ইংরেজি গ্রামারের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উক্তি। পরীক্ষায় নিয়মিত আসা এই অংশে অনেক শিক্ষার্থী বাক্য পরিবর্তনের সময় সর্বনাম কাল এবং প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন নিয়ে সমস্যায় পড়ে। তবে কয়েকটি মৌলিক নিয়ম জানা থাকলে প্রত্যক্ষ উক্তি থেকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করা অনেক সহজ।প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার বক্তব্য উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে সরাসরি তুলে ধরা হয়। আর পরোক্ষ উক্তিতে সেই বক্তব্য নিজের ভাষায় প্রকাশ করা হয়। এ ক্ষেত্রে বক্তব্যের অর্থ ঠিক রেখে বাক্যের গঠন পরিবর্তন করতে হয়।যেমন শিক্ষক শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন কেন সে আগের দিন অনুপস্থিত ছিল। এখানে প্রত্যক্ষ উক্তির ‘কেন তুমি গতকাল অনুপস্থিত ছিলে’ পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করে বলা হবে শিক্ষক শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন কেন সে আগের দিন অনুপস্থিত ছিল।এ ক্ষেত্রে প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় প্রশ্নবোধক চিহ্ন বাদ যায় এবং বাক্যটি সাধারণ বিবৃতির কাঠামোতে চলে আসে। একই সঙ্গে ‘গতকাল’ পরিবর্তিত হয়ে ‘আগের দিন’ হয়।আবার কেউ যদি বলেন ‘আমি এখন টেলিভিশন দেখছি’ তাহলে পরোক্ষ উক্তিতে তা হবে তিনি বললেন যে তিনি তখন টেলিভিশন দেখছিলেন। অর্থাৎ বক্তব্যের সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ক্রিয়ার কালও পরিবর্তিত হতে পারে।প্রত্যক্ষ উক্তিতে প্রশ্ন থাকলে সাধারণত জিজ্ঞাসা করা বা জানতে চাওয়া ধরনের ক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। আর উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে দেওয়া হলে ‘সম্মতিসূচকভাবে’ বা ‘অসম্মতিসূচকভাবে’ উত্তর দেওয়ার অর্থ প্রকাশ করা যায়।আদেশ বা পরামর্শের ক্ষেত্রেও নিয়ম আলাদা। যেমন শিক্ষক যদি বলেন ‘মনোযোগী হও এবং আমার কথা মন দিয়ে শোন’ তাহলে পরোক্ষ উক্তিতে বলা যায় শিক্ষক তাকে মনোযোগী হতে এবং তার কথা মন দিয়ে শুনতে পরামর্শ দিলেন।অনুরোধের ক্ষেত্রেও ‘অনুরোধ করল’ ব্যবহার করা যায়। যেমন ক্ষুধার্ত ব্যক্তি খাবার চাইলে পরোক্ষ উক্তিতে বলা হবে তিনি কিছু খাবার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেন।অন্যদিকে বিস্ময় বা আনন্দ প্রকাশ করা বাক্যে ‘বিস্মিত হয়ে বললেন’ বা ‘আনন্দ প্রকাশ করে বললেন’ ধরনের কাঠামো ব্যবহার করা হয়। যেমন ‘কী সুন্দর খবর’ ধরনের বক্তব্য পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তনের সময় বক্তার অনুভূতিও প্রকাশ করতে হয়।শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সর্বনাম পরিবর্তনের নিয়ম। আড়ও পড়ুন,গবেষণা প্রতিষ্ঠান আছে, নেই স্থায়ী পরিচালক-জনবলবক্তা ও শ্রোতার সম্পর্ক অনুযায়ী ‘আমি’ ‘তুমি’ ‘আমরা’ ইত্যাদি সর্বনামের পরিবর্তন করতে হয়। একই সঙ্গে স্থান ও সময় বোঝানো শব্দও অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তিত হয়।যেমন ‘এখন’ পরিবর্তিত হয়ে ‘তখন’ হতে পারে। ‘গতকাল’ পরিবর্তিত হয়ে ‘আগের দিন’ এবং ‘আগামীকাল’ পরিবর্তিত হয়ে ‘পরের দিন’ হতে পারে। আবার ‘এখানে’ পরিবর্তিত হয়ে ‘সেখানে’ হতে পারে।তবে সব বাক্যে একই নিয়মে কাল পরিবর্তন করতে হবে এমন নয়। বাক্যের মূল বক্তব্য এবং reporting verb বা বক্তব্য জানানোর ক্রিয়া বিবেচনা করে সঠিক কাল নির্বাচন করতে হয়।সুতরাং প্রত্যক্ষ থেকে পরোক্ষ উক্তি রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রথমে বাক্যের ধরন চিহ্নিত করতে হবে। এরপর বক্তা ও শ্রোতা অনুযায়ী সর্বনাম পরিবর্তন করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী কাল এবং সময়সূচক শব্দ পরিবর্তন করে বাক্যের অর্থ ঠিক রাখতে হবে।নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে ইংরেজি গ্রামারের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটি শিক্ষার্থীদের কাছে আরও সহজ হয়ে উঠতে পারে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ। তবে প্রতিষ্ঠার এক যুগ পেরিয়ে গেলেও নানা সংকটে ধুঁকছে গুরুত্বপূর্ণ এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো পরিচালক পায়নি ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ। ২৩টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র তিনজন। প্রয়োজনীয় জনবল ও স্থায়ী নেতৃত্বের অভাবে গবেষণা, প্রকাশনা, তথ্য সংরক্ষণ এবং নজরুলের স্মৃতি ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক কার্যক্রম প্রত্যাশিত গতি পাচ্ছে না।বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন একই সঙ্গে ইনস্টিটিউটটির পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করা তার জন্যও কঠিন হয়ে পড়ছে। আড়ও পড়ুন,শিক্ষার মানের পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদফলে পূর্ণকালীন পরিচালক না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির অনেক কার্যক্রমই সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে।ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক রাশেদুল আনাম জানান, সীমিত জনবল নিয়েই নিয়মিত গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে তাদের। দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী পরিচালক না থাকা এবং জনবল সংকটের কারণ সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই বিস্তারিত বলতে পারবে বলে জানান তিনি।তবে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কিছু কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ইনস্টিটিউটটি। গবেষণা অনুদান প্রদান, বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশ এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভারতের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে ‘নজরুল জার্নাল’ প্রকাশও প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর একটি।কিন্তু সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় কবির জীবন, সাহিত্য, দর্শন ও সৃষ্টিকর্ম নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে যে পরিসরে কাজ করার কথা ছিল, বাস্তবে তার তুলনায় কার্যক্রম এখনো অনেক সীমিত।এরই মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ভবনটি হস্তান্তরের কথা রয়েছে। নতুন ভবনে ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজসহ আরও চারটি ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
শুধু ভালো ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করাকেও বিদ্যালয়ের সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।শিশুদের নিরাপত্তা, মানসিক ও সামাজিক সুস্থতা এবং বিদ্যালয়ে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেফগার্ডিং লিডারশিপ সামিট ২০২৬।রোববার ঢাকার লো মেরিডিয়ান হোটেলে হেইলিবারি ভালুকা ও কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ে কাজ করা পেশাজীবীরা সম্মেলনে অংশ নেন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।সম্মেলনের শুরুতে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের কান্ট্রি লিড সারওয়াত রেজা বলেন, বিদ্যালয়ের উৎকর্ষের ধারণাকে শুধু একাডেমিক ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতার সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন।আড়ও পড়ুন,চানখারপুলে মেসকক্ষে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশপ্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত মান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।সম্মেলনে বিদ্যালয় নেতৃত্বের ভূমিকা এবং শিশু সুরক্ষার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।আলোচনায় শিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিকর শৃঙ্খলাবিধান, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া, অভিযোগ জানাতে অনীহা এবং কর্তৃত্বকে প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতার বিষয় উঠে আসে।আলোচকরা বলেন, শুধু নীতিমালা তৈরি করলেই শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত হয় না। প্রয়োজন স্পষ্ট দায়িত্ব বণ্টন, নিরাপদে অভিযোগ জানানোর পরিবেশ, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সুরক্ষা ব্যবস্থার ধারাবাহিক পর্যালোচনা।সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিদ্যালয়প্রধানদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।আয়োজকদের মতে, শিশু সুরক্ষা কোনো একক ব্যক্তি বা একটি নীতিমালার বিষয় নয়। বিদ্যালয়ের নেতৃত্ব, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত দায়িত্ববোধের মাধ্যমেই নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেসের নিজ কক্ষ থেকে অনিক চন্দ্র পাল নামের ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।অনিক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি সিলেট জেলায়।মেসের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া জানান, সোমবার থেকেই অনিকের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাতে এক সহপাঠী ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে মেসে গিয়ে তাঁর খোঁজ নিতে বলেন।পরে কক্ষের দরজায় কড়া নেড়েও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালার কাচ ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে অনিককে ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখা যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।আড়ও পড়ুন,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৭ মেধাবী শিক্ষার্থী পেলেন ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ডতবে তাঁর মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সহপাঠীদের কেউ কেউ ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত হতাশার কথা বললেও, এটি তাদের ধারণা মাত্র। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের শিক্ষক সুবাস পাল।তিনি জানান, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বজনেরা আসার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।এদিকে বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ আশিক ইকবাল জানান, ঘটনার সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ে সেরা ফলাফল অর্জনকারী ৫৭ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চার হাজার ৯২১ জন শিক্ষার্থী পেয়েছেন শিক্ষাবৃত্তি।মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ও বৃত্তির অর্থ তুলে দেওয়া হয়।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা ছয় বছরে স্নাতক পাস স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সেরা ফলাফল অর্জনকারী ৩৭টি কলেজের ৫৭ জন শিক্ষার্থীকে ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে সম্মাননা সনদ ক্রেস্ট এবং ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এ খাতে মোট ১৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।এদিকে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জন্য নির্বাচিত এক হাজার ৫২৫টি কলেজের চার হাজার ৯২১ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে।আড়ও পড়ুন,ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমে ২৩ সেপ্টেম্বর বন্ধ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানবৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে অসচ্ছল প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহিদ পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা।২০২৫ সালের জন্য নির্বাচিত ৮৩০টি কলেজের দুই হাজার ৮৯৭ জন শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি ছয় হাজার টাকা করে মোট এক কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। আর ২০২৪ সালের জন্য নির্বাচিত ৭২৫টি কলেজের দুই হাজার ২৪ জন শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি ছয় হাজার টাকা করে মোট এক কোটি ২১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে।অনুষ্ঠানে ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব। একই সঙ্গে আর্থিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোও বিশ্ববিদ্যালয়ের নৈতিক দায়িত্ব।মেধা দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী এদিন একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে।পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা নিয়মিত কার্যক্রমে ফিরবেন। তবে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে কেউ যদি ২৪ সেপ্টেম্বর ঐচ্ছিক ছুটি নেন তাহলে ২৩ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা চার দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হবে।তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ২৪ সেপ্টেম্বর সরকারি কোনো ছুটি নেই। ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকাতেও ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে আলাদা কোনো সরকারি ছুটি রাখা হয়নি।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী শুধু ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এরপর বৃহস্পতিবার থেকে যথারীতি শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হবে।আড়ও পড়ুন,ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিএদিকে ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার মধুপূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হবে। দিনটি সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে পড়ায় এ উপলক্ষে আলাদা কোনো ছুটি থাকছে না।তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে রয়েছে ভিন্ন নিয়ম। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বায়ত্তশাসিত হওয়ায় ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ছুটি দেওয়া হবে কি না সে সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজস্বভাবে নিয়ে থাকে।ফলে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একই দিনে ছুটি থাকবে এমন নয়। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় এদিন একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে পারে। আবার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক নিয়মে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলতে পারে।তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ছুটির নোটিশ অনুসরণ করতে হবে।সব মিলিয়ে স্কুল কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত ছুটি থাকলেও ২৪ সেপ্টেম্বর সরকারি ছুটি নয়। তবে ব্যক্তিগতভাবে ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়া সম্ভব হলে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে টানা চার দিনের অবকাশ পাওয়ার সুযোগ থাকছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচার, উপাচার্য-প্রক্টরের পদত্যাগ ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও ছাত্রদলের নেতাদের একটি প্ল্যাটফর্ম ‘সন্ত্রাস বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ’।শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বর থেকে বের হয়ে মশাল মিছিলটি কলাভবন, হলপাড়া, রেজিস্ট্রার ভবন ঘুরে ভিসি চত্বরে এসে শেষ হয়।এ সময় ‘সাম্য হত্যার বিচার চাই’, ‘ভিসি প্রক্টরের অনেক গুণ, নয় মাসে দুই খুন’, ‘আমার ভাই কবরে, প্রক্টর কেন চেয়ারে’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া দেন মিছিলকারীরা।১৩ মে রাত ১১টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতে আহত হন সাম্য। রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পরদিন সকালে সাম্যের বড় ভাই শরীফুল আলম শাহবাগ থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।সাম্য হত্যার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে।এতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো বিশ্লেষণ করছেন তারা। একই সঙ্গে কিছু কিছু বিষয়ে আরও স্বচ্ছতার জন্য আসামিদের পুনরায় তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই হত্যার কারণ উদঘাটন ও আসামিদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছড়িয়ে পড়া ছবিতে ছাত্রীর সঙ্গে থাকা ছাত্ররা হলেন- এফএম প্রত্যয়, আমিনুল ইসলাম, সামিদুল ইসলাম এবং মো. রাশেদ। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২ ব্যাচের (২০২২-২৩ সেশন) বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী।ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ছাত্রীসহ তার দুই ছেলে বন্ধু একটি চৌকির উপর বসে আছেন। তাদের পেছনে একজন চৌকিতে শুয়ে আছেন। আরেকজন একটু সামনে এগিয়ে সেলফি তুলেছেন।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ ২০১৮-এর হল সংক্রান্ত বিধিমালার (ভ) এর (২) এ উল্লেখ করা আছে- ‘ছাত্রদের হলে প্রভোস্টের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো ছাত্রী/নারী প্রবেশ করতে পারবে না।’এছাড়া অধ্যাদেশের চতুর্থ ধারায় শাস্তি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের (ঘ)-তে বলা হয়েছে- ‘শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা অসদাচরণের জন্য একজন হল প্রভোস্ট তার হলের ছাত্র/ছাত্রীকে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার অথবা সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা জরিমানা করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় অথবা বহিষ্কারাদেশকে পর্যাপ্ত মনে না করলে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি উপাচার্যের নিকট প্রেরণ করবেন।’খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই ছাত্রী প্রাধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই ছাত্র হলে প্রবেশ করেছেন। এছাড়া ছবিতে থাকা অন্য ছাত্ররাও এ বিষয়ে কোনো অনুমতি নেননি। তবে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি গত বছরের অক্টোবর মাসের বলে দাবি করেছেন ছবিতে থাকা ব্যক্তিরা।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছবিতে থাকা শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসের। তখন নজরুল হল সদ্য চালু হয়েছে। আমরা নতুন রুমে উঠেছিলাম, তাই আমাদের এক বান্ধবীকে রুম দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। ছবিটি তোলা হয়েছিল হলের ৫২৭ নম্বর কক্ষের পঞ্চম তলায়।ছবিতে থাকা ছাত্রী বলেন, ছবিটি অনেক আগের। সম্ভবত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসের। তখন কাজী নজরুল ইসলাম হলটি অফিসিয়ালি চালু হয়নি। এমনকি হলে কোনো নিরাপত্তা প্রহরীও ছিল না। অনেকেই তখন হলে গিয়ে ছবি তুলেছিল। আমি সেদিন বন্ধুদের সঙ্গে গিয়েছিলাম, কিছুক্ষণ থেকে চলে এসেছি। আমার সঙ্গে আরও ৭-৮ জন বন্ধু ছিল; কিন্তু এখন হঠাৎ করে পুরোনো একটি ছবি ভাইরাল করে আমাকে টার্গেট করা হয়েছে। এটা এক ধরনের ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে বলেই আমি মনে করি। কেন হঠাৎ করে এখন এই ছবি ছড়ানো হলো, সেটা আমার জানা নেই।
তাদের দুই দফার প্রথমটি হলো- লিখিত (তত্ত্বীয়) ও বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার নম্বর একসঙ্গে যোগ করে পাস-ফেল ও জিপিএ হিসাব করা এবং দ্বিতীয় দাবি সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা (ফল প্রকাশের কিছুদিন পরই ফেল করা বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া) চালু করা।চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত ১৩ মে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পার না হতেই আন্দোলনে নামছে যাচ্ছে তারা।দুই দফা দাবিতে আগামী রোববার (২৫ মে) শিক্ষা ভবনের (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর) সামনে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।দাবি-দাওয়ার সঙ্গে একমত পোষণকারী রাজধানীর একটি স্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শাহনেওয়াজ পারভেজ বলেন, ২০১৮ সালের আগে এসএসসিতে আলাদা আলাদা পাশ মার্কস ছিল না। এখন লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলেও এমসিকিউতে ফেল করলে তাকে ফেল দেওয়া হয়। এটা আমরা চাইছি না। আমরা চাই, দুইটা (লিখিত ও এমসিকিউ) মিলিয়ে পাশ-ফেল হিসাব করা হোক।সে আরও বলেছে, আমরা ২৫ মে সমাবেশ করব। শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি-দাওয়া জানাব। আশা করছি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড আমাদের দাবিগুলো মেনে নিয়ে এবার এসএসসির ফল প্রকাশ করবে।গত ১০ এপ্রিল এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নিতে ফরম পূরণ করেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত ১৩ মে।
বাড়ির উদ্দেশ্যে হল ছাড়ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী বিপুল রায়হান। দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফেরার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারা বছর ক্লাশ-পরীক্ষা আর অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে দম ফেলার সময় পাই না। ঈদ আর গরমের ছুটি মিলিয়ে এবার বাড়ি গিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারব, এটা ভাবতেই ভালো লাগছে।৫৩ ব্যাচের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া রহমান বলেন, এই প্রথম ঈদে এত লম্বা ছুটি পাচ্ছি। বন্ধুদের সঙ্গে বিদায় নিতে খারাপ লাগলেও পরিবারের কাছে যাওয়ার আনন্দটাই বেশি।গত ১৪ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রীষ্মকালীন ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ আগামী ২২ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।ছুটিতে হল বন্ধ থাকবে কিনা? জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, এবার হল ভ্যাকেন্ট দেওয়া হয়নি। তবে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে সন্ধ্যা ৬টার পর কাউকে হলের বাইরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হতে পারে।হল খোলা থাকলে ডাইনিং ও ক্যান্টিন খোলা থাকবে কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডাইনিং বন্ধ থাকবে তবে ক্যান্টিনের পরিচালক চাইলে ক্যান্টিন খোলা রাখতে পারবেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহম্মদ কামরুল আহসান জানান, যারা বিশেষ কারণে হলে অবস্থান করবেন, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সেবার ব্যবস্থা রাখা হবে।
পরে মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কর্মকর্তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করে এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে শুধু ৭ শতাংশ কোটা রাখার পক্ষে মত দেন।বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ৭ শতাংশ কোটা বহাল রয়েছে, যার মধ্যে ৫ শতাংশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য, ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য এবং ১ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের জন্য সংরক্ষিত। এই নীতিমালার আলোকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।