চলতি বিশ্বকাপে প্রযুক্তিতে অনেক উন্নতি করেছে ফিফা। একাধিক নতুন ফিচার এনে এটাকে অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ বানানোর চেষ্টা কোনও ত্রুটি রাখেনি। কিন্তু চিরাচরিত সমস্যা রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন বন্ধ করতে পারেননি ইনফান্তিনো। প্রায় প্রতিটা ম্যাচেই রেফারিং নিয়ে অভিযোগ উঠছে। আর্জেন্টিনা-সুইজরল্যান্ড ম্যাচ তার ব্যতিক্রম নয়। সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন তার দলের স্ট্রাইকার ব্লিল এমবোলোর লাল কার্ড নিয়ে তোপ দাগলেন রেফারিকে। ভিএআর-এর সাহায্যে ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ প্রোটোকল ব্যবহার করে সুইস ফরোয়ার্ডকে মাঠ থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন সুইস কোচ। তার দাবি, রেফারির ভুল সিদ্ধান্তই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৭ মিনিটে ড্যান এনডয়ে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফেরান। কিন্তু সেই গোলের পরই ঘটে ম্যাচের সবচেয়ে বিতর্কিত ঘটনা।
কীভাবে লাল কার্ড দেখলেন এমবোলো? সমতা ফেরানোর কিছুক্ষণ পর আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিসান্দ্রো পারেদেস এমবোলোকে ট্যাকল করলে প্রথমে পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনেইরো। তবে ভিএআর-এর পরামর্শে রিপ্লে দেখার পর সিদ্ধান্ত বদলান তিনি।
ভিডিওতে দেখা যায়, পারেদেসের সংস্পর্শে আসার আগেই এমবোলো মাটিতে পড়ে যান। এরপর ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ প্রোটোকল প্রয়োগ করে পারেদেসের হলুদ কার্ড বাতিল করা হয় এবং ডাইভ দেওয়ার অভিযোগে এমবোলোকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়।
যেহেতু ম্যাচের প্রথমার্ধেই একটি হলুদ কার্ড দেখেছিলেন সুইস ফরোয়ার্ড, তাই দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের ফলে তাকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়। ১০ জনে হয়ে যায় সুইজারল্যান্ড।
রেফারির ভুলেই ম্যাচ হেরেছি : ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে ক্ষোভ উগরে দেন সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিন। তিনি বলেন, ‘রেফারির একটি ভুল সিদ্ধান্তের মূল্য চোকাতে হয়েছে আমাদের। এই নিয়ম সম্পর্কে আগে আমি জানতামই না। খুব সাধারণ একটি ঘটনায় ভিএআর হস্তক্ষেপ করল এবং সেটাই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিল। রেফারি সম্পূর্ণ ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ওটা যদি ফাউল হয়ও, তাহলে সেটি ছিল খুবই সাধারণ একটি ঘটনা। আমি জানি ফিফা রেফারিকে সমর্থন করবে, কিন্তু এই নিয়ম আজ আমাদের ম্যাচটাই নষ্ট করে দিয়েছে।’
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ মাছুম বিল্লাহ
ফোন: +8801715184181
ইমেইল: crimeexpressbd@gmail.com
ওয়েবসাইট: www.crimeexpress.net
প্রধান কার্যালয় : ৩৮৯/এ/১ ডি আইটি রোড, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।