চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে পেয়েছেন কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেম্যান ও গেয়র্গ নাগেল। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল এবং অপটোজেনেটিক্সের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।সোমবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম থেকে এ বছরের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টা এবং বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হয়।চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল কমিটির সেক্রেটারি-জেনারেল থমাস পার্লম্যান স্টকহোম থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেন। নোবেল পুরস্কার কমিটির ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে এ ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
আরও পড়ুন,আলোর মাধ্যমে মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণের গবেষণায় তিন বিজ্ঞানীর নোবেল
আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেলের আবিষ্কার স্নায়ুবিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে গবেষণার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে আলো ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র নিয়ে গবেষণায় অপটোজেনেটিক্স গুরুত্বপূর্ণ একটি গবেষণা পদ্ধতিতে পরিণত হয়েছে।নোবেল কমিটির এই স্বীকৃতি চিকিৎসাবিজ্ঞানে আলো ব্যবহার করে কোষের কার্যক্রম বোঝা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তিন বিজ্ঞানীর অবদানকে সামনে নিয়ে এসেছে।১৯০১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ বার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে মোট ২৩৪ জন বিজ্ঞানী ও গবেষক এ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।প্রথা অনুযায়ী প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথম সোমবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিন ঘোষণা করা হয় চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ীর নাম। এরপর পর্যায়ক্রমে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
মতামত