রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

জাতীয়

জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্ক পর্বে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বিশ্ব শান্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন তিনি।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।বর্তমান সরকারের জন্য জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। ফলে বিশ্ববাসীর সামনে সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয় গুরুত্ব পাবে।পাশাপাশি যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কার নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে।সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থাকবে রোহিঙ্গা সংকট।২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।আড়ও পড়ুন,রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক সেখানে রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা চাইবে বাংলাদেশ।এর পরদিন, ২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সংকট নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।সেখানে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়ে বাংলাদেশের দাবি তুলে ধরার কথা রয়েছে।জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে একাধিক দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী।সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক অর্থনৈতিক কূটনীতি।ওয়াল স্ট্রিট ও মেটাসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা, অবকাঠামো, উৎপাদন ও প্রযুক্তি খাত, দক্ষ মানবসম্পদ এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয় তুলে ধরার কথা রয়েছে।নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর। আর ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে হার্টের রিং বা করোনারি স্টেন্ট বিক্রি এবং রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।এ ছাড়া সেবা দিতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও রোগী হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটিতে এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন—দুদক।রোববার দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য জানান।দুদক জানিয়েছে, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নির্ধারিত নতুন মূল্য কার্যকর না করে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে হার্টের রিং বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পাওয়া যায়।এর সঙ্গে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং সেবা প্রদানে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগও ছিল।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানকালে সম্প্রতি হার্টের রিং পরানো হয়েছে—এমন কয়েকজন রোগীর ক্ষেত্রে নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী লেনদেন হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়।এ জন্য দৈবচয়ন ভিত্তিতে রোগীদের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে এনফোর্সমেন্ট টিম।আড়ও পড়ুন,অপ্রতিম হত্যা: ১২ ঘণ্টায় চার গ্রেপ্তার, দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার আশ্বাসপাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি থাকা হার্টের রিং পরানো রোগীদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হয়।তাদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা হয়রানির ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করেছে দুদক।তবে অভিযানেই অনিয়ম প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনো জানায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন।অভিযানে সংগৃহীত তথ্য, রোগীদের বক্তব্য এবং রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করা হবে।এরপর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনের কাছে দাখিল করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অভিযোগের সত্যতা এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।হার্টের রিংয়ের মূল্য ও রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের বিষয়টি তাই এখন দুদকের যাচাই-বাছাইয়ের মধ্যে রয়েছে।

রিংয়ের দামে অনিয়মের অভিযোগ, রোগীদের নথি সংগ্রহ করল দুদক

অপ্রতিম হত্যা: ১২ ঘণ্টায় চার গ্রেপ্তার, দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার আশ্বাস

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে চারজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ১২ ঘণ্টার মধ্যে চারজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তিনজন এবং পরে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে তিনি জানান। তবে মামলার তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া এখনো চলমান।মন্ত্রী বলেন, অপ্রতিমের সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয়, ওঠাবসা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। তাদের বয়স নিহত অপ্রতিমের চেয়ে আনুমানিক ৫ থেকে ১০ বছর বেশি বলে জানান তিনি।হত্যাকাণ্ডের সময় অপ্রতিমের কাছে থাকা মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,হিমবাহ গলে বাড়ছে বাংলাদেশের বন্যার ঝুঁকি এসব আলামতের ফরেনসিক বিশ্লেষণ চলছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনাটির পারিপার্শ্বিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ এবং সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত দেওয়ার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি পল্লবীতে শিশু হত্যার একটি মামলার উদাহরণ টেনে বলেন, একইভাবে এ মামলার তদন্তও দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।অপরাধের পেছনে মাদক ও জুয়ার সংশ্লিষ্টতা অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কিশোরদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে স্কুল পর্যায়ে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও মোটিভেশনাল কার্যক্রম বাড়াতে হবে।একই সঙ্গে অপরাধ সংঘটনের পর দ্রুত তদন্তের পাশাপাশি বিচার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে এখন তদন্তের পরবর্তী ধাপ এবং সংগৃহীত আলামতের ফরেনসিক প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

অপ্রতিম হত্যা: ১২ ঘণ্টায় চার গ্রেপ্তার, দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার আশ্বাস

হিমবাহ গলে বাড়ছে বাংলাদেশের বন্যার ঝুঁকি

হিমালয়ের হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়া এবং দীর্ঘদিন জমাট থাকা মাটি ও বরফের স্তর বা পারমাফ্রস্ট নরম হয়ে পড়ায় বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে। গবেষকদের আশঙ্কা, এর প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশসহ হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলের আট দেশের বিস্তীর্ণ জনপদে।বাংলাদেশ ছাড়াও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ভারত পাকিস্তান নেপাল ভুটান চীন আফগানিস্তান ও মিয়ানমার। হিমবাহের পরিবর্তনের প্রভাব শুধু পাহাড়ি এলাকায় সীমাবদ্ধ নয়। পশ্চিমে আফগানিস্তান থেকে পূর্বে মিয়ানমার পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত উজান ও ভাটি অঞ্চলেও এর প্রভাব পড়তে পারে।গবেষকদের মতে, হিমবাহ গলে যাওয়ার পাশাপাশি পারমাফ্রস্ট নরম হয়ে পাহাড়ের ঢাল অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। এতে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। একই সঙ্গে হিমবাহের পানি জমে তৈরি হওয়া হ্রদের বাঁধ ভেঙে গেলে আকস্মিক বন্যা বা হিমবাহ হ্রদভাঙা বন্যা দেখা দিতে পারে।হিমালয় থেকে এশিয়ার ১০টি প্রধান নদী ব্যবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সিন্ধু গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র ইরাবতী সালউইন মেকং ইয়াংসি হলুদ নদীসহ গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো। এসব নদীর অববাহিকায় প্রায় ২০০ কোটি মানুষের বসবাস। তাদের পানীয় জল কৃষি জীবিকা ও অর্থনীতির সঙ্গে এসব নদীর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।বাংলাদেশের জন্য গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গঙ্গা ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। আর তিব্বতে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্র চীন ও ভারতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে এসে যমুনা নামে প্রবাহিত হয়েছে।আইসিআইএমওডির তথ্য অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় প্রায় ১১ কোটি ৪০ লাখ মানুষের বসবাস। আড়ও পড়ুন,নতুন বেতন স্কেলে যেসব সরকারি কর্মচারী সুবিধা পাবেন নাএর মধ্যে প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ মানুষ বাংলাদেশে। ফলে হিমালয়ের পরিবেশগত পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের পানি কৃষি ও নদীকেন্দ্রিক জনজীবনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।সিস্টেমিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ভারতের অংশেই প্রায় ২০০টি হিমবাহ হ্রদ বাঁধ ভেঙে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে ৫৬টি অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদনের প্রধান লেখক অরুশি চোপড়া বলেছেন, হিমালয় অঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা আবার ঘটবে কি না তার চেয়ে কখন ঘটবে সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।আইসিআইএমওডির ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০১০ থেকে ২০১৯ সময়ে হিমবাহ গলার হার আগের দশকের তুলনায় ৬৫ শতাংশ বেড়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিকে এর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিমালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়ানো জরুরি। স্যাটেলাইট তথ্য রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন সেন্সরের মাধ্যমে হিমবাহ ও হিমবাহ হ্রদের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে হিমালয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এবং সীমান্ত পেরিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন গবেষকরা। কারণ হিমালয় থেকে নেমে আসা পানি কোনো সীমান্ত মানে না। উজানে ঘটে যাওয়া কোনো বিপর্যয়ের প্রভাব তাই কয়েকটি দেশের সীমানা পেরিয়ে ভাটির জনপদেও পৌঁছাতে পারে।

হিমবাহ গলে বাড়ছে বাংলাদেশের বন্যার ঝুঁকি

নতুন বেতন স্কেলে যেসব সরকারি কর্মচারী সুবিধা পাবেন না

সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকর ধরা হয়েছে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে। তবে নতুন এই বেতন স্কেলের সুবিধা পাবেন না সব সরকারি কর্মচারী। প্রকাশিত গেজেটে নির্দিষ্ট কয়েকটি শ্রেণির চাকরিজীবীকে এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।গেজেট অনুযায়ী বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে কর্মরত ব্যক্তিরা জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আওতায় থাকবেন না। একইভাবে প্রতিরক্ষা প্রাক্কলন থেকে বেতন পাওয়া বেসামরিক কর্মচারীদের বাদ দিয়ে প্রতিরক্ষা সার্ভিসে নিয়োজিত কর্মচারীরাও এই আদেশের বাইরে থাকবেন।এ ছাড়া পুলিশ বাহিনী এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবির কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও নতুন পে স্কেল প্রযোজ্য হবে না। রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট শ্রেণির শ্রমিক শিক্ষানবিশ ও প্রশিক্ষণার্থীদেরও এই বেতন স্কেলের বাইরে রাখা হয়েছে।আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তি দৈনিক ভিত্তিতে নিয়োজিত সাময়িক শ্রমিক এবং চুক্তিভিত্তিক বা খণ্ডকালীন কর্মীরাও জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর সুবিধা পাবেন না।এদিকে নতুন বেতন স্কেল একসঙ্গে পুরোপুরি কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গেজেট অনুযায়ী ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বেতন বৃদ্ধির হার আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরপ্রথম ধাপে ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নতুন বেতন স্কেলে নির্ধারিত বেতন এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে পাওয়া বা প্রাপ্য বর্তমান বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ পাবেন ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব কর্মচারীরা। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা পাবেন এই পার্থক্যের ৫০ শতাংশ।দ্বিতীয় ধাপে ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্বদের ক্ষেত্রে এই হার হবে ৭০ শতাংশ। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য হবে ৭৫ শতাংশ।সবশেষে ১ জুলাই ২০২৭ থেকে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী মূল বেতন শতভাগ কার্যকর হবে।নতুন বেতন স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হলেও এর গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে ১৯ সেপ্টেম্বর। ফলে ১ জুলাই থেকে গেজেট প্রকাশের আগ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পাওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।তবে ওই সময়ের বকেয়া অর্থ নির্ধারণের ক্ষেত্রে আগে পাওয়া বিশেষ সুবিধার অর্থ সমন্বয় করা হবে। অর্থাৎ নতুন বেতন স্কেলের সঙ্গে সমন্বয় করে যে অর্থ দেওয়া হবে সেখান থেকে কর্মচারীরা আগে পাওয়া বিশেষ সুবিধার অর্থ হিসাব করে নেওয়া হবে।

নতুন বেতন স্কেলে যেসব সরকারি কর্মচারী সুবিধা পাবেন না

সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ এবং অভিন্ন মানদণ্ডে সনদ দেওয়ার ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।শনিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির সুযোগ বাড়াতেও প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।তিনি বলেন, দেশের তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম থাকলেও পর্যাপ্ত সমন্বয়ের অভাবে অনেক প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রত্যাশিত কার্যকারিতা অর্জন করতে পারছে না। ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সনদের কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি না পাওয়ায় তরুণরা প্রত্যাশিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।আড়ও পড়ুন,পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের শঙ্কাএ পরিস্থিতিতে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বডিকে দ্রুত একটি ছোট কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এর মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার কথা বলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ পরিচালনার পাশাপাশি অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদায়ন ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হলে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও সনদের স্বীকৃতি বাড়বে।সভায় জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক কাঠামো জনবল ও কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা নিরূপণ এবং স্বল্প মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।এ ছাড়া প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের শঙ্কা

বৃষ্টিপাত বাড়লে দেশের পাঁচ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।শনিবার দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি আগামী তিন দিন উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, তৎসংলগ্ন উজান এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য অববাহিকা ও আশপাশের এলাকায় মাঝারি থেকে মাঝারি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র-যমুনার পানি সমতল বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী এক দিন এ অবস্থা থাকতে পারে। এরপর চার দিন পানি বাড়তে পারে। অন্যদিকে গঙ্গা-পদ্মার পানি কমার প্রবণতা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। সুরমা-কুশিয়ারার পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে এবং আগামী তিন দিন এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।উত্তরাঞ্চলের দুধকুমার ও ধরলা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। আড়ও পড়ুন,দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে ফ্রিল্যান্সিং ভর্তি পরীক্ষা, অংশ নিলেন ৫২ হাজার ২০০ জনতিস্তার পানি কমলেও আগামী দুই দিন এসব নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর এক দিন পানি স্থিতিশীল থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।এদিকে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি নীলফামারী লালমনিরহাট রংপুর কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী মুহুরী সেলোনিয়া ফেনী হালদা সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। তবে ফেনী হালদা সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি আগামী ২৪ ঘণ্টায় বাড়তে পারে। গোমতী মুহুরী ও সেলোনিয়া নদীর পানি আগামী তিন দিন কমতে পারে বলে জানিয়েছে পাউবো।

পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের শঙ্কা

দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে ফ্রিল্যান্সিং ভর্তি পরীক্ষা, অংশ নিলেন ৫২ হাজার ২০০ জন

চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে, বাড়ছে শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের সংখ্যাও। এমন বাস্তবতায় ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হলো যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ৮ম ব্যাচের লিখিত বাছাই পরীক্ষা।মাত্র ৪ হাজার ৮০০ আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৮১ হাজার ৪০০টি। যাচাই-বাছাই শেষে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৫২ হাজার ২০০ প্রার্থী।শনিবার সকাল ৯টা। দেশের ৬৪ জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে শুরু হয় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ভর্তি পরীক্ষা।কেউ এসেছেন সদ্য পড়াশোনা শেষ করে, কেউ চাকরির অপেক্ষায়, আবার কেউ নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করার স্বপ্ন নিয়ে।যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় চলছে এই কার্যক্রম।রাজধানীর কল্যাণপুরে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নেন প্রায় ৫ হাজার ৫০০ প্রার্থী।পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন।দেশের অন্যান্য জেলাতেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরীক্ষা কার্যক্রম তদারকি করেন।লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০ সেপ্টেম্বর। এরপর চূড়ান্ত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি জেলা থেকে ৭৫ জন করে মোট ৪ হাজার ৮০০ জনকে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ।গ্রাফিক্স:এ পর্যন্ত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন: ১৯,২০০ জনফ্রিল্যান্সিংয়ে আয় করতে সক্ষম: ১২,৩৫৪ জনসাফল্যের হার: প্রায় ৬৪ শতাংশমোট আয়: ৩৪ লাখ ৩৯ হাজার ৮০ মার্কিন ডলারবাংলাদেশি মুদ্রায়: প্রায় ৪২ কোটি ৩০ লাখ টাকাআড়ও পড়ুন,ছাত্রজীবনেই ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রস্তুতির আহ্বান মামুনুলেরযুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ১৯ হাজার ২০০ জন। তাদের মধ্যে প্রায় ৬৪ শতাংশ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করছেন।ফলে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর অংশগ্রহণকে শুধু প্রশিক্ষণের প্রতি আগ্রহ নয়, বরং প্রচলিত চাকরির বাইরে অনলাইনভিত্তিক কর্মসংস্থানের প্রতি তরুণদের বাড়তে থাকা আগ্রহেরও প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।৪ হাজার ৮০০ আসনের বিপরীতে ৮১ হাজারের বেশি আবেদন। আর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৫২ হাজার ২০০ তরুণ-তরুণী। প্রতিযোগিতা তাই কঠিন। তবে নির্বাচিত ৪ হাজার ৮০০ জনের জন্য এই প্রশিক্ষণ হতে পারে দক্ষতা অর্জন ও অনলাইনে আয়ের নতুন একটি সুযোগ।

দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে ফ্রিল্যান্সিং ভর্তি পরীক্ষা, অংশ নিলেন ৫২ হাজার ২০০ জন

ফুটপাতের জীবন পেরিয়ে নতুন ঠিকানা গোলাপি বেগমের

শাহবাগের ফুটপাতে বসবাস করা গোলাপি বেগম এবার উঠেছেন নিজের নতুন বাড়িতে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের রতনপুর গ্রামে নির্মিত বাড়িটি শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় তাঁর স্থায়ী আবাসনের জন্য বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছে।একসময় রাজধানীর শাহবাগের ফুটপাতই ছিল গোলাপি বেগমের ঠিকানা।অসহায় অবস্থায় ফুটপাতে বসবাসের বিষয়টি ২০২৫ সালে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় তারেক রহমানের নজরে আসে বলে জানিয়েছে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’।তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এরপর গোলাপি বেগমের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রায় এক বছর তাঁর চিকিৎসার পাশাপাশি ঢাকায় একটি বাসায় থাকার ব্যবস্থাও করা হয়।পরে স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের রতনপুর গ্রামে তাঁর জন্য নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হয়।শুক্রবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়িটির চাবি গোলাপি বেগমের হাতে তুলে দেওয়া হয়।আড়ও পড়ুন,সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগতারেক রহমানের পক্ষে চাবি হস্তান্তর করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।এ সময় গোলাপি বেগমকে আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়।বাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাদের অন্যতম লক্ষ্য। মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।শাহবাগের ফুটপাত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্রামে নিজের একটি ঘর—গোলাপি বেগমের জীবনে যেন যোগ হলো নতুন এক অধ্যায়।

ফুটপাতের জীবন পেরিয়ে নতুন ঠিকানা গোলাপি বেগমের

সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ

সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। পেনশনারের মৃত্যুর পর তার স্বামী বা স্ত্রী কিংবা নমিনি ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত পেনশন সুবিধা পাবেন। বর্তমানে এ সুবিধার বয়সসীমা ৭৫ বছর।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সুরাতুজ্জামান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান জানান, পেনশনার নিজে আজীবন পেনশন পাবেন। তার মৃত্যুর পর স্বামী বা স্ত্রীকে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত পেনশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগে এই সুবিধা ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত ছিল।এ ছাড়া সরকারি মালিকানাধীন যেসব প্রতিষ্ঠানে পেনশন ব্যবস্থা নেই সেসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের ‘প্রগতি’ স্কিমের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কোন কোন প্রতিষ্ঠান এতে যুক্ত হবে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা পরে নির্ধারণ করা হবে।আড়ও পড়ুন,আসিফ মাহমুদের সম্পদের খোঁজে দুদকবিদেশগামী কর্মীদেরও সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদেশ যাওয়ার আগে কর্মীদের ‘প্রবাস’ স্কিম সম্পর্কে জানানো এবং নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।এদিকে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির ইসলামিক বা শরিয়াহভিত্তিক সংস্করণ চালুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে পরিচালনা পর্ষদ। এর কাঠামো ও পরিচালনপদ্ধতি নির্ধারণে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং স্থানীয় পরামর্শকেরা কাজ করছেন। অ্যাকচুয়ারিয়াল বিশ্লেষণসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে আলাদা বিধিমালা প্রণয়নের পর এই স্কিম চালু করা হবে।তবে পেনশন শুরুর বয়স ৬০ বছর থেকে কমিয়ে ৫৫ বছর করার প্রস্তাবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি অ্যাকচুয়ারিয়াল পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী সময়ে আবার পরিচালনা পর্ষদে উপস্থাপন করা হতে পারে।সর্বজনীন পেনশন তহবিল থেকে অংশগ্রহণকারীদের ঋণ দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। ঋণ দেওয়া হলে তহবিলের কাঙ্ক্ষিত রিটার্ন এবং অংশগ্রহণকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করে অ্যাকচুয়ারিয়াল নির্দেশনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।পেনশন কর্মসূচির সঙ্গে স্বাস্থ্যবিমা চালুর বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কোন মডেলে এটি চালু করা হবে এবং এতে তহবিলের ওপর কী ধরনের আর্থিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।অন্যদিকে পাঁচ বছর অর্থ জমা দেওয়ার পর শারীরিক বা আর্থিক কারণে অক্ষম হলে বিশেষ বিবেচনায় অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে সেটিও অনুমোদন পায়নি।সর্বজনীন পেনশনে নতুন নিবন্ধন বাড়াতে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রণোদনা বাড়ানো হয়েছে। আগে একজনকে নিবন্ধনের জন্য ১৫ টাকা দেওয়া হলেও এখন তা বাড়িয়ে ২৫ টাকা করা হয়েছে।এ ছাড়া জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আর্থিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়াতে সরকারি নিরীক্ষার পাশাপাশি একটি বেসরকারি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে পেনশন সুবিধার বয়সসীমা বাড়ানো শরিয়াহভিত্তিক স্কিম চালু সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অন্তর্ভুক্তি এবং বিদেশগামী কর্মীদের নিবন্ধনের মতো একাধিক উদ্যোগের মাধ্যমে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে পরিবর্তন আনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।

সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ

আসিফ মাহমুদের সম্পদের খোঁজে দুদক

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন এবং দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন—দুদক।বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট—বিএফআইইউর কাছে পাঠানো চিঠিতে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশে থাকা সম্পদ, বিনিয়োগ ও অর্থ স্থানান্তরের তথ্যও চাওয়া হয়েছে।দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহেদ কালামের সই করা চিঠিতে আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা চালু, সুপ্ত ও বন্ধ ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, লকার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, এফডিআর, ডিপিএস এবং ঋণসংক্রান্ত নথিপত্রের তথ্যও চেয়েছে দুদক।আসিফ মাহমুদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির আর্থিক কর্মকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহের বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।বিদেশে সম্পদ, বিনিয়োগ, ব্যাংক হিসাব ও অর্থ স্থানান্তরের তথ্য পেতে বিএফআইইউর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।দুদকের অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থপাচার, বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং বিদেশে শেল কোম্পানি গঠনের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।অভিযোগে পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও সুইজারল্যান্ডে সম্পদ ও অর্থ স্থানান্তরের কথা বলা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,নিরাপদ অভিবাসনে জালিয়াতি বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার পাঁচ দেশে মোট ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও রয়েছে।এর মধ্যে দুবাইয়ে ৪ হাজার ৫০০ কোটি, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি এবং সুইজারল্যান্ডে দেড় হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ করা হয়েছে। পর্তুগালে জমি কেনার অভিযোগও রয়েছে।এর আগে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।পরে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসক পদায়ন, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন প্রকল্প এবং বিভিন্ন নিয়োগে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় আসে।অন্যদিকে, দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে আইনি নোটিশও পাঠিয়েছেন তিনি।দুদক জানিয়েছে, অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাইয়ে আমলযোগ্য বিবেচিত হওয়ায় আইন ও বিধি অনুযায়ী অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে অভিযোগগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

আসিফ মাহমুদের সম্পদের খোঁজে দুদক

নিরাপদ অভিবাসনে জালিয়াতি বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার

অভিবাসন প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল করা, জাল নথি ও প্রতারণা বন্ধ এবং অবৈধ সিন্ডিকেটের হাত থেকে বাংলাদেশিদের সুরক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রত্যাশী বাংলাদেশিরা প্রায়ই অসাধু মধ্যস্বত্বভোগী ও অবৈধ সিন্ডিকেটের প্রতারণার শিকার হন। এসব চক্র জাল নথি ব্যবহার করে একদিকে নাগরিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে, অন্যদিকে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ করছে।অভিবাসন সেবা আরও সুসংহত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৃথক অভিবাসন শাখা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।অভিবাসন-সংক্রান্ত আবেদনে জাল নথি ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহারের বিষয়টি মোকাবিলায় অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।শামা ওবায়েদ বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো আরও বেশি বাংলাদেশি যাতে দক্ষ কর্মী হিসেবে বৈধভাবে বিদেশে যেতে পারেন এবং পুরো প্রক্রিয়াটি যেন সহজ ও নিরাপদ হয়।এ জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,কৃষক শক্তিশালী হলে দেশ শক্তিশালী হবে কৃষিমন্ত্রী এতে পাসপোর্ট অধিদফতর, অভিবাসন কর্তৃপক্ষ, পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্র, প্রবাসীকল্যাণ, বাণিজ্য, আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা থাকছেন।সরকারের ‘এক নাগরিক, এক কার্ড’ উদ্যোগের আওতায় পর্যায়ক্রমে নাগরিকদের প্রয়োজনীয় তথ্য একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, এই ব্যবস্থা চালু হলে নাগরিকদের তথ্য যাচাই আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে জাল নথি তৈরি ও ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণার সুযোগও কমে আসবে।তবে এই ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু না হওয়া পর্যন্ত নাগরিকদের সঠিক ও যাচাই করা নথিপত্র নিয়ে বিদেশ যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।সরকারের নেওয়া সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসন-সংক্রান্ত জালিয়াতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল বিদেশযাত্রার সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

নিরাপদ অভিবাসনে জালিয়াতি বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার

কৃষক শক্তিশালী হলে দেশ শক্তিশালী হবে কৃষিমন্ত্রী

আদা, মরিচ, টমেটো ও পেঁয়াজসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার আশাবাদ জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।তিনি বলেছেন, কৃষি এগিয়ে গেলে দেশ এগিয়ে যাবে আর কৃষক শক্তিশালী হলে দেশ শক্তিশালী হবে। কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসব পণ্য রফতানির ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার কার্যক্রম, অর্জন, কৃষিক্ষেত্রের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।এ সময় কৃষিজমি ও ফসলে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। রাসায়নিক সারের পাশাপাশি জৈব সারের ব্যবহার বাড়িয়ে মাটির গুণগত মান ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।কৃষিমন্ত্রী বলেন, টেকসই কৃষি উৎপাদনের জন্য মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বৈঠকে জানানো হয়, আগের বছরগুলোর তুলনায় চলতি বছরে কৃষক পর্যায়ে বেশি সার সরবরাহ করা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,মাদক-জুয়াই অপরাধের অন্যতম চালিকাশক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসার বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালাও জারি করা হয়েছে।এ ছাড়া যশোরের গদখালীতে ফুল ও মৃত্তিকা গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন, পাহাড় ও সমতলের পরিত্যক্ত জায়গায় তুলা চাষ এবং চরাঞ্চলে ভুট্টা, মিষ্টি আলু ও বাদাম উৎপাদনের বিষয়েও আলোচনা হয়।কৃষিতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো, কৃষকদের উন্নত প্রশিক্ষণ, পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর সরকারের অনেক সফলতা নির্ভর করছে। টেকসই ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কৃষক শক্তিশালী হলে দেশ শক্তিশালী হবে কৃষিমন্ত্রী

মাদক-জুয়াই অপরাধের অন্যতম চালিকাশক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন—ক্র্যাবের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সময়ের সঙ্গে অপরাধের ধরনও বদলেছে। প্রযুক্তিনির্ভর ও ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলায় আধুনিক আইনি কাঠামোর পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল এবং বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা অপরিহার্য।অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে জ্ঞানভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ক্র্যাবের মতো ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের ভূমিকা রয়েছে।অপরাধের মূল কারণ খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, অপরাধ একটি বাহ্যিক উপসর্গ। তাই অপরাধীর শাস্তির পাশাপাশি কেন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, তা বিশ্লেষণ করতে হবে। তাঁর মতে, মাদক ও জুয়া সমাজে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের অন্যতম চালিকাশক্তি।ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করা ক্রাইম রিপোর্টারদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিকদের সিএসআর ফান্ডসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সহযোগিতার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি।পাশাপাশি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় পেশাগত শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সনদ দেওয়ার বিষয়টি আইনগতভাবে পর্যালোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।আড়ও পড়ুন,স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৭ সেপ্টেম্বরঅ্যাসিড অপরাধ দমনে কঠোর আইন, গণমাধ্যমের ভূমিকা ও সামাজিক সচেতনতার সম্মিলিত সাফল্যের উদাহরণ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, একইভাবে মাদক ও অনলাইন জুয়াসহ অন্যান্য অপরাধ দমনে রাষ্ট্র, সমাজ ও গণমাধ্যমকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।অনলাইন জুয়া ও মাদক নিয়ন্ত্রণে আস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীইনি কাঠামো আধুনিকায়নের কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুরোনো আইন সংস্কার ও নতুন আইন প্রণয়নে সরকার কাজ করছে।ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) মো. রাশেদ খাঁন।পরে কেক কেটে ক্র্যাবের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মাদক-জুয়াই অপরাধের অন্যতম চালিকাশক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৭ সেপ্টেম্বর

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সম্ভাব্য সূচি নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে তা এখনো চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আগামী বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর সচিবদের অংশগ্রহণে আন্তমন্ত্রণালয় সভার মতামতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ও আইনি এখতিয়ার অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো বড় আয়োজনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এ কারণে সম্ভাব্য নির্বাচনী সূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।এর আগে নির্বাচন কমিশন থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনার কথা জানা যায়। সম্ভাব্য সূচি নিয়ে সরকারের বিভিন্ন মহলে আলোচনার মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হলো।আড়ও পড়ুন,জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাস সরবরাহএদিকে সংবাদ ব্রিফিংয়ে ঢাকার যানজট ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাজের কারণে নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কারণে যাতে জনদুর্ভোগ না বাড়ে সে জন্য একই এলাকায় ইউটিলিটি স্থানান্তরসহ প্রয়োজনীয় নির্মাণকাজ সমন্বিতভাবে করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ তদারকিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনায় প্রতি ১৫ দিন পরপর উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।প্রয়োজনে কর্মকর্তা পর্যায়ের সাব-কমিটির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হবে বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৭ সেপ্টেম্বর

জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ

জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। দেশীয় উৎসের গ্যাসের পাশাপাশি আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সরবরাহ বাড়ানোর ফলে গ্যাস পরিস্থিতিতে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা দিয়েছে।মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে মোট ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। পেট্রোবাংলার পরিচালক অপারেশনস অ্যান্ড মাইনস প্রকৌশলী মো. শোয়েব এ তথ্য জানিয়েছেন।পেট্রোবাংলা বলছে, জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের প্রাপ্যতা বাড়াতে দেশীয় উৎসের উৎপাদন এবং আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহের মধ্যে সমন্বয় করা হচ্ছে।মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় সরবরাহ করা মোট গ্যাসের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে এসেছে ১৬১ দশমিক ৫ কোটি ঘনফুট। আর এলএনজি থেকে সরবরাহ হয়েছে ৯৯ দশমিক ১ কোটি ঘনফুট।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। আড়ও পড়ুন,‘মারো না কেন, মারো’—সাদ্দামকে ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশ: চিফ প্রসিকিউটরএর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্প সার উৎপাদনসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে গ্যাস সরবরাহে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার আশা করা হচ্ছে।পেট্রোবাংলার তথ্যানুযায়ী দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৫০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে সোমবার জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছিল ২৩৪ দশমিক ৫৩ কোটি ঘনফুট। আর রবিবার সরবরাহ ছিল ২৩৩ দশমিক ১৯ কোটি ঘনফুট।মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় সরবরাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুটে। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে সরবরাহ বেড়েছে ২৬ দশমিক ০৭ কোটি ঘনফুট। আর রবিবারের তুলনায় বেড়েছে ২৭ দশমিক ৪১ কোটি ঘনফুট।মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে এই উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি জ্বালানি পরিস্থিতিতে স্বস্তির সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তবে চাহিদার তুলনায় এখনও ঘাটতি থাকায় সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশীয় উৎপাদনের পাশাপাশি এলএনজি সরবরাহ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে পেট্রোবাংলা।

জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ