শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

ব্রিটিশ বিমানঘাঁটির ঘটনায় ইরানের যোগসূত্রের জোরালো ইঙ্গিত


ক্রাইম এক্সপ্রেস
ক্রাইম এক্সপ্রেস

ব্রিটিশ বিমানঘাঁটির ঘটনায় ইরানের যোগসূত্রের জোরালো ইঙ্গিত
ইরানের যোগসূত্রের জোরালো ইঙ্গিত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলেছেন, গ্লস্টারশায়ারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির সাম্প্রতিক ঘটনায় ইরানের কোনো না কোনোভাবে সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে তাঁর সরকার বিশ্বাস করে।গত রোববার রাতে বিমানঘাঁটির দিকে তিনটি সন্দেহজনক ভ্যান যাওয়ার খবর পায় পুলিশ। পরে ঘাঁটি থেকে প্রায় ৩ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরে উইলফোর্ড এলাকায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির অভিযোগ আনা হলেও পরে কঠোর শর্তে জামিন দেওয়া হয়। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফেয়ারফোর্ডে যা ঘটেছে তাতে ইরানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জোরালো ইঙ্গিত রয়েছে। তবে তদন্ত চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি।ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাজ্য ভুল পথে হাঁটছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিদেশি রাষ্ট্রের হয়ে কাজ করা কথিত সন্ত্রাসীদের জামিন দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন।পাঁচ সন্দেহভাজনকে জামিন দেওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। 

আড়ও পড়ুন,ট্রাম্পের বাঁ পায়ের অস্বাভাবিক ভঙ্গি নিয়ে নতুন করে আলোচনা

তিনি বলেছেন, তাঁর সিদ্ধান্ত হলে তাঁদের জামিন দেওয়া হতো না।এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, ফেয়ারফোর্ডের ঘটনায় কোনো বিদেশি শক্তির হাত থাকার স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে। তিনি বিশেষ করে ইরানের পক্ষ থেকে বিশ্বজুড়ে মার্কিন স্বার্থে হামলার হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করেন।অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জানিয়েছেন, ফেয়ারফোর্ডের ঘটনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলছে। তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ।গ্লস্টারশায়ারের কটসওল্ডসে অবস্থিত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে আসছে। সামরিক অভিযান ও বিমান মোতায়েনের ক্ষেত্রে ঘাঁটিটি গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রেও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।এর আগে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সতর্ক করে বলেছিল, ফেয়ারফোর্ড থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হলে ঘাঁটিটিতে পাল্টা হামলা করা হতে পারে। ঘটনার পর যুক্তরাজ্যে মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত অন্যান্য সামরিক ঘাঁটিতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তদন্ত চলায় ফেয়ারফোর্ডের ঘটনাকে ঘিরে যুক্তরাজ্য ও ইরানের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

বিষয় : যোগসূত্র ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রাইম এক্সপ্রেস

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


ব্রিটিশ বিমানঘাঁটির ঘটনায় ইরানের যোগসূত্রের জোরালো ইঙ্গিত

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলেছেন, গ্লস্টারশায়ারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির সাম্প্রতিক ঘটনায় ইরানের কোনো না কোনোভাবে সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে তাঁর সরকার বিশ্বাস করে।গত রোববার রাতে বিমানঘাঁটির দিকে তিনটি সন্দেহজনক ভ্যান যাওয়ার খবর পায় পুলিশ। পরে ঘাঁটি থেকে প্রায় ৩ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরে উইলফোর্ড এলাকায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির অভিযোগ আনা হলেও পরে কঠোর শর্তে জামিন দেওয়া হয়। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফেয়ারফোর্ডে যা ঘটেছে তাতে ইরানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জোরালো ইঙ্গিত রয়েছে। তবে তদন্ত চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি।ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাজ্য ভুল পথে হাঁটছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিদেশি রাষ্ট্রের হয়ে কাজ করা কথিত সন্ত্রাসীদের জামিন দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন।পাঁচ সন্দেহভাজনকে জামিন দেওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। 

আড়ও পড়ুন,ট্রাম্পের বাঁ পায়ের অস্বাভাবিক ভঙ্গি নিয়ে নতুন করে আলোচনা

তিনি বলেছেন, তাঁর সিদ্ধান্ত হলে তাঁদের জামিন দেওয়া হতো না।এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, ফেয়ারফোর্ডের ঘটনায় কোনো বিদেশি শক্তির হাত থাকার স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে। তিনি বিশেষ করে ইরানের পক্ষ থেকে বিশ্বজুড়ে মার্কিন স্বার্থে হামলার হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করেন।অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জানিয়েছেন, ফেয়ারফোর্ডের ঘটনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলছে। তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ।গ্লস্টারশায়ারের কটসওল্ডসে অবস্থিত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে আসছে। সামরিক অভিযান ও বিমান মোতায়েনের ক্ষেত্রে ঘাঁটিটি গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রেও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।এর আগে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সতর্ক করে বলেছিল, ফেয়ারফোর্ড থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হলে ঘাঁটিটিতে পাল্টা হামলা করা হতে পারে। ঘটনার পর যুক্তরাজ্যে মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত অন্যান্য সামরিক ঘাঁটিতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তদন্ত চলায় ফেয়ারফোর্ডের ঘটনাকে ঘিরে যুক্তরাজ্য ও ইরানের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।


ক্রাইম এক্সপ্রেস

সম্পাদক : রিপন রুদ্র
নির্বাহী সম্পাদক:জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ব্রিটিশ বিমানঘাঁটির ঘটনায় ইরানের যোগসূত্রের জোরালো ইঙ্গিত
0:00 0:00
1.0x