বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালেন ট্রাম্প

নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালেন ট্রাম্প

ইসরায়েলে আগামী ২৭ অক্টোবর পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে জনমত জরিপে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর প্রতি সরাসরি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর প্রশংসা করেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে মিত্র হিসেবে পাশে থাকার জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর প্রতি নিজের ‘পূর্ণাঙ্গ ও সম্পূর্ণ সমর্থন’ রয়েছে বলে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘বিবি নেতানিয়াহু আপনাদের কখনো হতাশ করবেন না!’ নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ করে দেওয়া ট্রাম্পের এই বার্তা ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। আরও পড়ুন,ড্রোন হামলায় রুশ তেল টার্মিনালে আগুনইসরায়েলের রাজনীতিতে নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তবে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। জনমত জরিপগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আভাস পাওয়ায় ক্ষমতায় থাকা তাঁর জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিকভাবে কতটা সহায়ক হবে, তা নিয়ে নজর রয়েছে পর্যবেক্ষকদের। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পাশাপাশি ইরানকে কেন্দ্র করে দুই দেশের নিরাপত্তা ও সামরিক সহযোগিতাও এই সমর্থনের পটভূমিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ট্রাম্পের সমর্থন নির্বাচনের ফলাফলে কী প্রভাব ফেলবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের ভোটাররা কোন দল ও নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখেন, সেটিই নির্ধারণ করবে দেশটির পরবর্তী সরকারের রাজনৈতিক সমীকরণ। আসন্ন নির্বাচন ঘিরে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন—দুই বিষয়ই এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজরে।

ইরান নিয়ে সামরিক পদক্ষেপে বিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে সামরিক হামলা চালানো হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটনের ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা চলছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান ট্রাম্প। ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরানে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নেওয়ার খবর প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য অভিযানের প্রস্তুতি নিতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। তবে হামলার কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি জানানো হয়নি।আরও পড়ুন,বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় বিশ্বনেতাদের চাপ বাড়ানোর আহ্বান অ্যাক্সিওসের সূত্রগুলোর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের অর্থনীতি দুর্বল অবস্থায় থাকায় যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করছে। ওয়াশিংটন সহজ কিংবা কঠিন যেকোনো উপায়ে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারে বলেও সূত্রগুলো দাবি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নেবেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সর্বাত্মক হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের নতুন পর্যায় শুরু হয়। জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায়। এতে মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত এলাকায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও সাময়িক যুদ্ধবিরতি বারবার ভেঙে পড়েছে। সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিভিন্ন দেশে তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্যের সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে বেড়েছে জ্বালানির দাম। ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যে ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে সামরিক অভিযান না চালানোর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা কতটা সফল হবে এবং এর মাধ্যমে সংঘাতের স্থায়ী অবসান সম্ভব হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ইরান নিয়ে সামরিক পদক্ষেপে বিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের

ট্রাম্পের বাঁ পায়ের অস্বাভাবিক ভঙ্গি নিয়ে নতুন করে আলোচনা

দেখা যাওয়ার কথা বলা হয়। গত বছরের আগস্টেও ভার্জিনিয়ায় ট্রাম্প ন্যাশনাল গলফ ক্লাবে গলফ খেলার সময় তার হাঁটার ধরন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের হাতে কালশিটে দাগ, গোড়ালি ফুলে যাওয়া এবং কিছু অনুষ্ঠানে তার শারীরিক ভঙ্গি নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য হয়েছে। তবে ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গুরুতর কোনো সমস্যার কথা স্বীকার করা হয়নি।ট্রাম্পের বাঁ পায়ের বিষয়ে মন্তব্য জানতে ডেইলি বিস্ট হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে তার পায়েরমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাঁ পায়ের অস্বাভাবিক ভঙ্গি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে প্রযুক্তি খাতের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তাকে অস্বাভাবিক ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় তার বাঁ পা কিছুটা ঢিলে অবস্থায় ছিল এবং হাঁটু ভেতরের দিকে বাঁকানো দেখা যায়।আড়ও পড়ুন,অভিবাসন আইন না মানায় কানাডা থেকে ফেরত ৩৪০ বাংলাদেশিযুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি বিস্ট বুধবার এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ট্রাম্পের সহযোগী মার্গো মার্টিনের প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে তার দাঁড়ানোর এই ভঙ্গি দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য শুরু হয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ বিষয়টি চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করার আহ্বান জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ ধারণা প্রকাশ করেছেন, তার পায়ে দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের ব্রেস ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এসব মন্তব্যের কোনোটিই চিকিৎসাগতভাবে নিশ্চিত নয়।এর আগেও ট্রাম্পের হাঁটার ধরন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে একটি প্রতিবেদনে তাকে বাঁ পা সামনে বাড়িয়ে কিছুটা অস্বাভাবিকভাবে হাঁটতে অস্বাভাবিক ভঙ্গির নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে কোনো চিকিৎসাগত ব্যাখ্যা বা নিশ্চিত তথ্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

ট্রাম্পের বাঁ পায়ের অস্বাভাবিক ভঙ্গি নিয়ে নতুন করে আলোচনা

ট্রাম্পের জাতিসংঘ ভাষণে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ইরান কিউবা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান তুলে ধরেছেন। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে দেওয়া প্রায় ৩৭ মিনিটের ভাষণে তিনি দাবি করেন অন্যরা যেখানে শুধু শান্তির কথা বলেছে সেখানে যুক্তরাষ্ট্র তার নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে। ভাষণের বড় একটি অংশজুড়ে ছিল ইরান প্রসঙ্গ। ট্রাম্প বলেন ইরানকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেন ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে ঠেকাতেই যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে। একই সঙ্গে তেহরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার কথা বলেন তিনি। আড়ও পড়ুন,জাতিসংঘে বক্তব্য দিতে নিউইয়র্কে পেজেশকিয়ানইরানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ চুক্তির সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি বলেন নভেম্বরের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হতে পারে। তবে চুক্তি না হলে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্যে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে অন্যান্য দেশকেও যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ট্রাম্প যখন ইরানের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাসের সামরিক অভিযানের কথা তুলে ধরছিলেন তখন জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষে থাকা ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বেরিয়ে যান। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওই সময় অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন না। ভাষণে কিউবার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি কিউবার সরকারকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দেশটিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসার কথা বলেন। তার বক্তব্যের সময় কিউবার প্রতিনিধিরাও প্রতিবাদ হিসেবে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। 

ট্রাম্পের জাতিসংঘ ভাষণে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জেলেনস্কি

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বিকেলে কোনো একসময় এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে দুই নেতাই বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র সোমবার এএফপিকে বৈঠকের তথ্য জানিয়েছে।ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিচুক্তির জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেই প্রচেষ্টা অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধের দিকেও বেড়েছে।এমন পরিস্থিতিতে সাড়ে চার বছর ধরে চলা ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সরাসরি শান্তি আলোচনা আবারও শুরু করার জন্য ওয়াশিংটনের চাপের মধ্যেই ট্রাম্প ও জেলেনস্কির বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।এদিকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দূরপাল্লার হামলা অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি রাশিয়ার কয়েকটি তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।বৈঠকের আগে সোমবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, রাশিয়া তাদের জ্বালানি তেলশিল্পের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। আড়ও পড়ুন,সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলতে প্রস্তুত ইরানরাশিয়ার বেশ কয়েকটি ডিজেল শোধনাগার ধ্বংস হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানান।ট্রাম্পের ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে কিছু প্রস্তাব আলোচনার টেবিলে রয়েছে। তাঁর মতে উত্তেজনা কমানোর জন্য শক্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।জেলেনস্কি আরও বলেন, ইউক্রেনের জ্বালানি খাত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং খাদ্য রপ্তানি খাতে রাশিয়ার হামলা বন্ধ করতে হবে। এর বিনিময়ে ইউক্রেনও হামলা বন্ধ করতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।এর আগে গত সপ্তাহে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা না করার বিষয়ে রাজি হয়েছে। তবে এরপরও দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার খবর এসেছে।ফলে নিউইয়র্কে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির বৈঠকে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য পথ এবং ভবিষ্যৎ শান্তি আলোচনার কাঠামো নিয়ে কী আলোচনা হয় সেটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জেলেনস্কি