শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
কাতার সরবরাহ সংকটে ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো

কাতার সরবরাহ সংকটে ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো

এলএনজির বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর। এশিয়ায় দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক দেশ এলএনজি কেনা কমিয়ে দিলেও শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়োজন মেটাতে বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়াতে হচ্ছে।ইউরোপ শীত মৌসুমের আগে গ্যাসের মজুত বাড়ানোর কারণে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ এলএনজি সংগ্রহ করছে। এতে বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহের ওপর আরও চাপ তৈরি হচ্ছে। ইউরোপের বাড়তি চাহিদা এশিয়ার দেশগুলোর জন্য স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস সংগ্রহকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলতে পারে।আড়ও পড়ুন,আফগানিস্তানের ১০ স্থানে পাকিস্তানের বিমান হামলাকাতার বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এলএনজি সরবরাহকারীদের একটি হওয়ায় দেশটি থেকে সরবরাহে বিঘ্নের প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। হরমুজ প্রণালির সংকটও পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। এর সঙ্গে রাশিয়া থেকে ইউরোপের পাইপলাইনভিত্তিক গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় ইউরোপের বিকল্প উৎসের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে।চীন তুলনামূলকভাবে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি ও স্থলপথে রাশিয়ার গ্যাস আমদানির মাধ্যমে বাজারের অস্থিরতা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে যেসব দেশ স্পট মার্কেটের উচ্চমূল্যে এলএনজি কিনতে পারছে না তাদের জন্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে উঠছে।বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য এই পরিস্থিতির অর্থ হলো আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম ও সরবরাহের ওপর বাড়তি নির্ভরতা। সরবরাহ সংকট দীর্ঘ হলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ এবং সামগ্রিক জ্বালানি ব্যয়ের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। ফলে বৈশ্বিক এলএনজি বাজারের অস্থিরতা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।