শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

জাতীয়

সৌদির ফ্লাইটে বিঘ্ন ১৫ হাজারের বেশি যাত্রী ভোগান্তিতে

সৌদির ফ্লাইটে বিঘ্ন ১৫ হাজারের বেশি যাত্রী ভোগান্তিতে

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১০৩টি ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটেছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, আবার কিছু ফ্লাইটের যাত্রা স্থগিত রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৫ হাজার ৭৭৯ জন যাত্রী। বৃহস্পতিবার বেলা দুইটায় প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বেবিচক। সংস্থাটির তথ্যমতে, বিঘ্নের মুখে পড়া ১০৩টি ফ্লাইটের মধ্যে ৪২টি সরাসরি এবং ৬১টি ট্রানজিট ফ্লাইট। বেবিচকের আগের দিনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত ১০০টি ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটেছিল। তখন ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ৩৯৩। নতুন তথ্যে ফ্লাইটের সংখ্যা বেড়ে ১০৩টি এবং যাত্রীর সংখ্যা বেড়ে ১৫ হাজার ৭৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে। সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৮টি এবং রিয়াদ এয়ারের ৭টি ফ্লাইট চলাচলে প্রভাব পড়েছে। আরোও পড়ুন,সুদ জরিমানা ছাড়াই ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্নঅন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৩টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট বিঘ্নের শিকার হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং সৌদি আরবে হামলার ঘটনার মধ্যে ফ্লাইট চলাচলে এই বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার পর সৌদিগামী ফ্লাইট পরিচালনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবগামী যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। এর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানায়। অন্যদিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসও রিয়াদগামী কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবগামী যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন বা বাতিল হলে আগাম তথ্য সংগ্রহ করলে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তি কিছুটা এড়ানো সম্ভব।

সুদ জরিমানা ছাড়াই ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন

অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর মেয়াদের ভ্যাট রিটার্ন আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সুদ ও জরিমানা ছাড়াই দাখিল করতে পারবেন করদাতারা। বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব শেখ মো. মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়টি জানানো হয়। এনবিআরের আদেশে বলা হয়েছে, জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭-এ প্রতি তিন কর মেয়াদ শেষে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের বিধান যুক্ত করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬ জারি করা হয়েছে। নতুন এই বিধান কার্যকর করতে এনবিআরের ইভ্যাট ব্যবস্থায় কিছু প্রশাসনিক সংস্কার প্রয়োজন। এ কারণে জনস্বার্থ বিবেচনায় রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরোও পড়ুন,কুমিল্লা ও ফেনীসহ বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের জন্য সুখবরআদেশে আরও বলা হয়, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২-এর ৬৪ ধারার উপধারা ২-এ দেওয়া ক্ষমতাবলে এ সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। এনবিআরের এই সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট করদাতারা নির্ধারিত বর্ধিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে তাঁদের ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে সুদ ও জরিমানা দিতে হবে না। সংশ্লিষ্টদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সময়সীমা বাড়ানোর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় হিসাব প্রস্তুত করে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। নতুন বিধান বাস্তবায়নে ইভ্যাট ব্যবস্থার প্রশাসনিক সংস্কারের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে, ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানোর মাধ্যমে করদাতাদের অতিরিক্ত সময় দিয়েছে এনবিআর। এতে নির্ধারিত কর মেয়াদের রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে করদাতারা কিছুটা বাড়তি সুবিধা পাবেন।

সুদ জরিমানা ছাড়াই ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন

কুমিল্লা ও ফেনীসহ বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের জন্য সুখবর

পর্যটক ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য সুখবর। ঢাকা থেকে দেশের প্রধান পর্যটন শহর কক্সবাজারে যাতায়াত আরও সহজ করতে এই রুটে যুক্ত হচ্ছে জনপ্রিয় ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস। আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে নতুন এই সেবা চালুর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। নতুন এই ব্যবস্থায় নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনীসহ বিভিন্ন জেলার যাত্রীরা ট্রেন পরিবর্তন না করেই কক্সবাজারে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। তবে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের মতো বিরতিহীনভাবে চলবে না মহানগর এক্সপ্রেস। যাত্রাপথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামবে ট্রেনটি। বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ সফিকুর রহমান জানিয়েছেন, নতুন সূচি অনুযায়ী ৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস প্রতিদিন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। আরোও পড়ুন,বদলি বাণিজ্য বন্ধে লটারি, গণপূর্তে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর অবস্থানে সরকারফেরার পথে ৭২১ নম্বর ট্রেনটি সকাল ৮টায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। সেখানে যাত্রাবিরতি শেষে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে রাজধানীতে পৌঁছাবে। নতুন সূচি অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। তবে ট্রেনটি আর চট্টগ্রামের কুমিরা স্টেশনে থামবে না। যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে ট্রেনটিতে থাকছে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা বা এসি চেয়ার, এসি সিট এবং এসি বার্থের ব্যবস্থা। ফলে যাত্রীরা নিজেদের পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ী আসন বেছে নিতে পারবেন। বর্তমানে ঢাকা–কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস এবং চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস চলাচল করছে। এর সঙ্গে মহানগর এক্সপ্রেস যুক্ত হলে কক্সবাজারগামী যাত্রীদের জন্য রেলপথে যাতায়াতের সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

কুমিল্লা ও ফেনীসহ বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের জন্য সুখবর

বদলি বাণিজ্য বন্ধে লটারি, গণপূর্তে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর অবস্থানে সরকার

গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের বদলি ও পদায়ন করা হচ্ছে লটারির মাধ্যমে। বদলি বাণিজ্য বন্ধ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং যোগ্য কর্মকর্তাকে উপযুক্ত স্থানে পদায়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, এবার লটারির আওতায় থাকছেন ১৫৫ জন নির্বাহী প্রকৌশলী। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংসদ সচিবালয়ের মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান আপাতত এ কার্যক্রমের বাইরে রাখা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ক্ষেত্রেও এ পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। জাকারিয়া তাহের বলেন, এর আগে গত ৩০ জুলাই ৭৬৭ জন উপসহকারী প্রকৌশলী, আগস্টে ২৫৪ জন উপসহকারী প্রকৌশলী এবং ১৬ আগস্ট ২১৯ জন সহকারী প্রকৌশলী ও ১৯০ জন উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট এক হাজার ৪৩০ জন কর্মকর্তাকে এ পদ্ধতিতে বদলি-পদায়ন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, মানবিক কারণে কারও বিশেষ প্রয়োজন থাকলে আবেদন করার সুযোগ থাকবে।আরও পড়ুন,আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ, ৩৫ বছরের পর সুযোগ সীমিত হতে পারেকাউকে হয়রানি করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়; বরং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে পুরো প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও মানবিক রাখাই লক্ষ্য। গণপূর্ত বিভাগের ভাবমূর্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে রূপপুর প্রকল্পকে ঘিরে যে বদনাম তৈরি হয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে এসে অধিদপ্তরকে স্বচ্ছ, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চায় সরকার। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমঝোতা করা হবে না এবং শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। এদিকে ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে একটি ল্যান্ড ব্যাংক তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের কোথায় কত জমি রয়েছে, কোন জমি দখলে আছে এবং কোনগুলো দখলের বাইরে—এসব তথ্য ডিজিটাল ব্যবস্থায় সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারি জমি অবৈধ দখলমুক্ত করতেও কাজ চলছে। আবাসন বরাদ্দে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ সপ্তাহের মধ্যেই প্রকল্পটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের পর রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ—রাজউক নিয়েও কাজ করা হবে। সরকারের লক্ষ্য, বদলি-পদায়ন থেকে শুরু করে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আবাসন বরাদ্দ—সব ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

বদলি বাণিজ্য বন্ধে লটারি, গণপূর্তে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর অবস্থানে সরকার

আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ, ৩৫ বছরের পর সুযোগ সীমিত হতে পারে

আইন পেশায় প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ৩৫ বছর বয়সের পর নতুন করে আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নির্ধারিত বয়স অতিক্রম করার পর আইন পেশায় প্রবেশের সুযোগ সীমিত হতে পারে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট অডিটরিয়ামে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি। আইনমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর আইন পেশায় প্রবেশে আগ্রহী ব্যক্তিদের মধ্যে বয়সসীমা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন কিংবা অন্য পেশায় যুক্ত থাকার পর আইনজীবী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য এ উদ্যোগের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আরও পড়ুন,আদাবরে ১৯২ অ্যাপার্টমেন্ট, তেজগাঁওয়ে ৫১ বাণিজ্যিক ইউনিট নির্মাণ হচ্ছে শেল্‌টেকের দুই প্রকল্পতবে ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ বাস্তবায়নে কী ধরনের আইনগত বা নীতিগত পরিবর্তন আনা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি। প্রস্তাবটি কবে নাগাদ কার্যকর হতে পারে, বর্তমান আইন অনুযায়ী আইনজীবী হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কী বিধান প্রযোজ্য হবে, কিংবা কোনো ব্যতিক্রম রাখা হবে কি না এসব বিষয়েও স্পষ্ট ঘোষণা পাওয়া যায়নি। এ কারণে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যকে আপাতত সরকারের উদ্যোগের ঘোষণা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বয়সসীমা নির্ধারণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, সংশ্লিষ্ট বিধি বা আইন সংশোধন এবং কার্যকর হওয়ার সময়সীমা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। আইন পেশায় প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আইনজীবী হতে আগ্রহীদের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে প্রভাব পড়তে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নপদ্ধতি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এর পূর্ণাঙ্গ প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ, ৩৫ বছরের পর সুযোগ সীমিত হতে পারে

আদাবরে ১৯২ অ্যাপার্টমেন্ট, তেজগাঁওয়ে ৫১ বাণিজ্যিক ইউনিট নির্মাণ হচ্ছে শেল্‌টেকের দুই প্রকল্প

ঢাকার আবাসন ও বাণিজ্যিক স্থাপনা খাতে নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে শেল্‌টেকের দুটি প্রকল্প। রাজধানীর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘শেল্‌টেক্‌ উইন্ডফ্লাওয়ার’ নামের একটি আবাসিক কন্ডোমিনিয়াম। অন্যদিকে, তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকার লাভ রোডে গড়ে উঠছে ‘ভিঞ্চিয়া শেল্‌টেক্‌ টাওয়ার’। দুটি প্রকল্পেই আবাসন ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের পাশাপাশি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে ৮১ কাঠার বেশি জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে শেল্‌টেক্‌ উইন্ডফ্লাওয়ার। ১০ তলা বা গ্রাউন্ড ফ্লোরসহ নয়তলা এই ভবনে থাকছে মোট ১৯২টি অ্যাপার্টমেন্ট। প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টের আয়তন ১ হাজার ৪৪০ বর্গফুট এবং এতে থাকছে তিনটি বেডরুম। প্রকল্পটিতে ১৯২টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা, আটটি লিফট ও তিনটি সিঁড়ি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে একটি সিঁড়ি অগ্নিনিরাপত্তার জন্য নির্ধারিত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আরও পড়ুন,রাজশাহীতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশশুধু বসবাসের জন্য অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি নয়, বরং বাসিন্দাদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কন্ডোমিনিয়াম পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে প্রকল্পটির। অন্যদিকে, তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকার লাভ রোডে প্রায় ২৫ কাঠার বেশি জমির ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে ভিঞ্চিয়া শেল্‌টেক্‌ টাওয়ার। দুটি বেসমেন্টসহ ১৪ তলাবিশিষ্ট এই ভবনে থাকবে ৫১টি বাণিজ্যিক ইউনিট। এসব ইউনিটের আয়তন ৫৪৬ থেকে ৩ হাজার ৮০৯ বর্গফুট পর্যন্ত। টাওয়ারটিতে ৬৭টি গাড়ি রাখার জায়গা, চারটি লিফট এবং অগ্নিনিরাপত্তা দরজাসহ দুটি সিঁড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি থাকছে দ্বিউচ্চতার প্রবেশপথ, রিসেপশন, ওপেন স্কাই টেরেস, প্রার্থনার জায়গা, ল্যান্ডস্কেপ এবং জলাধার। অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ার কন্ট্রোল রুম ও ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

আদাবরে ১৯২ অ্যাপার্টমেন্ট, তেজগাঁওয়ে ৫১ বাণিজ্যিক ইউনিট নির্মাণ হচ্ছে শেল্‌টেকের দুই প্রকল্প

রাজশাহীতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

রাজশাহীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। নির্দেশনা অমান্য করে নির্ধারিত সময়ে কোচিং সেন্টার চালু রাখা হলে অভিযান চালানোর কথাও জানিয়েছে প্রশাসন। সোমবার রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স্কুল চলাকালে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম সচল রাখার উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, স্কুল চলাকালে অনেক শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত না থেকে কোচিং সেন্টারে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরও পড়ুন,তিন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রাএ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলার সময় কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্দেশনা অমান্য করে কোনো কোচিং সেন্টার নির্ধারিত সময়ে চালু থাকলে সেখানে অভিযান চালানো হবে। কোচিং সেন্টার পরিচালনা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগও প্রশাসনের নজরে এসেছে। বিশেষ করে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ের জন্য অগ্রিম টাকা নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব অভিযোগের বিষয়েও পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গণবিজ্ঞপ্তি বাস্তবায়নে রাজশাহীর পুলিশ সুপার, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনার ফলে স্কুল চলাকালে কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ কমবে এবং শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নির্দেশনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও নিয়মিত তদারকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাজশাহীতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

তিন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা

দেশের তিন বিভাগের বিভিন্ন স্থানে আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আরও পড়ুন,কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি, উদ্বোধন নভেম্বরেএদিকে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় ১৩ অক্টোবরের কাছাকাছি সময়ে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়ার সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, গত রোববার সকাল ৬টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সন্দ্বীপে, ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ১৯ মিলিমিটার। সব মিলিয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও অধিকাংশ অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রা বাড়ায় গরমের অনুভূতিও বাড়তে পারে।

তিন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা

কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি, উদ্বোধন নভেম্বরে

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন হতে পারে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সময় পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সরকার। উদ্বোধনের তারিখ চূড়ান্ত হলে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে এর কার্যক্রম চালুর আনুষ্ঠানিকতা এগিয়ে নেওয়া হবে। সোমবার, ১২ অক্টোবর, সচিবালয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে আয়োজিত এক সভার শুরুতে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালু করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধনের জন্য তাঁর সময় পাওয়া যাবে। আরও পড়ুন,পুলিশের বিরুদ্ধে কেউ কথাও বলেনি, তারপরও গুলি করা হয় তাইমকেউদ্বোধনের সম্ভাব্য তারিখ সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাবেন এবং ২৯ অক্টোবর দেশে ফিরবেন। এরপর তাঁর সময়সূচি বিবেচনায় নিয়ে উদ্বোধনের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। এদিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে কোন কোন এয়ারলাইনস আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভাব্য গন্তব্য নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের এয়ারলাইনসের কান্ট্রি হেডরা এ-সংক্রান্ত সভায় উপস্থিত রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সম্ভাব্য গন্তব্য ঠিক করা হবে। কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে এর কার্যক্রম শুরু হলে বিদেশি পর্যটকদের সরাসরি যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি পর্যটন, হোটেল ব্যবসা, পরিবহন ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে।তবে কক্সবাজার থেকে কোন কোন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালিত হবে এবং কবে থেকে নিয়মিত যাত্রীবাহী ফ্লাইট শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি।

কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি, উদ্বোধন নভেম্বরে

পুলিশের বিরুদ্ধে কেউ কথাও বলেনি, তারপরও গুলি করা হয় তাইমকে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলায় শিক্ষার্থী ইমাম হাসান তাইম হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়েছে। প্রথম দিনের যুক্তিতর্কে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ করেছে, পুলিশের গুলিতে তাইম নিহত হওয়ার সময় কেউ পুলিশের বিরুদ্ধে কথা বলেননি। এরপরও তাঁকে গুলি করা হয়। এমনকি তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করা এক ব্যক্তিকেও গুলি করার অভিযোগ তুলেছে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার, ১২ অক্টোবর, বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলাটির যুক্তিতর্ক শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, তাইমকে উদ্ধারের চেষ্টা করা ব্যক্তিকেও পুলিশ গুলি করে। পরে প্রাণভয়ে ওই ব্যক্তি তাইমকে ঘটনাস্থলে রেখেই দৌড়ে চলে যান। এ মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পুলিশের ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপকমিশনার মো. ইকবাল হোসাইনের বিরুদ্ধে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। আরও পড়ুন,প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের আট মন্দিরের প্রতিনিধিদের মতবিনিময়যুক্তিতর্ক চলাকালে ট্রাইব্যুনালে একটি ভিডিও দেখানো হয়। সেখানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে একটি ভিডিও দেখানোর সময় ইকবাল হোসাইনকে বলতে শোনা যায়, ‘গুলি করি, মরে একটা, বাকিডি যায় না।’ প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলামের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই বক্তব্য থেকে সে সময় হত্যাকাণ্ড চলার বিষয়টি সম্পর্কে ইকবালের অবগত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড বন্ধে উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগও তুলেছে রাষ্ট্রপক্ষ। ইমাম হাসান তাইম রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের উপপরিদর্শক মো. ময়নাল হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ২০২৪ সালের ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ীর কাজলা পদচারী-সেতুর কাছে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন। নারায়ণগঞ্জের সরকারি আদমজীনগর এমডব্লিউ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। মামলার ১১ আসামির মধ্যে নয়জন পলাতক। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা। অন্য দুই আসামি, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং সাবেক উপপরিদর্শক মো. শাহদাত আলী কারাগারে রয়েছেন। সোমবার তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ২৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ২৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের বিরুদ্ধে কেউ কথাও বলেনি, তারপরও গুলি করা হয় তাইমকে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের আট মন্দিরের প্রতিনিধিদের মতবিনিময়

ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের যে অধিকার রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁর দায়িত্ব। সোমবার, ১২ অক্টোবর, বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা-১৭ আসনের আটটি মন্দিরের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁকে পূজার আমন্ত্রণ জানান। আরও পড়ুন,মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় সৌদি আরবকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশএ সময় বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা। পূজার ছুটি ও অনুদান বাড়ানোর জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। জবাবে তারেক রহমান বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে সরকার যতটুকু কাজ করেছে, তা নেতারাই স্বীকার করেছেন। আরও কিছু বিষয়ে কাজ করার চেষ্টা চলছে। এসব উদ্যোগ সরকারের সদিচ্ছার প্রমাণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সেই যুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করেছেন। ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনেও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষ অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, জাতির সংকটের সময়ে যখন ধর্মকে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি, তখন অন্য ক্ষেত্রে কেন ধর্মকে বিবেচনায় নেওয়া হবে? দেশ স্বাধীন করার পাশাপাশি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সবাই সম্মিলিতভাবে অংশ নিয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্ন ধর্মের নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের শিকার হওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তাঁর মুসলমান কর্মীদের পাশাপাশি হিন্দু কর্মীরাও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসব ক্ষেত্রে ধর্মের কোনো পার্থক্য ছিল না। তারেক রহমান আরও বলেন, আল্লাহ তাঁকে একটি সুযোগ দিয়েছেন। নিজের অবস্থান থেকে তিনি চেষ্টা করবেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং মানুষ হিসেবে প্রত্যেককে তাঁর সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা-১৭ আসনের আট মন্দিরের প্রতিনিধিদের মতবিনিময়

মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় সৌদি আরবকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ

পবিত্র মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তার প্রশ্নে বাংলাদেশের কোনো আপস নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। প্রয়োজন হলে পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরবকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। শনিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘শ্রমশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারিত্ব: বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের নতুন বিন্যাস’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হওয়া উচিত বিনিয়োগ। বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করছে ঢাকা। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে শ্রমবাজারও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে আগ্রহী বাংলাদেশ। আরও পড়ুন,প্রবাসী কর্মী পাঠানো ও আয় বৃদ্ধি নিয়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠকএকই সঙ্গে প্রচলিত শ্রমশক্তি রপ্তানির সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করে কৌশলগত অংশীদারত্বে রূপ দিতে চায় সরকার। হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশের লক্ষ্য অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীল হওয়া নয়; বরং পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা। দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি হতে হবে বিশ্বাস ও আস্থা। এদিকে, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হলে মক্কায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। অন্যদিকে, আগামী ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সফরে বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়গুলো আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে সেমিনারে উঠে আসে।

মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় সৌদি আরবকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ

প্রবাসী কর্মী পাঠানো ও আয় বৃদ্ধি নিয়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠক

চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গেছেন ৪ লাখ ৩২ হাজার ৭৮৬ জন বাংলাদেশি কর্মী। একই সময়ে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন। বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আরও পড়ুন,আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মানিত করার আশ্বাসনির্ধারিত সময়ে বিদেশে যাওয়া কর্মীদের মধ্যে নারী কর্মীর সংখ্যা ৩৬ হাজার ৫৯০ জন। বিদেশে কর্মসংস্থানের এই চিত্রের পাশাপাশি প্রবাসী আয় বৃদ্ধির তথ্যও বৈঠকে তুলে ধরা হয়। এদিকে বিদেশে যাওয়া এবং দেশে ফিরে আসা প্রবাসী কর্মীরা যাতে বিমানবন্দরে কোনো ধরনের অবহেলা কিংবা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ডে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ করে স্বচ্ছতা ও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে আরও জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরানে আটকে পড়া ১৮৬ জন বাংলাদেশিকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১২ জন নারী ও ৮ জন শিশু রয়েছেন। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে তাঁদের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

প্রবাসী কর্মী পাঠানো ও আয় বৃদ্ধি নিয়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠক

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মানিত করার আশ্বাস

মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য ও গৌরব সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। তাঁদের সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ তালিকা প্রণয়ন ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এদিকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংসদীয় সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখার জন্য বাংলাদেশ সফররত যুক্তরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।আরও পড়ুন,প্রবাসীদের ভোট নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা নিতে চায় নেপালবৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে বাংলাদেশবিষয়ক যুক্তরাজ্যের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। ব্রিটিশ এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন সংসদ সদস্য শওকত আদম এবং হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড কুরবান হোসাইন। একই দিনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলও বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এ ছাড়া ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রতিযোগীরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পুরস্কৃত কোরআনে হাফেজ ও শিক্ষার্থীদের সম্মানিত করার পাশাপাশি কোরআন শিক্ষা ও চর্চাকে আরও উৎসাহিত করতে সরকার কাজ করবে।

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মানিত করার আশ্বাস

প্রবাসীদের ভোট নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা নিতে চায় নেপাল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রবাসী এবং দেশের অভ্যন্তরে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পোস্টাল ভোটিংয়ের আওতায় এনেছে নির্বাচন কমিশন। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং সিস্টেম’ এবার দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোরও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বাংলাদেশের এই প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা গ্রহণে আগ্রহ দেখাচ্ছে নেপাল ও শ্রীলঙ্কা। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের তৈরি এই প্রযুক্তি অন্য দেশেও ব্যবহৃত হলে কারিগরি ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বের করা সহজ হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে এবং ব্যবস্থাটির গ্রহণযোগ্যতাও বাড়বে।আরও পড়ুন,এলপিজির নির্ধারিত দাম কার্যকর না হওয়ায় বিপাকে কোটি পরিবার নির্বাচন কমিশনের ‘আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, বাংলাদেশের পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে তৈরি। নেপালের প্রতিনিধিদল নিজেদের উদ্যোগে এ প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে এসেছে এবং তারা ইতিবাচক আগ্রহ দেখিয়েছে। গত সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা সফরের সময়ও দেশটির পক্ষ থেকে একই ধরনের আগ্রহ দেখা গেছে। তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচন ও উপনির্বাচনে অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান করে ব্যবস্থাটিকে আরও কার্যকর করতে হবে। তাঁর মতে, এই অভিজ্ঞতা নির্বাচন কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, যা ভবিষ্যতে কাজে লাগানো সম্ভব।

প্রবাসীদের ভোট নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা নিতে চায় নেপাল

এলপিজির নির্ধারিত দাম কার্যকর না হওয়ায় বিপাকে কোটি পরিবার

রান্নার অন্যতম প্রধান জ্বালানি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হলেও রাজধানীর খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায়। ফলে প্রতিটি সিলিন্ডার কিনতে ক্রেতাদের বাড়তি গুনতে হচ্ছে ৩৬৩ থেকে ৪৬৩ টাকা। গত সাড়ে সাত মাসে দফায় দফায় এলপিজির দাম প্রায় ৩৫ শতাংশ বেড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাইপলাইনের গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ না থাকায় দেশের এক কোটিরও বেশি পরিবার এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। ফলে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে গিয়ে সংসারের ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেক পরিবার। সরকারি দর নির্ধারণ করা হলেও বাজারে তা কার্যকর না হওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে চলছে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, প্ল্যান্ট থেকে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে না। অন্যদিকে পাইকারি বিক্রেতাদের বক্তব্য, খুচরা বিক্রেতাদের কাছে আগের মজুত থাকায় তারা নতুন করে গ্যাস তুলছেন না। আরও পড়ুন,অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে ডিএমপির দুই কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তনতবে বড় কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুললে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন ছোট ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক জানিয়েছেন, দেশে এলপিজির কোনো ঘাটতি নেই। তাঁর দাবি, মধ্যস্বত্বভোগীরা অনৈতিকভাবে গ্যাস মজুত করে বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছেন। কোনো অপারেটর নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তবে বাজারে বাড়তি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ থাকায় সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খাতসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, দেশে এলপিজির বার্ষিক চাহিদা অন্তত দেড় লাখ টন। এর প্রায় ৯৯ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। বাজারের প্রায় ৬৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে চারটি বড় প্রতিষ্ঠান—ওমেরা, পেট্রোমেক্স, মেঘনা ও যমুনা। এ ছাড়া বিএম এনার্জি, ইউনাইটেড আইগ্যাস, ডেল্টা, জেএমআই ও প্রিমিয়ামসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই খাতে ব্যবসা করছে। বাজারের বড় অংশ অল্প কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকায় প্রতিযোগিতা ও সরবরাহ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এলপিজির নির্ধারিত দাম কার্যকর না হওয়ায় বিপাকে কোটি পরিবার