শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধি মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’

অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধি মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’

অস্কারের ৯৯তম আসরে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের চলচ্চিত্র ‘রইদ’।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের পদ্মা হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের নির্বাচিত চলচ্চিত্র হিসেবে ‘রইদ’-এর নাম ঘোষণা করা হয়।বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের অধীনে গঠিত অস্কার বাংলাদেশ কমিটি ছবিটি নির্বাচন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে কমিটির চেয়ারম্যান ও বিএফএফএসের সভাপতি ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে ‘রইদ’-এর নাম ঘোষণা করেন।এবার বাংলাদেশের হয়ে অস্কারের আন্তর্জাতিক বিভাগে অংশ নিতে মোট পাঁচটি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জমা দেওয়া ছবিগুলোর মধ্যে ছিল মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’, রেদওয়ান রনির ‘দম’, নূরুল আলম আতিকের ‘মানুষের বাগান’, মোহাম্মদ তৌকির ইসলামের ‘দেলুপি’ এবং মনিরুল আকাশ হকের ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চাঁনখারপুল’।পরবর্তীতে ‘মানুষের বাগান’ স্বেচ্ছায় প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ায়। এরপর বাকি চারটি চলচ্চিত্র নিয়ে সার্বিক পর্যালোচনা ও গুণগত বিশ্লেষণ করে অস্কার বাংলাদেশ কমিটি। শেষ পর্যন্ত সিলেকশন কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে ‘রইদ’কে বেছে নেওয়া হয়।আড়ও পড়ুন,সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় সাদিয়া আয়মানের ক্ষোভমেজবাউর রহমান সুমনের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হাওয়া’ মুক্তির পর দর্শক ও চলচ্চিত্রাঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। এবার তাঁর দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘রইদ’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে।‘রইদ’ সিনেমার গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে এক সাধু ও তাঁর মানসিকভাবে অসুস্থ স্ত্রী। তাঁদের সম্পর্কের টানাপোড়েন, ব্যক্তিগত জীবন এবং নানা বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে সিনেমার কাহিনি। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি।বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর এখন অস্কারের পরবর্তী বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে ‘রইদ’। তবে প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া এবং অস্কারের মূল প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়া একই বিষয় নয়।‘রইদ’-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, জীবনবোধ ও মানুষের সম্পর্কের গল্প নতুনভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।