শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

বিনোদন

কুরুকের অভিযান নিয়ে আসছে নতুন অ্যানিমেশন

কুরুকের অভিযান নিয়ে আসছে নতুন অ্যানিমেশন

‘অ্যাভাটার: দ্য লাস্ট এয়ারবেন্ডার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ভক্তদের জন্য নতুন সুখবর। জনপ্রিয় এই অ্যানিমেটেড জগতের গল্পে যুক্ত হচ্ছে নতুন সিরিজ ‘অ্যাভাটার কুরুক: ওয়েভ অব ক্যাওস’। এবার কাহিনির কেন্দ্রে থাকছে ১৪ বছর বয়সী অ্যাভাটার কুরুকের কৈশোরের অভিযান এবং নানা বিপদের মুখে তার লড়াই। গত ৯ অক্টোবর নিউইয়র্ক কমিক কনে নতুন সিরিজটির ঘোষণা দেন ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-নির্মাতা মাইকেল দান্তে ডিমার্টিনো ও ব্রায়ান কোনিয়েটজকো। এ সময় দর্শকদের সামনে কুরুক ও তার পোষা প্রাণী নিকিকের প্রথম ঝলকও তুলে ধরা হয়। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্কাইড্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, নতুন সিরিজে কুরুককে দেখা যাবে নিজের রাগী শিক্ষকের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করতে। একই সঙ্গে তাকে মোকাবিলা করতে হবে দুরন্ত জলদস্যু ও বিশৃঙ্খল আত্মাদের। নানা বাধা ও বিপদের মধ্যেও নিজের মতো করে বিশ্বে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাবে সে। ‘অ্যাভাটার’ মহাবিশ্বে অ্যাভাটার এমন এক বিশেষ সত্তা, যে পানি, আগুন, মাটি ও বায়ু চারটি মৌলিক উপাদান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। চার জাতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই তার অন্যতম দায়িত্ব। আরও পড়ুন,মেয়ের প্রথম জন্মদিনে অপূর্বর আবেগঘন বার্তাকুরুক পানি জাতির একজন অ্যাভাটার। নতুন সিরিজে তার জীবনের আগের সময়ের গল্প তুলে ধরা হবে। এতে দর্শকেরা কুরুকের কৈশোর, নতুন কিছু শেখার চেষ্টা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নানা দিক দেখতে পাবেন। কুরুকের সঙ্গী নিকিকও সিরিজটির গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে। তবে তাদের অভিযান ঘিরে পূর্ণাঙ্গ কাহিনি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। সিরিজটি প্রচারিত হবে প্যারামাউন্ট প্লাসে। এখন পর্যন্ত মুক্তির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। এদিকে নতুন সিরিজের ঘোষণার পাশাপাশি ‘অ্যাভাটার: সেভেন হ্যাভেনস’-এর তৃতীয় ও চতুর্থ মৌসুমের অনুমোদনের কথাও জানিয়েছে প্যারামাউন্ট প্লাস। এই সিরিজের গল্পে রয়েছে পাভি ও তার যমজ বোন নিশার অভিযান। ‘দ্য লেজেন্ড অব কোররা’সহ একাধিক সিরিজের মাধ্যমে বিস্তৃত হয়েছে ‘অ্যাভাটার: দ্য লাস্ট এয়ারবেন্ডার’-এর কল্পজগৎ। নতুন প্রিক্যুয়েল সিরিজটি সেই জগতের অতীতের ঘটনা ও পরিচিত চরিত্রগুলোর পেছনের গল্প আরও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবে। সিরিজটির শোরানার হিসেবে থাকছেন ব্রায়ান কোনিয়েটজকো। এটি নির্মাণ করছে অ্যাভাটার স্টুডিওস ও নিকেলোডিয়ন অ্যানিমেশন স্টুডিওস। এখন কুরুকের নতুন অভিযান দেখার অপেক্ষায় ভক্তরা।

মেয়ের প্রথম জন্মদিনে অপূর্বর আবেগঘন বার্তা

মেয়ের প্রথম জন্মদিনে আবেগঘন ভালোবাসার বার্তা দিয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। একমাত্র কন্যা আনায়াকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছবি প্রকাশ করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই অভিনেতা। মেয়ের জীবনে আসার পর কীভাবে বদলে গেছে তাঁর পৃথিবী, সেই অনুভূতিও তুলে ধরেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার মেয়ের প্রথম জন্মদিন উপলক্ষে দেওয়া পোস্টে অপূর্ব লিখেছেন, ‘এক বছর আগে তুমি আমাদের জীবনে এসেছিলে, তারপর পৃথিবীর সবকিছুই বদলে গেছে।’ মেয়েকে ভালোবাসার ৩৬৫ দিন পূর্ণ হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি তাঁদের ছোট্ট রাজকন্যাকে প্রথম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। পোস্টে মেয়েকে বড় হতে দেখার আনন্দ ও বাবা হিসেবে নিজের অনুভূতির কথা তুলে ধরেছেন অপূর্ব। তিনি লিখেছেন, সময় কীভাবে চলে গেছে, তা বুঝতেই পারেননি। ঠিক এক বছর আগে এই দিনেই আনায়া তাঁদের পৃথিবীতে এসেছিল এবং সুন্দরভাবে সবকিছু বদলে দিয়েছিল। আরোও পড়ুন,মিস্টার ইন্ডিয়া’র জ্যাকেট এখনো যত্নে রেখেছেন অনিলমেয়ের বেড়ে ওঠা, নতুন নতুন বিষয় আবিষ্কার করা এবং তার হাসি-আনন্দে ঘর ভরে ওঠার অভিজ্ঞতাকে জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য বলে উল্লেখ করেছেন এই অভিনেতা। মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত ছবিতে আনায়ার মাথায় দেখা যায় ছোট্ট একটি মুকুট। ছবির সঙ্গে আবেগঘন বার্তায় অপূর্ব লিখেছেন, মেয়ের মাথায় হয়তো আজ ছোট্ট একটি মুকুট শোভা পাচ্ছে, কিন্তু জন্মের মুহূর্ত থেকেই সে তাঁদের হৃদয়ের মুকুট পরে আছে। পোস্টের শেষাংশে মেয়ের উজ্জ্বল ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করে অপূর্ব লেখেন, তাঁর ছোট্ট মেয়ের জীবন যেন তার মতোই উজ্জ্বল, জাদুময় ও অমূল্য হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী শাম্মা দেওয়ানকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। বিয়ের চার বছর পর এই দম্পতির ঘরে আসে কন্যাসন্তান আনায়া। গত বছরের ডিসেম্বরে বাবা হওয়ার সুখবর প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন অভিনেতা। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকা অপূর্বর এই আবেগঘন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

মেয়ের প্রথম জন্মদিনে অপূর্বর আবেগঘন বার্তা

মিস্টার ইন্ডিয়া’র জ্যাকেট এখনো যত্নে রেখেছেন অনিল

৩৯ বছর পর আবারও ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ সিনেমার সেই পরিচিত পোশাকে হাজির হয়েছেন বলিউড অভিনেতা অনিল কাপুর। ১৯৮৭ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটিতে পরা শার্ট, প্যান্ট ও জ্যাকেট এত বছর ধরে যত্ন করে নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রেখেছেন এই অভিনেতা। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে সেই পোশাক পরে হাজির হয়ে ভক্তদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন পুরোনো দিনের স্মৃতিতে। ‘ইন্ডিয়া কে টপ ওয়ান পারসেন্ট: দ্য অনিল কাপুর শো’ অনুষ্ঠানে নিজের জনপ্রিয় সিনেমার সেই পোশাক পরে উপস্থিত হন অনিল কাপুর। এ সময় তিনি জানান, ৩৯ বছর পেরিয়ে গেলেও শার্ট, প্যান্ট ও জ্যাকেট এখনো তাঁর গায়ে ঠিকঠাক বসে। বিষয়টি নিয়ে হাস্যরসের ছলে অভিনেতা বলেন, শার্ট এখনো তাঁর গায়ে ঠিক হয়, প্যান্টও ঠিক হয়, এমনকি জ্যাকেটও ঠিক হয়। দীর্ঘ সময় পরও পোশাকের মাপ ঠিক থাকায় বিষয়টি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। অনিল কাপুর জানান, অনুষ্ঠানের আয়োজকেরা ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ সিনেমার আসল পোশাকটি ফিরিয়ে আনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তখন তিনি তাঁদের জানান, পোশাকটি এত বছর ধরে নিজের কাছেই সংরক্ষণ করে রেখেছেন। সিনেমাটিতে তাঁর পরিচিত লুকের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জ্যাকেটটি। সেই জ্যাকেট কেনার পেছনের গল্পও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন অভিনেতা। আরোও পড়ুন,যুবকের সঙ্গে ছবি দিয়ে অপুর আবেগঘন পোস্টতিনি জানান, মুম্বাইয়ের চোর বাজার থেকে জ্যাকেটটি কিনেছিলেন। পোশাকের পাশাপাশি নিজের চুলের সাজেও ধরে রেখেছেন পুরোনো দিনের ছাপ। সিনেমাটিতে তাঁর লম্বা চুলের যে পরিচিত স্টাইল ছিল, এখনো সেভাবেই চুল বড় করেছেন তিনি। অনুষ্ঠানটির বিশেষ পর্বে দেশের ও সমাজের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা মানুষদের তুলে ধরা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে অনিল কাপুর বলেন, ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ সিনেমা থেকে শেখার বিষয় হলো, সবাই মিস্টার ইন্ডিয়া হতে পারেন। তাঁর মতে, যাঁরা কোনো পুরস্কার কিংবা স্বীকৃতির প্রত্যাশা ছাড়াই দেশের ও মানুষের সেবা করেন, তাঁরাও একেকজন মিস্টার ইন্ডিয়া। দায়িত্ববোধ থেকেই তাঁরা মানুষের জন্য কাজ করে যান। উল্লেখ্য, শেখর কাপুর পরিচালিত ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ মুক্তি পায় ১৯৮৭ সালে। সিনেমাটিতে অনিল কাপুরের সঙ্গে অভিনয় করেন শ্রীদেবী ও অমরীশ পুরী। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা পাওয়া অরুণ ভার্মাকে ঘিরে নির্মিত সিনেমাটি গান, সংলাপ ও স্মরণীয় চরিত্রের কারণে আজও দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়। বিশেষ করে অমরীশ পুরীর ‘মোগাম্বো খুশ হুয়া’ সংলাপটি হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত সংলাপ হিসেবে বিবেচিত।

মিস্টার ইন্ডিয়া’র জ্যাকেট এখনো যত্নে রেখেছেন অনিল

যুবকের সঙ্গে ছবি দিয়ে অপুর আবেগঘন পোস্ট

ঢাকাই চলচ্চিত্রের চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় এক যুবকের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। পোস্টে ওই ব্যক্তিকে ‘প্রিয় বন্ধু’ ও ‘বিজনেস মেন্টর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অপু বিশ্বাস। জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তায় অপু লিখেছেন, ওই ব্যক্তির কাছ থেকেই ব্যবসাকে নতুনভাবে চিনতে শিখেছেন তিনি। পাশাপাশি নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সাহস এবং নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণাও পেয়েছেন তাঁর কাছ থেকে। অপু বিশ্বাসের এমন ব্যক্তিগত শুভেচ্ছাবার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব একটা দেখা যায় না। তাই ছবির সঙ্গে দেওয়া তাঁর আবেগঘন লেখাটি অনুসারীদের নজর কেড়েছে। শুভেচ্ছাবার্তার শুরুতে অপু বিশ্বাস লেখেন, ‘শুভ জন্মদিন আমার প্রিয় বন্ধু, আমার বিজনেস মেন্টর।’ এরপর ওই ব্যক্তির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাঁর জীবনের পথচলায় শেখানো বিষয়গুলোকে মূল্যবান বলে উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী। আরোও পড়ুন,দেবের পরিচালনায় প্রথম ছবি, সঙ্গে শুভশ্রী পূজায় বড় চমকএকই সঙ্গে তাঁর জন্য হৃদয়ের গভীর থেকে শুভকামনা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন তিনি। পোস্টে ওই ব্যক্তির সাফল্য কামনা করার পাশাপাশি বন্ধুত্ব ও একসঙ্গে পথচলা আরও দীর্ঘ হওয়ার প্রত্যাশাও প্রকাশ করেছেন অপু। তিনি লিখেছেন, শুধু ব্যবসায়িক পরামর্শদাতা হিসেবেই নয়, একজন প্রিয় বন্ধু হিসেবেও যেন সব সময় পাশে থাকেন তিনি। তবে ছবিতে থাকা ওই যুবকের পরিচয় নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে। অপু বিশ্বাস তাঁর পোস্টে সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও, তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ওই ব্যক্তির নাম ফেরদৌস হাসান। তিনি সিঙ্গাপুরপ্রবাসী একজন ব্যবসায়ী। উল্লেখ্য, অভিনয়ের পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন অপু বিশ্বাস। তাঁর এই ব্যবসায়িক পথচলায় ফেরদৌস হাসানের পরামর্শ ও অনুপ্রেরণার বিষয়টিই জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তায় উঠে এসেছে। তবে তাঁদের বন্ধুত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কৌতূহল তৈরি হলেও, এর বাইরে কোনো সম্পর্কের বিষয়ে অপু বিশ্বাসের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি।

যুবকের সঙ্গে ছবি দিয়ে অপুর আবেগঘন পোস্ট

দেবের পরিচালনায় প্রথম ছবি, সঙ্গে শুভশ্রী পূজায় বড় চমক

দুর্গাপূজার উৎসবকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনে শুরু হচ্ছে চার ছবির প্রতিযোগিতা। রোমান্স ও অ্যাকশন, রহস্যভেদ, ডাকাতির রোমাঞ্চ কিংবা ইতিহাসনির্ভর গল্প দর্শকদের জন্য থাকছে ভিন্ন স্বাদের আয়োজন। দেব–শুভশ্রীর নতুন ছবি ‘দেশু৭’, একেনবাবুকে নিয়ে ‘দ্য একেন: কেরালায় কুরুক্ষেত্র’, ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ এবং সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ নিয়ে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। চার ছবির মধ্যে বাড়তি আকর্ষণ দেব ও শুভশ্রী অভিনীত ‘দেশু৭’। গত বছর ‘ধূমকেতু’ মুক্তির পর আবারও পর্দায় ফিরছেন জনপ্রিয় এই জুটি। তবে এবার দেবের দায়িত্ব আরও বড়। অভিনয়ের পাশাপাশি ছবিটি পরিচালনা ও প্রযোজনাও করছেন তিনি। ছবিতে তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, প্রিয়াঙ্কা সরকার, রজতাভ দত্ত, কাঞ্চন মল্লিক ও অপরাজিতা আঢ্য। সিনেমাটি মুক্তি পাবে ১৬ অক্টোবর। অন্যদিকে, রহস্য ও হাস্যরসের মিশেলে ফিরছেন জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র একেনবাবু। অনির্বাণ চক্রবর্তী অভিনীত ‘দ্য একেন: কেরালায় কুরুক্ষেত্র’ ছবিতে এক বিজ্ঞানীর অপহরণের রহস্য সমাধানে কেরালায় পাড়ি দেবেন তিনি। আরোও পড়ুন,‘দৃশ্যম’-এর সঙ্গে তুলনা, নতুন মালয়ালম থ্রিলারে মুগ্ধ দর্শকছবিতে আরও রয়েছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, সুব্রত দত্ত, অম্বরীশ ভট্টাচার্য ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। সিনেমাটি পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাবে ১৫ অক্টোবর। একই দিনে মুক্তি পাবে ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’। ২০২৪ সালের ‘বহুরূপী’র সাফল্যের পর নতুন পর্বে আরও বড় পরিসরের ডাকাতি ও অ্যাকশন নিয়ে ফিরছেন নির্মাতা নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। অভিনয়ে রয়েছেন শিবপ্রসাদ, যিশু সেনগুপ্ত, সোহিনী সরকার ও কৌশানি মুখোপাধ্যায়। নতুন গল্পে যিশু ও শিবপ্রসাদের মুখোমুখি লড়াই ছবিটির অন্যতম আকর্ষণ। অন্য তিন ছবির তুলনায় ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে আসছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। তাঁর ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ ছবির কেন্দ্রে রয়েছেন সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। শরৎচন্দ্রের চরিত্রে অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী। ছবিতে আরও আছেন আবির চট্টোপাধ্যায় ও মিমি চক্রবর্তী। শরৎচন্দ্রের রাজনৈতিক চেতনা ও ব্রিটিশবিরোধী অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি গল্পে গুরুত্ব পেয়েছে তাঁর উপন্যাস ‘পথের দাবী’। ছবিটি মুক্তি পাবে ১৫ অক্টোবর। এখন দেখার বিষয়, পূজার ছুটিতে কোন ছবিটি দর্শকের সবচেয়ে বেশি মন জয় করে। তারকাদের জনপ্রিয়তা, পরিচিত ফ্র্যাঞ্চাইজি নাকি ভিন্নধর্মী গল্প শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসের লড়াইয়ে কোনটি এগিয়ে যায়, তা জানা যাবে মুক্তির পর।

দেবের পরিচালনায় প্রথম ছবি, সঙ্গে শুভশ্রী পূজায় বড় চমক

যৌন প্রস্তাবের পর সিনেমা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নীতি টেলর

সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার বিনিময়ে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব পেয়েছিলেন অভিনেত্রী নীতি টেলর। তাঁর দাবি, নিজের প্রথম তেলেগু সিনেমার পরিচালকের কাছ থেকেই এমন প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি। আকস্মিক এই ঘটনায় হতবাক হয়ে ফোন কেটে দেন অভিনেত্রী। পরে পরিচালকের নম্বর ব্লক করে মাকে ফোন দিয়ে পুরো ঘটনা জানান। সম্প্রতি হাউটারফ্লাইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের এই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেন নীতি টেলর। হিন্দি টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘ক্যায়সি ইয়ে ইয়ারিয়া’ দিয়ে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ঘটনাটি তাঁর অভিনয়জীবন নিয়ে ভাবনাতেও বড় প্রভাব ফেলেছিল। নীতি জানান, প্রথম সিনেমায় কাজ শেষ হওয়ার পর পরিচালক তাঁকে আরেকটি সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়ে ফোন করেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে পরিচালক তাঁকে যৌন সম্পর্কের শর্ত দেন বলে অভিযোগ করেন অভিনেত্রী। আরোও পড়ুন,‘দৃশ্যম’-এর সঙ্গে তুলনা, নতুন মালয়ালম থ্রিলারে মুগ্ধ দর্শকঘটনাটি স্মরণ করে নীতি বলেন, নতুন সিনেমায় কাজ করতে হলে পরিচালকের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে—এমন কথা শুনে তিনি বুঝে উঠতে পারছিলেন না কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন। শেষ পর্যন্ত ফোন কেটে দিয়ে পরিচালকের নম্বর ব্লক করেন। এরপর মাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই পরিচালককে এর আগেও অন্য নারীদের সঙ্গে দেখেছিলেন তিনি। কিন্তু নিজের সঙ্গেও এমন আচরণ করা হতে পারে, তা কল্পনা করেননি। ঘটনার পর এতটাই হতবাক হয়ে পড়েছিলেন যে, একপর্যায়ে আর কোনো সিনেমায় অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে সাক্ষাৎকারে সংশ্লিষ্ট পরিচালকের নাম প্রকাশ করেননি নীতি। ফলে তাঁর বক্তব্যে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরিচালকের কোনো প্রতিক্রিয়াও এখানে উল্লেখ করা হয়নি। ২০১২ সালে ‘মেম বয়সুকু ভাচাম’ সিনেমার মাধ্যমে তেলেগু চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় নীতির। এরপর ‘পেল্লি পুস্তাকাম’ ও ‘লাভ ডটকম’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। পরে আর তেলেগু চলচ্চিত্রে দেখা যায়নি তাঁকে।অন্যদিকে হিন্দি টেলিভিশনে ‘ক্যায়সি ইয়ে ইয়ারিয়া’ ছাড়াও ‘বড়ে আচ্ছে লাগতে হ্যায় ২’-এর মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন নীতি। সম্প্রতি রিয়েলিটি শো ‘অ্যালায়েন্স’-এ অংশ নিয়েও আলোচনায় আসেন তিনি।নীতির এই অভিজ্ঞতার বর্ণনা বিনোদনজগতে কাজের সুযোগের বিনিময়ে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগকে আবারও সামনে এনেছে।

যৌন প্রস্তাবের পর সিনেমা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নীতি টেলর

‘দৃশ্যম’-এর সঙ্গে তুলনা, নতুন মালয়ালম থ্রিলারে মুগ্ধ দর্শক

মালয়ালম সিনেমার পুলিশি তদন্তনির্ভর থ্রিলার মানেই দর্শকের মনে ভেসে ওঠে ‘দৃশ্যম’-এর নাম। জিতু জোসেফ পরিচালিত সেই সিনেমার জনপ্রিয়তার কারণে নতুন কোনো মালয়ালম ক্রাইম থ্রিলার মুক্তি পেলেই শুরু হয় তুলনা। এবার সেই আলোচনায় উঠে এসেছে পরিচালক শাহাদের সিনেমা ‘প্রধমা দৃষ্টিয়া কুট্টাকার’। গত মাসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর সিনেমাটি ব্যবসায়িক সাফল্য পায়। ৯ অক্টোবর নেটফ্লিক্সে মুক্তির পরও এটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। পার্বতী থিরুভোথু, বিজয়ারাঘবন, সিদ্ধার্থ ভরতন, ম্যাথু থমাস, বিনয় ফোর্ট ও উন্নিমায়া প্রসাদ অভিনীত সিনেমাটি একটি জটিল পুলিশি তদন্তকে কেন্দ্র করে নির্মিত। প্রায় দুই ঘণ্টা ৩৮ মিনিটের এই ক্রাইম থ্রিলারে রহস্যের পাশাপাশি গুরুত্ব পেয়েছে মানুষের নৈতিকতা, ব্যক্তিগত দুর্বলতা এবং আইন ও বিবেকের মধ্যকার দ্বন্দ্ব। গল্পের অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র আলিনা। স্বামীকে হারানোর পর পুলিশের চাকরিতে যোগ দেওয়া এই নারী কর্মকর্তার জীবনে ছোট মেয়েটিই সবচেয়ে বড় অবলম্বন। নতুন কর্মস্থলে গিয়ে তাঁর পরিচয় হয় জ্যেষ্ঠ কনস্টেবল দিব্যার সঙ্গে। পাশাপাশি দাসন ও শ্রীনাথের জীবনেও চলছে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের অপেক্ষা। সাধারণ জীবনযাপন করা এই পুলিশ কর্মকর্তারা সিনেমার প্রচলিত নিখুঁত ও আদর্শ পুলিশ চরিত্রের মতো নন। আরোও পড়ুন,হলিউডের ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে মুখ খুললেন ‘গেম অব থ্রোনস’ অভিনেত্রীকিন্তু তাঁদের একটি ভুল এমন পরিস্থিতি তৈরি করে, যার পরিণতি তাঁদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এরপর গল্পে প্রবেশ করেন অভিজ্ঞ ও খ্যাতিমান পুলিশ কর্মকর্তা হ্যারিস মিরান। একদিকে ভুলের জালে আটকে পড়া কয়েকজন পুলিশ সদস্য, অন্যদিকে দক্ষ তদন্তকারী—এই সংঘাতই সিনেমার রহস্যকে আরও ঘনীভূত করে। সিনেমাটির বড় শক্তি হলো, এখানে কোনো চরিত্রকেই পুরোপুরি নির্ভুল বা প্রশ্নের ঊর্ধ্বে রাখা হয়নি। তদন্ত যত এগোয়, ততই বদলে যায় চরিত্রগুলোর নৈতিক অবস্থান। দর্শকও বারবার নিজের ধারণা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হন। আলিনা চরিত্রে পার্বতী থিরুভোথু আবেগ, অনভিজ্ঞতা ও প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের দিকগুলো বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে হ্যারিস মিরান চরিত্রে বিজয়ারাঘবন তৈরি করেছেন একজন দক্ষ তদন্তকারীর দৃঢ় উপস্থিতি। কিছু জায়গায় গল্প এগিয়ে নিতে সুবিধাজনক পরিস্থিতির আশ্রয় নেওয়া হলেও দীর্ঘ দৈর্ঘ্যের সিনেমাটি অধিকাংশ সময় দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ, রহস্যের নানা স্তর এবং অপ্রত্যাশিত মোড়ের সমন্বয়ে ‘প্রধমা দৃষ্টিয়া কুট্টাকার’ মালয়ালম থ্রিলারের ভক্তদের জন্য আকর্ষণীয় একটি সংযোজন। তবে সিনেমাটি সত্যিই ‘দৃশ্যম’-এর চেয়ে ভালো কি না, তা দর্শকের ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। তুলনা সরিয়ে রেখে রহস্য, তদন্ত ও নৈতিক দ্বন্দ্বের গল্প উপভোগ করতে চাইলে সিনেমাটি দেখতে পারেন নেটফ্লিক্সে।

‘দৃশ্যম’-এর সঙ্গে তুলনা, নতুন মালয়ালম থ্রিলারে মুগ্ধ দর্শক

হলিউডের ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে মুখ খুললেন ‘গেম অব থ্রোনস’ অভিনেত্রী

হলিউডে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কাজ পাওয়ার আশায় অনেক অস্বস্তিকর পরিস্থিতি মেনে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী লিনা হেডি। জনপ্রিয় সিরিজ ‘গেম অব থ্রোনস’-এ নগ্ন দৃশ্যে বডি ডাবল ব্যবহারের কারণে দর্শকের সমালোচনার মুখেও পড়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতা, হলিউডের ক্ষমতার রাজনীতি এবং ব্যক্তিগত সীমারেখা রক্ষার অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। এইচবিওর জনপ্রিয় সিরিজ ‘গেম অব থ্রোনস’-এ সার্সি ল্যানিস্টার চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান লিনা হেডি। সিরিজটির পঞ্চম মৌসুমের শেষ দিকে একটি আলোচিত দৃশ্যে সার্সিকে নগ্ন অবস্থায় জনতার সামনে দিয়ে হাঁটতে দেখা যায়। ওই দৃশ্যে হেডির পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছিল বডি ডাবল। পরে ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের মাধ্যমে দুই অভিনয়শিল্পীর দৃশ্য একত্র করা হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে হেডি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কাজ পাওয়াই ছিল তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ফলে চুম্বন, অন্তরঙ্গ দৃশ্য কিংবা নগ্নতার প্রয়োজন হলে অনেক সময় নিজের অস্বস্তিকে গুরুত্ব দিতেন না তিনি। আরও পড়ুন,গেম অব থ্রোনস’-এ নগ্ন দৃশ্যে বডি ডাবল কেন, মুখ খুললেন লিনা হেডিএখন অতীতের দিকে ফিরে তাকিয়ে বুঝতে পারেন, সব পরিস্থিতি তাঁর জন্য স্বস্তিদায়ক ছিল না। ‘গেম অব থ্রোনস’-এর ওই দৃশ্যে বডি ডাবল ব্যবহারের কারণ ব্যাখ্যা করে হেডি জানান, চরিত্রের আবেগ ফুটিয়ে তোলাই তাঁর কাছে অভিনয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু কয়েক দিন ধরে বিপুলসংখ্যক মানুষের সামনে নগ্ন হয়ে হাঁটার অভিজ্ঞতা তাঁর মনোযোগ চরিত্রের অনুভূতির বদলে নিজের অস্বস্তির দিকে সরিয়ে নিতে পারত। এতে চরিত্রটির মানসিক অবস্থা বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরা কঠিন হতো বলে মনে করেছিলেন তিনি। তবে বডি ডাবল ব্যবহারের অর্থ এই নয় যে অভিনয় থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন হেডি। চরিত্রটির আবেগ ও অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলার কাজে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তা সত্ত্বেও নগ্ন দৃশ্যে নিজে অভিনয় না করায় তাঁকে কম দক্ষ অভিনেত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল বলে অতীতে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। সাক্ষাৎকারে হলিউডের ক্ষমতার রাজনীতি নিয়েও কথা বলেন হেডি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টিনের অগ্রহণযোগ্য আচরণের প্রতিবাদ করার পর মিরাম্যাক্সের আর কোনো ছবিতে কাজের সুযোগ পাননি তিনি। তাঁর ধারণা, ওই প্রযোজকের কাছে নতি স্বীকার না করায় পরবর্তী সময়ে অনেক কাজের সুযোগ হারিয়েছেন। লিনা হেডির অভিজ্ঞতা চলচ্চিত্রশিল্পে কাজের সুযোগের চাপ, ক্ষমতার অসমতা এবং অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত সীমারেখার প্রতি সম্মানের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা সামনে এনেছে।

হলিউডের ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে মুখ খুললেন ‘গেম অব থ্রোনস’ অভিনেত্রী

গেম অব থ্রোনস’-এ নগ্ন দৃশ্যে বডি ডাবল কেন, মুখ খুললেন লিনা হেডি

হলিউডের জনপ্রিয় সিরিজ ‘গেম অব থ্রোনস’-এ সার্সি ল্যানিস্টার চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন অভিনেত্রী লিনা হেডি। পর্দায় শক্তিশালী ও জটিল এক নারী চরিত্রের অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হলেও, সিরিজটির একটি নগ্ন দৃশ্যে বডি ডাবল ব্যবহারের কারণে তাঁকে দর্শকের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা এবং নিজের সীমারেখা রক্ষার বিষয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিনা হেডি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কাজ পাওয়াটাই ছিল তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া এবং শুটিং সেটে থাকার আনন্দে অনেক সময় এমন পরিস্থিতিও মেনে নিয়েছেন, যেগুলো তাঁর জন্য পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক ছিল না। অভিনয়জীবনের প্রথম দিকের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি জানান, কিছু চরিত্রে চুম্বন, প্রেমের অভিনয়, যৌনদৃশ্য কিংবা নগ্নতার প্রয়োজন হতো। তখন এসব বিষয়ে প্রশ্ন তোলার চেয়ে কাজ পাওয়ার সুযোগকে বেশি গুরুত্ব দিতেন তিনি। এখন অতীতের দিকে ফিরে তাকিয়ে বুঝতে পারেন, কিছু পরিস্থিতি তাঁর জন্য কঠিন ছিল। আরও পড়ুন,মৃত্যুর আগের দিনও গেয়েছিলেন গান, ৫৮ বছরেই থেমে যায় কিশোর কুমারের কিংবদন্তি কণ্ঠনিজের ব্যক্তিগত সীমারেখা সম্পর্কে সচেতনতা এবং তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার আত্মবিশ্বাসও তখন তুলনামূলকভাবে কম ছিল। লিনা হেডির এই অভিজ্ঞতা হলিউডে অভিনেত্রীদের পেশাগত পরিবেশ, পর্দায় শরীরের উপস্থাপন এবং নিজের সিদ্ধান্ত জানানোর অধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে ক্যারিয়ারের শুরুতে কাজ হারানোর আশঙ্কা কিংবা সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার ভয়ে অনেক অভিনয়শিল্পী অস্বস্তিকর পরিস্থিতি মেনে নিতে বাধ্য বোধ করেন কি না, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে। ‘গেম অব থ্রোনস’-এ বডি ডাবল ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। সিরিজটির পঞ্চম মৌসুমের শেষ দিকে সার্সি ল্যানিস্টারের একটি বহুল আলোচিত দৃশ্য দেখানো হয়। সেখানে চরিত্রটিকে নগ্ন অবস্থায় জনতার সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে বাধ্য করা হয়। চারপাশের মানুষের অপমান ও কটূক্তির মধ্য দিয়ে তাঁর অসহায়ত্ব, অপমান এবং মানসিক বিপর্যয় তুলে ধরা হয়েছিল। তবে দৃশ্যটিতে নগ্ন শরীরের অংশটি সরাসরি ধারণ করা হয়েছিল বডি ডাবলের মাধ্যমে। পরে ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ব্যবহার করে লিনা হেডির মুখের দৃশ্যের সঙ্গে তা সমন্বয় করা হয়। এ সিদ্ধান্তের কারণে দর্শকের একাংশ সমালোচনা করলেও অভিনেত্রী জানিয়েছেন, চরিত্রটির আবেগ প্রকাশ করার ক্ষেত্রে তাঁর নিজস্ব বিবেচনা ছিল।

গেম অব থ্রোনস’-এ নগ্ন দৃশ্যে বডি ডাবল কেন, মুখ খুললেন লিনা হেডি

মৃত্যুর আগের দিনও গেয়েছিলেন গান, ৫৮ বছরেই থেমে যায় কিশোর কুমারের কিংবদন্তি কণ্ঠ

গানে মাতিয়েছেন অসংখ্য শ্রোতাকে, অভিনয়ে হাসিয়েছেন দর্শককে। আবার নিজের খামখেয়ালি স্বভাব ও অদ্ভুত সব কাণ্ডে হয়েছেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা কিশোর কুমার। তাঁর জীবন যেমন ছিল বৈচিত্র্যে ভরা, তেমনি মৃত্যুর শেষ অধ্যায় ঘিরেও রয়েছে নানা স্মৃতি, কৌতূহল ও আবেগঘন ঘটনা। মৃত্যুর আগে ছেলের জন্য অপেক্ষা, অসুস্থতার মধ্যেও রসিকতা এবং জীবনের শেষ দিনগুলোর কর্মব্যস্ততা সব মিলিয়ে কিশোর কুমারের শেষ সময় আজও ভক্তদের আলোচনায় ফিরে আসে। ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর মাত্র ৫৮ বছর বয়সে মারা যান কিশোর কুমার। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর মৃত্যুর কারণ ছিল হৃদ্‌রোগ। তবে মৃত্যুর আগে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা তাঁর জীবনকে ঘিরে তৈরি করেছে বিশেষ রহস্যময় আবহ। বিশেষ করে ছেলে অমিত কুমারের স্মৃতিচারণায় উঠে আসা কিছু ঘটনা ভক্তদের মনে প্রশ্ন জাগায়—নিজের জীবনের শেষ সময় সম্পর্কে কি কোনো ধারণা পেয়েছিলেন এই কিংবদন্তি শিল্পী? কিশোর কুমারের মৃত্যুকে ঘিরে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি হলো কথিত ভবিষ্যদ্বাণী। বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে আসামে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে এক ট্যারো কার্ড পাঠকের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। ওই ব্যক্তি নাকি কিশোরকে বলেছিলেন, তাঁর হাতে আর সাত বছর সময় রয়েছে। পরবর্তী সময়ে ছেলে অমিত কুমারের স্মৃতিচারণার সূত্র ধরে ঘটনাটি আবার আলোচনায় আসে। যদিও এই ভবিষ্যদ্বাণীর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত নয়, তবু কিশোরের অকালমৃত্যুর সঙ্গে এর সময়গত সম্পর্ক নিয়ে অনেকের কৌতূহল রয়েছে।আরও পড়ুন,প্রাক্তন স্ত্রীর বিয়ে নিজেই পরিচালনা করলেন স্পাইডার-ম্যান তারকা টোবি ম্যাগুয়ার কিশোর কুমারের জীবনের শেষ দিনটি ছিল ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর। সে সময় তাঁর ছেলে অমিত কুমার যুক্তরাষ্ট্রে একটি অনুষ্ঠানের সফরে ছিলেন। সফরের শেষ পর্যায়ে তিনি কানাডার টরন্টোতে অবস্থান করছিলেন। বাবার অনুরোধে কিছু ইংরেজি সিনেমার ভিডিও ক্যাসেট কেনার কথাও তাঁর মনে ছিল। কিন্তু তখনো তিনি জানতেন না, দেশে ফিরে বাবার সঙ্গে আর দেখা হবে না। অমিত কুমারের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, মৃত্যুর দিন তাঁর ফেরার সময় নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন কিশোর কুমার। ছেলে কখন ফিরবেন, বিমান সময়মতো পৌঁছাবে কি না এসব বিষয় নিয়ে তিনি খোঁজখবর নিচ্ছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সেদিন তাঁর আচরণেও কিছুটা অস্থিরতা ছিল বলে স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে। তবে এসব ঘটনা থেকে তিনি নিজের মৃত্যুর সময় আগেই বুঝতে পেরেছিলেন, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। কিশোর কুমারের শেষ মুহূর্তের আরেকটি আলোচিত ঘটনা তাঁর রসিকতাপ্রবণ স্বভাবকে সামনে নিয়ে আসে। মৃত্যুর দিন তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন এবং কাঁধে ব্যথার কথাও জানিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন জীবনীভিত্তিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। তাঁর স্ত্রী লীনা চন্দাভারকর প্রথমে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পারেননি বলে স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক ডাকার প্রসঙ্গ আসে। তখন কিশোর কুমার নাকি রসিকতা করে বলেছিলেন, চিকিৎসক ডাকলে তাঁর সত্যিই হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে। কথাটি তাঁর পরিচিত হাস্যরসেরই প্রতিফলন ছিল বলে বর্ণনা করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। কিশোর কুমারের জীবনের শেষ কর্মদিবসটিও ছিল সংগীতময়। মৃত্যুর ঠিক আগের দিন, ১২ অক্টোবর, মুম্বাইয়ের মাহবুব স্টুডিওতে সংগীত পরিচালক বাপ্পি লাহিড়ীর সুরে ‘গুরু গুরু’ গানটি রেকর্ড করেছিলেন তিনি। গানটি ছিল মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রীদেবী অভিনীত ‘ওয়াক্ত কি আওয়াজ’ চলচ্চিত্রের জন্য।

মৃত্যুর আগের দিনও গেয়েছিলেন গান, ৫৮ বছরেই থেমে যায় কিশোর কুমারের কিংবদন্তি কণ্ঠ

প্রাক্তন স্ত্রীর বিয়ে নিজেই পরিচালনা করলেন স্পাইডার-ম্যান তারকা টোবি ম্যাগুয়ার

প্রাক্তন স্ত্রীর বিয়েতে শুধু অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকাই নয়, নিজেই বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন হলিউড অভিনেতা টোবি ম্যাগুয়ার। ‘স্পাইডার-ম্যান’ তারকার এমন ব্যতিক্রমী ভূমিকা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। নবদম্পতির প্রথম চুমুর মুহূর্তেও দেখা গেছে তাঁকে। গত ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ের ফোর সিজনস রিসর্ট লানাইয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন টোবি ম্যাগুয়ারের প্রাক্তন স্ত্রী জেনিফার মেয়ার ও তাঁর নতুন জীবনসঙ্গী জিয়োফ্রি ওগুনলেসি। বিয়ের কয়েকটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে টোবি ও জেনিফারের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। এর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন জীবন শুরু করলেন জেনিফার। তাঁর নতুন জীবনসঙ্গী জিয়োফ্রি ওগুনলেসি নাইজেরিয়ার ধনকুবের আইনজীবী ও বিনিয়োগকারী আদেবায়ো ওগুনলেসির ছেলে। তারকাখচিত এই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হলিউডের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ। অতিথিদের মধ্যে ছিলেন র‍্যাচেল জো, কোর্টনি কক্স, লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও তাঁর প্রেমিকা ভিত্তোরিয়া চেরেত্তি। আরও পড়ুন,অমিতাভের জন্মদিনে ঐশ্বরিয়ার বিশেষ শুভেচ্ছা, মন জয় নেটিজেনদেরএ ছাড়া অনুষ্ঠানে যোগ দেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ও তাঁর স্ত্রী লরেন সানচেজ বেজোস। টোবি ম্যাগুয়ার ও জেনিফার মেয়ার ২০০৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দীর্ঘ দাম্পত্যের পর ২০১৬ সালের অক্টোবরে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তাঁরা। পরে ২০২০ সালে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন জেনিফার। এই সাবেক দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। এদিকে জেনিফার ও জিয়োফ্রির সম্পর্কের কথা প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০২৩ সালে। ওই বছরের নভেম্বরে একটি অনুষ্ঠানে একসঙ্গে লালগালিচায় হাজির হন তাঁরা। এরপর ২০২৪ সালের আগস্টে ইনস্টাগ্রামে বাগ্‌দানের খবর জানান জেনিফার। চলতি বছরের ২১ জুন পিতৃদিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সন্তানের জন্মের খবরও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এবার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন জেনিফার। আর সেই বিশেষ দিনে প্রাক্তন স্বামী টোবি ম্যাগুয়ারের উপস্থিতি ও অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব পালন হলিউডে তাঁদের বিচ্ছেদ-পরবর্তী সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।

প্রাক্তন স্ত্রীর বিয়ে নিজেই পরিচালনা করলেন স্পাইডার-ম্যান তারকা টোবি ম্যাগুয়ার

অমিতাভের জন্মদিনে ঐশ্বরিয়ার বিশেষ শুভেচ্ছা, মন জয় নেটিজেনদের

বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন ঘিরে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসছেন ভক্তদের প্রিয় বিগ বি। তাঁর বিশেষ দিনে অসংখ্য শুভেচ্ছাবার্তার মধ্যে নজর কেড়েছে পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের একটি আবেগঘন পোস্ট। দাদু অমিতাভকে জড়িয়ে ধরে আছে নাতনি আরাধ্যা এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান ঐশ্বরিয়া। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (১১ অক্টোবর) ইনস্টাগ্রামে ছবিটি পোস্ট করেন ঐশ্বরিয়া। ছবিতে অমিতাভকে ঢিলেঢালা জ্যাকেট ও বিনি টুপি পরা অবস্থায় দেখা যায়। ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘শুভ জন্মদিন প্রিয় পা-দাদাজি। অনেক ভালোবাসা ও ঈশ্বরের আশীর্বাদ রইল সবসময়।’ ঐশ্বরিয়ার এই শুভেচ্ছাবার্তা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের আগ্রহ দেখা গেছে। অমিতাভের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলিউড ও দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রজগতের আরও অনেক তারকা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয় দত্ত, আরও পড়ুন,‘আবার এল যে সন্ধ্যা’র স্রষ্টা হ্যাপি আখান্দ, যাঁর শূন্যতা আজও পূরণ হয়নিচিরঞ্জীবী, প্রভাস, অনুপম খের, অজয় দেবগন, ফারাহ খান, কাজল ও শত্রুঘ্ন সিনহা। প্রতিবারের মতো এবারও জন্মদিনে মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবন জলসার বাইরে এসে ভক্তদের সঙ্গে দেখা করেন অমিতাভ বচ্চন। এ সময় লাল কুর্তা ও মানানসই শাল পরা অভিনেতাকে ভক্তদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায়। প্রিয় তারকাকে একনজর দেখতে বাড়ির বাইরে জড়ো হন অসংখ্য অনুরাগী। ভক্তদের তৈরি বিশাল ফুলের মালাও ছিল আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ। অন্যদিকে, জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র মঞ্চেও অমিতাভের জন্মদিন উদযাপন করা হয়। বিশেষ এই পর্বে তাঁর ছেলে অভিষেক বচ্চন উপস্থিত ছিলেন। অতিথি হিসেবে অংশ নেন মাধুরী দীক্ষিত, আয়ুষ্মান খুরানা ও সারা আলি খান। দীর্ঘ অভিনয়জীবন, অনন্য সংলাপ বলার ধরন ও পর্দায় শক্তিশালী উপস্থিতির কারণে অমিতাভ বচ্চন আজও বলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ। জন্মদিনে পরিবারের ভালোবাসা, সহকর্মীদের শুভেচ্ছা আর ভক্তদের উচ্ছ্বাসে আবারও আলোচনায় উঠে এলেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।

অমিতাভের জন্মদিনে ঐশ্বরিয়ার বিশেষ শুভেচ্ছা, মন জয় নেটিজেনদের

ওজন কমিয়েও কটাক্ষ থেকে রেহাই পাননি রাধিকা মদন

শরীরের ওজন নিয়ে সমালোচনা থেকে মুক্তি পেতে ওজন কমানোর দিকে মনোযোগী হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা মদন। কিন্তু অতিরিক্ত ওজন কমানোর চেষ্টা তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়। তবে ওজন কমানোর পরও সমালোচনা থামেনি। বরং যাঁরা একসময় তাঁকে মোটা বলে কটাক্ষ করতেন, তাঁরাই পরে অতিরিক্ত রোগা হয়ে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে রাধিকা উপলব্ধি করেন, অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে নিজের শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ নেওয়ার কোনো অর্থ নেই। কারণ, যাঁরা অন্যের চেহারা নিয়ে সমালোচনা করতে অভ্যস্ত, তাঁদের সন্তুষ্ট করা কঠিন। এরপর থেকে শারীরিক গড়নের চেয়ে সুস্থ থাকার ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করেন অভিনেত্রী। নিজের শরীর নিয়ে অন্যের মন্তব্যকে জীবনের সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করতে না দেওয়ার অবস্থান নেন তিনি। রাধিকা মদনের অভিজ্ঞতা নতুন করে সামনে এনেছে বিনোদনজগতে তারকাদের শারীরিক গঠন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনার বিষয়টি। আরও পড়ুন,‘আবার এল যে সন্ধ্যা’র স্রষ্টা হ্যাপি আখান্দ, যাঁর শূন্যতা আজও পূরণ হয়নিবিশেষ করে নারী শিল্পীদের ক্ষেত্রে ওজন, চেহারা ও সৌন্দর্য নিয়ে নানা মন্তব্য তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন ও মানসিক স্বস্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে, সম্প্রতি মা হওয়ার পর বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের শারীরিক পরিবর্তন নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে। মাতৃত্ব থেকে শুরু করে অভিনয়জীবন বিভিন্ন ক্ষেত্রেই নারীর শরীর যেন অন্যের বিচার-বিশ্লেষণের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু সৌন্দর্যকে নির্দিষ্ট কোনো ওজন বা শারীরিক গড়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা যায় না। প্রত্যেক মানুষের শরীর আলাদা, আর সুস্থতার বিষয়টিও ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। রাধিকা মদনের অভিজ্ঞতা সেই বার্তাই সামনে এনেছে—অন্যের মন্তব্যের চেয়ে নিজের স্বাস্থ্য ও সুস্থতাকে গুরুত্ব দেওয়াই বেশি জরুরি।

ওজন কমিয়েও কটাক্ষ থেকে রেহাই পাননি রাধিকা মদন

‘আবার এল যে সন্ধ্যা’র স্রষ্টা হ্যাপি আখান্দ, যাঁর শূন্যতা আজও পূরণ হয়নি

বাংলা সংগীতের এক ক্ষণজন্মা প্রতিভা হ্যাপি আখান্দ। মাত্র ২৭ বছর বয়সে থেমে যায় তাঁর জীবন, কিন্তু থেমে যায়নি তাঁর গান। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে শ্রোতাদের কণ্ঠে ও হৃদয়ে বেঁচে আছেন তিনি। আজ ১২ অক্টোবর, এই শিল্পীর জন্মদিন। বেঁচে থাকলে ৬৪ পেরিয়ে ৬৫ বছরে পা দিতেন বাংলা গানের এই সুরস্রষ্টা। ১৯৬০ সালের ১২ অক্টোবর পুরান ঢাকার পাতলা খান লেনের আখান্দ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন হ্যাপি আখান্দ। তাঁর কেতাবি নাম জিয়া হাসান আখান্দ। সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ আর নিজস্ব সুরের বৈশিষ্ট্য তাঁকে অল্প বয়সেই আলাদা পরিচিতি এনে দেয়। ১৯৭৫ সালে ‘আবার এল যে সন্ধ্যা’ গানটির মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।আরও পড়ুন,মহালয়ার সেই বিতর্কিত অধ্যায়, কেন উত্তমকুমারের কণ্ঠে মন ভরেনি বাঙালির সময় পেরিয়ে গেলেও গানটির জনপ্রিয়তা কমেনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান, পারিবারিক আয়োজন, বিয়ে কিংবা বনভোজন বাঙালির নানা আনন্দঘন মুহূর্তে আজও শোনা যায় এই গান। নতুন প্রজন্মের অনেক শ্রোতার কাছেও গানটি সমান পরিচিত। হ্যাপি আখান্দের সংগীতপ্রতিভা নিয়ে সহশিল্পীদের স্মৃতিচারণেও উঠে এসেছে নানা গল্প। প্রয়াত ব্যান্ড তারকা আইয়ুব বাচ্চু মনে করতেন, হ্যাপি আখান্দের চলে যাওয়া বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের জন্য ছিল বড় ধাক্কা। তাঁর শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয় বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদও হ্যাপির সৃজনশীলতার স্মৃতি তুলে ধরেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আড্ডার মধ্যেও হ্যাপি হাতের কাছে বাদ্যযন্ত্র না পেলে ম্যাচের কাঠি দিয়েই সুর তোলার চেষ্টা করতেন। সংগীত যেন তাঁর প্রতিদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল।

‘আবার এল যে সন্ধ্যা’র স্রষ্টা হ্যাপি আখান্দ, যাঁর শূন্যতা আজও পূরণ হয়নি

ভয় পাওয়ার মতো আর কিছু অবশিষ্ট না থাকে’, পুলিশের বিরুদ্ধে সরব জেইন মেরি

ভারতের মুম্বাইয়ে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর শরীরে আঘাতের দাগের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন অভিনেতা আমির খানের চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে জেইন মেরি। মুক্তি পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। গত শনিবার মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন জেইন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা ইমরান খান ও অভিনেত্রী লেখা ওয়াশিংটন। সেখান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। কয়েক ঘণ্টা পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে জেইনের হাত, আঙুল ও পায়ে আঘাতের দাগ দেখা যায়। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের এতটা ভয় দেখিয়ো না, যাতে ভয় পাওয়ার মতো আর কিছু অবশিষ্ট না থাকে।’ ভিডিওটির ক্যাপশনে জেইন লেখেন, ‘ইন্টারনেটে রাষ্ট্রের মুখোশ খুলে দিচ্ছে সে।’ তাঁর এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আটকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন অভিনেতা ইমরান খানও।আরও পড়ুন,মহালয়ার সেই বিতর্কিত অধ্যায়, কেন উত্তমকুমারের কণ্ঠে মন ভরেনি বাঙালিরতিনি জানান, কেন তাঁদের আটক করা হয়েছিল, তা বুঝতে পারেননি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ তাঁদের রাস্তা থেকে তুলে একটি ভ্যানে উঠতে বলে। এরপর প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ভ্যানে ঘোরানোর পর একটি অজ্ঞাত স্থানে নামিয়ে দেওয়া হয়। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটাধিকার পুনর্বহালের দাবিতে ওই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনেক ভোটারের নাম বাদ পড়া এবং তালিকায় কারসাজির অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানান আন্দোলনকারীরা। বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী। বিক্ষোভস্থলে যাওয়ার পথেই তাঁকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁকেও ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশের ভাষ্য, বোম্বে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আগস্ট ক্রান্তি ময়দান বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়েছিল। এদিকে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে দিল্লির যন্তর মন্তরেও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। সেখানে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এবং তাঁর দুই সহযোগীকেও আটক করার খবর পাওয়া গেছে। ওই আন্দোলন ঘিরে বিরোধী রাজনীতিক, সাংবাদিক ও আইনজীবীসহ দুই হাজারের বেশি মানুষকে আটকের খবর প্রকাশিত হয়েছে।

ভয় পাওয়ার মতো আর কিছু অবশিষ্ট না থাকে’, পুলিশের বিরুদ্ধে সরব জেইন মেরি

মহালয়ার সেই বিতর্কিত অধ্যায়, কেন উত্তমকুমারের কণ্ঠে মন ভরেনি বাঙালির

মহালয়ার ভোর। রেডিওতে বেজে উঠেছে দুর্গাপূজার আগমনী। কিন্তু চেনা কণ্ঠ বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের বদলে শোনা গেল মহানায়ক উত্তমকুমারের কণ্ঠ। গানেও ছিলেন লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোসলে ও মান্না দের মতো কিংবদন্তি শিল্পীরা। সংগীত পরিচালনায় হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। এত আয়োজন সত্ত্বেও শ্রোতাদের মন জয় করতে পারেনি নতুন অনুষ্ঠান। ঘটনাটি ১৯৭৬ সালের। দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘মহিষাসুরমর্দিনী’র পরিবর্তে সেবার আকাশবাণী প্রচার করে ‘দেবীং দুর্গতিহারিণীম্’। কিন্তু মহালয়ার ভোরে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারের পরই শ্রোতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বেতার কেন্দ্রে আসতে থাকে ক্ষুব্ধ টেলিফোন ও আপত্তির চিঠি। পত্রপত্রিকায়ও প্রকাশিত হয় সমালোচনা। শেষ পর্যন্ত শ্রোতাদের আবেগের কাছে ফিরতে হয় আকাশবাণীকে। ওই বছর দুর্গাপূজার ষষ্ঠীর দিন আবার প্রচার করা হয় ‘মহিষাসুরমর্দিনী’। আরও পড়ুন,গ্লুকোজ বিস্কুটে মাখন মেখে খেতেন অজয় দেবগন১৯৩২ সালে বাণীকুমারের রচনা, পঙ্কজকুমার মল্লিকের সংগীত পরিচালনা এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের শ্লোকপাঠের মধ্য দিয়ে এই আয়োজনের যাত্রা শুরু হয়। পরে ১৯৩৭ সালে অনুষ্ঠানটির নাম হয় ‘মহিষাসুরমর্দিনী’। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি বাঙালির দুর্গাপূজার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। ১৯৭৬ সালে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের পরিবর্তে উত্তমকুমারকে এবং পঙ্কজকুমার মল্লিকের পরিবর্তে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে উত্তমকুমার নিজেও এই প্রস্তাব নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন। তিনি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের সঙ্গে দেখা করে নিজের অস্বস্তির কথা জানিয়েছিলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ তাঁকে উৎসাহ দিলেও শ্রোতারা নতুন আয়োজন গ্রহণ করেননি। এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে পরিচালক সৌমিক সেনের চলচ্চিত্র ‘মহালয়া’। ছবিতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চরিত্রে শুভাশিস মুখোপাধ্যায় এবং উত্তমকুমারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন যিশু সেনগুপ্ত।ছবিটিতে একজন শিল্পীর আত্মমর্যাদা, প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত এবং বাঙালির দীর্ঘদিনের আবেগ সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে শুভাশিস মুখোপাধ্যায়ের সংযত অভিনয় ছবির অন্যতম আকর্ষণ।১৯৭৬ সালের সেই ঘটনা প্রমাণ করেছিল, জনপ্রিয় তারকাদের উপস্থিতি থাকলেই মানুষের দীর্ঘদিনের ভালোবাসা বদলে দেওয়া যায় না। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠ তাই শুধু একটি বেতার অনুষ্ঠানের অংশ নয়, বাঙালির শারদীয় স্মৃতি ও ঐতিহ্যেরও অবিচ্ছেদ্য অংশ।

মহালয়ার সেই বিতর্কিত অধ্যায়, কেন উত্তমকুমারের কণ্ঠে মন ভরেনি বাঙালির