শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা কমাতে ভারতের সঙ্গে চুক্তিতে কানাডা

যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা কমাতে ভারতের সঙ্গে চুক্তিতে কানাডা

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমাতে ভারতের সঙ্গে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে কানাডা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংরক্ষণবাদী বাণিজ্যনীতির প্রেক্ষাপটে নিজেদের বাণিজ্য বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে দেশটি। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে অটোয়ার। নয়াদিল্লিতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনিতা আনন্দ বলেন, ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বাণিজ্য বহুমুখীকরণ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আগামী ১০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্যান্য দেশের সঙ্গে কানাডার বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার আওতায় ভারত ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করতে চায় কানাডা। তবে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে দেশটি। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। আরোও পড়ুন,সার পরিবহনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে জাতিসংঘের আহ্বানসম্প্রতি ভারতের বাণিজ্য আলোচকেরা কানাডা সফর করেছেন। অন্যদিকে, কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী মানিন্দর সিধু একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল নিয়ে বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও নরেন্দ্র মোদিও এ চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছেন। আগামী ডিসেম্বরে মোদির কানাডা সফরের কথা রয়েছে। কানাডার হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের পণ্য ও সেবাবাণিজ্য বছরে সাত হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০২৫ সালে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৪০ কোটি ডলার। দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে কানাডার প্রতিষ্ঠান কামেকো ও ভারতের মধ্যে ২৬০ কোটি কানাডীয় ডলারের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তির কথাও উল্লেখ করেছেন অনিতা আনন্দ। পাশাপাশি ভারতের আইডিবিআই ব্যাংকের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা অধিগ্রহণে কানাডার ফেয়ারফ্যাক্স ফাইন্যানশিয়াল হোল্ডিংসের চুক্তিও অর্থনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে কানাডা ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। বর্তমানে সেই সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তা ও আইনের শাসনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হলে কানাডার বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কেও নতুন গতি আসতে পারে।

দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে চরমোনাই পীর

১৪ দিনের দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, যিনি চরমোনাই পীর হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমানসহ দলের ঊর্ধ্বতন নেতারা। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, ১৪ দিনের এই সফরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন চরমোনাই পীর। এ ছাড়া বিভিন্ন মসজিদ ও মুসলিম কমিউনিটিতে দাওয়াতি সভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। আরোও পড়ুন,পাচার করা অর্থ দিয়ে নাশকতার ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভীপাশাপাশি ব্যবসায়ী ও বৈশ্বিক বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন তিনি। এদিকে, সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ঢাকায় আটকে পড়া প্রবাসী শ্রমিকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন। মঙ্গলবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান বলেন, সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে হামলার কারণে ৬০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে হাজার হাজার প্রবাসী শ্রমিক ঢাকা বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সীমিত আয়ের এসব শ্রমিকের ঢাকায় থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। তাই সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ফ্লাইট বাতিলের কারণে প্রবাসী শ্রমিকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়ছেন উল্লেখ করে মাওলানা খলিলুর রহমান টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে চরমোনাই পীর

যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে পতন হয়েছে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। একই সময়ে চীন ও ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি কমেছে যথাক্রমে ২৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ ও ২৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ।তবে বাংলাদেশের রপ্তানি কমার হার কিছুটা কমলেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশের অবস্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ। আগস্ট শেষে চীন বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনাম। বাংলাদেশ নেমে গেছে তৃতীয় অবস্থানে। যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে। তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৫৩৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। আরও পড়ুন,দেশে জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে লিটারপ্রতি ১৭ টাকাএই সময়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৬ কোটি বর্গমিটার তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। পরিমাণের হিসাবে এই রপ্তানি কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ। প্রতি বর্গমিটার পোশাকের গড় রপ্তানি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ০৭ ডলার। গত বছরের তুলনায় এই মূল্যও কমেছে ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে প্রথম আট মাসে চীন যুক্তরাষ্ট্রে ৫৬৩ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। ফলে বাংলাদেশের চেয়ে চীনের রপ্তানি প্রায় ২৪ কোটি ডলার বেশি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করেছে ভিয়েতনাম। দেশটির রপ্তানির পরিমাণ ১ হাজার ৯৮ কোটি ডলার। তবে তাদের রপ্তানিও কমেছে দশমিক ৭৬ শতাংশ। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক পোশাক আমদানি কমেছে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। শীর্ষ রপ্তানিকারকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়ার রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ ও ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কিছুটা কমলেও চীন ও ভারতের তুলনায় পতনের হার কম। তবে রপ্তানির অবস্থান ধরে রাখতে বাংলাদেশকে এখন ভিয়েতনাম ও চীনের সঙ্গে বাড়তি প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

 যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে

যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ ও ফেডের সুদ নিয়ে অনিশ্চয়তায় বাড়ল সোনার দাম

সরকারগুলোর ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকা এবং চলতি অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বেড়েছে। সোমবার স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৬৫ দশমিক ৪৯ ডলারে উঠেছে। ডিসেম্বর ডেলিভারির মার্কিন সোনার ফিউচারের দামও দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ১৯৪ দশমিক ৬০ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন সরকারের ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি দীর্ঘমেয়াদে সোনার দামের জন্য সহায়ক। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মোট সরকারি ঋণ প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এতে দেশটির আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের নজর এখন ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সেপ্টেম্বরের বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে। এর মাধ্যমে ফেডের পরবর্তী মুদ্রানীতি সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার প্রত্যাশার তুলনায় বেশি কমে যাওয়ার পর অক্টোবরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনাও কমেছে। সিএমই ফেডওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ১৮ শতাংশে নেমে এসেছে।আরও পড়ুন,৬১ ব্যাংকের মধ্যে ২২টি লোকসানে নিট লোকসান ৮ হাজার ৪১৭ কোটি তবে ডিসেম্বরে হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৬৯ শতাংশ বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে মার্কিন ডলার সূচক দশমিক ২২ শতাংশ বেড়েছে। ডলারের দাম বাড়লে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারীদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত সোনা তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে। তবে মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে সোনার চাহিদা থাকায় বাজারে এর আকর্ষণ বজায় রয়েছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাও সোনার বাজারে প্রভাব ফেলছে। ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকার হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাগুলো পুনর্দখলে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর কথা জানিয়েছে। অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। রুপার দাম ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬১ দশমিক ৭২৫২ ডলার হয়েছে। প্লাটিনাম ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৩৩ দশমিক ৫০ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১৮২ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। দেশের বাজারে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকায়। ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা।

যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ ও ফেডের সুদ নিয়ে অনিশ্চয়তায় বাড়ল সোনার দাম

যুক্তরাষ্ট্রে কমেছে টেসলার গাড়ি বিক্রি

যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির চাহিদা কমে যাওয়ায় চাপের মুখে পড়েছে টেসলার বিক্রি। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টেসলা বিশ্বজুড়ে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৫৩২টি গাড়ি সরবরাহ করেছে। গত বছরের একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি সরবরাহ করেছিল ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৯৯টি গাড়ি। ফলে এক বছরের ব্যবধানে সরবরাহ কমেছে প্রায় ২ শতাংশ। তবে টেসলার এই সরবরাহ বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। বিশ্লেষকরা তৃতীয় প্রান্তিকে ৪ লাখ ৬১ হাজার ৯৭৪টি গাড়ি সরবরাহের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। অর্থাৎ পূর্বাভাসের চেয়ে প্রায় ২৪ হাজার ৫৫৮টি বেশি গাড়ি সরবরাহ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে টেসলার ওপর চাপের অন্যতম কারণ হিসেবে গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ৭ হাজার ৫০০ ডলারের কর সুবিধা বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। গত বছর এই সুবিধা শেষ হওয়ার আগে অনেক মার্কিন ক্রেতা দ্রুত বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি কিনেছিলেন। ফলে তখন টেসলার বিক্রি রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছিল।আরও পড়ুন,আট মাসেই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেন বাড়ল ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ এবার সেই তুলনায় চাহিদা কমেছে। টেসলা অঞ্চলভিত্তিক বিক্রির তথ্য প্রকাশ না করলেও গবেষণা প্রতিষ্ঠান কক্স অটোমোটিভের হিসাবে তৃতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে টেসলার বিক্রি ৩১ শতাংশ কমে ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৮০ ইউনিটে নেমে আসতে পারে। শুধু টেসলা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য গাড়ি নির্মাতারাও একই ধরনের চাপের মুখে রয়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে ফোর্ডের যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি বিক্রি ৬ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৫ লাখ ৯ হাজার ৭৬৪ ইউনিট হয়েছে। জেনারেল মোটরসের বিক্রিও কমেছে ৬ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে ৬ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪টি গাড়ি বিক্রি করেছে। তবে ইউরোপের বাজারে টেসলার পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো। জ্বালানির দাম বাড়ায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির চাহিদা বেড়েছে। একই সঙ্গে ইলন মাস্কের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে গত বছর তৈরি হওয়া বিরূপ প্রতিক্রিয়াও কিছুটা কমেছে। ফলে ইউরোপে টেসলার বিক্রি আবার বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে কমেছে টেসলার গাড়ি বিক্রি

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে রোববার সকালে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। এর পরদিন সোমবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে তিনি নিয়মিত সরকারি কার্যক্রমে যোগ দেন।সোমবার বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ। সাক্ষাতে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও মতবিনিময় হয় বলে জানা গেছে।এরপর দুপুরের দিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আবদুল্লাহ আলহামুদি।আড়ও পড়ুন,দূষিত বায়ু ও তামাকে ঝুঁকিতে ফুসফুস, সচেতনতার আহ্বানপ্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু) এসব তথ্য জানিয়েছেন।এদিকে সোমবার বিকেল ৪টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফরের বিভিন্ন বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় অগ্রাধিকার, শান্তি, গণতন্ত্র, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবিক বিষয় ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে বক্তব্য দেন। সফরকালে তিনি বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি জাতিসংঘের কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন।দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার মধ্য দিয়ে সফর-পরবর্তী সরকারি কার্যক্রমও শুরু হলো।

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের পথে চীনের দুই জায়ান্ট পান্ডা

চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার একটি চিড়িয়াখানার উদ্দেশে যাত্রা করেছে দুটি জায়ান্ট পান্ডা। দেশ দুটির সম্পর্ক জোরদারে বেইজিংয়ের দীর্ঘদিনের ‘পান্ডা কূটনীতি’র ধারাবাহিকতায় তাদের পাঠানো হচ্ছে।চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার তথ্যানুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ২টা ৫৫ মিনিটে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় চেংদু থেকে আটলান্টার উদ্দেশে উড়াল দেয় পান্ডা দুটি। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফর শেষ হওয়ার এক দিন পর তাদের যাত্রা শুরু হয়।সফরে শি জিনপিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশের বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি আরও বাড়ানো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিষয়ে একটি হটলাইন চালুর বিষয়ে একমত হন। এর পরপরই নতুন দুই পান্ডার যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রতীকী গুরুত্ব বহন করছে।পান্ডা দুটির নাম পিং পিং ও ফু শুয়াং। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ জন্ম নেওয়া পুরুষ পান্ডা পিং পিংয়ের নামের অর্থ ‘শান্তি’। গাছে ওঠায় সে বিশেষ দক্ষ। আর একই বছরের ১৮ অক্টোবর জন্ম নেওয়া স্ত্রী পান্ডা ফু শুয়াংয়ের নামের অর্থ ‘দ্বৈত আশীর্বাদ’। খাবার খুঁজে পেতে সে বেশ দক্ষ।চেংদুর জায়ান্ট পান্ডা ব্রিডিং রিসার্চ বেসের কর্মকর্তারা বয়স, স্বাস্থ্য, জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ও স্বভাব বিবেচনা করে পান্ডা দুটিকে নির্বাচন করেছেন। তাদের শান্ত স্বভাব এবং একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে চলার সক্ষমতাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।আড়ও পড়ুন,উত্তরপ্রদেশে টানা বৃষ্টিতে ৫৬ জনের মৃত্যুপ্রায় ১৫ ঘণ্টার বিমানযাত্রা শেষে আটলান্টায় পৌঁছানোর পর পান্ডা দুটিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। তাদের দেখভালের জন্য চীন থেকে পশুচিকিৎসক ও প্রজনন বিশেষজ্ঞরাও যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন।দীর্ঘদিন ধরেই পান্ডা বিনিময়কে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের একটি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে চীন। শি জিনপিংও বলেছেন, জায়ান্ট পান্ডা চীনা ও মার্কিন জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের দূত।আটলান্টা চিড়িয়াখানায় এর আগেও পান্ডা ছিল। লুন লুন ও ইয়াং ইয়াং নামের এক জোড়া পান্ডা সেখানে ২০০৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সাতটি বাচ্চার জন্ম দিয়েছিল। পরে তাদের চেংদুতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।নতুন পান্ডা দুটির যাত্রার আগে এক মাস কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয় এবং দীর্ঘ বিমানযাত্রার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। খাঁচায় অভ্যস্ত করার পাশাপাশি উড়োজাহাজের উচ্চ শব্দের সঙ্গেও তাদের পরিচিত করা হয়েছে।পান্ডা দুটির পরিচর্যাকারীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন যত্ন করে বড় করার পর তাদের বিদায় দেওয়া আবেগের। জন্মের সময় মাত্র ১০০ গ্রামের কিছু বেশি ওজনের এই দুই পান্ডা এখন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ঠিকানার পথে।

যুক্তরাষ্ট্রের পথে চীনের দুই জায়ান্ট পান্ডা

জাতিসংঘ অধিবেশনে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ আলোচনা ঘিরে উত্তেজনা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে ঘিরে নিউইয়র্কে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক। কয়েক মাস পর দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে নতুন করে যোগাযোগ হয়েছে। তবে আলোচনার পাশাপাশি সামরিক চাপ ও পাল্টাপাল্টি সতর্কবার্তা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত।রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনায় ছিলেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফসহ কর্মকর্তারা। কয়েক ঘণ্টার এই যোগাযোগকে মার্কিন পক্ষ গঠনমূলক ও আশাব্যঞ্জক বলে বর্ণনা করেছে। তবে ইরান জানিয়েছে নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি। বরং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিজেদের শর্ত জানানো হয়েছে।ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই জানিয়েছেন কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্দেশ্য ছিল তেহরানের শর্তগুলো স্পষ্টভাবে জানানো। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বন্ধ করা নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক যুদ্ধের অবসান এবং ইরানের জব্দ সম্পদ ছেড়ে দেওয়া।আড়ও পড়ুন,সংসদে নোটিশের গুরুত্ব না পেয়ে রাজপথে বিরোধী দল: শফিকুর রহমানআলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালী। ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র সামরিক চাপ কমালে এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ তুলে নিলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে তেহরান প্রস্তুত। এ প্রস্তাব মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে আগেই পৌঁছানো হয়েছে। তবে দুই দেশের অবস্থানের মধ্যে এখনো বড় মতপার্থক্য রয়েছে। ইরান সামরিক চাপ ও অবরোধ প্রত্যাহারকে আলোচনার অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার অবস্থানও প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হলেও তা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাবে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়।এদিকে ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য নতুন মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে। তেহরানের বক্তব্য অনুযায়ী যেকোনো নতুন হামলার জবাব দেওয়া হবে। ফলে একদিকে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে অন্যদিকে সামরিক প্রস্তুতি ও পাল্টা হুমকির কারণে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কাও রয়েছে।বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে যুদ্ধ বন্ধ করা অবরোধ প্রত্যাহার ইরানের সম্পদ ছাড় এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল স্বাভাবিক করা। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এই যোগাযোগ কতটা বাস্তব অগ্রগতিতে রূপ নেয় সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জাতিসংঘ অধিবেশনে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ আলোচনা ঘিরে উত্তেজনা

গ্রিনল্যান্ডে পুরোনো সামরিক ঘাঁটি ফের চালু করবে যুক্তরাষ্ট্র

স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে স্থাপিত একটি সাবেক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আবার চালু করার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে দ্বীপটির পূর্বাঞ্চলে নতুন একটি সামরিক স্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তির বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হতে যাওয়া একটি নতুন নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হতে পারে।পরিকল্পিত স্থাপনাগুলোর একটি হলো দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের নারসারসুয়াক। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ‘ব্লুই ওয়েস্ট ওয়ান’ ঘাঁটি ছিল। ১৯৫০-এর দশকে ঘাঁটিটি বন্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ওই এলাকার জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।অন্য স্থাপনাটি পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের মেস্টারসভিগে। বর্তমানে সেখানে ডেনমার্কের বিশেষ বাহিনীর ‘সিরিয়াস ডগ স্লেড প্যাট্রোল’ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই ইউনিট কুকুরের টানা স্লেজ ব্যবহার করে দুর্গম আর্কটিক এলাকায় টহল দেয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় যুক্তরাষ্ট্র ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা। চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ সইয়ের আগে প্রকাশ করা হয়নি এবং এর কিছু বিষয় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চূড়ান্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় ছিল।আড়ও পড়ুন,মামদানির সঙ্গে বৈঠকে আবাসন অভিবাসন ও নিরাপত্তাডেনমার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের ওপর নির্ভর না করে ন্যাটোর বৃহত্তর কাঠামোর আওতায় আসবে। অন্যদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চুক্তির লক্ষ্য গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রহের পর এই চুক্তির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। চলতি বছরের শুরুতে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ওয়াশিংটন কোপেনহেগেন ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে।স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক স্থাপনা এবং ১০ হাজারের বেশি সেনা ও কর্মী ছিল। বর্তমানে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র সক্রিয় সামরিক স্থাপনা হলো পিটুফিক স্পেস বেস। সেখানে প্রায় ১৫০ মার্কিন সামরিক সদস্য অবস্থান করছেন।

গ্রিনল্যান্ডে পুরোনো সামরিক ঘাঁটি ফের চালু করবে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখনো সম্ভাব্য বৈঠকের দিনক্ষণ বা আনুষ্ঠানিক সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার বিষয়ে ওয়াশিংটন উন্মুক্ত রয়েছে। মঙ্গলবার এনবিসির ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।রুবিও বলেন ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতি রয়েছে। তবে এমন বৈঠক তখনই আয়োজনের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে যখন এর মাধ্যমে ইতিবাচক কোনো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। রুবিও বলেন ইরানের কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকা উচিত নয় এবং যুক্তরাষ্ট্র এটি হতে দিতে চায় না।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। আড়ও পড়ুন,নিউইয়র্কের দুই বিমানবন্দরে সাময়িক ফ্লাইট বন্ধএই সময় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের মধ্যে বৈঠক এবং কূটনৈতিক আলোচনা হয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।তবে দুই দেশের মধ্যে বৈঠক আদৌ হবে কি না এবং হলে সেখানে কী বিষয়ে আলোচনা হবে সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি।ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধ রয়েছে। সম্ভাব্য এই বৈঠক হলে পারমাণবিক কর্মসূচি ছাড়াও দুই দেশের মধ্যকার অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে আলোচনার প্রধান গুরুত্ব ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে সেই বিষয়টির ওপরই দেওয়া হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র

ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসকে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন।সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।পেন্টাগনের হিসাবে, গত ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এর বাইরে অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ খরচ হয়েছে আরও ১৫০ কোটি ডলার।সব মিলিয়ে মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় কয়েক লাখ কোটি টাকার সমপরিমাণ।তবে এটিই ইরান যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ব্যয়ের হিসাব নয়।কারণ ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, স্থাপনা ও ভবন মেরামতের ব্যয় এখনো এই হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে যুদ্ধের চূড়ান্ত আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।পেন্টাগনের হিসাবে যুদ্ধের বড় একটি অংশের অর্থ ব্যয় হয়েছে অস্ত্র ও গোলাবারুদে। ইরান অভিযানে ব্যবহৃত বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পুনরায় সংগ্রহ করতেও যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হওয়া সামরিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন, বিমান পরিচালনা, আড়ও পড়ুন,ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের সংঘাত তীব্রনৌবাহিনী ও সেনাদের মোতায়েনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়েছে আরও কয়েক বিলিয়ন ডলার।এর আগে মার্কিন কংগ্রেসের বাজেট কার্যালয়ও জানিয়েছিল, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দ্রুত বাড়তে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, শুধু যুদ্ধ পরিচালনার খরচ নয়—যুদ্ধের পর ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতেও যুক্তরাষ্ট্রকে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে।ফলে পেন্টাগনের বর্তমান ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলারের হিসাবকে ইরান যুদ্ধের চূড়ান্ত ব্যয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, ততই বাড়বে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক ব্যয়ের চাপ।এখন বড় প্রশ্ন—ইরান যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কতটা দীর্ঘ এবং কতটা ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।

ইরান যুদ্ধে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গানভরের প্রথম এলএনজি কার্গো দেশে

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, এই কার্গো থেকে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ ঘনমিটার এলএনজি খালাস করা হবে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় গানভরের সরবরাহ করা এটিই প্রথম কার্গো।যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গানভরের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৩ বছর মেয়াদি চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে বাংলাদেশ। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছর দেশে আসবে পাঁচটি এলএনজি কার্গো।মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প উৎস নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করেছে সরকার। এর ধারাবাহিকতায় ‘এলএনজি জেনেভা’ জাহাজে করে প্রথম কার্গোটি বাংলাদেশে পৌঁছেছে।এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বরও একটি এলএনজি কার্গো দেশে আসে।আড়ও পড়ুন,আটা ময়দা মুরগি ডিম ও মাছে বাড়তি দামপরপর দুটি কার্গো আসায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।চলতি মাসে মোট নয়টি এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আরামকোর দুটি এবং ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম ও পস্কোর একটি করে চারটি কার্গো ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে। ১৭ সেপ্টেম্বর গানভরের কার্গো এসেছে। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর আরামকো ২৩ সেপ্টেম্বর টোটালএনার্জি ২৫ সেপ্টেম্বর আরামকো এবং ২৮ সেপ্টেম্বর গানভর থেকে আরও চারটি কার্গো আসার কথা রয়েছে।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৬০৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ১ হাজার ৬১২ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে পাওয়া গেছে ৯৯৩ মিলিয়ন ঘনফুট।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গানভরের প্রথম এলএনজি কার্গো দেশে

কক্ষপথে মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

পৃথিবীর কক্ষপথে একটি মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির দাবি সম্ভাব্য শত্রু হামলা থেকে মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতেই এই অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে।সোমবার এয়ার স্পেস অ্যান্ড সাইবার কনফারেন্সে এ তথ্য জানান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক। তিনি বলেন পরিবর্তনশীল হুমকি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে। তবে অস্ত্রটির সুনির্দিষ্ট সক্ষমতা কী এবং ঠিক কখন এটি কক্ষপথে পাঠানো হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা মহাকাশে দেশটির সামরিক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি রাশিয়া ও চীন ভবিষ্যতের সংঘাতে মার্কিন স্যাটেলাইটে হামলা এবং সেগুলোর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানোর সক্ষমতা তৈরি করছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মহাকাশভিত্তিক সক্ষমতা এবং ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রকে তাদের পরিকল্পিত গোল্ডেন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য আকাশপথের হুমকি মোকাবেলায় এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।আড়ও পড়ুন,মহাকাশেও যুদ্ধের প্রস্তুতি, কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের১৯৬৭ সালের একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে কক্ষপথে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র মোতায়েন নিষিদ্ধ করা হয়। তবে এর আওতার বাইরে বিভিন্ন ধরনের সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ও চীন। এর মধ্যে প্রতিপক্ষের স্যাটেলাইটকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রযুক্তিও রয়েছে।সামরিক যোগাযোগ নজরদারি ও নেভিগেশনের ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় মহাকাশে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রতিযোগিতা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ রয়েছে।গত বছর ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশ জারি করে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ শক্তিকে শুধু আত্মরক্ষামূলক নয় বরং আক্রমণাত্মক সক্ষমতা হিসেবেও গড়ে তোলার কথা জানান। নতুন এই স্বীকারোক্তির ফলে মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।

কক্ষপথে মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন তারেক রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন এবং সরকারের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।রোববার ১৩ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।তিনি বলেন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বহুপক্ষীয় এই ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরা। একই সঙ্গে সফরকালে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ তৈরি হতে পারে।তবে কোন দেশের নেতার সঙ্গে কখন বৈঠক হবে তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোতে নেতাদের কর্মসূচিতে শেষ মুহূর্তেও পরিবর্তন আসতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় যেসব বৈঠক চূড়ান্ত হবে সেগুলো গণমাধ্যমকে জানানো হবে।আড়ও পড়ুন,আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবিযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে সংবাদ সম্মেলনে। এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন বৈঠকের কর্মসূচি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরে রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্ব পাবে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করবে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভাষায় বাংলাদেশের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো বৈঠক হবে না এমন আলোচনা প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন বহুপক্ষীয় ফোরামে গিয়ে কারও সঙ্গে বৈঠক হবে না এমন কথা তিনি বলেননি। যেখানে সুযোগ ও প্রয়োজন থাকবে সেখানে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও বৈঠক হবে।ফলে এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের নতুন সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন তারেক রহমান

হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত চায় না দাবি ট্রাম্পের

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়াতে চায় না বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।শনিবার আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, হুতিরা ফোন করে তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যেন কোনো পদক্ষেপ না নেয় সেই অনুরোধ জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত ভালোভাবেই সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।তবে একই সময়ে সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইনে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন ট্রাম্প। হামলাটি ইরান চালিয়ে থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।হামলার পর সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এই পাইপলাইনটি সৌদি আরবের অন্যতম বিকল্প পথ।ট্রাম্প জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে সৌদি আরব বলছে, হামলার জন্য ইরান নয় বরং ইরাক থেকে ছোড়া কয়েকটি ড্রোন দায়ী।রিয়াদ জানিয়েছে, হামলায় কয়েকজন আহত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পাল্টা ব্যবস্থা না নিয়ে ইরাক সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব।এদিকে ইয়েমেনে হুতিদের সামরিক অগ্রযাত্রা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। গত সপ্তাহের টানা অভিযানের পর লোহিত সাগরের উপকূলীয় বিস্তীর্ণ এলাকা এবং কৌশলগত কয়েকটি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তারা। এতে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে।সৌদি আরবের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনে বাধা তৈরি হওয়ায় বিকল্প হিসেবে লোহিত সাগরের পথ ব্যবহার করছে দেশটি। কিন্তু হুতিদের নতুন তৎপরতায় সেই পথও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।এরই মধ্যে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা কৌশলগত বন্দরনগরী মোখায় হামলা চালিয়েছে। সরকারি বাহিনীর দাবি, এতে হুতিদের কয়েকটি যান ও অস্ত্র ধ্বংস হয়েছে এবং কয়েকজন হুতি নিহত হয়েছেন।জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতের কারণে প্রায় ৪৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর সংঘাতের তীব্রতায় আন্তর্জাতিক বাজারেও উদ্বেগ বাড়ছে। অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি বাব আল-মান্দেব ও লোহিত সাগরের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়লে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে

হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত চায় না দাবি ট্রাম্পের