শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
মুদিদোকানের ফোন থেকে বলিউডের পর্দায়

মুদিদোকানের ফোন থেকে বলিউডের পর্দায়

বলিউডে নায়ক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাই এসেছিলেন মুশতাক খান। কিন্তু তখন তাঁর ছিল না কোনো বড় পরিচয় বা চলচ্চিত্রজগতের শক্তিশালী যোগাযোগ। এমনকি নিজের বাড়িতেও টেলিফোন ছিল না। কোনো পরিচালক বা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফোন করলে সেই খবর পাওয়ার জন্য পাশের মুদিদোকানিকে এক টাকা করে দিতে হতো। প্রতিদিন সন্ধ্যায় দোকানে গিয়ে জানতে হতো তাঁর জন্য কোনো ফোন এসেছে কি না। প্রায় ১৫ দিন অপেক্ষার পর সেই কাঙ্ক্ষিত ফোনটি আসে পরিচালক মহেশ ভাটের কাছ থেকে। সেই ফোনই তাঁর অভিনয়জীবনের দরজা খুলে দেয়।১৯৮৮ সালের ‘কবজা’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে শুরু হয় তাঁর বলিউডযাত্রা। এরপর ‘আশিকি’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নেহি’, ‘সড়ক’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’সহ বহু জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। নায়ক হতে না পারলেও পার্শ্বচরিত্রে নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকের মনে আলাদা জায়গা তৈরি করেন।মুশতাক খানের অভিনয়জীবনের বড় একটি অধ্যায় ছিল মহেশ ভাটের সিনেমা। ‘কবজা’য় তাঁর অভিনয়ে সন্তুষ্ট হয়ে ভাট তাঁকে আরও কাজের সুযোগ দেন। পরে ‘আশিকি’, ‘সড়ক’, ‘জুনুন’, ‘গুনাহ’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’সহ একাধিক ছবিতে তাঁকে দেখা যায়। বিশেষ করে ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’ তাঁকে আরও পরিচিত করে তোলে।২০০১ সালের ‘গদার: এক প্রেম কথা’ ছবিতে গুল খান চরিত্রে অভিনয় করেন মুশতাক। দুই দশকের বেশি সময় পর ‘গদার ২’-তেও একই চরিত্রে ফিরে আসেন। তবে সাধারণ দর্শকের কাছে তাঁর অন্যতম স্মরণীয় চরিত্র ছিল ২০০৭ সালের ‘ওয়েলকাম’ ছবির বাল্লু। তারকা অভিনেতাদের ভিড়েও ছোট চরিত্রটিকে নিজের অভিনয় ও শরীরী ভাষায় স্মরণীয় করে তুলেছিলেন তিনি।আড়ও পড়ুন,চলে গেলেন বলিউডের পরিচিত অভিনেতা মুশতাক খানমুশতাককে শুধু কমেডি অভিনেতা হিসেবে দেখলে তাঁর অভিনয়জীবনের পুরোটা ধরা পড়ে না। পুলিশ, প্রতিবেশী, আত্মীয়, কেরানি থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্য—বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘বালা’, ‘বধাই দো’ ও ‘স্ত্রী ২’-এর মতো সাম্প্রতিক ছবিতেও তাঁর উপস্থিতি ছিল।বলিউডে নায়ক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাই এসেছিলেন মুশতাক খান। কিন্তু তখন তাঁর ছিল না কোনো বড় পরিচয় বা চলচ্চিত্রজগতের শক্তিশালী যোগাযোগ। এমনকি নিজের বাড়িতেও টেলিফোন ছিল না। কোনো পরিচালক বা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফোন করলে সেই খবর পাওয়ার জন্য পাশের মুদিদোকানিকে এক টাকা করে দিতে হতো। প্রতিদিন সন্ধ্যায় দোকানে গিয়ে জানতে হতো তাঁর জন্য কোনো ফোন এসেছে কি না। প্রায় ১৫ দিন অপেক্ষার পর সেই কাঙ্ক্ষিত ফোনটি আসে পরিচালক মহেশ ভাটের কাছ থেকে। সেই ফোনই তাঁর অভিনয়জীবনের দরজা খুলে দেয়।১৯৮৮ সালের ‘কবজা’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে শুরু হয় তাঁর বলিউডযাত্রা। এরপর ‘আশিকি’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নেহি’, ‘সড়ক’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’সহ বহু জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। নায়ক হতে না পারলেও পার্শ্বচরিত্রে নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকের মনে আলাদা জায়গা তৈরি করেন।মুশতাক খানের অভিনয়জীবনের বড় একটি অধ্যায় ছিল মহেশ ভাটের সিনেমা। ‘কবজা’য় তাঁর অভিনয়ে সন্তুষ্ট হয়ে ভাট তাঁকে আরও কাজের সুযোগ দেন। পরে ‘আশিকি’, ‘সড়ক’, ‘জুনুন’, ‘গুনাহ’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’সহ একাধিক ছবিতে তাঁকে দেখা যায়। বিশেষ করে ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’ তাঁকে আরও পরিচিত করে তোলে।২০০১ সালের ‘গদার: এক প্রেম কথা’ ছবিতে গুল খান চরিত্রে অভিনয় করেন মুশতাক। দুই দশকের বেশি সময় পর ‘গদার ২’-তেও একই চরিত্রে ফিরে আসেন। তবে সাধারণ দর্শকের কাছে তাঁর অন্যতম স্মরণীয় চরিত্র ছিল ২০০৭ সালের ‘ওয়েলকাম’ ছবির বাল্লু। তারকা অভিনেতাদের ভিড়েও ছোট চরিত্রটিকে নিজের অভিনয় ও শরীরী ভাষায় স্মরণীয় করে তুলেছিলেন তিনি।মুশতাককে শুধু কমেডি অভিনেতা হিসেবে দেখলে তাঁর অভিনয়জীবনের পুরোটা ধরা পড়ে না। পুলিশ, প্রতিবেশী, আত্মীয়, কেরানি থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্য—বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘বালা’, ‘বধাই দো’ ও ‘স্ত্রী ২’-এর মতো সাম্প্রতিক ছবিতেও তাঁর উপস্থিতি ছিল।

চলে গেলেন বলিউডের পরিচিত অভিনেতা মুশতাক খান

বলিউড ও হিন্দি টেলিভিশন জগতের পরিচিত অভিনেতা মুশতাক খান আর নেই। ফুসফুসের ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘদিন লড়াই করার পর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর।মুশতাক খানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজের (এফডব্লিউআইসিই) সভাপতি বি এন তিওয়ারি। অভিনেতার ব্যবসায়িক অংশীদার শিবম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হাসপাতালে মারা যান মুশতাক।জানা গেছে, মুশতাক খানের ফুসফুসে ক্যানসার শনাক্ত হয়েছিল। চিকিৎসার পর একপর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতিও হয়েছিল। তবে প্রায় আট দিন আগে আবারও ক্যানসার ফিরে আসে। এরপর দ্রুত তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন ক্যানসার শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন শিবম। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তার দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।আড়ও পড়ুন,শাহরুখ আলিয়া ও রণবীরকে একসঙ্গে দেখে সিনেমার দাবি ভক্তদেরচার দশকেরও বেশি সময় ধরে হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন মুশতাক খান। নায়ক হিসেবে নয় বরং পার্শ্বচরিত্র ও চরিত্রাভিনেতা হিসেবেই তিনি বেশি পরিচিতি পেয়েছেন। তবে তার স্বাভাবিক অভিনয় এবং নিখুঁত কমিক টাইমিং তাকে অন্যদের থেকে আলাদা পরিচিতি এনে দেয়।পর্দায় অল্প সময়ের উপস্থিতিকেও স্মরণীয় করে তোলার দক্ষতা ছিল তার। বড় তারকাদের সিনেমাতেও গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের নজর কেড়েছেন তিনি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে হিন্দি সিনেমায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন এই অভিনেতা।১৯৮০ সালে ‘আলবার্ট পিন্টো কো গুসসা কিঁউ আতা হ্যায়’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় মুশতাক খানের। এরপর একে একে ‘আশিকি’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নেহি’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’, ‘রাজা’, ‘হেরা ফেরি’, ‘গদর: এক প্রেম কথা’, ‘জোড়ি নম্বর ১’, ‘মুঝসে শাদি করোগি’, ‘ওয়েলকাম’, ‘ওয়ান্টেড’ এবং ‘ও মাই গড!’সহ বহু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।নায়ক হিসেবে সামনে না থেকেও চরিত্রের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন মুশতাক খান। চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার অভিনীত অসংখ্য পার্শ্বচরিত্র হিন্দি সিনেমার দর্শকদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

চলে গেলেন বলিউডের পরিচিত অভিনেতা মুশতাক খান