বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
আদাবরে ১৯২ অ্যাপার্টমেন্ট, তেজগাঁওয়ে ৫১ বাণিজ্যিক ইউনিট নির্মাণ হচ্ছে শেল্‌টেকের দুই প্রকল্প

আদাবরে ১৯২ অ্যাপার্টমেন্ট, তেজগাঁওয়ে ৫১ বাণিজ্যিক ইউনিট নির্মাণ হচ্ছে শেল্‌টেকের দুই প্রকল্প

ঢাকার আবাসন ও বাণিজ্যিক স্থাপনা খাতে নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে শেল্‌টেকের দুটি প্রকল্প। রাজধানীর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘শেল্‌টেক্‌ উইন্ডফ্লাওয়ার’ নামের একটি আবাসিক কন্ডোমিনিয়াম। অন্যদিকে, তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকার লাভ রোডে গড়ে উঠছে ‘ভিঞ্চিয়া শেল্‌টেক্‌ টাওয়ার’। দুটি প্রকল্পেই আবাসন ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের পাশাপাশি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে ৮১ কাঠার বেশি জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে শেল্‌টেক্‌ উইন্ডফ্লাওয়ার। ১০ তলা বা গ্রাউন্ড ফ্লোরসহ নয়তলা এই ভবনে থাকছে মোট ১৯২টি অ্যাপার্টমেন্ট। প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টের আয়তন ১ হাজার ৪৪০ বর্গফুট এবং এতে থাকছে তিনটি বেডরুম। প্রকল্পটিতে ১৯২টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা, আটটি লিফট ও তিনটি সিঁড়ি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে একটি সিঁড়ি অগ্নিনিরাপত্তার জন্য নির্ধারিত থাকবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আরও পড়ুন,রাজশাহীতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশশুধু বসবাসের জন্য অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি নয়, বরং বাসিন্দাদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কন্ডোমিনিয়াম পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে প্রকল্পটির। অন্যদিকে, তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকার লাভ রোডে প্রায় ২৫ কাঠার বেশি জমির ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে ভিঞ্চিয়া শেল্‌টেক্‌ টাওয়ার। দুটি বেসমেন্টসহ ১৪ তলাবিশিষ্ট এই ভবনে থাকবে ৫১টি বাণিজ্যিক ইউনিট। এসব ইউনিটের আয়তন ৫৪৬ থেকে ৩ হাজার ৮০৯ বর্গফুট পর্যন্ত। টাওয়ারটিতে ৬৭টি গাড়ি রাখার জায়গা, চারটি লিফট এবং অগ্নিনিরাপত্তা দরজাসহ দুটি সিঁড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি থাকছে দ্বিউচ্চতার প্রবেশপথ, রিসেপশন, ওপেন স্কাই টেরেস, প্রার্থনার জায়গা, ল্যান্ডস্কেপ এবং জলাধার। অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ার কন্ট্রোল রুম ও ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

পুলিশের অধীনে নতুন সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট

পুলিশের অধীনে নতুন সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন আগামী সপ্তাহেই এই ইউনিট গঠনের কার্যক্রম শুরু হবে। প্রয়োজন হলে পুলিশ সদর দপ্তরে অতিরিক্ত আইজিপি পদও সৃষ্টি করা হবে।শনিবার রাজধানীতে পুলিশ পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতেই আলাদা এই ইউনিট গঠন করা হচ্ছে। ইউনিটটির নেতৃত্বে অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা থাকবেন। পুলিশ সদর দপ্তরে এ ধরনের পদ না থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন পদ সৃষ্টি করা হবে।নতুন ইউনিটের কার্যক্রম শুধু পুলিশ সদর দপ্তরেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী মেট্রো ডিভিশন ও জেলা পর্যায়ে এই ইউনিটের শাখা থাকবে। থানা ও জেলা পর্যায়ে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে।আড়ও পড়ুন,সাইবার সুরক্ষা আইনে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছেএ ছাড়া সদর দপ্তর ও বিভাগীয় পর্যায়ে বড় আকারের ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য প্রযুক্তিগত সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হবে। এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধের আলামত সংগ্রহ থেকে শুরু করে ডিজিটাল বিশ্লেষণ ও ফরেনসিক পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান নতুন ইউনিটের জন্য প্রকল্প প্রণয়নের নির্দেশ কয়েক সপ্তাহ আগেই দেওয়া হয়েছে। যেসব সাইবার অপরাধের তদন্ত ও বিশ্লেষণ স্থানীয় পর্যায়ে করা সম্ভব সেগুলো থানা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েই সম্পন্ন করা হবে। আর জটিল ধরনের ঘটনা প্রয়োজন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় পর্যায়ে পাঠানো হবে।এ সময় পুলিশের সদস্যদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়েও বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন পুলিশের কেউ কেউ এখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত হয়ে যোগাযোগ রাখছেন এবং নানা ধরনের সংবাদ দেওয়ার মতো কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। এ ধরনের কার্যক্রমে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।সাইবার অপরাধের ব্যাপকতা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন সাইবার স্পেসকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধ আধুনিক অপরাধপ্রবণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। বিভিন্ন দেশে সাইবার অপরাধ ও প্রতারণাভিত্তিক অপরাধের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সাইবার অপরাধের ধরন ও পরিধি বাড়ার প্রেক্ষাপটে পুলিশের তদন্ত সক্ষমতা আধুনিক করার অংশ হিসেবেই নতুন এই সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পুলিশের অধীনে নতুন সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট

সাইবার অপরাধ ঠেকাতে নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে আগামী সপ্তাহেই আলাদা সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।শনিবার পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬-এর পুলিশ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান নতুন এই ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বা অ্যাডিশনাল আইজিপি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা। পুলিশ সদর দপ্তরে এ ধরনের পদ না থাকলে প্রয়োজনে নতুন পদ সৃষ্টি করা হবে বলেও জানান তিনি।নতুন সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের কার্যক্রম শুধু পুলিশ সদর দপ্তরকেন্দ্রিক থাকবে না। মেট্রো ডিভিশন এবং জেলা পর্যায়েও এর শাখা থাকবে। পাশাপাশি থানা ও জেলা পর্যায়ে সাইবার অপরাধ তদন্ত ও বিশ্লেষণের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রাখা হবে।আড়ও পড়ুন,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান সদর দপ্তর ও বিভাগীয় পর্যায়ে বড় আকারের ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলা হবে। ফলে সাইবার অপরাধের আলামত সংগ্রহ থেকে শুরু করে ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ পর্যন্ত কাজ আরও সংগঠিতভাবে করার সুযোগ তৈরি হবে।তিনি বলেন সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় ইতোমধ্যে প্রকল্প প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব অপরাধের তদন্ত ও বিশ্লেষণ স্থানীয় পর্যায়েই সম্ভব সেগুলো থানা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর জটিল ও বড় ধরনের ঘটনা প্রয়োজন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় পর্যায়ে পাঠানো হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী আধুনিক অপরাধপ্রবণতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে সাইবার স্পেসকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধ। বিভিন্ন দেশে সাইবার অপরাধ ও স্ক্যামভিত্তিক অপরাধের ব্যাপকতা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন এই বাস্তবতায় বাংলাদেশেও সাইবার নিরাপত্তাকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হচ্ছে।পুলিশ সপ্তাহের ওই অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।নতুন এই ইউনিট বাস্তবায়িত হলে পুলিশের সাইবার অপরাধ তদন্তের সক্ষমতা কেন্দ্র থেকে মাঠপর্যায় পর্যন্ত আরও সমন্বিত করার একটি কাঠামো তৈরি হবে।

সাইবার অপরাধ ঠেকাতে নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা