সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার দেশের দুই পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও সূচকে পতন হয়েছে। দিনের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা লেনদেনের আগ্রহ দেখা গেলেও শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমায় বাজারের প্রধান সূচকগুলো নিম্নমুখী হয়েছে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৫০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একই সময়ে ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১০৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।সূচকের পতনের পাশাপাশি বাজারে লেনদেনের পরিমাণ অবশ্য বেড়েছে। সোমবার ডিএসইতে ৭৮৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭৪৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক কার্যদিবসের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৪১ কোটি টাকা।এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে।আড়ও পড়ুন,জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল বাড়বে কি মূল্যস্ফীতির চাপএর মধ্যে ১০০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২৫৪টির দাম কমেছে এবং ৩২টির দর অপরিবর্তিত ছিল। অর্থাৎ বাজারে দরপতনের শিকার প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল দর বাড়া প্রতিষ্ঠানের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের পতন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৪ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৮২২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।সোমবার সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৭টির শেয়ারদর বেড়েছে। ৯০টির দর কমেছে এবং ১৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর অপরিবর্তিত ছিল।তবে সিএসইতেও লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। দিন শেষে সেখানে ২১ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১০ কোটি ৯ লাখ টাকা। ফলে একদিনের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১১ কোটি টাকা।সার্বিকভাবে সোমবারের বাজারে লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও বিক্রির চাপ ছিল তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে ডিএসইতে দর কমা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দর বাড়া প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এর প্রভাব সূচকে পড়েছে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।