শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
ভারতীয় রুপির বিপরীতে দুই বছরে ১১.৬ শতাংশ শক্তিশালী টাকা

ভারতীয় রুপির বিপরীতে দুই বছরে ১১.৬ শতাংশ শক্তিশালী টাকা

ভারতীয় রুপির বিপরীতে গত দুই বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি টাকা। বিনিময় হারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এক টাকা দিয়ে পাওয়া যেত প্রায় শূন্য দশমিক ৭০ ভারতীয় রুপি। ২০২৫ সালের একই দিনে তা বেড়ে দাঁড়ায় শূন্য দশমিক ৭২ রুপিতে। আর চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর এক টাকা সমান হয়েছে প্রায় শূন্য দশমিক ৭৮ ভারতীয় রুপি।অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ভারতীয় মুদ্রার বিপরীতে টাকার মূল্য বেড়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৬ শতাংশ। আর দুই বছরের ব্যবধানে টাকার মূল্য বেড়েছে ১১ দশমিক ৬ শতাংশ।বিপরীত হিসাবেও টাকার শক্তিশালী অবস্থান স্পষ্ট। চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর এক ভারতীয় রুপির মূল্য ছিল প্রায় ১ টাকা ২৮ পয়সা। এক বছর আগে যেখানে এক রুপি কিনতে প্রয়োজন হতো প্রায় ১ টাকা ৩৮ পয়সা। অর্থাৎ এক ভারতীয় রুপি কিনতে এখন আগের তুলনায় প্রায় ৯ দশমিক ৭২ পয়সা কম টাকা প্রয়োজন হচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। ২১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার ক্রস রেট ছিল ১ টাকা ২৭ দশমিক ৮৯ পয়সা থেকে ১ টাকা ২৭ দশমিক ৯৬ পয়সা। অর্থাৎ এক টাকার বিপরীতে পাওয়া গেছে প্রায় শূন্য দশমিক ৭৮১ থেকে শূন্য দশমিক ৭৮২ ভারতীয় রুপি।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান বাংলাদেশ-ভারতের বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ভারত থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় কিছুটা কমতে পারে।আড়ও পড়ুন,৭৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকায় মসুর ডাল কিনছে টিসিবিতার মতে একই পরিমাণ ভারতীয় পণ্য বা সেবা কিনতে যদি অন্যান্য খরচ অপরিবর্তিত থাকে তাহলে শক্তিশালী টাকার কারণে বাংলাদেশি আমদানিকারকদের তুলনামূলক কম টাকা ব্যয় করতে হবে। কাঁচামাল শিল্প উপকরণ যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য পণ্য আমদানিকারকরাও এতে সুবিধা পেতে পারেন।শুধু ব্যবসা নয় ভারতের ভ্রমণকারীরাও এর সুফল পেতে পারেন। রুপির বিপরীতে টাকা শক্তিশালী থাকায় আবাসন খাবার যাতায়াতসহ স্থানীয় খরচের টাকায় হিসাব করা মূল্য কিছুটা কমতে পারে।তবে বিনিময় হার কমলেই বাজারে পণ্যের দাম একই অনুপাতে কমবে এমন নিশ্চয়তা নেই। আমদানি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য পরিবহন ব্যয় শুল্ক কর এবং ব্যবসায়ীদের মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্তসহ আরও বিভিন্ন বিষয় চূড়ান্ত দামের ওপর প্রভাব ফেলে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার ও বিনিময় হারের গতিবিধি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে।