রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

সারাদেশ

দীর্ঘদিনের হতাশার পর এক জালেই ১০০ মণ ইলিশ

দীর্ঘদিনের হতাশার পর এক জালেই ১০০ মণ ইলিশ

মাত্র দুই ঘণ্টা জাল ফেলতেই ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ! জাল তুলতে গিয়ে দেখা গেল পুরো জালজুড়েই রুপালি ইলিশ। এত মাছ যে, জাল থেকে ইলিশ ছাড়াতেই হিমশিম খেতে হয় জেলেদের। পরে প্রায় ১০০ মণ ইলিশ নিয়ে বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্যঘাটে ফেরে এফবি নাজমা। মাছ বিক্রি হয়েছে প্রায় ২৫ লাখ টাকায়। দীর্ঘদিনের হতাশার পর একসঙ্গে এত মাছ পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে জেলে ও ট্রলার মালিকদের মাঝে।গভীর সাগর থেকে ঘাটে ফিরেছে মাছভর্তি এফবি নাজমা। রোববার সকালে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্যঘাটে ট্রলারটি ভিড়তেই শুরু হয় মাছ নামানোর ব্যস্ততা।ট্রলারের মাঝি বাপ্পি মিয়ার ভাষ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে পাথরঘাটা থেকে যাত্রা করেন তাঁরা। শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সাগরে জাল ফেলেন। মাত্র দুই ঘণ্টা পর জাল তুলতেই দেখা যায়—জালজুড়ে রুপালি ইলিশ।বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় জাল থেকে ইলিশ ছাড়াতেই বেগ পেতে হয় জেলেদের। পরে প্রায় ১০০ মণ ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফেরে ট্রলারটি।“দুই ঘণ্টার মতো জাল ফেলার পর যখন জাল তুলেছি, তখন দেখি পুরো জাল ইলিশে ভরা। এত মাছ হয়েছে যে জাল থেকে মাছ ছাড়াতেই কষ্ট হয়েছে।আড়ও পড়ুন,অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল উদ্ধারের পর হত্যার বর্ণনা দিল পুলিশট্রলার মালিক এনামুল হোসাইন জানান, মাছগুলো প্রতি মণ ২৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি করে প্রায় ২৫ লাখ টাকা পেয়েছেন তাঁরা। তবে মাছের আকার তুলনামূলক ছোট হওয়ায় দাম কিছুটা কম হয়েছে। আকার বড় হলে একই পরিমাণ মাছ আরও বেশি দামে বিক্রি হতে পারত বলে জানান তিনি।“এবার মাছ না পাওয়ায় সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছিল। একসঙ্গে এত মাছ পাওয়ায় আমরা অনেকটা স্বস্তি পেয়েছি।”পাথরঘাটা বিএফডিসি আড়তদার সমিতির সভাপতি সগীর আলম বলছেন, চলতি ইলিশ মৌসুমে এ এলাকায় এক ট্রলারে ১০০ মণ ইলিশ পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।দীর্ঘদিন মাছের দেখা না পেয়ে লোকসানে থাকা ট্রলার মালিক ও জেলেদের মাঝেও ফিরেছে নতুন আশা। এফবি নাজমার জালে বিপুল ইলিশ ধরা পড়ার পর ঘাটে থাকা অন্য জেলে ও ট্রলার মালিকরাও গভীর সাগরে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল উদ্ধারের পর হত্যার বর্ণনা দিল পুলিশ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছরের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ।এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি সিয়াম নামে ১৯ বছর বয়সী আরও একজনকে আটক করে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সাইফুল ইসলাম তুহিন অপ্রতীমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে যায়।পরে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের পর ফুটেজে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতীমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে ওই এলাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ আরও জানায়, তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বন্ধু কামরুলকেও হেফাজতে নেয় পুলিশ।তুহিনের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।আড়ও পড়ুন,সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে নামাজের ধারা, এবার সংরক্ষণের দাবিপ্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ভাষ্য, বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নির্জন বনে অপ্রতীমের মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।এতে অপ্রতীম বাধা দিলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে তুহিন এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতীমের মাথায় আঘাত করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এতে অপ্রতীমের মৃত্যু হয় বলে পুলিশের দাবি।মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তুহিন মোবাইল ফোন নিয়ে ফাহাদ ও কামরুলের সঙ্গে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও মো. কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।তবে ফাহাদ অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আইনগত কারণে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।পাশাপাশি সিয়ামের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই চলছে।ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল উদ্ধারের পর হত্যার বর্ণনা দিল পুলিশ

সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে নামাজের ধারা, এবার সংরক্ষণের দাবি

সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহাসিক ‘বাবা আদম শহীদ মসজিদ’।সুলতানি আমলের স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত ছয় গম্বুজের এই মসজিদে আজও নিয়মিত ভেসে আসে আজানের ধ্বনি। হয় নামাজ আদায়।ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি প্রাচীন স্থাপত্য, ইতিহাস আর লোককথার কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে এখনো আকর্ষণের কেন্দ্র এই মসজিদ।মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার দরগাহবাড়ি এলাকায় অবস্থিত মসজিদটি নির্মিত হয় ১৪৮৩ খ্রিষ্টাব্দে, সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের শাসনামলে।ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে, তৎকালীন বিক্রমপুরের শাসক মালিক কাফুর শাহ এটি নির্মাণ করেন। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত আছে, প্রখ্যাত মুসলিম প্রচারক ও সাধক বাবা আদম শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর মাজারের পাশে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।প্রায় ৪৩ ফুট দীর্ঘ ও ৩৬ ফুট প্রস্থের মসজিদটির দেয়াল প্রায় চার ফুট পুরু। লাল পোড়ামাটির ইট, সুরকি ও চুনের গাঁথুনিতে তৈরি এ স্থাপনায় রয়েছে তিনটি খিলানাকৃতির প্রবেশপথ, তিনটি মেহরাব, গ্রানাইট পাথরের স্তম্ভ এবং পোড়ামাটির নান্দনিক অলংকরণ।প্রায় ৫৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখানে নামাজের ধারা বন্ধ হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা।আড়ও পড়ুন,রাজাপুরে প্রথমবার মাদকবিরোধী মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিতবর্তমানে মসজিদের ভেতরে একসঙ্গে দুই শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। আর প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে ভেতরে-বাইরে মিলিয়ে সমাগম হয় প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ মুসল্লির।তবে সময়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটিতে দেখা দিয়েছে ক্ষয়ের চিহ্ন।দেয়ালের বিভিন্ন অংশে শ্যাওলা, কোথাও ফাটল। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি মসজিদের ভেতরে ঢুকে পড়ার অভিযোগও রয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১৪ থেকে ১৫ বছর আগে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে সংস্কার ও রং করা হয়েছিল। এরপর বড় ধরনের সংস্কার হয়নি।১৯৪৮ সাল থেকে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। ফলে মসজিদ কমিটিও নিজেদের উদ্যোগে বড় ধরনের সংস্কার করতে পারছে না।স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংরক্ষণ করা না হলে কালের সাক্ষী এই স্থাপনার ঐতিহাসিক স্থাপত্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।তাই দাবি একটাই—ধর্মীয় ঐতিহ্য ও প্রাচীন স্থাপত্যের এই নিদর্শনটি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ।

সাড়ে পাঁচশ বছর ধরে নামাজের ধারা, এবার সংরক্ষণের দাবি

রাজাপুরে প্রথমবার মাদকবিরোধী মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার রাজাপুর গ্রামে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে মাদকবিরোধী মিনি ম্যারাথন। মাদক থেকে দূরে থেকে তরুণ সমাজকে সুস্থ ও সুন্দর জীবনের প্রতি উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর আয়োজিত ৮ কিলোমিটার এ মিনি ম্যারাথনে ১৫ থেকে ৫৬ বছর বয়সী মোট ৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। দৌড় শেষ করার জন্য নির্ধারিত সময় ছিল ৮০ মিনিট। তবে অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই নির্ধারিত সময়ের আগেই দৌড় সম্পন্ন করেন।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। দৌড়ের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বার্তাও ছড়িয়ে দেওয়া হয়।মিনি ম্যারাথনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন ব্যাংকার ও শিক্ষানুরাগী আমিন শহীদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এইচ. এ. বি. সিদ্দিকী।আড়ও পড়ুন,সেন্ট মার্টিনে ১২ টন ইউরিয়া সারসহ ট্রলার জব্দ আটক ১০ সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন নাজমুল হাসান।আয়োজনে স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘অদম্য বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগে ম্যারাথনে অংশ নেওয়া সকলের জন্য জার্সি ও হালকা নাশতার ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে ইমন পাইক চ্যাম্পিয়ন, ওয়াহিদুল দ্বিতীয় এবং পলাশ সমাদ্দার তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।আয়োজকরা বলেন, এটি ছোট পরিসরের আয়োজন হলেও এর বার্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাদক নয় সুস্থ জীবন চাই। খেলাধুলা ও শরীরচর্চার মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।রাজাপুরের এ আয়োজন স্থানীয়দের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন মাদকবিরোধী কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। বার্তা একটাই মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের দৌড় চলুক সুস্থ জীবনের পথে এগিয়ে যাক তরুণ সমাজ।

রাজাপুরে প্রথমবার মাদকবিরোধী মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

সেন্ট মার্টিনে ১২ টন ইউরিয়া সারসহ ট্রলার জব্দ আটক ১০

কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিনের ছেঁড়া দ্বীপসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ১২ টন ইউরিয়া সারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবোঝাই একটি ট্রলার জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় ট্রলারে থাকা ১০ জনকে আটক করা হয়েছে।শুক্রবার রাত একটার দিকে ছেঁড়া দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে গভীর সাগরে অভিযান চালিয়ে ট্রলারটি জব্দ করা হয়। শনিবার দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।কোস্টগার্ড জানায়, গভীর রাতে সেন্ট মার্টিন উপকূল দিয়ে মিয়ানমারের দিকে যাওয়া একটি ট্রলারকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। তবে ট্রলারটি সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করলে কোস্টগার্ডের সদস্যরা ধাওয়া করে সেটি জব্দ করেন।পরে ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ২৪০ বস্তা ইউরিয়া সার ১৯০ বস্তা রসুন এবং ৯০ বস্তা পেঁয়াজ উদ্ধার করা হয়। আড়ও পড়ুন,কোটালীপাড়ায় সকালে দুই মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশজব্দ করা ইউরিয়া সারের পরিমাণ ১২ হাজার কেজি বা ১২ টন। এছাড়া রসুন ৩ হাজার ৮০০ কেজি এবং পেঁয়াজ ৪ হাজার ৫০০ কেজি। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা।আটক ১০ জনের মধ্যে একজন রোহিঙ্গা নাগরিক। অন্যরা চট্টগ্রাম কুমিল্লা ও বরিশালের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।কোস্টগার্ডের ভাষ্য অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ইউরিয়া সার রসুন পেঁয়াজসহ এসব পণ্য মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা জানতে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।জব্দ করা পণ্য ট্রলার ও আটক ব্যক্তিদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সেন্ট মার্টিনে ১২ টন ইউরিয়া সারসহ ট্রলার জব্দ আটক ১০

কোটালীপাড়ায় সকালে দুই মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পৃথক ঘটনায় এক কলেজছাত্রী ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শনিবার সকালে উপজেলার উনিশিয়া গ্রামের বাড়ির পেছন থেকে শরিফা ইসলাম নামে এক কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সকালে পৌর এলাকার একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় মিরাজুল ইসলাম খলিফা নামে এক যুবকের মরদেহ।দুই ঘটনায়ই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত করছে পুলিশ।গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার উনিশিয়া গ্রাম।শনিবার সকালে বাড়ির পেছনে একটি গাছ থেকে ২০ বছর বয়সী কলেজছাত্রী শরিফা ইসলামের মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।পরে তাঁকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।শরিফা কোটালীপাড়া আদর্শ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের স্নাতক সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।পরিবারের ভাষ্য, চলতি মাসের ২৮ তারিখ থেকে তাঁর দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় ছিলেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কলেজের বাইরের দৃশ্য, গ্রামের রাস্তা ও পুলিশের কার্যক্রম।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শরিফার পড়ার টেবিলে মা-বাবার উদ্দেশে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। সেখানে পরীক্ষা ও ফলাফল নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ ছিল বলে জানিয়েছে পরিবার।এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আড়ও পড়ুন,দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যুমৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত করছে।অন্যদিকে একই উপজেলার পৌর এলাকার একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৪ বছর বয়সী মিরাজুল ইসলাম খলিফার মরদেহ।পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শুক্রবার দুপুরে মায়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর রাতে আর ফেরেননি মিরাজুল।শনিবার সকালে বাড়ির পাশের পুকুরে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মিরাজুল মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এ কারণে পারিবারিকভাবে নানা সমস্যাও চলছিল।প্রায় এক বছর আগে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। তাঁদের দুই সন্তান বর্তমানে মায়ের কাছে রয়েছে।তবে পুকুরে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।কোটালীপাড়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, মিরাজুল ইসলামের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।অন্যদিকে শরিফা ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। দুই ঘটনাই তদন্ত করছে পুলিশ।

কোটালীপাড়ায় সকালে দুই মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৩২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন রোগী।নতুন দুই মৃত্যু ও ১ হাজার ২৩২ জনের হাসপাতালে ভর্তির ফলে চলতি ২০২৬ সালে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৮ জনে।আর বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬০ হাজার ৩৭৯ জন।হাসপাতালের দৃশ্য, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা, মশারি ব্যবহার, চিকিৎসকদের রোগী দেখার দৃশ্য, আড়ও পড়ুন,ঢাকার আকাশে মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রামশার প্রজননস্থল।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।এর আগের ২৪ ঘণ্টায় অবশ্য ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ওই সময়ে নতুন করে ৭৪৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু

ঢাকার আকাশে মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আজ আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। কোথাও কোথাও হতে পারে হালকা বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।শনিবার সকালে ঢাকার আকাশে ছিল মেঘের আনাগোনা। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৩ শতাংশ।গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৫ মিলিমিটার।ভিজ্যুয়াল:মেঘলা আকাশ / বৃষ্টির দৃশ্য / ছাতা হাতে পথচারী / সড়কে যান চলাচল / জলাবদ্ধতার দৃশ্য থাকলে তা।আড়ও পড়ুন,সকালেই শেষ ৮০ বস্তা সার, ক্ষুব্ধ কৃষকের সড়ক অবরোধএদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।এদিকে আজ ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য কোনো সতর্কবার্তা নেই। এ সময় নদীবন্দরগুলোকে কোনো সংকেতও দেখাতে হবে না।রাজধানীতে আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিটে। আর আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৪৭ মিনিটে।সব মিলিয়ে আজ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মেঘলা আকাশের সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

ঢাকার আকাশে মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা

সকালেই শেষ ৮০ বস্তা সার, ক্ষুব্ধ কৃষকের সড়ক অবরোধ

শুক্রবার সকাল। কচাকাটা থানার বল্লভের খাষ ইউনিয়নের গাবতলা বাজার।এখানে ডিলার পয়েন্ট সকাল ৮টা থেকে কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণের কথা ছিল। কিন্তু কৃষকদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের আগেই ভোর থেকে সার বিতরণ শুরু করেন ডিলার। ফলে সকাল ৮টার দিকে সার নিতে আসা অনেক কৃষক খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হন।এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষকেরা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে গুদামের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পাশাপাশি মাদারগঞ্জ-ভূরুঙ্গামারী সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুদামের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আড়ও পড়ুন,হাজারো শিক্ষার্থীর উচ্ছ্বাসে সিলেটে জিপিএ-৫ সংবর্ধনাপ্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় গুদাম থেকে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করা হয়।তবে কৃষি কর্মকর্তার দাবি, ওই ডিলার পয়েন্টে মোট ৮০ বস্তা সার বিতরণ করা হয়েছে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হওয়া বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবেই শেষ হয়। পরে কয়েকশ কৃষক সেখানে জড়ো হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেন।পুলিশ জানায়, সারের দাবিতে কৃষকেরা সড়ক অবরোধ করলেও পরে তা তুলে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চাহিদার তুলনায় কৃষকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকদের সার দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এবং অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য চাহিদা পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সকালেই শেষ ৮০ বস্তা সার, ক্ষুব্ধ কৃষকের সড়ক অবরোধ

হাজারো শিক্ষার্থীর উচ্ছ্বাসে সিলেটে জিপিএ-৫ সংবর্ধনা

জিপিএ-৫ পাওয়ার আনন্দে সিলেটে একদিনের বর্ণিল উৎসব। কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ঘিরে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জড়ো হয়েছিল এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। গান, নাচ, কুইজ আর নানা আয়োজনে দিনভর মুখর ছিল পুরো প্রাঙ্গণ। শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়েছে ভবিষ্যৎ গড়ার নানা পরামর্শ ও অনুপ্রেরণা।প্রচণ্ড গরম। তবু আনন্দে একটুও ভাটা নেই।সিলেটের কিশোরী মোহন উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ঋধি দে ও অর্চি সূত্রধর এসেছেন সংবর্ধনা নিতে। ছবি তোলার সময় পাশে বাবা। সাফল্যের আনন্দ ভাগ করে নিতে ব্যস্ত সবাই।শুক্রবার সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।সকাল ৯টার আগেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা জড়ো হতে শুরু করেন। সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান।দেশের ৬৪ জেলায় ‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ স্লোগানে আয়োজন করা হচ্ছে এই সংবর্ধনা।আড়ও পড়ুন,আইএইএ মহাপরিচালকের সঙ্গে বিজ্ঞানমন্ত্রীর বৈঠকএরই ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত হলো সিলেট পর্ব।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সামনে ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা দিকনির্দেশনা দেন শিক্ষক ও গুণীজনেরা।সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, জিপিএ-৫ পাওয়ার পর পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ না পেলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। নিজের পছন্দের বিষয়ে পড়াশোনা করে কিংবা ভিন্ন ক্ষেত্র বেছে নিয়েও জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব।শিক্ষার্থীদের মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থনির্ভরতা থেকে দূরে থাকার শপথও পড়ানো হয়।তবে শুধু বক্তব্য আর পরামর্শ নয়—ছিল আনন্দের নানা আয়োজনও।কেউ কুইজে অংশ নিয়েছে, কেউ ঘুরেছে বিভিন্ন স্টলে। কেউ আবার ঘুরিয়েছে পুরস্কারের চাকা। বন্ধুদের সঙ্গে সেলফি আর ছবি তোলায় ব্যস্ত ছিল অনেকেই।দক্ষিণ সুরমার জাফরাবাদ উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া মহিউদ্দিন শারফ এসেছে বাবা-মায়ের সঙ্গে। বাবা-মা দুজনই শিক্ষক। মহিউদ্দিনের স্বপ্নও ভবিষ্যতে শিক্ষক হয়ে দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখা।অন্যদিকে সিলেট স্কলার্স হোম থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া তাসনিমুল হক ও ফারহান আহমেদ খান বন্ধুদের সঙ্গে অনুষ্ঠানে এসে পেয়েছে আনন্দের নতুন অভিজ্ঞতা। তাদের স্বপ্ন ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করা।

হাজারো শিক্ষার্থীর উচ্ছ্বাসে সিলেটে জিপিএ-৫ সংবর্ধনা

আইএইএ মহাপরিচালকের সঙ্গে বিজ্ঞানমন্ত্রীর বৈঠক

অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসির সঙ্গে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার আইএইএর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহে আইএইএর সহযোগিতা কামনা করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।বৈঠকে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার সম্প্রসারণ পারমাণবিক নিরাপত্তা জোরদার মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।মন্ত্রী বলেন বাংলাদেশ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএইএর কারিগরি সহযোগিতা কর্মসূচির মাধ্যমে স্বাস্থ্য কৃষি খাদ্য পানি ব্যবস্থাপনা শিল্প ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে সুবিধা পেয়ে আসছে। ২০২৬ থেকে ২০৩২ মেয়াদের কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক স্বাক্ষরের মাধ্যমে আগামী বছরগুলোতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন বিজ্ঞানমন্ত্রী। তিনি জানান ইউনিট-১ এ ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে অগ্রগতি অর্জন করেছে।তার মতে রূপপুরের বিদ্যুৎ দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ভূমিকা রাখতে পারে।বৈঠকে পারমাণবিক নিরাপত্তা সুরক্ষা এবং দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার বিষয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়। আড়ও পড়ুন,আউশ চাষে বদলে যাচ্ছে রংপুরের কৃষির চিত্রপারমাণবিক বর্জ্য ও ব্যবহৃত জ্বালানি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত যৌথ কনভেনশনে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিও তুলে ধরেন মন্ত্রী।এ ছাড়া ক্যানসার চিকিৎসায় আইএইএর ‘রেইজেস অব হোপ’ উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশ ২০২৫ সালে এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন জাতীয় পর্যায়ে এর কার্যকর বাস্তবায়নে আইএইএর সঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ। এর আওতায় সমন্বিত ওয়ান স্টপ ক্যানসার কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।ক্যানসার চিকিৎসায় সক্ষমতা বৃদ্ধি জ্ঞান বিনিময় এবং টেকসই চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তুলতে আইএইএর কারিগরি সহযোগিতা চাওয়া হয়। আগামী নভেম্বর অনুষ্ঠেয় আইএইএ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইমপ্যাক্ট রিভিউ মিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা মূল্যায়নের বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসে।এ সময় তরুণ গবেষক ও বিজ্ঞানীদের জন্য আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ ফেলোশিপ শিক্ষা এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ বাড়াতেও আইএইএর সহযোগিতা কামনা করেন বিজ্ঞানমন্ত্রী।বৈঠকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন ভিয়েনায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত তৌফিক হাসান বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম. মঈনুল ইসলাম এবং যুগ্মসচিব শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আইএইএ মহাপরিচালকের সঙ্গে বিজ্ঞানমন্ত্রীর বৈঠক

আউশ চাষে বদলে যাচ্ছে রংপুরের কৃষির চিত্র

একসময় বোরো ধান ঘরে তোলার পর আমন চাষ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত রংপুরের কৃষিতে নেমে আসত স্থবিরতা। জমির বড় একটি অংশ পড়ে থাকত অনাবাদি। কাজের অপেক্ষায় থাকতে হতো কৃষিশ্রমিকদের। কৃষিনির্ভর অনেক পরিবারকে পার করতে হতো অভাব-অনটনের সময়। সেই বাস্তবতার সঙ্গেই জড়িয়ে ছিল ‘মঙ্গা’ শব্দটি।তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময় এখন আর পুরোপুরি ফাঁকা থাকছে না। আউশসহ বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি ও মৌসুমি ফসলের আবাদে জমি যেমন উৎপাদনের আওতায় আসছে তেমনি বাড়ছে কৃষক ও কৃষিশ্রমিকের কাজের সুযোগ।রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী—এই পাঁচ জেলায় বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময় কাজে লাগানোর গুরুত্বপূর্ণ ফসল হয়ে উঠেছে আউশ। কৃষকের আগ্রহ ও চাষের বিস্তারে গত কয়েক বছরে এ অঞ্চলে আউশের আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।কৃষি বিভাগের তথ্য বলছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রংপুর অঞ্চলে আউশের আবাদ হয়েছিল ২৪ হাজার ৯৮৮ হেক্টর জমিতে। হেক্টরপ্রতি ফলন ছিল ২ দশমিক ৯৮ মেট্রিক টন এবং মোট উৎপাদন হয় ৭৩ হাজার ৬৫৬ মেট্রিক টন।২০১৮-১৯ অর্থবছরে আবাদ বেড়ে দাঁড়ায় ৪০ হাজার ৬১৮ হেক্টরে। ওই বছর হেক্টরপ্রতি ফলন ছিল ৩ দশমিক ০৪ মেট্রিক টন এবং উৎপাদন হয় ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৭৮ মেট্রিক টন।২০১৯-২০ অর্থবছরে আউশের আবাদ হয় ৪৭ হাজার ৭৭৬ হেক্টর জমিতে। হেক্টরপ্রতি ফলন ছিল ৩ দশমিক ১৪ মেট্রিক টন এবং মোট উৎপাদন দাঁড়ায় ১ লাখ ৫০ হাজার ১৬ মেট্রিক টন।আড়ও পড়ুন,ভাইরাল অডিওতে বিতর্কিত বক্তব্য, ওসি প্রত্যাহার২০২০-২১ অর্থবছরে আবাদ আরও বেড়ে হয় ৬০ হাজার ২৮০ হেক্টর। ওই বছর হেক্টরপ্রতি ফলন ছিল ৩ দশমিক ১০ মেট্রিক টন এবং মোট উৎপাদন হয় ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৬৮ মেট্রিক টন।এরপর ২০২১-২২ সালে ৬২ হাজার ৯০ হেক্টর এবং ২০২২-২৩ সালে ৬৩ হাজার ৬৮০ হেক্টর জমিতে আউশ চাষ হয়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আবাদ হয় ৬১ হাজার ৭৮২ হেক্টর জমিতে।২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬১ হাজার ১৫৭ হেক্টর জমিতে আউশ চাষ করে উৎপাদন হয় ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৮ মেট্রিক টন। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আবাদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ১৬৩ হেক্টরে। হেক্টরপ্রতি ফলন বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ০২ মেট্রিক টন। চলতি অর্থবছরে মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭১২ মেট্রিক টন।অর্থাৎ গত ৯ বছরের ব্যবধানে রংপুর অঞ্চলে আউশের আবাদ বেড়েছে ৩৬ হাজার ১৭৫ হেক্টর। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আবাদ প্রায় ৬০ হাজার হেক্টরের ওপরেই রয়েছে। আবাদ বাড়ার পাশাপাশি উন্নত জাত ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে ফলনেও এসেছে পরিবর্তন।রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায় ব্রি-৪৮, ব্রি-৯৮, বিনা-২১, ধানী গোল্ড, গোল্ডেন-১ ও জনকরাজসহ অন্তত ৩০ ধরনের আউশ ধান চাষ হচ্ছে।গংগাচড়ার কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, একসময় বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়ে কাজের সংকট ছিল। এখন আউশসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ বেড়েছে। ফলে ওই সময়টাতেও জমিতে কৃষিকাজ হচ্ছে। বছরের কোনো সময়ই এখন আগের মতো বসে থাকতে হয় না।কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বড়বাড়িগ্রামের কৃষক আবুল হোসেন বলেন, বোরো কাটার পর জমি ফেলে না রেখে আউশ চাষ করা যায়। একই জমি থেকে বাড়তি আরেকটি ফসল পাওয়া যায়। খরচ ও পরিশ্রম তুলনামূলক কম হওয়ায় কৃষকরা আউশ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।তবে কৃষকদের হিসাবে আউশ চাষে লাভের পরিমাণ খুব বেশি নয়। এক একর জমিতে আউশ উৎপাদনে বীজ বীজতলা সার চারা সেচ কীটনাশক শ্রমিকের মজুরি ও মাড়াইসহ মোট খরচ প্রায় ৫২ হাজার ৫১২ টাকা। এক একরে উৎপাদন ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫৩০ কেজি ধান। খড়ের মূল্য বাদ দিলে নিট উৎপাদন ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৪৪ হাজার ৯১২ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি ধানের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২৯ টাকা।কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ধান ৩৪ টাকা দরে বিক্রি হলে একরপ্রতি মুনাফা থাকে প্রায় ৪ হাজার ৭০০ টাকা।কৃষকরা বলছেন, সার বীজ কীটনাশক শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের দাম বাড়লে উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়। আবার ধান কাটার মৌসুমে বাজারদর কমে গেলে লাভ আরও কমে আসে। ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে আউশ চাষে কৃষকের আগ্রহ আরও বাড়বে।কৃষক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক পলাশ কান্তি নাগ বলেন, আউশের আবাদ বাড়াতে হলে উৎপাদন খরচ কমানোর পাশাপাশি কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি উপকরণে ভর্তুকি বা প্রণোদনা এবং মানসম্মত বীজ ও সার সহজলভ্য করা গেলে কৃষকের আগ্রহ আরও বাড়বে।রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, রংপুর অঞ্চলের কৃষিতে বড় পরিবর্তনের একটি দিক হলো বছরের মাঝের সময়টুকুও এখন আর আগের মতো অনাবাদি থাকছে না। আউশসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল সেই সময়কে উৎপাদনের আওতায় নিয়ে এসেছে। এতে জমির ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি কৃষিকাজের পরিধিও বিস্তৃত হয়েছে।তিনি বলেন, আউশ স্বল্পমেয়াদি ফসল হওয়ায় বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়ে এটি চাষ করা যায়। উন্নত জাত নির্বাচন সময়মতো চাষ সুষম সার প্রয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফলন আরও বাড়াতে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।একসময় যে সময়টাকে রংপুরের কৃষিতে কাজের অভাব আর খাদ্যসংকটের সময় হিসেবে দেখা হতো এখন সেই সময়েই মাঠজুড়ে চলছে আবাদ। আউশসহ মৌসুমি ফসলের বিস্তারে জমির ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি কৃষিশ্রমিকদের কাজের সুযোগও তৈরি হয়েছে। ফলে রংপুরের কৃষিতে ‘মঙ্গা’ শব্দের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সেই পুরোনো বাস্তবতা অনেকটাই বদলে গেছে।

আউশ চাষে বদলে যাচ্ছে রংপুরের কৃষির চিত্র

ভাইরাল অডিওতে বিতর্কিত বক্তব্য, ওসি প্রত্যাহার

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না—এমন বক্তব্যের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের এক অফিস আদেশে তাকে ডিএমপি সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা ওই আদেশ আজ থেকেই কার্যকর হয়েছে। তবে আদেশে তাকে প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে ‘প্রশাসনিক কারণ’ উল্লেখ করা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,পরিবেশ রক্ষায় ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজে নারিকেল চারা রোপণএর আগে বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে কথিত ওই অডিও। সেখানে ওসি পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে সরকার, প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়। একই সঙ্গে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং ওসি পদায়নে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও করতে শোনা যায় তাকে।অডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, শেখ হাসিনা ডিসেম্বর মাসে দেশে ফিরলে পুলিশ কিছুই করতে পারবে না

ভাইরাল অডিওতে বিতর্কিত বক্তব্য,  ওসি প্রত্যাহার

পরিবেশ রক্ষায় ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজে নারিকেল চারা রোপণ

সবুজায়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজে রোপণ করা হয়েছে ২০০টি নারিকেল চারা। বরিশাল বিভাগে আগামী পাঁচ বছরে এক লাখ নারিকেল চারা রোপণের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঝালকাঠিতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং ঝালকাঠি পৌরসভার সহযোগিতায় ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী, প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজে পৌঁছে ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার এর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। ইকো ভিলেজের প্রাকৃতিক পরিবেশ, সবুজায়ন এবং দর্শনার্থীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তিনি খোঁজ নেন। পরে ইকো ভিলেজ প্রাঙ্গণে নারিকেল চারা রোপণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।এ সময় তিনি নিজ হাতে নারিকেল চারা রোপণ করেন। পাশাপাশি কর্মসূচির আওতায় মোট ২০০টি নারিকেল চারা রোপণ করা হয়। আয়োজকদের মতে, পরিকল্পিতভাবে এসব চারা রোপণ ও পরিচর্যা করা হলে ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজের পরিবেশ আরও সবুজ ও নান্দনিক হয়ে উঠবে।ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, পরিকল্পিতভাবে নারিকেল চারা রোপণ করা হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি সবুজায়ন বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে নারিকেল উৎপাদন বাড়াতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, লাগানো গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে।আড়ও পড়ুন,সরাইলে দুই নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রধান আসামি গ্রেফতার এর মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে।ঝালকাঠি শহরকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজকে শিশু, প্রবীণসহ সব বয়সী মানুষের জন্য আরও আকর্ষণীয় ও মনোরম পরিবেশে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।বরিশাল বিভাগে আগামী পাঁচ বছরে এক লাখ নারিকেল চারা রোপণের যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তার অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে নারিকেল উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, নারিকেল গাছ পরিবেশের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এর অর্থনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে নারিকেল গাছের বাগান ও সবুজ বলয় তৈরি করা গেলে একদিকে যেমন পরিবেশের সৌন্দর্য বাড়বে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে স্থানীয়ভাবে নারিকেল উৎপাদনের সুযোগও বাড়তে পারে।অনুষ্ঠানে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন, পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়নাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।কর্মসূচিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং নারিকেল উৎপাদন বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজকে আরও পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সুন্দর করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তৈরি করে নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবীর ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজে শুরু হওয়া এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আগামী দিনে আরও বিস্তৃত হবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

পরিবেশ রক্ষায় ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজে নারিকেল চারা রোপণ

সরাইলে দুই নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রধান আসামি গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুই নারী নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মুজাহিদকে সিলেটের বিয়ানীবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে বিশেষ প্রতিক্রিয়া বাহিনী এসআরবি-৯।মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিয়ানীবাজার উপজেলার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসআরবি জানিয়েছে, বাহিনীটির আত্মপ্রকাশের পর এটিই তাদের প্রথম অভিযান।বুধবার এসআরবি-৯-এর সদর দফতরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বাহিনীর সিলেটের অধিনায়ক উইং কমান্ডার তাজমিনুর রহমান চৌধুরী।তিনি জানান, মামলার অন্যতম আসামি সত্য বিশ্বাসকে পুলিশ গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুজাহিদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় বিয়ানীবাজারে তার নানার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।আড়ও পড়ুন,ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ডএসআরবির তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর মুজাহিদ ‘রাকিব’ নামে ফেসবুকের মাধ্যমে একটি পেশাদার নৃত্যশিল্পী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই দলের তিন সদস্য সরাইলের কুট্টাপাড়া বিশ্বরোড এলাকায় আসেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ১৬ ও ১৯ বছর বয়সী দুই নারী এবং সাঈদ হোসেন নামের এক পুরুষ।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সেখান থেকে তাদের নৌকায় করে তিতাস নদীর একটি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যার পর নৌকার ছাউন

সরাইলে দুই নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রধান আসামি গ্রেফতার

ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মশাবাহিত এই রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭১ জনে।বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৫৩ জন। চলতি বছরে একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা।নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে। ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৩৯৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।আড়ও পড়ুন,শরতের সৌন্দর্যে বিচিত্রা কেঁউ, পাতায় যেন রঙের মেলাএ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৩৪৯ জন, বরিশাল বিভাগে ১৮৬ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৫ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৩ জন, রংপুর বিভাগে ৫৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই পরিসংখ্যান বলছে, রাজধানীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।একদিনে হাসপাতালে ভর্তির নতুন রেকর্ড এবং একই সময়ে ৭ জনের মৃত্যু—দুই তথ্যই দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির তীব্রতা নতুন করে সামনে আনছে।চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৭১ জনে পৌঁছেছে। আর একদিনে ১ হাজার ৭৫৩ জনের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজনীয়তাই তুলে ধরছে।

ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তিতে নতুন রেকর্ড