রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

আন্তর্জাতিক

সৌদির রাজধানী রিয়াদে হামলা, দায় স্বীকার হুতিদের

সৌদির রাজধানী রিয়াদে হামলা, দায় স্বীকার হুতিদের

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতিরা। শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে আগুনের শিখা ও কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডুলি দেখা যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর হামলার দায় স্বীকার করে তারা। তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।রিয়াদের আকাশে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডুলি। বিমানবন্দরের মহাসড়কের কাছ থেকে দেখা যায় আগুনের শিখাও।রয়টার্সের প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এর কয়েক ঘণ্টা পর রিয়াদসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার দাবি করে হুতিরা।হুতিদের দাবি, রিয়াদের পাশাপাশি লোহিত সাগরের তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তেলকেন্দ্র ইয়ানবুতে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনাকেও লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।তবে রিয়াদের ঠিক কোন কোন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি হুতিরা।তাদের দাবি, ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হামলার জবাব হিসেবেই এসব আক্রমণ চালানো হয়েছে।এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী জানায়, শনিবার ভোররাতে রিয়াদের দিকে ছোড়া হুতিদের একটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।একই সঙ্গে সৌদির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ ও ফারাসান,আড়ও পড়ুন,ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রেরপশ্চিমাঞ্চলের তায়িফ এবং ইয়ানবুতেও হামলার চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করেছে তারা।রিয়াদে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার সতর্কতা জারি করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় বাসিন্দারা বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানান। তবে এসব শব্দ ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন প্রতিহত করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণ থেকেও হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।জুলাই থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করে আসছে হুতিরা। তবে চলমান সংঘাত শুরুর পর রিয়াদে হামলার দাবি এবারই প্রথম।হামলার আশঙ্কায় শনিবার ভোররাতে রিয়াদ ও আশপাশের বাসিন্দাদের সতর্ক করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।এখন পর্যন্ত হামলায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত করা হয়নি।অ্যাঙ্কর আউট:রিয়াদে হামলার এই দাবির পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও তেল অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি এবং লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসকে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন।সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।পেন্টাগনের হিসাবে, গত ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এর বাইরে অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ খরচ হয়েছে আরও ১৫০ কোটি ডলার।সব মিলিয়ে মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় কয়েক লাখ কোটি টাকার সমপরিমাণ।তবে এটিই ইরান যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ব্যয়ের হিসাব নয়।কারণ ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, স্থাপনা ও ভবন মেরামতের ব্যয় এখনো এই হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে যুদ্ধের চূড়ান্ত আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।পেন্টাগনের হিসাবে যুদ্ধের বড় একটি অংশের অর্থ ব্যয় হয়েছে অস্ত্র ও গোলাবারুদে। ইরান অভিযানে ব্যবহৃত বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পুনরায় সংগ্রহ করতেও যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হওয়া সামরিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন, বিমান পরিচালনা, আড়ও পড়ুন,ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্রনৌবাহিনী ও সেনাদের মোতায়েনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়েছে আরও কয়েক বিলিয়ন ডলার।এর আগে মার্কিন কংগ্রেসের বাজেট কার্যালয়ও জানিয়েছিল, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দ্রুত বাড়তে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, শুধু যুদ্ধ পরিচালনার খরচ নয়—যুদ্ধের পর ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতেও যুক্তরাষ্ট্রকে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে।ফলে পেন্টাগনের বর্তমান ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলারের হিসাবকে ইরান যুদ্ধের চূড়ান্ত ব্যয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, ততই বাড়বে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক ব্যয়ের চাপ।এখন বড় প্রশ্ন—ইরান যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কতটা দীর্ঘ এবং কতটা ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।

ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্র

ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত তীব্র হয়ে উঠেছে। হুথিদের দাবি তাদের নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন এলাকায় সৌদি বাহিনীর বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার হুথিরা জানিয়েছিল গত এক সপ্তাহে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সৌদি হামলার সংখ্যা ৩০০-তে পৌঁছেছে।অন্যদিকে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার দাবি করেছে তাইজ প্রদেশের আল-ওয়াজিয়াহ জেলায় শুক্রবারের সংঘর্ষে তাদের বাহিনীর হাতে ৩০ জন হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে সরকার। চলতি সপ্তাহে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া এলাকাগুলোর মধ্যে আল-ওয়াজিয়াহ অন্যতম।সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে লড়াই বিস্তৃত হওয়ার পাশাপাশি রাজধানী সানাতেও বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে। শুক্রবারের ওই বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে।বিক্ষোভকারীরা ইরান-সমর্থিত হুথিদের প্রতি সমর্থন জানান। একই সঙ্গে তারা সৌদি আরবের বিরোধিতায় বিভিন্ন স্লোগান দেন।আড়ও পড়ুন,গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে সমঝোতা ফলে সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি ইয়েমেনের রাজধানীতেও রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে।ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতে সৌদি আরব ও হুথিদের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। নতুন করে তাইজসহ কয়েকটি এলাকায় লড়াই ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে।তবে হুথিদের পক্ষ থেকে সৌদি হামলার যে সংখ্যা এবং ইয়েমেন সরকারের পক্ষ থেকে হতাহতের যে হিসাব দেওয়া হয়েছে সেগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি। স্বাধীনভাবে এসব সংখ্যা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্র

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে সমঝোতা

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কৌশলগত উপস্থিতি আরও বাড়াতে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার স্থায়ী সক্ষমতা থাকবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও বলেছেন, সমঝোতাটি গ্রিনল্যান্ডকে উত্তর আমেরিকার কৌশলগত প্রতিরক্ষা এলাকার অংশ হিসেবে রাখবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সামরিক উপস্থিতি ঠেকাতে সহায়তা করবে।তবে এই সমঝোতার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হচ্ছে না। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবেই থাকছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতারা জানিয়েছেন, সমঝোতাটি তাদের সার্বভৌমত্ব ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় সংসদীয় প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করতে হবে।নতুন সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ন্যাটোর বাইরের কোনো দেশ সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বাইরে অন্য দেশগুলোর সংবেদনশীল বিনিয়োগও সীমিত করার ব্যবস্থা থাকছে। আড়ও পড়ুন,মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভতবে ঠিক কতটি নতুন ঘাঁটি তৈরি হবে বা মার্কিন সামরিক উপস্থিতির পরিধি কতটা বাড়বে সে বিষয়ে বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি অবশ্য নতুন নয়। ১৯৫১ সালের চুক্তির মাধ্যমে সেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও বিমান চলাচলের ব্যাপক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের পিটুফিক স্পেস ফোর্স ঘাঁটি রয়েছে। নতুন সমঝোতা মূলত বিদ্যমান সামরিক অধিকারকে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি করার পথ তৈরি করছে।গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থানও এ সমঝোতার অন্যতম কারণ। আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থের পাশাপাশি রাশিয়া ও চীনের সম্ভাব্য সামরিক ও অর্থনৈতিক উপস্থিতি নিয়েও ওয়াশিংটনের উদ্বেগ রয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় এসব প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সামরিক ঘাঁটি ও সংবেদনশীল বিনিয়োগ সীমিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।তবে সমঝোতার পূর্ণাঙ্গ নথি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক অধিকার কতটা বিস্তৃত হবে এবং গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও এর কোন কোন ধারা বহাল থাকবে তা নিয়ে এখনো কিছু প্রশ্ন রয়েছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতারা অবশ্য জানিয়েছেন, সমঝোতার লক্ষ্য আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া।

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে সমঝোতা

মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভ

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরের ত্রাণশিবিরে বাস্তুচ্যুত মানুষের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি গীতা মিত্তল কমিটির প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে ৩৪টি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ।বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনা। আদালত মণিপুরের মুখ্য সচিবকে ত্রাণশিবিরে মৃত্যু বিশেষ করে অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।আদালত জানতে চেয়েছে ৩৪টি মৃত্যুর মধ্যে কেন মাত্র ২০টি ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ কী ছিল এবং এসব ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও জানাতে বলা হয়েছে।মণিপুর রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর সব ঘটনায় এফআইআর নিশ্চিত করা এবং তদন্ত দ্রুত শেষ করার বিষয়ে আলাদা স্ট্যাটাস রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। ত্রাণশিবিরে থাকা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়েও কর্তৃপক্ষকে নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশের মধ্যে এসব মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।মণিপুরের জাতিগত সহিংসতার ঘটনায় চলমান মামলার অগ্রগতিও পর্যালোচনা করেছে আদালত। আড়ও পড়ুন,গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তিরাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি জানান, বিশেষ তদন্তকারী দলের অধীনে ৩ হাজার ২০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৮৩টি মামলায় ক্লোজার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে, ৩০২টি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে এবং ৩৮টি মামলায় বিচার শুরু হয়েছে। আরও ১ হাজার ১৩৫টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।সিবিআইয়ের তদন্তাধীন ৩১টি মামলার মধ্যে ২৮টিতে অভিযোগপত্র এবং তিনটিতে ক্লোজার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়। বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত করতে বিশেষ আদালতের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।২০২৩ সালের মে মাসে শুরু হওয়া মণিপুরের সহিংসতার পর বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেন। সেই শিবিরগুলোর পরিস্থিতি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বিচারপতি গীতা মিত্তল কমিটি নিয়মিত প্রতিবেদন দিচ্ছে। সর্বশেষ শুনানিতে এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। 

মণিপুরের ত্রাণশিবিরে মৃত্যু নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষোভ

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তি

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর সুযোগ রেখে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।তার দাবি, নতুন এই সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ দেশগুলোকে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন ও স্পর্শকাতর বিনিয়োগ থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।বিশাল বরফে ঢাকা গ্রিনল্যান্ড। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উত্তর মেরু অঞ্চলের এই দ্বীপটির কৌশলগত গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।এই গ্রিনল্যান্ড নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প জানান, তার নির্দেশনায় ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র।ট্রাম্পের দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সক্ষমতা নিশ্চিত হয়েছে।চুক্তিটির নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ থাকবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।গ্রিনল্যান্ডের বরফে ঢাকা বিস্তীর্ণ অঞ্চল,আড়ও পড়ুন,রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল দুটি বিস্ফোরণের শব্দ গ্রিনল্যান্ডের মানচিত্র, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য, ডেনমার্কের পতাকা, গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকের দৃশ্য।তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।নতুন করে গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়।তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সমঝোতায় ন্যাটোর বাইরের দেশগুলোর গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের ওপর নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা থাকবে।পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সংবেদনশীল বিনিয়োগের সুযোগ রাখার কথাও বলা হয়েছে।সমঝোতার আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রবেশাধিকার, সামরিক ঘাঁটি ব্যব

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ‘স্থায়ী’ করতে চুক্তি

রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল দুটি বিস্ফোরণের শব্দ

ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হওয়ার মধ্যে এবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জারি হলো বিমান হামলার সতর্কতা। সতর্কবার্তা পাওয়ার কিছুক্ষণ পরই শহরে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।পরে সতর্কতা প্রত্যাহার করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।শনিবার ভোর। রিয়াদের বাসিন্দাদের মোবাইলে আসে জরুরি সতর্কবার্তা।বার্তায় জানানো হয়, এলাকাটি ‘শত্রুপক্ষের আকাশপথের হুমকির’ মধ্যে রয়েছে। বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।সতর্কবার্তার কিছুক্ষণ পরই দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন এএফপির সাংবাদিকরা।প্রায় আধা ঘণ্টা পর সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয়। রিয়াদে এই সতর্কতা জারি হওয়ার ঘটনা ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।আড়ও পড়ুন,ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন এরিক জেমুররিয়াদের স্কাইলাইন / রাতের শহর / সৌদি সিভিল ডিফেন্স / ইয়েমেনের মানচিত্র / হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকা।রিয়াদে এই সতর্কতার ঘটনা ঘটছে ইয়েমেনে হুথি বাহিনী ও সৌদি-সমর্থিত পক্ষগুলোর মধ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার সময়।সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে জেদ্দা, তাইফসহ বিভিন্ন এলাকায়ও সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।সংঘাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি।ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলজুড়ে হুথিদের অগ্রযাত্রায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বাব আল-মান্দেব এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্য এবং জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট। হুথিরা সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজের বিরুদ্ধে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, তাদের দাবি—সৌদি জাহাজ ছাড়া অন্য জাহাজের জন্য নৌপথটি উন্মুক্ত রয়েছে।এদিকে ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় মানবিক পরিস্থিতিও আরও খারাপ হচ্ছে। জাতিসংঘের হিসাবে সাম্প্রতিক লড়াইয়ে এক লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষ সমুদ্রপথে জিবুতিতে পালিয়ে গেছে। 

রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা, শোনা গেল দুটি বিস্ফোরণের শব্দ

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন এরিক জেমুর

ফ্রান্সের আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ডানপন্থী রাজনীতিক এরিক জেমুর।শুক্রবার বিএফএমটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের প্রার্থিতার বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিকনকোয়েস্ট পার্টির এই নেতা। ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ অবস্থানে থাকা জেমুর এবার অভিবাসন নিয়ন্ত্রণকে তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে সামনে এনেছেন।জেমুর বলেছেন, তিনি ক্ষমতায় গেলে বিদেশি অপরাধীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেবেন। এমনকি কারাগারে না থাকা বিদেশিদের ক্ষেত্রেও এই নীতি প্রয়োগের কথা বলেছেন তিনি।এ ছাড়া অনিবন্ধিত অভিবাসীদের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বেকার থাকা এবং সরকারি কল্যাণ ভাতার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল বিদেশিদেরও নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন জেমুর।আগামী বছর প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবে ফ্রান্সে। এরই মধ্যে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়েছেন দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।ডানপন্থী ন্যাশনাল র‌্যালি পার্টির নেতা মেরিন লি পেনও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন।আড়ও পড়ুন,ইরানে মার্কিন হামলায় যুদ্ধাপরাধের যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘ গত দুই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ম্যাক্রোঁর কাছে রানারআপ হন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে নির্বাচনের প্রথম দফায় লি পেনকে এগিয়ে থাকার তথ্য উঠে এসেছে।তবে নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় কারা মুখোমুখি হতে পারেন তা নিয়ে এখনো নানা সমীকরণ রয়েছে। সাম্প্রতিক একটি জরিপে মধ্যপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার ফিলিপের সঙ্গে লি পেনের সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা বলা হয়েছে। আবার অন্য পরিস্থিতিতে কট্টর বামপন্থী নেতা জ্যাঁ-লুক মেলঁশঁ লি পেনের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন বলে জরিপে উঠে এসেছে।১৩ হাজার ভোটারের ওপর পরিচালিত ওই জরিপের ফলাফলে এসব সম্ভাব্য সমীকরণের কথা বলা হয়েছে। তবে নির্বাচন এখনো সামনে থাকায় প্রার্থিতা ও রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন এরিক জেমুর

ইরানে মার্কিন হামলায় যুদ্ধাপরাধের যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘ

ইরানে দুটি সামরিক হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মতো যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘের ইরানবিষয়ক স্বাধীন আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান মিশন। একই সঙ্গে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে ইরানি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগও এনেছে সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে উপস্থাপনের কথা রয়েছে।তদন্ত মিশনটি ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান এবং এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে ইরানি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা পর্যালোচনা করেছে।প্রতিবেদনে দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরের শাজারেহ তায়েবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে ওই হামলার জন্য মার্কিন বাহিনী দায়ী হওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট কারণ রয়েছে।ইরানি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হামলায় ১৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের বড় অংশই ছিল স্কুলশিক্ষার্থী। জাতিসংঘের মিশন বলছে হামলাটি নির্বিচার ছিল এবং এতে বেসামরিক মানুষ ও একটি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।তদন্তকারীরা বলছেন হামলার আগে এমন গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভর করা হয়েছিল যাতে দাবি করা হয় একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সামরিক কমান্ডার ওই এলাকায় অবস্থান করছেন। আড়ও পড়ুন,মোদির জন্মদিনে পুতিনের বিশেষ বার্তা, একই গাড়িতে দুই নেতাকিন্তু হামলার আগে তথ্যটি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। স্কুলটি সামরিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল এমন কোনো প্রমাণও তদন্তকারীরা পাননি।লামের্দ শহরের একটি ক্রীড়াকেন্দ্রে হামলার বিষয়েও একই ধরনের উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের মিশন। তাদের মতে ওই হামলায় আশপাশের আবাসিক ভবন ও একটি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বেসামরিক মানুষ হতাহত হন। তদন্তকারীরা এটিকেও নির্বিচার হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।অন্যদিকে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তদন্ত মিশন। তাদের অনুসন্ধানে বেসামরিক মানুষের ওপর ব্যাপক ও পরিকল্পিত হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে এসেছে। এর মধ্যে বেআইনি হত্যাকাণ্ড নির্যাতন নির্বিচারে আটক জোরপূর্বক গুম এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।তবে ইরান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তেহরানের দাবি বিক্ষোভ ও অস্থিরতার পেছনে বিদেশি সমর্থিত বিরোধী গোষ্ঠী এবং সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাকারীরা জড়িত ছিল।জাতিসংঘের তদন্ত মিশন জানিয়েছে বিক্ষোভে নিহত মানুষের প্রকৃত সংখ্যা তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। তবে তাদের ধারণা প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় বেশি হতে পারে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এর আগে দাবি করেছেন তাদের সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও যুদ্ধের নিয়ম মেনেই পরিচালিত হয়েছে। ইরানও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

ইরানে মার্কিন হামলায় যুদ্ধাপরাধের যৌক্তিক কারণ পেয়েছে জাতিসংঘ

মোদির জন্মদিনে পুতিনের বিশেষ বার্তা, একই গাড়িতে দুই নেতা

জন্মদিনে মোদিকে পুতিনের শুভেচ্ছা। আর সেই বার্তায় উঠে এসেছে ভারত-রাশিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের প্রসঙ্গ।বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুতিনের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ করে ভারতে অবস্থিত রুশ দূতাবাস‘দ্রুঝবা-দোস্তি’—অর্থাৎ বন্ধুত্বের বার্তা—হ্যাশট্যাগে প্রকাশ করা ওই বার্তায় পুতিন মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। পুতিনের বার্তায় বলা হয়, মোদি ভারতের জনগণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক সম্মানের অধিকারীভারত-রাশিয়ার বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে মোদির ব্যক্তিগত অবদানের প্রশংসাও করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।ভিজ্যুয়াল: মোদি-পুতিনের বৈঠক, করমর্দন ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফুটেজ।গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন।সেই সম্মেলনে রুশ প্রতিনিধিদলকে আতিথেয়তার জন্য মোদিকে ধন্যবাদ জানান পুতিন।শুধু তাই নয়, মোদির সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকেও বস্তুনিষ্ঠ ও ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন তিনি। পুতিনের ভাষ্য, মোদির রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।ভিজ্যুয়াল: ব্রিকস সম্মেলন, মোদি-পুতিন বৈঠক, করমর্দন ও সম্মেলনের বিভিন্ন দৃশ্য।ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও পুতিনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,আরব সাগরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষএকই সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুও আলোচনায় আসে। ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার বৈঠকের ক্লোজ শট।আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকটের প্রভাব, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতার আলোচনার কথা উঠে এসেছে।বৈঠক শেষে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে করে একটি প্রদর্শনী পরিদর্শন করতে দেখা যায়।ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার একই গাড়িতে জন্মদিনে মোদিকে পুতিনের শুভেচ্ছা। আর সেই বার্তায় উঠে এসেছে ভারত-রাশিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের প্রসঙ্গ।বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুতিনের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ করে ভারতে অবস্থিত রুশ দূতাবাস।‘দ্রুঝবা-দোস্তি’—অর্থাৎ বন্ধুত্বের বার্তা—হ্যাশট্যাগে প্রকাশ করা ওই বার্তায় পুতিন মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। পুতিনের বার্তায় বলা হয়, মোদি ভারতের জনগণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক সম্মানের অধিকারী।ভারত-রাশিয়ার বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে মোদির ব্যক্তিগত অবদানের প্রশংসাও করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।ভিজ্যুয়াল: মোদি-পুতিনের বৈঠক, করমর্দন ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফুটেজ।গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন।সেই সম্মেলনে রুশ প্রতিনিধিদলকে আতিথেয়তার জন্য মোদিকে ধন্যবাদ জানান পুতিন।শুধু তাই নয়, মোদির সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনাকেও বস্তুনিষ্ঠ ও ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন তিনি। পুতিনের ভাষ্য, মোদির রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ভারত-রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।ভিজ্যুয়াল: ব্রিকস সম্মেলন, মোদি-পুতিন বৈঠক, করমর্দন ও সম্মেলনের বিভিন্ন দৃশ্য।ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও পুতিনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুও আলোচনায় আসে। ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার বৈঠকের ক্লোজ শট।আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকটের প্রভাব, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতার আলোচনার কথা উঠে এসেছে।বৈঠক শেষে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে করে একটি প্রদর্শনী পরিদর্শন করতে দেখা যায়।ভিজ্যুয়াল: দুই নেতার একই গাড়িতে ওঠা ও প্রদর্শনী পরিদর্শনের ফুটেজ।দুই নেতার একসঙ্গে চলাচলের এই দৃশ্য নতুন করে আলোচনায় আসে। এর আগেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সম্মেলনে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে।সব মিলিয়ে মোদির জন্মদিনে পুতিনের বার্তায় ব্যক্তিগত শুভেচ্ছার পাশাপাশি ভারত-রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়টিই গুরুত্ব পেয়েছে।মোদির ৭৬তম জন্মদিনে পুতিনের শুভেচ্ছাবার্তা এবং সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক—দুই দেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ককে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এনেছে। ওঠা ও প্রদর্শনী পরিদর্শনের ফুটেজ।দুই নেতার একসঙ্গে চলাচলের এই দৃশ্য নতুন করে আলোচনায় আসে। এর আগেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সম্মেলনে মোদি ও পুতিনকে একই গাড়িতে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে।সব মিলিয়ে মোদির জন্মদিনে পুতিনের বার্তায় ব্যক্তিগত শুভেচ্ছার পাশাপাশি ভারত-রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়টিই গুরুত্ব পেয়েছে।মোদির ৭৬তম জন্মদিনে পুতিনের শুভেচ্ছাবার্তা এবং সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক—দুই দেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্ককে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এনেছে। 

মোদির জন্মদিনে পুতিনের বিশেষ বার্তা, একই গাড়িতে দুই নেতা

আরব সাগরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ

আন্তর্জাতিক জলসীমায় ভারত ও পাকিস্তানের নৌযানের সংঘর্ষকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।ঘটনার জেরে পাকিস্তানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সাদ আহমদ ওয়ারাইচকে তলব করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের দাবি, সংঘর্ষে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও পাকিস্তানি নৌযানের চলাচল ছিল অগ্রহণযোগ্য ও অপেশাদার।ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় সংঘটিত এই ঘটনা ১৯৯১ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সামরিক মহড়া, আড়ও পড়ুন,ইয়েমেনে ফের উত্তাপ, হাউছিদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনীর হামলাকৌশলগত চলাচল ও সেনা স্থানান্তরের বিষয়ে আগাম নোটিশ সংক্রান্ত চুক্তির ১০ নম্বর অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন।পাকিস্তানি কূটনীতিককে ভারতের উদ্বেগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সামরিক ইউনিটগুলোকে সতর্ক থাকার এবং দুই দেশের বিদ্যমান চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরব সাগরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ

ইয়েমেনে ফের উত্তাপ, হাউছিদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনীর হামলা

ইয়েমেনের পশ্চিম তাইজ প্রদেশে হাউছিদের অবস্থান, ব্যারাক ও সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে দেশটির সরকারি বাহিনী।বুধবার ইয়েমেনি সামরিক বাহিনীর মিডিয়া সেন্টার জানায়, তাইজের পশ্চিমে আল-কাদা ফ্রন্টে এ হামলা চালানো হয়। অভিযানে ইয়েমেনের চতুর্থ সামরিক অঞ্চলের বাহিনী অংশ নেয় বলে জানিয়েছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু।তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তাৎক্ষণিক তথ্য পাওয়া যায়নি। হামলার বিষয়ে হাউছিদের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য আসেনি।সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আল-কাদা ফ্রন্টে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। তাইজের সঙ্গে লোহিত সাগর তীরবর্তী বন্দরনগরী মোখার সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নিয়ন্ত্রণ নিতে সরকারি বাহিনী সেখানে অভিযান চালাচ্ছে।কৌশলগত অবস্থানের কারণে আল-কাদা ফ্রন্টটি দুই পক্ষের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। এই এলাকা তাইজকে মোখার সঙ্গে যুক্ত করেছে।আড়ও পড়ুন,হরমুজে তৃতীয় মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানেরএদিকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার ও হাউছিদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে আবারও সংঘাত বেড়েছে। জুলাইয়ের শুরু থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও লড়াই নতুন করে তীব্র হয়েছে।এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর কয়েক বছর পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত ছিল। তবে সাম্প্রতিক সংঘর্ষে সেই স্থিতিশীলতা আবারও চাপে পড়েছে।তাইজ-মোখা যোগাযোগপথের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে আল-কাদা ফ্রন্টে লড়াই অব্যাহত থাকায় ইয়েমেনের সংঘাত পরিস্থিতি নতুন করে আন্তর্জাতিক নজরে এসেছে।

ইয়েমেনে ফের উত্তাপ, হাউছিদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনীর হামলা

হরমুজে তৃতীয় মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান।দেশটির ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় এটি তাদের হাতে ধ্বংস হওয়া তৃতীয় মার্কিন এমকিউ-১ প্রিডেটর ড্রোন।মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতিতে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির আকাশে একটি মার্কিন ড্রোন শনাক্ত করার পর সেটিকে অনুসরণ করা হয়। পরে উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে।ইরানের দাবি, ড্রোনটি দেশটির সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নজরদারির মধ্যে ছিল। একপর্যায়ে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়।আড়ও পড়ুন,কক্ষপথে মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্রইরানের ভাষ্য, কোনো ধরনের হামলা চালানোর সুযোগ পাওয়ার আগেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে।এর কয়েক ঘণ্টা আগেও একই এলাকায় আরেকটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছিল ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। এর আগে গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি আরও একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি জানিয়েছিল ইরানের সেনাবাহিনী।সাম্প্রতিক এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সামরিক উত্তেজনার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।ইরান বলছে, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে সামরিক ও সামুদ্রিক তৎপরতার ওপর নজরদারি এবং নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করা হয়েছে।এদিকে, সামরিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ ধারণা করছেন, মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের ক্ষয়ক্ষতির পর যুক্তরাষ্ট্র পুরোনো এমকিউ-১ মডেলের ড্রোনের ব্যবহার বাড়িয়েছে।তবে ইরানের সাম্প্রতিক ড্রোন ভূপাতিতের দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।ফলে ইরানের দাবির সত্যতা নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিরপেক্ষ কোনো নিশ্চয়তা নেই। হরমুজ প্রণালিতে দুই দেশের সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই নজর এখন পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে।

হরমুজে তৃতীয় মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের

কক্ষপথে মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

পৃথিবীর কক্ষপথে একটি মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির দাবি সম্ভাব্য শত্রু হামলা থেকে মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতেই এই অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে।সোমবার এয়ার স্পেস অ্যান্ড সাইবার কনফারেন্সে এ তথ্য জানান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক। তিনি বলেন পরিবর্তনশীল হুমকি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে। তবে অস্ত্রটির সুনির্দিষ্ট সক্ষমতা কী এবং ঠিক কখন এটি কক্ষপথে পাঠানো হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা মহাকাশে দেশটির সামরিক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি রাশিয়া ও চীন ভবিষ্যতের সংঘাতে মার্কিন স্যাটেলাইটে হামলা এবং সেগুলোর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানোর সক্ষমতা তৈরি করছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মহাকাশভিত্তিক সক্ষমতা এবং ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রকে তাদের পরিকল্পিত গোল্ডেন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য আকাশপথের হুমকি মোকাবেলায় এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।আড়ও পড়ুন,মহাকাশেও যুদ্ধের প্রস্তুতি, কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের১৯৬৭ সালের একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে কক্ষপথে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র মোতায়েন নিষিদ্ধ করা হয়। তবে এর আওতার বাইরে বিভিন্ন ধরনের সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ও চীন। এর মধ্যে প্রতিপক্ষের স্যাটেলাইটকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রযুক্তিও রয়েছে।সামরিক যোগাযোগ নজরদারি ও নেভিগেশনের ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় মহাকাশে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রতিযোগিতা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ রয়েছে।গত বছর ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশ জারি করে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ শক্তিকে শুধু আত্মরক্ষামূলক নয় বরং আক্রমণাত্মক সক্ষমতা হিসেবেও গড়ে তোলার কথা জানান। নতুন এই স্বীকারোক্তির ফলে মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।

কক্ষপথে মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

মহাকাশেও যুদ্ধের প্রস্তুতি, কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

মহাকাশকে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে পৃথিবীর কক্ষপথে বিশেষ ধরনের অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক জানিয়েছেন, মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে সম্ভাব্য শত্রুভাবাপন্ন কর্মকাণ্ড থেকে সুরক্ষা দিতে কক্ষপথে এই সামরিক সক্ষমতা মোতায়েন করা হয়েছে। তবে অস্ত্রটির ধরন ও সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।ভয়েসওভার:মহাকাশে সামরিক প্রতিযোগিতায় নতুন বার্তা দিল যুক্তরাষ্ট্র।সোমবার ‘এয়ার, স্পেস অ্যান্ড সাইবার কনফারেন্স’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় মার্কিন বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েনের কথা জানান।তবে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে তিনি বলেননি, অস্ত্রটির সুনির্দিষ্ট সক্ষমতা কী এবং ঠিক কবে এটি মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, মহাকাশে শত্রুভাবাপন্ন পক্ষের কর্মকাণ্ড থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সুরক্ষা এবং পরিবর্তনশীল সামরিক হুমকি মোকাবিলার জন্য এ ধরনের সক্ষমতা প্রয়োজন।ওয়াশিংটনের প্রধান উদ্বেগের জায়গায় রয়েছে চীন ও রাশিয়া।আড়ও পড়ুন,আলাস্কায় নৌকা উল্টে নিখোঁজের পর ১৫ বছরের কিশোর উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ভবিষ্যৎ কোনো সংঘাতে মার্কিন সামরিক যোগাযোগ, নজরদারি ও ন্যাভিগেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্যাটেলাইটগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা তৈরি করছে দেশ দুটি।কারণ যুদ্ধের সময় এসব স্যাটেলাইটে হামলা কিংবা যোগাযোগ ব্যবস্থা অকার্যকর করে দেওয়া গেলে মার্কিন সামরিক সক্ষমতা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মহাকাশভিত্তিক ইন্টারসেপ্টর ও অন্যান্য সামরিক সক্ষমতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। ১৯৬৭ সালের মহাকাশ চুক্তি পৃথিবীর কক্ষপথে গণবিধ্বংসী ও পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন নিষিদ্ধ করেছে। তবে প্রচলিত সামরিক অস্ত্র ও স্যাটেলাইটবিধ্বংসী প্রযুক্তি নিয়ে বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা দীর্ঘদিনের।২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত মার্কিন স্পেস ফোর্সও মহাকাশে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে আসছে।ফলে পৃথিবীর বাইরে মহাকাশকে ঘিরে সামরিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি সেই প্রতিযোগিতায় যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

মহাকাশেও যুদ্ধের প্রস্তুতি, কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

আলাস্কায় নৌকা উল্টে নিখোঁজের পর ১৫ বছরের কিশোর উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ নৌকাডুবির কয়েকদিন পর জীবিত উদ্ধার হয়েছে ১৫ বছরের এক কিশোর। নৌকাটিতে থাকা তিনজনের মধ্যে একমাত্র বেঁচে যাওয়া ওই কিশোরকে উল্টে যাওয়া নৌকার ওপর বসে থাকতে দেখেন মার্কিন কোস্টগার্ডের সদস্যরা।উদ্ধার হওয়া কিশোরের নাম ডেরেক পার্কার আগনাঙ্গা। দুর্ঘটনায় তার বড় ভাই ও এক চাচাতো ভাই মারা গেছেন।গত ৪ সেপ্টেম্বর আলাস্কার উপকূলের সেন্ট লরেন্স দ্বীপ থেকে ১৮ ফুটের একটি নৌকায় মাছ ধরতে বের হয়েছিল তিনজন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তারা ফিরে না আসায় শুরু হয় ব্যাপক অনুসন্ধান।এরপর সোমবার সকালে কোস্টগার্ডের একটি বিমান সমুদ্রে উল্টে থাকা নৌকাটি শনাক্ত করে। নৌকার ওপর একা বসে ছিল কিশোর ডেরেক। খবর পেয়ে কাছাকাছি থাকা একটি মাছ ধরার নৌকা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে।আড়ও পড়ুন,বরিস জনসনের ট্রেন সীমান্ত পেরোতেই ইউক্রেনে রুশ ড্রোন হামলাপরে ডেরেকের বড় ভাই ও চাচাতো ভাইয়ের মরদেহও উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারকারী নৌকার ক্যাপ্টেন অ্যাডাম হোয়াইট জানান উদ্ধার করার সময় ডেরেক প্রচণ্ড ঠান্ডা ও অন্ধকারের মধ্যে উল্টে যাওয়া নৌকাটি আঁকড়ে ধরে ছিল। সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।দীর্ঘ সময় ঠান্ডা পানিতে থাকার কারণে কিশোরটির শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যায় এবং সে হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হয়।এর সঙ্গে ছিল খাবার ও পানির চরম সংকট। তারপরও বেঁচে থাকার আশা ছাড়েনি ডেরেক। উল্টে যাওয়া নৌকাটিকে আঁকড়ে ধরে উদ্ধারের অপেক্ষায় ছিল সে।শেষ পর্যন্ত কোস্টগার্ডের নজরে আসার পর উদ্ধারকারী নৌযানে তুলে নেওয়া হয় তাকে। পরে চিকিৎসার জন্য নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।ভয়াবহ ঠান্ডা সমুদ্রের মধ্যে কয়েকদিন ধরে প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে ১৫ বছরের কিশোরের এই বেঁচে থাকার ঘটনা এখন আলাস্কায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আলাস্কায় নৌকা উল্টে নিখোঁজের পর ১৫ বছরের কিশোর উদ্ধার