আড়ও পড়ুন,১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা হয়েছে রিজভী
জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে আজ মতবিনিময়ে বসছে জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি।জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বেলা আড়াইটায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক। এতে জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী ২৬টি দল ও জোটের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।দল ও জোটগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পর্যায়ের দুজন করে প্রতিনিধিকে মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আলোচনায় সংবিধান সংশোধন বিষয়ে দলগুলোর মতামত জানতে চাওয়া হবে।তবে এই মতবিনিময়ে অংশ না নেওয়ার অবস্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপিসহ কয়েকটি দল। তাদের বক্তব্য, গণভোটে জনগণের দেওয়া রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা প্রয়োজন ছিল। সেই পরিষদ গঠন না করে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংস্কার প্রক্রিয়ায় তারা অংশ নিতে চায় না।এর আগে গত ৪ আগস্ট বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে রাজনৈতিক দল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত হয়।আড়ও পড়ুন,১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা হয়েছে রিজভী তারই ধারাবাহিকতায় আজকের মতবিনিময়।জুলাই জাতীয় সনদে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সংস্কার বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়েই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।একদিকে বিশেষ কমিটি সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে মতামত নিচ্ছে। অন্যদিকে জামায়াত-এনসিপিসহ কয়েকটি দল গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে।ফলে আজকের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মতামতের পাশাপাশি যারা থাকছে না, তাদের অবস্থানও সামনে আসবে।এখন দেখার বিষয়, মতপার্থক্যের মধ্যেও সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো নতুন সমঝোতার সুযোগ তৈরি হয় কি না।
বিগত ১৭ বছরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা দুর্বল ও বিপর্যস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তাঁর দাবি, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রগতির আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে বাংলাদেশকে নিষ্ক্রিয় রাখার লক্ষ্যেই পরিকল্পিতভাবে এমন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এসএসসি কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। তাঁর অভিযোগ, অতীতে পরীক্ষা না দিয়েও কিংবা খাতায় যথাযথ উত্তর না লিখেও ওপর মহলের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের পাস করিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জোর করে বেশি নম্বর দেওয়া বা পাস করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি কিংবা জাতি কারও প্রকৃত লাভ হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রযুক্তির যুগে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে রিজভী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফল না পাওয়া বা পিছিয়ে পড়ার ঘটনাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই।আড়ও পড়ুন,একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে আমান তাঁর মতে, দীর্ঘদিন শিক্ষাব্যবস্থার নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রভাব এখন শিক্ষার্থীদের ফলাফলেও পড়ছে। একই সঙ্গে তিনি মেধার ভিত্তিতে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর জোর দেন।নারী শিক্ষার প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, নারী ক্ষমতায়নের প্রধান শর্ত শিক্ষা। তিনি বিএনপির পক্ষ থেকে ছাত্রীদের জন্য উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি নারী শিক্ষার প্রসারে দলটির বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী। তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সততা দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেম নিয়ে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট ও বৃত্তি দেওয়া হয়। কেরানীগঞ্জের কৃতী শিক্ষার্থীদের এ ধরনের সংবর্ধনা আয়োজনকে স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরেন আয়োজকেরা।
দেশ যখন সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তখন একটি গোষ্ঠী বিভিন্ন অপতৎপরতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান।শনিবার দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জের শাক্তা ইউনিয়নের আটি ভাওয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঢাকা-২ আসনের শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যের খবর সমসাময়িক একটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।আমানউল্লাহ আমান বলেন, দেশের মানুষ শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়। কোনো ধরনের অপতৎপরতার মাধ্যমে যাতে দেশের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করা না যায় সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।আড়ও পড়ুন,বগুড়ায় শফিকুর রহমান, ‘আট দফা না মানলে এক দফার প্রস্তুতি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে পরিবেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন আমান।তিনি বলেন শিক্ষার্থীরা যাতে মাদকাসক্ত না হয় খারাপ পথে না যায় এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে শিক্ষক ও অভিভাবকদের নজর রাখতে হবে। শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো মনে করে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করার গুরুত্ব তুলে ধরে আমানউল্লাহ আমান বলেন ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে হবে। পুরস্কার পেলে শিক্ষার্থীদের আরও ভালো করার আগ্রহ তৈরি হয়। প্রাথমিক মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে ভালো ফল করা শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।শিক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে আরও যত্নবান হতে হবে। শিক্ষক জনপ্রতিনিধি অভিভাবক ও স্থানীয় নাগরিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা জনপ্রতিনিধি শিক্ষক শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়ায় লংমার্চের পথসভায় সরকারকে নানা বিষয়ে সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।তিনি দাবি করেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করায় এবং জনগণের বিভিন্ন দাবি পূরণ না হওয়ায় তাঁদের লংমার্চের কর্মসূচি নিতে হয়েছে।শনিবার বগুড়ার মাটিডালী বিমান মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লংমার্চের পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।বগুড়ায় লংমার্চের পথসভায় সমবেত মানুষের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের ডাক দেওয়ার পরই মানুষ রাস্তায় নেমেছে।তাঁর অভিযোগ, সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণকে অপমান করেছে। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা না হলে এই লংমার্চের প্রয়োজন হতো না।লংমার্চের বহর, বগুড়ার পথসভা, সমবেত মানুষ ও শফিকুর রহমানের বক্তব্য।সরকারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির।তিনি দুর্নীতি, কর্মসংস্থান, গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে কৃষকের সার সংকট এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়েও অভিযোগ তোলেন।তাঁর বক্তব্যে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ও রাজনৈতিক সমালোচনা উঠে আসে।বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের এক মন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান।তিনি দাবি করেন, আড়ও পড়ুন,১১ দলের দাবি আদায়ে রাজপথে, ভোগড়ায় মামুনুল হকের হুঁশিয়ারিদেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও কৃষি উপকরণের সংকট রয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কী বক্তব্য রয়েছে, তা তাঁর এই বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়নি।আগামী কর্মসূচি নিয়েও কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির।তিনি জানান, বর্তমান লংমার্চ ঢাকা থেকে রংপুরের দিকে হলেও ভবিষ্যতে পঞ্চগড় থেকে ঢাকার দিকে লংমার্চ করার প্রস্তুতি নিতে হবে।এ ছাড়া তিনি বলেন, তাঁদের আট দফা দাবি মেনে নেওয়া হলে এক দফার প্রয়োজন হবে না। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি।১১ দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চের কর্মসূচিতে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিকে সামনে রাখা হয়েছে।এর আগে জোটটি একাধিক লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিল।বগুড়ার পথসভা থেকে শফিকুর রহমান দাবি আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প নেই—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক।শনিবার সকালে গাজীপুরের ভোগড়া-বাইপাসের টাঙ্গাইল রোডে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের পথসভায় বক্তব্য দেন তিনি।ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ। শনিবার সকালে গাজীপুরের ভোগড়া-বাইপাসে অনুষ্ঠিত হয় পথসভা। সেখানে বক্তব্য রাখেন জোটের শীর্ষ নেতারা।পথসভায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, ১১ দলের গণদাবি আদায়ের লক্ষ্যেই তারা রাজপথে নেমেছেন। তার ভাষ্য, গণভোটের গণরায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের বিষয়টি সামনে থাকবে।“গণভোটের গণরায়কে কার্যকর করা ছাড়া বর্তমান সরকারের ভিন্ন বিকল্প কোনো পথ নাই।”মামুনুল হক আরও বলেন, গণভোটের রায় কার্যকর করেই বর্তমান সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে। একইসঙ্গে দেশের ভাগ্য নির্ধারণে বিদেশি প্রভাবের বিরোধিতা করে বাংলাদেশের জনগণের নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারের কথা তুলে ধরেন তিনি।তিস্তা ব্যারেজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়েও বক্তব্য দেন এই নেতা। সরকারের অবস্থান নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আর কোনো ধরনের লুকোচুরি মেনে নেওয়া হবে না।এ ছাড়া গুম, খুন ও হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়েও কথা বলেন মামুনুল হক। আড়ও পড়ুন,ছাত্রজীবনেই ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রস্তুতির আহ্বান মামুনুলেরশরীফ ওসমান হাদী ও ইলিয়াস আলীসহ যাদের হত্যাকাণ্ড বা গুমের কথা তিনি উল্লেখ করেন, তাদের বিষয়ে বিচার দাবি করেন তিনি।“হত্যাকাণ্ডের বিচার বাংলার মানুষ আদায় করে ছাড়বে, ইনশাআল্লাহ।”লংমার্চের এই পথসভা থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে সফল হওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির।এদিকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত কর্মসূচিতে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও সার সংকটসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়েছে।গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাসের পথসভা শেষে ঢাকা-রংপুর লংমার্চের বহর উত্তরাঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা করে।
ছাত্র সংগঠনের প্রধান কাজ হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের মেধা জ্ঞান দক্ষতা ও যোগ্যতার বিকাশ ঘটানো। একটি আদর্শ ছাত্র সংগঠনের ৯০ শতাংশ কাজ পড়ার টেবিলকেন্দ্রিক এবং মাঠে ময়দানে কার্যক্রম সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় আর্কাইভ মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগর পশ্চিম আয়োজিত ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসকে শুধু সংগঠন রাজনীতি ও আন্দোলনের জন্য পরিচিত করলে হবে না। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান দক্ষতা ও যোগ্যতা বিকাশের একটি বৃহৎ পরিসরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সংগঠনটিকে গড়ে তুলতে হবে।তিনি বলেন, ভবিষ্যতে একজন শিক্ষার্থী যে দায়িত্ব পালন করতে চায় সেই দায়িত্বের মৌলিক যোগ্যতা তাকে ছাত্রজীবন থেকেই অর্জন করতে হবে। ছাত্রজীবন ও কর্মজীবনের সম্পর্ক অনেকটা মাতৃগর্ভ ও ভূমিষ্ঠ জীবনের মতো। কর্মজীবনে ভালো কিছু করতে হলে প্রয়োজনীয় মৌলিক যোগ্যতা ও দক্ষতা ছাত্রজীবনেই অর্জন করা জরুরি।সমাজ ও রাষ্ট্রে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি শিক্ষাজীবন থেকেই শুরু করার আহ্বান জানান তিনি।আড়ও পড়ুন,পোশাক-ভাষায় আলেম হওয়া যায় না, জ্ঞান অর্জন করতে হয় ভবিষ্যতে যারা বৃহত্তর পরিসরে নেতৃত্ব দিতে চান তাদের ছাত্রজীবন থেকেই সমাজ রাষ্ট্র ও রাজনীতি সম্পর্কে চিন্তা করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন মামুনুল হক।তিনি আরও বলেন, জ্ঞান গবেষণা ও ইলমের মাধ্যমে জাতিকে পথ দেখানোর পাশাপাশি সেই পথে পরিচালিত করার জন্য যোগ্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন। সমাজ ও জাতিকে সঠিক গন্তব্যের দিকে পরিচালিত করতে রাজনৈতিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।মামুনুল হক বলেন, ছাত্র সংগঠন সাধারণ রাজনৈতিক সংগঠনের মতো শুধু মাঠমুখী হবে না। শিক্ষার্থীদের মেধা জ্ঞান ও যোগ্যতার বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনই হতে হবে ছাত্র সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য।অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সভাপতি আদনান রাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ‘সিনিয়র মাদ্রাসায়’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। শিক্ষার্থীদের শুধু পোশাক বা বাহ্যিক পরিচয়ে নয়, জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে প্রকৃত মানুষ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ধর্মের অপব্যবহার, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র নিয়েও বক্তব্য দেন এই সংসদ সদস্য।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরামের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ফজলুর রহমান।শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু পাঞ্জাবি, পায়জামা ও টুপি পরলেই কেউ আলেম হয়ে যায় না। প্রকৃত আলেম হতে হলে জ্ঞান অর্জন করতে হয়।এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘সিনিয়র মাদ্রাসা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।ধর্মের অপব্যবহার নিয়েও কথা বলেন ফজলুর রহমান। তাঁর বক্তব্য, ধর্মকে ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়। রাজনীতি, ধর্ম এবং ধর্মকে ব্যবহার করে ব্যবসা করা—তিনটি বিষয় এক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শিক্ষার্থীদের সত্য কথা বলা, ন্যায়ের পথে চলা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।আড়ও পড়ুন,রংপুরমুখী লংমার্চ ঘিরে উত্তাপ, রাশেদ খাঁনের অভিযোগ ও সতর্কবার্তাতরুণদের উদ্দেশে ফজলুর রহমান বলেন, অন্ধকার দূর করতে প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসও তুলে ধরেন তিনি। ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, ছয় দফা, ১১ দফা এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনকে স্বাধীনতার আন্দোলনের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, আইনজীবী এবং ছাত্রনেতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়ধ্বনি মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের রংপুরমুখী লংমার্চ নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তাঁর দাবি, এই কর্মসূচির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবার মাঠে নামার সুযোগ পেতে পারে। একই সঙ্গে লংমার্চকে কেন্দ্র করে নাশকতার প্রস্তুতির অভিযোগও করেছেন তিনি।শুক্রবার সকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ফটকে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিচিহ্ন পরিদর্শন করেন রাশেদ খাঁন।পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিরোধী দলগুলো রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সরকারকে সহযোগিতা না করে লংমার্চের মতো কর্মসূচি দিলে আওয়ামী লীগ মাঠে নামার সুযোগ পেতে পারে।রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, ১১-দলীয় জোটের লংমার্চকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং নাশকতার উদ্দেশ্য থাকতে পারে—এমন তথ্য তাঁরা বিভিন্নভাবে পাচ্ছেন।লংমার্চ নিয়ে জামায়াতকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।এ সময় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাকিবুল হাসানের ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওর প্রসঙ্গ তোলেন রাশেদ খাঁন।ওই অডিওতে সরকার, প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য শোনা যায় বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর রাকিবুল হাসানকে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। আড়ও পড়ুন,প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিয়ে শফিকুর রহমানের বক্তব্যপরে তাঁকে গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।রাশেদ খাঁন আরও বলেন, আগের সরকারের সময়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে তৈরি হওয়া কাঠামোর পুরোপুরি পরিবর্তন এখনো হয়নি। এ জন্য তিনি জামায়াতের রাজনৈতিক ভূমিকারও সমালোচনা করেন।চট্টগ্রামের আগের লংমার্চের প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাদের গাড়ি ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির এক নেতার বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন তিনি, তবে তাঁর নাম প্রকাশ্যে বলেননি।এদিকে আট দফা দাবিতে ১১-দলীয় ঐক্যের রংপুরমুখী লংমার্চ শনিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও এখন আলোচনায়।
সরকার দেশবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গিয়ে উল্টো পথে হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার বন্ধ বা খর্ব করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে ‘সিন্ডিকেট ও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রবাসীদের শুধু ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যা দিলেই সরকারের দায়িত্ব শেষ হয় না। তারা দেশে থাকুন কিংবা প্রবাসে থাকুন ভোটার হলে তাদের ভোট দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার খর্ব বা বন্ধ করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও বক্তব্য দেন জামায়াত আমির। তিনি এটিকে প্রবাসীদের প্রতি জুলুম ও অবিচার হিসেবে উল্লেখ করেন।সেমিনারে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়েও বক্তব্য দেন ডা. শফিকুর রহমান। আড়ও পড়ুন,রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎসেখানে যেন আবার অচলাবস্থা তৈরি না হয় সে জন্য শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি।তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল ক্ষমতার নয় বরং জনগণের বিজয় চায়। সংসদ ও সংসদের বাইরে অন্যায় এবং জনস্বার্থবিরোধী আইনের বিরুদ্ধে দলটি কথা বলবে বলেও জানান তিনি।ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গেও বক্তব্য দেন জামায়াত আমির। জনগণের মুখ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিয়ে তার বক্তব্যের পাশাপাশি শ্রমবাজারের অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও সেমিনারে গুরুত্ব পায়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতে রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,সোনালী ব্যাংক সিবিএর নতুন কমিটির অনুমোদনপাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।বৈঠকে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন এবং রাজনৈতিক অ্যাটাশে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন। রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম এবং এপিএস জাহেদুল আলমও বৈঠকে অংশ নেন।চীনা দূতাবাসের বিবৃতি অনুযায়ী, বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় রিজভী ও ইয়াও ওয়েনের এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হলো।
সোনালী ব্যাংক সিবিএ (বি-৬৬৪)-এর নবগঠিত ৩০ সদস্যের কমিটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটি।কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে অনুমোদন ও প্রত্যয়নপত্র হস্তান্তরের মাধ্যমে নতুন কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রমের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।নতুন কমিটিতে মো. জাকির হোসেনকে সভাপতি এবং মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় অনুমোদনের পর সোনালী ব্যাংক সিবিএর নেতা-কর্মী ও সাধারণ সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।নতুন নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের শ্রমিক-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় যথাযথভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার প্রত্যাশা রয়েছে।সভাপতি মো. জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।আড়ও পড়ুন,জাতীয় নির্বাচনে সুযোগ থাকলে স্থানীয় নির্বাচনেও কেন নয়,শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ের পাশাপাশি তাদের কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে নতুন কমিটির কাছে।কেন্দ্রীয় অনুমোদনের ফলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীরা। সাধারণ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও নতুন নেতৃত্ব ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।নতুন কমিটিকে ঘিরে সাধারণ সদস্যদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার ও কল্যাণে নতুন নেতৃত্ব কী ধরনের উদ্যোগ নেয়, সেদিকে নজর রয়েছে তাদের।নবগঠিত কমিটির সাফল্য কামনা করেছেন সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে সভাপতি মো. জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আহমেদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বীকৃতির পর সোনালী ব্যাংক সিবিএর সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে স্মারকলিপি দিয়েছে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন।বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সংগঠনটির সদস্যসচিব আল আমীন আটিয়া।স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধান সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে। সংবিধানের ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদে সমতা, বৈষম্যহীনতা এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ১২২ অনুচ্ছেদে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটাধিকার ও ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির যোগ্যতার বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়েছে।স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, নির্বাচনসংক্রান্ত আইনে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটারদের ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগের আইনি ভিত্তি রয়েছে।তাদের প্রশ্ন, জাতীয় নির্বাচনে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা সম্ভব হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একই নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করা হবে না কেন?সংগঠনটির দাবি, প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের অর্থনীতি ও জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। সাত দফা দাবি নিয়ে রংপুরমুখী লংমার্চের প্রচারে মাঠে জামায়াতআড়ও পড়ুন,তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।তাই অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান স্বীকৃত হলে নাগরিক হিসেবে তাদের গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের অধিকারও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এ সময় বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভোটারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।দাবি বাস্তবায়নে আইনসম্মত ও অহিংস গণতান্ত্রিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি।প্রয়োজনে আদালতের আইনি পথ, জনমত গঠন এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আড়ও পড়ুন,গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ধোঁয়াশাবিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ। পাশাপাশি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধের দাবিও রয়েছে।প্রচারপত্র বিতরণকালে ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম অভিযোগ করেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদ্যুৎ ও গ্যাস সহজলভ্য করা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির কথা জানিয়েছিল। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ কোনো দলের একক কর্মসূচি নয়। এটি জনগণের গণরায় বাস্তবায়
জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠিও দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তবে এখনো বহাল রয়েছে তাঁর সংসদ সদস্য পদ।ফলে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—গাজী নজরুল এখন কোন দলের এমপি? নাকি তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে সংসদে রয়েছেন?গত ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠায় দলটি।তবে গাজী নজরুলের বক্তব্য ভিন্ন। আড়ও পড়ুন,জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় সাদ্দাম ইনানসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডতিনি নিজেকে এখনো জামায়াতের সদস্য ও এমপি মনে করছেন। তাঁর দাবি, দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও তাঁর সদস্যপদ এখনো বহাল রয়েছে।অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা বলছেন, বহিষ্কারের পর গাজী নজরুল আর দলের কেউ নন। তাঁকে বহিষ্কারের বিষয়টি স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে এবং দলীয়ভাবে তাদের করণীয় শেষ করেছে জামায়াত।এদিকে সংসদেও তাঁর অবস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছে টানাপোড়েন।গত ১৮ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ওই কমিটির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁকে বৈঠকে ডাকা হয়নি, তা নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়।এরপর সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটিতে গাজী নজরুলকে রাখার বিষয় নিয়েও সংসদে আপত্তি ওঠে। পরে ওই কমিটি থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়।তবে এসব ঘটনার মধ্যেও সাতক্ষীরা-৪ আসনে তাঁর সংসদ সদস্য পদ এখনো বহাল রয়েছে।এখন মূল প্রশ্ন—দল থেকে বহিষ্কারের পর একজন সংসদ সদস্যের দলীয় পরিচয় কী হবে এবং তাঁর সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না।গাজী নজরুলের ক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপই এখন গুরুত্বপূর্ণ।তাই দলীয় বহিষ্কার আর সংসদ সদস্য পদ—দুটি বিষয় আলাদাভাবে বিবেচনা করেই তাঁর বর্তমান অবস্থান নির্ধারণের অপেক্ষা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত,আড়ও পড়ুন,হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি: সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জামায়াতেরযুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।মামলার সাত আসামির সবাই বর্তমানে পলাতক থাকায় রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।মামলার বিবরণীতে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়ের করা এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয় গত ১৮ আগস্ট। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন। পরবর্তীতে ১৪ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়। নির্ধারিত দিন শুনানি শেষে আদালত এই রায় প্রদান করেন।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।