
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ২০২৬) অর্থ বিভাগের জারি করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র প্রণয়নের জন্য জনপ্রতি সম্মানী আগের মতো ৬ হাজার টাকা বহাল থাকবে। বিভাগীয় নির্বাচন বা পদোন্নতি কমিটির সদস্যরা প্রতি সভায় জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা এবং মৌখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষা বোর্ডের সদস্য ও বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন।
উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও আগের হার বহাল রাখা হয়েছে। পূর্ণ উত্তরপত্র পরীক্ষণের জন্য প্রতিটি খাতায় ১৩০ টাকা এবং অবজেকটিভ টাইপ উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য প্রতিটি খাতায় ৩৫ টাকা দেওয়া হবে। তবে নতুনভাবে উত্তরপত্র নিরীক্ষণের জন্য প্রতিটি খাতায় ১৫ টাকা সম্মানী নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরীক্ষা পরিচালনায় সরাসরি দায়িত্ব পালনকারী কর্মচারীদের সম্মানীর হার বাড়ানো হয়েছে। নতুন হার অনুযায়ী, ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব কর্মচারীরা প্রতিদিন ১ হাজার ৮০০ টাকা পাবেন, যা আগে ছিল ১ হাজার ২০০ টাকা। ১০ম থেকে ১৬তম গ্রেডের কর্মচারীদের সম্মানী ১ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ৮০০ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রতিটি খাতায় ৫০ টাকা, লিখিত পরীক্ষার ভেন্যুর প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা তার মনোনীত সমন্বয়কারীকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং লিখিত পরীক্ষাকেন্দ্রের পরিদর্শককে প্রতিদিন ১ হাজার ৮০০ টাকা সম্মানী আগের হারেই বহাল রাখা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় লিখিত পরীক্ষার আসনবিন্যাস বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি ৩ টাকা, উত্তরপত্র প্রস্তুত (কাগজসহ) বাবদ ১২ টাকা এবং প্রশ্নপত্র প্রস্তুত, কাগজ, ডুপ্লিকেটিং মেশিন ভাড়া (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও কালি বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি ৫ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে উত্তরপত্র প্রস্তুতের জন্য পরীক্ষার্থীপ্রতি ৬ টাকা বরাদ্দ ছিল।
এ ছাড়া নতুনভাবে ওএমআর টপশিট মুদ্রণ ও ক্রয়ের জন্য ইউনিটপ্রতি ২০ টাকা, লিথোগ্রাফিক কোডিং ও ডিকোডিংয়ের জন্য ইউনিটপ্রতি ৫ টাকা এবং প্রচলিত কোডিং–ডিকোডিংয়ের জন্য ইউনিটপ্রতি ৪ টাকা ব্যয়ের বিধান রাখা হয়েছে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা পরিচালনা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় আপ্যায়ন ব্যয় সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনা ও ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ–২০২৬’ অনুযায়ী বহন করতে হবে। প্রয়োজন হলে দুপুর বা রাতের খাবারের ব্যয় সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে দেওয়া যাবে এবং প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুইবার নাশতার ব্যয় নির্বাহ করা যাবে।
এ ছাড়া ট্রাংক, তালা–চাবি, কাগজ, কলমসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, পরিপত্র জারির দিন থেকেই নতুন হার কার্যকর হবে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর জারি করা আগের পরিপত্র বাতিল করা হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ মাছুম বিল্লাহ
ফোন: +8801715184181
ইমেইল: crimeexpressbd@gmail.com
ওয়েবসাইট: www.crimeexpress.net
প্রধান কার্যালয় : ৩৮৯/এ/১ ডি আইটি রোড, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।