শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

রাজধানী

সাত ইসলামী দলের ঐক্য এখনো চূড়ান্ত হয়নি, ২২ অক্টোবর বৈঠকে সমাধানের চেষ্টা

সাত ইসলামী দলের ঐক্য এখনো চূড়ান্ত হয়নি, ২২ অক্টোবর বৈঠকে সমাধানের চেষ্টা

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে সাত ইসলামী রাজনৈতিক দলের প্রস্তাবিত ঐক্য এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ঐক্যের রূপরেখার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেওয়ায় আলোচনা থমকে আছে। বিশেষ করে ঐক্যের অংশ হওয়ার পর কোনো দল অন্য রাজনৈতিক জোটে থাকতে পারবে কি না কিংবা ভবিষ্যতে নতুন কোনো জোটে যোগ দিতে পারবে কি না—এ প্রশ্নটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঐক্য প্রক্রিয়ায় রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। গত ২৭ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় সাত দলের প্রতিনিধিদের বৈঠকে ঐক্যের খসড়া রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে প্রতিটি দলের পাঁচজন করে মোট ৩৫ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। তবে খসড়া নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো প্রস্তাব চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পর রাজনৈতিক কৌশল ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দলগুলোর স্বাধীনতা থাকবে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।আড়ও পড়ুন,মোহাম্মদপুরে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে হিজাব ও টুপি বিতরণ পাশাপাশি হেফাজতে ইসলাম নিজেকে অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে পরিচয় দিলেও সাতটি রাজনৈতিক দলের ঐক্য প্রক্রিয়ায় উদ্যোগী হওয়ায় ভবিষ্যতে তাদের ভূমিকা কতটা থাকবে, তা নিয়েও মতভেদ রয়েছে। মতপার্থক্য নিরসনে ২৪ সদস্যের একটি লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত দলের তিনজন করে ২১ জন প্রতিনিধি এবং হেফাজতের তিনজন নেতা এই কমিটিতে থাকবেন। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমানকে।আগামী ২২ অক্টোবর ঢাকার খিলগাঁওয়ের একটি মাদ্রাসায় লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে অন্য রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সম্পর্ক, হেফাজতের ভূমিকা, দলগুলোর সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা এবং ঐক্যের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা হতে পারে।ঐক্যটি নির্বাচনী সমঝোতার জন্য, নাকি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক কাঠামো হিসেবে গড়ে তোলা হবে—এ বিষয়েও স্পষ্টতা চাওয়া হচ্ছে। সাত দলের কয়েকজন নেতা মনে করছেন, তাড়াহুড়ো করে ঐক্য গঠন না করে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর কাঠামো নিশ্চিত করা প্রয়োজন।বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার ঐক্য প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এমন ঐক্য চান না যা কিছুদিন পর আবার ভেঙে যায়। অন্যদিকে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী বৈঠকেই সাত দলের ঐক্যের রূপরেখা চূড়ান্ত হতে পারে।

গুলশান ও বনানী থানায় নতুন ওসি পদায়ন

ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান মডেল থানা ও বনানী থানায় নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওসি পদায়ন করা হয়েছে। একই আদেশে বনানী থানার বর্তমান ওসি মো. ফরিদুল ইসলামকে গোয়েন্দা পুলিশ বা ডিবি বিভাগে বদলি করা হয়েছে।বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এসব পদায়ন ও বদলির তথ্য জানানো হয়।অফিস আদেশ অনুযায়ী ডিএমপির আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুরকে গুলশান মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মো. সালাউদ্দিনকে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।একই আদেশে বনানী থানার বর্তমান ওসি মো. ফরিদুল ইসলামকে ডিবি বিভাগে বদলি করা হয়েছে। তবে অফিস আদেশে তাঁর বদলির কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।ফরিদুল ইসলামের বদলি নিয়ে এরই মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা কিংবা অভিযোগের ভিত্তিতেই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না সে বিষয়ে অফিস আদেশে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।আড়ও পড়ুন,পাসপোর্ট হারালে অনলাইনে রিপোর্টের পাশাপাশি করতে হবে জিডিএর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুলশান মডেল থানার তৎকালীন ওসি মো. দাউদ হোসেনকে ক্লোজড করা হয়। এর কয়েকদিনের মধ্যেই গুলশান ও বনানী থানায় নতুন ওসি পদায়নের সিদ্ধান্ত এলো।ডিএমপির গুরুত্বপূর্ণ দুটি থানা হিসেবে গুলশান ও বনানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থানার ওসিদের দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ। অপরাধ দমন নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশের সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন দায়িত্ব পাওয়া কর্মকর্তাদের ভূমিকা থাকবে গুরুত্বপূর্ণ।নতুন দায়িত্ব পাওয়া আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর গুলশান মডেল থানার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। আর মো. সালাউদ্দিন দায়িত্ব নেবেন বনানী থানায়। অন্যদিকে মো. ফরিদুল ইসলাম ডিবি বিভাগে দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন কর্মকর্তারা দায়িত্ব নেওয়ার পর গুলশান ও বনানী এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং নাগরিক সেবায় কী ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করেন এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

গুলশান ও বনানী থানায় নতুন ওসি পদায়ন

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট ছাত্রাবাসে ভয়ংকর টর্চার সেল

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান গাল্টু যুগান্তরকে জানান, তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের সহযোগী হিসাবে সড়কে কাজ করেন। ১৫ মে রাতে মহীউদ্দিন মাহি নামে এক শিক্ষার্থী তাকে ফোন করে আর্টস ইনস্টিটিউটের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখানে তার আরও দুই বন্ধু ডিজাইন বিভাগের পঞ্চমবর্ষের শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন শাওন ও একই ব্যাচের প্রিন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী টিটু হোসেন মোল্লাকে আগে থেকেই আটক করে রাখা হয় মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে। গাল্টু সেখানে যাওয়ার পর হলের ৩১৮ নম্বর রুমে তিনজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তিনজনকে আলাদা করে নির্যাচন চালানো হয়। 

গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট ছাত্রাবাসে ভয়ংকর টর্চার সেল

বাড্ডায় গ্যাস বিস্ফোরণে একে একে মারা গেলেন পরিবারের ৪ জন

তোফাজ্জলের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলা রং গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে রাজধানীর বাড্ডার দক্ষিণ আনন্দনগরের আনসার ক্যাম্প বাজারের পাশে একটি ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি বলেন, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় একই পরিবারের পাঁচজনকে আমাদের জরুরি বিভাগে আনা হয়। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিথিলা, যার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।তিনি আরও জানান, এর আগে রোববার বিকালে তানজিলা (৬৬ শতাংশ দগ্ধ) এবং রাতে মঞ্জুরা বেগম (৬৭ শতাংশ দগ্ধ) মারা যান। পরে বুধবার সকালে তোফাজ্জল হোসেন ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এই পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ১১ বছরের তানিশা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বাড্ডায় গ্যাস বিস্ফোরণে একে একে মারা গেলেন পরিবারের ৪ জন

বাড্ডায় গ্যাস বিস্ফোরণে একে একে মারা গেলেন পরিবারের ৪ জন

তোফাজ্জলের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলা রং গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে রাজধানীর বাড্ডার দক্ষিণ আনন্দনগরের আনসার ক্যাম্প বাজারের পাশে একটি ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি বলেন, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় একই পরিবারের পাঁচজনকে আমাদের জরুরি বিভাগে আনা হয়। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিথিলা, যার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।তিনি আরও জানান, এর আগে রোববার বিকালে তানজিলা (৬৬ শতাংশ দগ্ধ) এবং রাতে মঞ্জুরা বেগম (৬৭ শতাংশ দগ্ধ) মারা যান। পরে বুধবার সকালে তোফাজ্জল হোসেন ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এই পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য ১১ বছরের তানিশা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বাড্ডায় গ্যাস বিস্ফোরণে একে একে মারা গেলেন পরিবারের ৪ জন

শহিদ মিনারে তৃতীয় দিনের মতো পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীদের অবস্থান

তাদের সাত দফার মধ্যে রয়েছে– পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) চেয়ারম্যানের অপসারণ করতে হবে; এক ও অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আরইবি-পবিস একীভূতকরণ অথবা দেশের অন্যান্য বিতরণ সংস্থার ন্যায় পুনর্গঠন করতে হবে; মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার, লাইন শ্রমিক এবং পোষ্য কর্মীদের চাকরি নিয়মিত করতে হবে; মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করে চাকরিচ্যুতদের পদে পুনর্বহাল করতে হবে; গ্রাহক সেবার স্বার্থে লাইনক্রুসহ সব হয়রানি ও শাস্তিমূলক বদলি আদেশ বাতিল এবং বরখাস্ত ও সংযুক্ত কর্মীদের অবিলম্বে পদায়ন করতে হবে; জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা বা শিফটিং ডিউটি বাস্তবায়নের জন্য অতি দ্রুত জনবলের ঘাটতি পূরণ করতে হবে এবং পূর্ণাঙ্গ সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী বোর্ড গঠন করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম পরিচালিত করতে হবে।

শহিদ মিনারে তৃতীয় দিনের মতো পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীদের অবস্থান

সিগারেটের করকাঠামো সংস্কারের দাবি তরুণ চিকিৎসকদের

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চিকিৎসকরা বলেন, সিগারেটের চার স্তরের মূল্যব্যবস্থা নিম্ন, মধ্যম, উচ্চ ও প্রিমিয়াম তামাক কর নীতিকে দুর্বল করছে। বিশেষত, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের দামের ব্যবধান কম হওয়ায় ভোক্তারা সহজেই এক স্তর থেকে অন্য স্তরে চলে যেতে পারছেন। এই পরিস্থিতিতে নিম্ন ও মধ্যম স্তর একীভূত করে সেগুলোর দাম বাড়ানো হলে দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও তরুণ প্রজন্ম ধূমপান থেকে বিরত থাকবে, পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।তরুণ চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে আসন্ন বাজেটের জন্য প্রস্তাবিত কর ও মূল্য কাঠামো হলো নিম্ন ও মধ্যম স্তর একত্র করে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ৯০ টাকা নির্ধারণ; উচ্চ স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা অপরিবর্তিত রাখা; প্রিমিয়াম স্তরে প্রতি ১০ শলাকার খুচরা মূল্য ১৯০ টাকা নির্ধারণ। একই সঙ্গে সিগারেটের খুচরা মূল্যের ওপর ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ অপরিবর্তিত রাখা। তামাক নিয়ন্ত্রণে বিড়ি ও অন্যান্য তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধিরও সুপারিশ করা হয়।  ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২৫ টাকা এবং ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকার মূল্য ২০ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের দাবি জানানো হয়।  জর্দা ও গুলের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১০ গ্রামে খুচরা মূল্য ৫৫ টাকা ও ৩০ টাকা নির্ধারণ করে ৬০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের দাবি তোলা হয়।সন্ধানী ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল অ্যান্ড আপডেট ডেন্টাল কলেজ ইউনি

সিগারেটের করকাঠামো সংস্কারের দাবি তরুণ চিকিৎসকদের