জাতিসংঘে বক্তব্য দিতে নিউইয়র্কে পেজেশকিয়ান
তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি পেজেশকিয়ানের নিউইয়র্কে পৌঁছানোর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে তাকে একটি বিমান থেকে নামতে দেখা যায়। ভিডিওটির ক্যাপশনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট নিউইয়র্কের একটি বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে পেজেশকিয়ানের বক্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কারণ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে থাকা কোনো দেশের নেতা হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে পেজেশকিয়ানের মার্কিন মাটিতে পৌঁছানো একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তার সফরকে ঘিরে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হতে পারে।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা নিজেদের দেশের অবস্থান তুলে ধরছেন। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা থেকে শুরু করে যুদ্ধ সংঘাত অর্থনীতি এবং মানবিক সংকটসহ নানা বিষয় এবারের অধিবেশনে গুরুত্ব পাচ্ছে।পেজেশকিয়ানের বক্তব্যে ইরানের পররাষ্ট্রনীতি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে তেহরানের অবস্থান তুলে ধরার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের বিষয়টি তার বক্তব্যে কতটা গুরুত্ব পায় সেদিকে নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের।আড়ও পড়ুন,পৃথিবীর গড় তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ডের শঙ্কাএদিকে ইরানের প্রেসিডেন্টের নিউইয়র্ক সফর এমন সময়ে হচ্ছে যখন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান এবং অঞ্চলটির বিভিন্ন দেশের সামরিক ও কূটনৈতিক তৎপরতা পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।জাতিসংঘের মঞ্চে পেজেশকিয়ানের বক্তব্য তাই শুধু ইরানের অভ্যন্তরীণ বা আঞ্চলিক অবস্থানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং চলমান সংঘাত নিয়ে তেহরানের বার্তাও উঠে আসতে পারে।
এখন পেজেশকিয়ান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কী বার্তা দেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে ইরানের অবস্থান কীভাবে তুলে ধরেন সেদিকেই নজর রয়েছে।