শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

গ্রিনল্যান্ডে পুরোনো সামরিক ঘাঁটি ফের চালু করবে যুক্তরাষ্ট্র


ক্রাইম এক্সপ্রেস
ক্রাইম এক্সপ্রেস

গ্রিনল্যান্ডে পুরোনো সামরিক ঘাঁটি ফের চালু করবে যুক্তরাষ্ট্র
সামরিক ঘাঁটি ফের চালু করবে যুক্তরাষ্ট্র

স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে স্থাপিত একটি সাবেক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আবার চালু করার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে দ্বীপটির পূর্বাঞ্চলে নতুন একটি সামরিক স্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তির বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হতে যাওয়া একটি নতুন নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হতে পারে।পরিকল্পিত স্থাপনাগুলোর একটি হলো দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের নারসারসুয়াক। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ‘ব্লুই ওয়েস্ট ওয়ান’ ঘাঁটি ছিল। ১৯৫০-এর দশকে ঘাঁটিটি বন্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ওই এলাকার জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।অন্য স্থাপনাটি পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের মেস্টারসভিগে। বর্তমানে সেখানে ডেনমার্কের বিশেষ বাহিনীর ‘সিরিয়াস ডগ স্লেড প্যাট্রোল’ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই ইউনিট কুকুরের টানা স্লেজ ব্যবহার করে দুর্গম আর্কটিক এলাকায় টহল দেয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় যুক্তরাষ্ট্র ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা। চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ সইয়ের আগে প্রকাশ করা হয়নি এবং এর কিছু বিষয় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চূড়ান্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় ছিল।


আড়ও পড়ুন,মামদানির সঙ্গে বৈঠকে আবাসন অভিবাসন ও নিরাপত্তা


ডেনমার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের ওপর নির্ভর না করে ন্যাটোর বৃহত্তর কাঠামোর আওতায় আসবে। অন্যদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চুক্তির লক্ষ্য গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রহের পর এই চুক্তির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। চলতি বছরের শুরুতে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ওয়াশিংটন কোপেনহেগেন ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে।স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক স্থাপনা এবং ১০ হাজারের বেশি সেনা ও কর্মী ছিল। বর্তমানে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র সক্রিয় সামরিক স্থাপনা হলো পিটুফিক স্পেস বেস। সেখানে প্রায় ১৫০ মার্কিন সামরিক সদস্য অবস্থান করছেন।

বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র সামরিক

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রাইম এক্সপ্রেস

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


গ্রিনল্যান্ডে পুরোনো সামরিক ঘাঁটি ফের চালু করবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে স্থাপিত একটি সাবেক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আবার চালু করার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে দ্বীপটির পূর্বাঞ্চলে নতুন একটি সামরিক স্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তির বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হতে যাওয়া একটি নতুন নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হতে পারে।পরিকল্পিত স্থাপনাগুলোর একটি হলো দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের নারসারসুয়াক। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ‘ব্লুই ওয়েস্ট ওয়ান’ ঘাঁটি ছিল। ১৯৫০-এর দশকে ঘাঁটিটি বন্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ওই এলাকার জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।অন্য স্থাপনাটি পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের মেস্টারসভিগে। বর্তমানে সেখানে ডেনমার্কের বিশেষ বাহিনীর ‘সিরিয়াস ডগ স্লেড প্যাট্রোল’ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই ইউনিট কুকুরের টানা স্লেজ ব্যবহার করে দুর্গম আর্কটিক এলাকায় টহল দেয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় যুক্তরাষ্ট্র ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা। চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ সইয়ের আগে প্রকাশ করা হয়নি এবং এর কিছু বিষয় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চূড়ান্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় ছিল।


আড়ও পড়ুন,মামদানির সঙ্গে বৈঠকে আবাসন অভিবাসন ও নিরাপত্তা


ডেনমার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের ওপর নির্ভর না করে ন্যাটোর বৃহত্তর কাঠামোর আওতায় আসবে। অন্যদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চুক্তির লক্ষ্য গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রহের পর এই চুক্তির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। চলতি বছরের শুরুতে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ওয়াশিংটন কোপেনহেগেন ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে।স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক স্থাপনা এবং ১০ হাজারের বেশি সেনা ও কর্মী ছিল। বর্তমানে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র সক্রিয় সামরিক স্থাপনা হলো পিটুফিক স্পেস বেস। সেখানে প্রায় ১৫০ মার্কিন সামরিক সদস্য অবস্থান করছেন।


ক্রাইম এক্সপ্রেস

সম্পাদক : রিপন রুদ্র
নির্বাহী সম্পাদক:জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
গ্রিনল্যান্ডে পুরোনো সামরিক ঘাঁটি ফের চালু করবে যুক্তরাষ্ট্র
0:00 0:00
1.0x