অপরিকল্পিত নগরায়ন বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে নিয়ম মেনে ভবন নির্মাণ করলেও প্ল্যান পাস না করা ভবনগুলোকে নির্দিষ্ট জরিমানা বা বিধিমোতাবেক শাস্তির মাধ্যমে বৈধ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।সোমবার জাতীয় সংসদে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান কমিটির সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।তিনি বলেন, অতীতে রাজউকের প্ল্যান পাস করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে সাধারণ মানুষকে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়েছে। এতে মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।এই ভোগান্তি কমাতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী ও রাজউক চেয়ারম্যান এতে সম্মতি দিয়েছেন বলেও জানান এই সংসদ সদস্য। নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে একটি জায়গায় আবেদন করার মাধ্যমে দ্রুত প্ল্যান পাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।এদিকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের গাফিলতি এবং ঠিকাদারদের অযথা বাজেট ও মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।তিনি বলেন, জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আড়ও পড়ুন,জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে যাচ্ছেন তারেক রহমান
প্রতিটি প্রকল্প পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এর যৌক্তিকতা যাচাই করা হবে। কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা বা দুর্নীতি পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অযথা মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হবে না।স্বল্পমূল্যের ফ্ল্যাট ও আবাসন সংকট প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিদ্যমান নগর বিধিমালার কিছু জটিলতার কারণে আবাসন খাতের কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে ফ্লোর এরিয়া রেশিও বা এফএআর সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা পর্যালোচনা করছেন।তিনি জানান, ড্যাপ বিধিমালা এবং নগর গৃহায়ন বিধিমালা আইনি রূপ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। বিধিমালা সংশোধন হলে ফ্ল্যাটের সংখ্যা বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের জন্য তুলনামূলক কম দামে ফ্ল্যাট কেনার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মতামত