গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে মসজিদের মুহাজ্জিম ও মক্তবের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণি পড়–য়া এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযুক্ত আসামী একজন ও পৃথক এক মামলা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিচারিক আদালতে পাঠিয়েছে সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ।সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের কিশামত বাগচির আসকরপাড়া গ্রামে অবস্থিত বাইতুল নুরুল জামে মসজিদের দীঘ কয়েকবছর হতে মুহাজ্জিম ও বিভিন্ন বয়সী শিশু শিক্ষার্থীদের মক্তব শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন অভিযুক্ত মনির হোসেন।পূর্বের ন্যায় গত ২৪জুন সকালে মক্তব পড়ানো শেষে সকল শিক্ষার্থী চলে গেলেও অভিযুক্ত মনির হোসেন অসৎ উদ্যেশ্যে তৃতীয় শ্রেনীর শিশু শিক্ষার্থী আসমা আক্তার ওহনাকে জোর পুবক আটকাইয়া বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখাইয়া মসজিদের একাংশে মেঝেতে শোয়াইয়া ধষর্ণের চেষ্টা করে।
পরে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে বাড়িতে চলে যায়। পরবর্তীতে ঘটানাটি জানাজানি হলে ভুক্তভোগীর মা স্থানীয় গণ্যমান্য সকলে মিলে অভিযক্ত মনির হোসেনকে আটক করে। পরবর্তীতে ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্তর নিকট জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা শিকার করে। পরে জরুরী নাম্বার ৯৯৯ এ কল করলে সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ তৎক্ষনাত পৌছে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। পরে ভুক্তভোগী আসমা আক্তার ওহনার মা বাদী হয়ে থানায় একটি নারী ও শিশু নিযাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
শনিবার (২৭জুন) দুপুরে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযুক্ত আসামি ও অন্য এক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ দুজনকে জেলা আদালতে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে থানার ওসি হাবিবুল ইসলাম জানান- ধর্ষণের চেষ্টা মামলার অভিযুক্তকে ও পৃথক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। উভয় মামলার আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন