বলিউডে নায়ক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাই এসেছিলেন মুশতাক খান। কিন্তু তখন তাঁর ছিল না কোনো বড় পরিচয় বা চলচ্চিত্রজগতের শক্তিশালী যোগাযোগ। এমনকি নিজের বাড়িতেও টেলিফোন ছিল না। কোনো পরিচালক বা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফোন করলে সেই খবর পাওয়ার জন্য পাশের মুদিদোকানিকে এক টাকা করে দিতে হতো। প্রতিদিন সন্ধ্যায় দোকানে গিয়ে জানতে হতো তাঁর জন্য কোনো ফোন এসেছে কি না। প্রায় ১৫ দিন অপেক্ষার পর সেই কাঙ্ক্ষিত ফোনটি আসে পরিচালক মহেশ ভাটের কাছ থেকে। সেই ফোনই তাঁর অভিনয়জীবনের দরজা খুলে দেয়।১৯৮৮ সালের ‘কবজা’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে শুরু হয় তাঁর বলিউডযাত্রা। এরপর ‘আশিকি’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নেহি’, ‘সড়ক’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’সহ বহু জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। নায়ক হতে না পারলেও পার্শ্বচরিত্রে নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকের মনে আলাদা জায়গা তৈরি করেন।মুশতাক খানের অভিনয়জীবনের বড় একটি অধ্যায় ছিল মহেশ ভাটের সিনেমা। ‘কবজা’য় তাঁর অভিনয়ে সন্তুষ্ট হয়ে ভাট তাঁকে আরও কাজের সুযোগ দেন। পরে ‘আশিকি’, ‘সড়ক’, ‘জুনুন’, ‘গুনাহ’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’সহ একাধিক ছবিতে তাঁকে দেখা যায়। বিশেষ করে ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’ তাঁকে আরও পরিচিত করে তোলে।২০০১ সালের ‘গদার: এক প্রেম কথা’ ছবিতে গুল খান চরিত্রে অভিনয় করেন মুশতাক। দুই দশকের বেশি সময় পর ‘গদার ২’-তেও একই চরিত্রে ফিরে আসেন। তবে সাধারণ দর্শকের কাছে তাঁর অন্যতম স্মরণীয় চরিত্র ছিল ২০০৭ সালের ‘ওয়েলকাম’ ছবির বাল্লু। তারকা অভিনেতাদের ভিড়েও ছোট চরিত্রটিকে নিজের অভিনয় ও শরীরী ভাষায় স্মরণীয় করে তুলেছিলেন তিনি।
আড়ও পড়ুন,চলে গেলেন বলিউডের পরিচিত অভিনেতা মুশতাক খান
মুশতাককে শুধু কমেডি অভিনেতা হিসেবে দেখলে তাঁর অভিনয়জীবনের পুরোটা ধরা পড়ে না। পুলিশ, প্রতিবেশী, আত্মীয়, কেরানি থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্য—বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘বালা’, ‘বধাই দো’ ও ‘স্ত্রী ২’-এর মতো সাম্প্রতিক ছবিতেও তাঁর উপস্থিতি ছিল।বলিউডে নায়ক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাই এসেছিলেন মুশতাক খান। কিন্তু তখন তাঁর ছিল না কোনো বড় পরিচয় বা চলচ্চিত্রজগতের শক্তিশালী যোগাযোগ। এমনকি নিজের বাড়িতেও টেলিফোন ছিল না। কোনো পরিচালক বা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফোন করলে সেই খবর পাওয়ার জন্য পাশের মুদিদোকানিকে এক টাকা করে দিতে হতো। প্রতিদিন সন্ধ্যায় দোকানে গিয়ে জানতে হতো তাঁর জন্য কোনো ফোন এসেছে কি না। প্রায় ১৫ দিন অপেক্ষার পর সেই কাঙ্ক্ষিত ফোনটি আসে পরিচালক মহেশ ভাটের কাছ থেকে। সেই ফোনই তাঁর অভিনয়জীবনের দরজা খুলে দেয়।১৯৮৮ সালের ‘কবজা’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে শুরু হয় তাঁর বলিউডযাত্রা। এরপর ‘আশিকি’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নেহি’, ‘সড়ক’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’সহ বহু জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। নায়ক হতে না পারলেও পার্শ্বচরিত্রে নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকের মনে আলাদা জায়গা তৈরি করেন।মুশতাক খানের অভিনয়জীবনের বড় একটি অধ্যায় ছিল মহেশ ভাটের সিনেমা। ‘কবজা’য় তাঁর অভিনয়ে সন্তুষ্ট হয়ে ভাট তাঁকে আরও কাজের সুযোগ দেন। পরে ‘আশিকি’, ‘সড়ক’, ‘জুনুন’, ‘গুনাহ’, ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’সহ একাধিক ছবিতে তাঁকে দেখা যায়। বিশেষ করে ‘হাম হ্যায় রাহি প্যায়ার কে’ তাঁকে আরও পরিচিত করে তোলে।২০০১ সালের ‘গদার: এক প্রেম কথা’ ছবিতে গুল খান চরিত্রে অভিনয় করেন মুশতাক। দুই দশকের বেশি সময় পর ‘গদার ২’-তেও একই চরিত্রে ফিরে আসেন। তবে সাধারণ দর্শকের কাছে তাঁর অন্যতম স্মরণীয় চরিত্র ছিল ২০০৭ সালের ‘ওয়েলকাম’ ছবির বাল্লু। তারকা অভিনেতাদের ভিড়েও ছোট চরিত্রটিকে নিজের অভিনয় ও শরীরী ভাষায় স্মরণীয় করে তুলেছিলেন তিনি।
মুশতাককে শুধু কমেডি অভিনেতা হিসেবে দেখলে তাঁর অভিনয়জীবনের পুরোটা ধরা পড়ে না। পুলিশ, প্রতিবেশী, আত্মীয়, কেরানি থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্য—বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘বালা’, ‘বধাই দো’ ও ‘স্ত্রী ২’-এর মতো সাম্প্রতিক ছবিতেও তাঁর উপস্থিতি ছিল।
মতামত