যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ইরান কিউবা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান তুলে ধরেছেন। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে দেওয়া প্রায় ৩৭ মিনিটের ভাষণে তিনি দাবি করেন অন্যরা যেখানে শুধু শান্তির কথা বলেছে সেখানে যুক্তরাষ্ট্র তার নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে।
ভাষণের বড় একটি অংশজুড়ে ছিল ইরান প্রসঙ্গ। ট্রাম্প বলেন ইরানকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেন ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে ঠেকাতেই যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে। একই সঙ্গে তেহরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার কথা বলেন তিনি।
আড়ও পড়ুন,জাতিসংঘে বক্তব্য দিতে নিউইয়র্কে পেজেশকিয়ান
ইরানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ চুক্তির সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি বলেন নভেম্বরের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হতে পারে। তবে চুক্তি না হলে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্যে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে অন্যান্য দেশকেও যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
ট্রাম্প যখন ইরানের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাসের সামরিক অভিযানের কথা তুলে ধরছিলেন তখন জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষে থাকা ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বেরিয়ে যান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওই সময় অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন না।
ভাষণে কিউবার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি কিউবার সরকারকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দেশটিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসার কথা বলেন। তার বক্তব্যের সময় কিউবার প্রতিনিধিরাও প্রতিবাদ হিসেবে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।
মতামত