রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

অর্থনীতি

ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, বড় সমস্যা আস্থার সংকট

ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, ঋণের সুদ কমলেও গতি নেই বিনিয়োগে, বড় সমস্যা আস্থার সংকট

ঋণের সুদের হার কমেছে। কমেছে নীতিসুদও। কিন্তু তাতেও গতি ফিরছে না বেসরকারি খাতের ঋণগ্রহণ ও বিনিয়োগে।ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আগস্টে নীতিসুদ ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে নামিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ব্যাংকঋণের ভারিত গড় সুদ ১২ দশমিক ১৬ শতাংশে উঠেছিল—যা অন্তত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। চলতি বছরের জুলাইয়ে তা কমে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৮১ শতাংশে।তারপরও বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা বাড়েনি।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুনে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে আসে মাত্র ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে—৩৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। জুলাইয়ে সামান্য বেড়ে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ হলেও ডিসেম্বরের মধ্যে ৬ দশমিক ৮ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় তা এখনও অনেক কম।ব্যবসায়ীদের মতে, বিনিয়োগের পথে এখন শুধু সুদের হার বাধা নয়। বরং বড় সমস্যা আস্থা।ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলছেন, পর্যাপ্ত চাহিদা, স্থিতিশীল ব্যবসায়িক পরিবেশ ও যুক্তিসংগত মুনাফার নিশ্চয়তা না থাকলে কম সুদেও উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন না।গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, উচ্চ পরিচালন ব্যয়, দুর্বল ভোক্তা চাহিদা, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা এবং খেলাপি ঋণের উচ্চ হারও ব্যবসায়িক আস্থায় প্রভাব ফেলছে।আড়ও পড়ুন,নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত? জানুন ২০ গ্রেডের হিসাবঅন্যদিকে ব্যাংকগুলোও খেলাপি ঋণ ও আর্থিক খাতের দুর্বলতার কারণে নতুন ঋণ বিতরণে সতর্ক।অর্থনীতিবিদদের মতে, সুদের হার কমা অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের একমাত্র সূচক নয়। বিনিয়োগ দুর্বল থাকলে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীলতার ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।ব্যবসায়ীদের আস্থা ফেরাতে তাই শুধু ঋণের খরচ কমানো নয়—নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি, স্থিতিশীল নীতিমালা, বাজারে চাহিদা এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের বিষয়ে পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।অর্থাৎ, ঋণ এখন তুলনামূলক সস্তা হলেও ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন—ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করলে সেই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ কতটা নিরাপদ?এই আস্থার প্রশ্নের উত্তর মিললেই বেসরকারি বিনিয়োগে গতি ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত? জানুন ২০ গ্রেডের হিসাব

১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।‘চাকরি—বেতন ও ভাতাদি আদেশ, ২০২৬’ অনুযায়ী বহাল থাকছে ২০টি গ্রেড। নতুন কাঠামোয় সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার টাকা। আর প্রথম গ্রেডে মূল বেতন ৭৮ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।তবে নতুন বেতন কাঠামোর পুরো সুবিধা একসঙ্গে পাওয়া যাবে না। মূল বেতন তিন ধাপে কার্যকর হবে।প্রথম ধাপে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডে বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডে ৫০ শতাংশ কার্যকর হবে।দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তা আরও বাড়বে। আর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বর্ধিত মূল বেতনের শতভাগ কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।তবে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ সংশোধিত ভাতার পূর্ণ সুবিধা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।নতুন কাঠামোয় ২০তম গ্রেডের একজন চাকরিজীবীর মূল বেতন হবে ২০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা যোগ হয়ে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে মোট বেতন দাঁড়াবে ৩৩ হাজার ২৫০ টাকা।আড়ও পড়ুন,ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ল সোনার দাম ঢাকায় বাড়িভাড়া বেশি হওয়ায় মোট বেতন হবে ৩৬ হাজার ২৫০ টাকা।অন্যদিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবদের মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা। বিভিন্ন ভাতা যোগ হলে ঢাকায় তাদের মোট বেতন দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ টাকা। এর বাইরে রয়েছে গাড়িসহ অন্যান্য সুবিধা।নতুন কাঠামোয় বিসিএসসহ ৯ম গ্রেডে যোগ দেওয়া কর্মকর্তাদের মূল বেতন হবে ৪৪ হাজার টাকা। ভাতাসহ তাদের মোট বেতন হবে ৬০ হাজার টাকার বেশি।প্রায় ১১ বছর পর নতুন বেতন কাঠামো পেল সরকারি চাকরিজীবীরা। এখন ধাপে ধাপে এর বাস্তবায়নের অপেক্ষা।

নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত? জানুন ২০ গ্রেডের হিসাব

ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ল সোনার দাম

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বা বাজুস জানিয়েছে স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। তবে এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির বিষয়টি রয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি ভালো মানের সোনার দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।এর আগে শুক্রবার সোনার দাম ছিল ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা। আড়ও পড়ুন,উত্তরবঙ্গের কৃষিভিত্তিক শিল্পে ৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা। অর্থাৎ নতুন সমন্বয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিতে বেড়েছে ১ হাজার ৬৯১ টাকা।সোনার পাশাপাশি বেড়েছে রুপার দামও। প্রতি ভরিতে ১১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৩২ টাকা।দেশের বাজারে এর আগেও সোনার দামে বড় ধরনের উত্থান-পতন দেখা গেছে। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি সোনার দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। সেদিন একলাফে ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।পরে অবশ্য সোনার দাম কমে প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার নিচে নেমে আসে। এরপর আবারও বাড়তে শুরু করে দাম। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং স্থানীয় বাজারের তেজাবি সোনার দামের ওপর নির্ভর করে দেশের বাজারে সোনার দামে ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তন আসছে।

ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ল সোনার দাম

উত্তরবঙ্গের কৃষিভিত্তিক শিল্পে ৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা

উত্তরবঙ্গে শিল্পের উন্নয়নে কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর কার্যালয়ের মিলনায়তনে এক সভায় তিনি জানান কৃষিভিত্তিক শিল্পের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর আওতায় কৃষি উৎপাদনে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হবে। সংরক্ষণ পরিবহন বিপণন ও অবকাঠামো খাতে সর্বোচ্চ ৪০ কোটি টাকা এবং কৃষিভিত্তিক উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে ৪০ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়নের সুযোগ থাকবে। এছাড়া কৃষিপণ্য রপ্তানিতে ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।রপ্তানিমুখী হিমায়িত খাদ্য খাতেও ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ অর্থায়ন করা হচ্ছে বলে জানান গভর্নর।তিনি বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে উদ্যোক্তা নির্বাচনে কোনো ধরনের তদবির গ্রহণ করা হবে না। চূড়ান্ত উদ্যোক্তা নির্বাচনে আমলা বা ব্যাংকারের পরিবর্তে সফল উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করা হবে।আড়ও পড়ুন,পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর, বাড়ছে পেনশনগভর্নর আরও জানান প্রণোদনা থেকে অর্থায়নের ক্ষেত্রে কোনো সুপারিশ করা হলে তা উদ্যোক্তার অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রতিটি উপজেলায় একই নীতিতে অর্থায়ন করা হবে।এদিকে তরুণদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় প্রথম ধাপে সারা দেশের ৫ হাজার নতুন তরুণ উদ্যোক্তাকে ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। ২৮ বছরের কম বয়সী তরুণদের মধ্যে যাদের ব্যবসার ভালো ধারণা রয়েছে তারা এ ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। একজন উদ্যোক্তা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পাবেন। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ এবং ১০ লাখ টাকা অনুদান হিসেবে দেওয়ার কথা জানান গভর্নর। সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা ছাড়াও রংপুর বিভাগের আট জেলার ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উত্তরবঙ্গের কৃষিভিত্তিক শিল্পে ৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা

পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর, বাড়ছে পেনশন

পেনশনভোগীদের ব্যাংকে যাওয়া, টাকা উত্তোলন, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দৃশ্য এবং পেনশন বৃদ্ধির পরিসংখ্যান।এর ফলে দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া এবং তুলনামূলক কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পেনশন বৃদ্ধির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হবে।নতুন কাঠামোতে সর্বনিম্ন পেনশন দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ২০০ টাকা।নতুন বেতনকাঠামোর প্রস্তাব গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়।সেসময় জানানো হয়েছিল, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সরকার ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ পদ্ধতি চালুর বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।এই ব্যবস্থা সামরিক ও বেসামরিক—দুই ক্ষেত্রেই একই সঙ্গে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।তবে একসঙ্গে এই ব্যবস্থা চালু করতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে।আড়ও পড়ুন,গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটেও ঈশ্বরদী ইপিজেডে রপ্তানির রেকর্ড গতিএ ছাড়া বেসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আগের অবসর গ্রহণকারীদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য না থাকায় ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ ব্যবস্থা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে এই ব্যবস্থা পুরোপুরি বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হলে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে কম পেনশন পাওয়া দীর্ঘদিনের অবসরপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে বাড়ার হার থাকবে তুলনামূলক বেশি।

পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর, বাড়ছে পেনশন

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটেও ঈশ্বরদী ইপিজেডে রপ্তানির রেকর্ড গতি

দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়লেও রপ্তানি আয়ে ধারাবাহিক সাফল্য দেখাচ্ছে পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেড। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই ইপিজেড থেকে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ২৮৯ দশমিক ৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। আগের অর্থবছরের তুলনায় যা বেড়েছে ৩১ মিলিয়ন ডলারের বেশি।শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই শিল্পাঞ্চল ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা।পাবনার পাকশীতে পদ্মা নদীর তীরে ৩০৮ দশমিক ৯৭ একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে ঈশ্বরদী ইপিজেড। ২০০১ সালে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরুর পর দুই দশকের বেশি সময়ে এটি পরিণত হয়েছে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম শিল্পকেন্দ্রে।এখানে শুধু তৈরি পোশাক নয়—উৎপাদিত হচ্ছে তাঁবু ও ক্যাম্পিং সরঞ্জাম, উইগ, ব্যাটারি, শিল্পকারখানার গ্লাভস, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, কেমিক্যাল, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ, টেক্সটাইল, ইয়ার্ন ও রাবারজাত পণ্য।অর্থাৎ মাত্র পাঁচ বছরে ঈশ্বরদী ইপিজেডের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলার।বর্তমানে ইপিজেডে চালু রয়েছে ২৭টি কারখানা। আরও ৯টি কারখানা বাস্তবায়নাধীন। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রয়েছে চীন, আড়ও পড়ুন,যুক্তরাষ্ট্র থেকে গানভরের প্রথম এলএনজি কার্গো দেশেহংকং, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান।“নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে...”ইতোমধ্যে তিনটি টেক্সটাইল কারখানা স্থাপনের জন্য চীনের তিনটি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এসব কারখানা চালু হলে তৈরি হতে পারে কয়েক হাজার নতুন কর্মসংস্থান।বর্তমানে ঈশ্বরদী ইপিজেডে সরাসরি কাজ করছেন প্রায় ২০ হাজার ৯২৯ জন। এর মধ্যে নারী শ্রমিকের সংখ্যা ১৪ হাজার ৫৩৪ জন।সংশ্লিষ্টদের মতে, পণ্যের বৈচিত্র্য, পরিবেশবান্ধব শিল্প, দক্ষ জনশক্তি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ ঈশ্বরদী ইপিজেডের অন্যতম শক্তি। এখানে রয়েছে দেশের প্রথম লিড প্লাটিনাম সার্টিফায়েড গ্রিন ফ্যাক্টরি ‘ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও’।তবে শিল্পের এই সম্ভাবনাকে আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ এবং উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঈশ্বরদী বিমানবন্দর চালু হলে বিনিয়োগ ও শিল্প সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি—সব মিলিয়ে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠছে ঈশ্বরদী ইপিজেড। এখন নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও যোগাযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এই সম্ভাবনা আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটেও ঈশ্বরদী ইপিজেডে রপ্তানির রেকর্ড গতি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গানভরের প্রথম এলএনজি কার্গো দেশে

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, এই কার্গো থেকে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ ঘনমিটার এলএনজি খালাস করা হবে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় গানভরের সরবরাহ করা এটিই প্রথম কার্গো।যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গানভরের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৩ বছর মেয়াদি চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে বাংলাদেশ। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছর দেশে আসবে পাঁচটি এলএনজি কার্গো।মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প উৎস নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করেছে সরকার। এর ধারাবাহিকতায় ‘এলএনজি জেনেভা’ জাহাজে করে প্রথম কার্গোটি বাংলাদেশে পৌঁছেছে।এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বরও একটি এলএনজি কার্গো দেশে আসে।আড়ও পড়ুন,আটা ময়দা মুরগি ডিম ও মাছে বাড়তি দামপরপর দুটি কার্গো আসায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।চলতি মাসে মোট নয়টি এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আরামকোর দুটি এবং ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম ও পস্কোর একটি করে চারটি কার্গো ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে। ১৭ সেপ্টেম্বর গানভরের কার্গো এসেছে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর আরামকো ২৩ সেপ্টেম্বর টোটালএনার্জি ২৫ সেপ্টেম্বর আরামকো এবং ২৮ সেপ্টেম্বর গানভর থেকে আরও চারটি কার্গো আসার কথা রয়েছে।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৬০৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ১ হাজার ৬১২ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে পাওয়া গেছে ৯৯৩ মিলিয়ন ঘনফুট।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গানভরের প্রথম এলএনজি কার্গো দেশে

আটা ময়দা মুরগি ডিম ও মাছে বাড়তি দাম

রাজধানীর খুচরা বাজারে আটা ও ময়দার দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি ডিম ও বিভিন্ন ধরনের মাছ। তবে এসব পণ্যের তুলনায় সবজির বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী গত এক মাসে খোলা আটার দাম কেজিতে ৩ টাকা এবং খোলা ও মোড়কজাত ময়দার দাম কেজিতে ৫ টাকা করে বেড়েছে।তবে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে আরও বেশি। বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫০ টাকায়। এক মাস আগে যা ছিল ৪৫ টাকা। খোলা ময়দা বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। এক মাস আগে এর দাম ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।মোড়কজাত ময়দার দামও বেড়েছে। দুই কেজির প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি কেজি ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। এক মাস আগে এক কেজি মোড়কজাত ময়দা পাওয়া যেত ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়।ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারি ও ডিলার পর্যায়ে আটা ময়দার দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।এদিকে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়। প্রায় দেড় মাস আগে দাম ছিল প্রায় ২০ টাকা কম।আড়ও পড়ুন,তিতাসের নতুন কূপে বাড়ছে দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ ফার্মের বাদামি ডিমের এক ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। সাদা ডিম পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ১০ টাকা কমে।বিক্রেতাদের দাবি বন্যা অতিবৃষ্টি ও অতিরিক্ত গরমে অনেক খামারে ডিম ও মুরগির উৎপাদন কমেছে। ফলে সরবরাহ কম থাকায় দামও কমছে না।মাছের বাজারেও একই চিত্র। রুই বিক্রি হচ্ছে কেজি ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা এবং কাতলা ৪২০ থেকে ৪৪০ টাকা। পাঙাশ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা এবং পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।তবে স্বস্তি রয়েছে সবজির বাজারে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় অধিকাংশ সবজির দাম আগের অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

আটা ময়দা মুরগি ডিম ও মাছে বাড়তি দাম

তিতাসের নতুন কূপে বাড়ছে দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ

দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের নতুন কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে গ্যাস। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আগামীকাল শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।কূপটির উদ্বোধনের পরপরই জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এতে আমদানি করা গ্যাসের ওপর নির্ভরতার চাপ কিছুটা কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তারা।বিজিএফসিএলের কর্মকর্তারা জানান, তিতাসের ২৮ ২৯ ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ এবং বাখরাবাদ ১১ নম্বর কূপের কাজ এগিয়ে চলছে। এসব কূপের কার্যক্রম শেষ হলে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।তিতাস ২৮ নম্বর কূপের খননকাজ প্রায় এক মাস আগে শেষ হয়েছে। কূপটির গভীরতা প্রায় ১৩ হাজার ফুট। প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিতাস ২৮ ২৯ ৩০ ও কামতা ২ নম্বর কূপ খননের কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে তিতাস ২৮ নম্বর কূপই শনিবার উৎপাদনে যাচ্ছে।এদিকে তিতাস ২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে লগিংসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে। এই কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তিতাস ৩০ নম্বর কূপের কাজও আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। আড়ও পড়ুন,খেলাপি ঋণ আদায় ও ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে রূপালী ব্যাংকের জোরসেখান থেকেও দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।অন্যদিকে তিতাস ৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজ শুরু হয়েছে চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল। ইতোমধ্যে কূপটির খনন গভীরতা প্রায় চার হাজার ৯২০ মিটারে পৌঁছেছে। লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা পাঁচ হাজার ৬০০ মিটার। ভূতাত্ত্বিক জটিলতা না থাকলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হতে পারে। সফল হলে এই কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।তিতাস ৩১ একটি অনুসন্ধানমূলক কূপ হওয়ায় এখানে নতুন গ্যাসের মজুদ আবিষ্কারের সম্ভাবনাও দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী প্রায় দুই টিসিএফ অতিরিক্ত মজুদ পাওয়া যেতে পারে। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ মজুদের পরিমাণ নিশ্চিত নয়।সব মিলিয়ে তিতাস ২৮ ২৯ ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ এবং বাখরাবাদ ১১ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

তিতাসের নতুন কূপে বাড়ছে দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ

খেলাপি ঋণ আদায় ও ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে রূপালী ব্যাংকের জোর

দেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সিএমএসএমইসহ বিভিন্ন খাতে অন্তত ২০ শতাংশ ঋণ প্রবাহ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি। পাশাপাশি খেলাপি ঋণ আদায় জোরদার এবং ক্যাশলেস লেনদেন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।বরিশালে অনুষ্ঠিত রূপালী ব্যাংকের বিভাগীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।শুক্রবার বরিশালের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এ সভায় ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন শাখাগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক মো. মইনুদ্দিন মাসুদ। সভাপতিত্ব করেন বরিশাল বিভাগীয় প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।পর্যালোচনা সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, দেশের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সিএমএসএমইসহ বিভিন্ন খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়াতে হবে। এ জন্য অন্তত ২০ শতাংশ ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।একই সঙ্গে খেলাপি ঋণ আদায় জোরদার, আমানত সংগ্রহ এবং ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।আড়ও পড়ুন,নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পূবালী ব্যাংকের নতুন বাসক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মাণে রূপালী ক্যাশ, রূপালী ই-ব্যাংকিং এবং বাংলা কিউআর ব্যবহার করে লেনদেন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।বিশেষ অতিথি ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ কমাতে সঠিকভাবে ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন, সিবিএস ডাটাবেজে যোগ্য জামানতের সঠিক মূল্য ইনপুট এবং যথাযথ নিয়মে সিআইবি রিপোর্ট করার নির্দেশনা দেন।সভাপতির বক্তব্যে বরিশাল বিভাগের ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে সুদবিহীন ও স্বল্প সুদবাহী আমানত সংগ্রহ, হিসাব খোলা, বাংলা কিউআর অনবোর্ডিং, বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণ এবং শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়ে অগ্রগতির কথা তুলে ধরা হয়।বছরের বাকি সময়ে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে সার্বিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সাফল্য অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন কর্মকর্তারা।সভায় বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জোনের জোনাল ম্যানেজার, বিভাগীয় ও জোনাল কার্যালয়ের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শাখা ও উপশাখার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

খেলাপি ঋণ আদায় ও ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে রূপালী ব্যাংকের জোর

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পূবালী ব্যাংকের নতুন বাস

শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বাস উপহার দিয়েছে পূবালী ব্যাংক। দেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এই বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও সহজ করতে এবার পাশে দাঁড়িয়েছে পূবালী ব্যাংক।নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বাস উপহার দিয়েছে দেশের অন্যতম এই ব্যাংক।নেত্রকোনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র—টিটিসির সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত হয় বাস হস্তান্তর অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক—এমডি মোহাম্মদ আলী নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. খালেদ উজ্জামানের হাতে বাসের চাবি তুলে দেন।ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের শিক্ষা খাত এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখার লক্ষ্যেই সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতে পরিবহন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আড়ও পড়ুন,অনুমোদনহীন ঋণদাতা অ্যাপের পেমেন্ট বন্ধের নির্দেশনতুন এই বাস শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়া আরও সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধার পাশাপাশি এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত সহায়তাতেও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পূবালী ব্যাংকের দেওয়া এই বাস সেই উদ্যোগেরই একটি অংশ।

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পূবালী ব্যাংকের নতুন বাস

অনুমোদনহীন ঋণদাতা অ্যাপের পেমেন্ট বন্ধের নির্দেশ

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের পেমেন্ট সেবা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএসসহ অন্যান্য পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে এ নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।একই সঙ্গে গুগল প্লে স্টোরসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে অনুমোদনহীন ঋণদাতা অ্যাপ অপসারণ এবং এসব অ্যাপের সেবা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পাঠানো পৃথক চিঠিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে অবৈধ ঋণদাতা অ্যাপ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সতর্ক ও সচেতন করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস সুপারভিশন বিভাগকে জানাতে বলা হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অনলাইনে পরিচালিত কিছু মোবাইল অ্যাপ উচ্চ সুদে ঋণ দেওয়ার কার্যক্রম চালাচ্ছে। এসব অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ নিয়ে গ্রাহকেরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এসব অ্যাপ অনেক সময় ব্যবহারকারীর অজান্তেই মোবাইল ফোনের যোগাযোগ নম্বর ব্যক্তিগত তথ্য ছবি ভিডিও ও খুদে বার্তায় প্রবেশাধিকার নেয়।আড়ও পড়ুন,বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালুতে বড় উদ্যোগপরে ঋণের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এবং ব্ল্যাকমেইলসহ বিভিন্নভাবে গ্রাহককে হয়রানি করা হয়।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পেমেন্ট ও সেটেলমেন্ট সিস্টেমস আইন ২০২৪-এর ১৫(২) ধারায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া বিনিয়োগ সংগ্রহ ঋণ বিতরণ অর্থ সংরক্ষণ কিংবা আর্থিক লেনদেন-সংশ্লিষ্ট কোনো অনলাইন বা অফলাইন প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার সুযোগ নেই।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া চিহ্নিত কিছু অ্যাপ ঋণ বিতরণ করছে। তাই এসব কার্যক্রমকে অবৈধ এবং একই আইনের ৩৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া অনুমোদিত ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠান এসব অ্যাপকে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে সেবা দিলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। এসব অ্যাপের মাধ্যমে অবিলম্বে পেমেন্ট ও লেনদেন বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ অননুমোদিত অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে জনগণকে সতর্ক করেছিল। ডেটা চুরি অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত অন্তত ৩১টি অননুমোদিত ঋণদাতা অ্যাপ চিহ্নিত করার কথাও জানিয়েছিল সংস্থাটি।

অনুমোদনহীন ঋণদাতা অ্যাপের পেমেন্ট বন্ধের নির্দেশ

বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালুতে বড় উদ্যোগ

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ স্কিমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের জন্য রাখা হয়েছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়।সার্কুলারে বলা হয়েছে ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিমের’ মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে অর্থায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে প্রাক-অর্থায়ন সরবরাহ করবে।নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদ দিতে হবে। তবে অর্থ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস এই সুদ পরিশোধ করতে হবে না। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হলে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে।অন্যদিকে স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের যে ঋণ দেবে তার সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও থাকছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড। আড়ও পড়ুন,আইসিসিবিতে আবারও জমছে গাড়ির বাজারঅর্থাৎ ঋণ বিতরণের পর প্রথম ছয় মাস কোনো সুদ আদায় করা যাবে না।ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর ঋণের সুদ আদায় শুরু হবে। এ সময় প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও নির্ধারিত নিয়মে আদায় করতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে তহবিলের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে স্কিমের মেয়াদকালীন তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ব্যাংকগুলো প্রাক-অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারবে।স্কিমের অর্থ নির্ধারিত খাতে যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঋণের ব্যবহার ও আদায়ের পরিস্থিতি নিয়মিত তদারক করতে হবে ব্যাংকগুলোকে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়মে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে সুদ পরিশোধের হিসাবও নিষ্পত্তি করতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে উল্লেখিত নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান চালুতে বড় উদ্যোগ

আইসিসিবিতে আবারও জমছে গাড়ির বাজার

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা বা আইসিসিবিতে শুক্রবার তৃতীয় সপ্তাহের মতো বসছে ‘সুপার সেল কার বাজার’। প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ব্যাপক সাড়ার পর নিয়মিত আয়োজনের অংশ হিসেবে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে আবারও বসবে এই গাড়ি কেনাবেচার আসর।এখানে ক্রেতারা কোনো ধরনের ঝক্কিঝামেলা ছাড়াই নিজেদের পছন্দের গাড়ি কিংবা মোটরবাইক কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি নিজেদের ব্যবহৃত গাড়ি বা বাইকও উপযুক্ত দামে বিক্রি করতে পারছেন।গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ‘সুপার সেল কার বাজার’। আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী এখন থেকে প্রতি শুক্রবার নিয়মিত বসবে এই আয়োজন।কার বাজারে থাকছে নতুন পুরোনো ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ির পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোটরবাইক এবং ইউটিলিটি ভেহিকলের সমাহার। ফলে একই জায়গায় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন দেখার পাশাপাশি পছন্দ ও বাজেট অনুযায়ী তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা।উদ্যোক্তারা বলছেন, বাংলাদেশের অটোমোবাইল বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি নিয়মিত ও আধুনিক মার্কেটপ্লেসের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। আড়ও পড়ুন,নিম্নস্তরের ১০ শলাকা সিগারেটের দাম বেড়ে ৬৫ টাকাসেই চাহিদা পূরণে ‘সুপার সেল কার বাজার’ সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছে।তাদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে ক্রেতারা এক জায়গায় বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের যানবাহন সম্পর্কে জানার এবং তুলনা করার সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে বিক্রেতারাও সরাসরি সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে নিজেদের গাড়ি বা যানবাহন উপস্থাপন করতে পারছেন।আয়োজকদের প্রত্যাশা, ব্যস্ত নগরজীবনে গাড়ি কেনাবেচার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও স্বস্তিদায়ক করে তুলবে এই উদ্যোগ। ক্রেতাদের আগ্রহ থাকায় প্রতি শুক্রবার এই আয়োজন নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আইসিসিবিতে আবারও জমছে গাড়ির বাজার

নিম্নস্তরের ১০ শলাকা সিগারেটের দাম বেড়ে ৬৫ টাকা

দেশে নিম্নস্তরের বা কম দামি সিগারেটের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর। বৃহস্পতিবার এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ দাম বৃদ্ধির তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কমপক্ষে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এই দাম ছিল ৬২ টাকা। অর্থাৎ নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকায় দাম বেড়েছে ৩ টাকা।তবে সিগারেটের অন্যান্য স্তরের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। মধ্যম স্তরের প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের ২১০ টাকা বা তদূর্ধ্ব বহাল রয়েছে।আড়ও পড়ুন,৮৫ ডেসিবেলের হর্নে বিপাকে মোটরসাইকেল খাতএর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছিল। ওই বাজেটে নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়।একই সঙ্গে মধ্যম স্তরের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য আরও ৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৫ টাকা করা হলো।

নিম্নস্তরের ১০ শলাকা সিগারেটের দাম বেড়ে ৬৫ টাকা

৮৫ ডেসিবেলের হর্নে বিপাকে মোটরসাইকেল খাত

মোটরসাইকেলের হর্নের শব্দমাত্রায় নতুন নিয়ম। আর এই নিয়মেই জটিলতায় পড়েছে দেশের মোটরসাইকেল খাত। আমদানি নীতিমালায় নতুন শর্ত যুক্ত হওয়ায় মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশের কয়েকটি চালান বন্দরে আটকে আছে বলে দাবি খাতসংশ্লিষ্টদের।শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে গত বছরের ২৪ নভেম্বর ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০২৫’ জারি করে সরকার।নতুন বিধিমালায় দুই বা তিন চাকার হালকা যানের হর্নের সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৫ ডেসিবেল। মাঝারি যানের জন্য ৯০ এবং ভারী যানের জন্য ১০০ ডেসিবেল।এরপর গত ২৪ আগস্ট জারি হওয়া ২০২৬ থেকে ২০২৯ সালের আমদানি নীতিতে নির্ধারিত মাত্রার বেশি শব্দ করে—এমন হর্নকে আমদানি-নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় রাখা হয়।এর পর থেকেই বন্দরে সমস্যায় পড়ছেন মোটরসাইকেল আমদানিকারকেরা।খাতসংশ্লিষ্টদের দাবি, দেশে মোটরসাইকেল সংযোজন ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশির ভাগ যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এসব চালান আটকে গেলে উৎপাদন ও সংযোজন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ আশেকুর রহমানের দাবি, বাংলাদেশে নির্ধারিত ৮৫ ডেসিবেলের সীমা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। নতুন নিয়মের কারণে মোটরসাইকেল আমদানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।আড়ও পড়ুন,গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটে ৫৫ শতাংশ নিটওয়্যার কারখানার অর্ডার কমেছেএদিকে বাংলাদেশ মোটরসাইকেল এসেম্বলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন শব্দমাত্রার বর্তমান সীমা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে।সংগঠনটির পক্ষ থেকে পরিবেশমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান মানমাত্রা বহাল থাকলে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ আমদানিতে আকস্মিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।পরিবেশ অধিদপ্তরের পরীক্ষার তথ্যেও দেখা গেছে, ২০২২ সালে ১৩টি মডেলের মোটরসাইকেলের হর্ন পরীক্ষা করে সাত মিটার দূরত্বে সর্বনিম্ন ৮৪ দশমিক ৮ এবং সর্বোচ্চ ৯৯ দশমিক ২ ডেসিবেল শব্দমাত্রা পাওয়া যায়।তবে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও রয়েছে গুরুত্ব।খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, শব্দদূষণের বড় উৎস হাইড্রোলিক হর্ন। মোটরসাইকেলে এর ব্যবহার তুলনামূলক কম হলেও এ ধরনের হর্ন নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।ব্যবসায়ীরা বলছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য ঠিক রেখে বাংলাদেশের বাস্তবতা ও মোটরসাইকেল শিল্পের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য শব্দমাত্রা নির্ধারণ করা জরুরি।একই সঙ্গে নীতিমালা ঘন ঘন পরিবর্তন না করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। তাদের আশঙ্কা, এতে বিনিয়োগ ও উৎপাদন কার্যক্রমে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

৮৫ ডেসিবেলের হর্নে বিপাকে মোটরসাইকেল খাত