপনার ব্যবসাটা কি? প্রশ্নের জবাবে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সংবাদকর্মীকে বলেন, আপনি কিসের সংবাদিক, আপনার সার্টিফিকেট আছে কিনাসহ নানাভাবে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি আরো বলেন, আমার সাথে লাগতে আসবেন না, পরিনাম ভাল হবে না। আমার স্বামী হৃদয় মিডিয়াতে আছেন। তবে কোন মিডিয়াতে আছেন সেটি উল্লেখ করেননি তিনি। এখানেই স্পষ্ট বোঝা যায় অবৈধ ব্যবসায়ী সুলতানা কতটুকু শিক্ষিত এবং কতটুকু মূর্খ। আবার তার বাড়ি কখনো গাজীপুর, কখোনো নরসিংদী। যদিও তার আসল বাড়ি সিলেট অঞ্চলে। তাহলে তিনি কোথা থেকে এব্যবসায় আসছেন। নাকি পাপিয়ার মত সিন্ডিকেট তৈরি করে অবৈধ টাকা উপার্জন করছেন?

তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, সুমনা ওরফে সুলতানা এক সময় বাসা বাড়িতে দেহ ব্যবসা করতেন। এরপর বিভিন্ন স্পা প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন । এভাবে কয়েকটি ধাপ পার করে বয়স্ক এক ক্ষমতাশালীকে প্রলোভন দেখিয়ে মালিক হন স্পা প্রতিষ্ঠানের। যার মাধ্যমে সকল সুবিধা নিয়ে থাকেন সুলতানা। একপর্যায়ে হৃদয় নামের এক মিডিয়া ব্যক্তি তাকে বিয়ে করেন বলে তিনি পরিচয় দিয়ে থাকেন। তবে তার পিছনের আরো ক্ষমতার উৎস কে বা কাহারা সেটি নিয়ে অনুসন্ধান চলছে।

এবিষয়ে গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসান বলেন, আমরা এধরনের অসাধু ব্যবসায়ী কিংবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছি এবং আনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছি। তবে এদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। তাছাড়া আপনাদের কাছে কোন প্রতিষ্ঠানের খোজঁ খবর বা অসামাজিক কর্মকান্ড হচ্ছে কিনা সেটি সঠিক তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করুন। আইনের উর্দ্ধে কেউ নয়। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমি এধরনের প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্রয় কখোনো দেইনি আর দিবও না।

আরো বিস্তারিত আসছে…

আরো পড়ুন:

যৌন নির্যাতনের অভিযোগে সিলেটে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
রোজিনার জামিন পাওয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো আদালত সম্পূর্ণ স্বাধীন

শেয়ার করুন

আরো খবর