রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস

পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাস


ক্রাইম এক্সপ্রেস
ক্রাইম এক্সপ্রেস

পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাস
মাইকেল ডগলাস

সিনেমায় স্পর্শকাতর ও অন্তরঙ্গ দৃশ্য ধারণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিশ্বাস, স্পষ্ট যোগাযোগ এবং সহশিল্পীর স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মত প্রকাশ করেছেন দুইবারের অস্কারজয়ী বর্ষীয়ান হলিউড অভিনেতা মাইকেল ডগলাস। তাঁর মতে, পর্দায় এই জাতীয় দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা সুনির্দিষ্ট কোরিওগ্রাফি বা যৌথ নাচের মহড়ার মতোই, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে পারস্পরিক সম্মতির বিষয়টি জড়িত থাকে। সম্প্রতি নিউইয়র্কের ‘৯২এনওয়াই’-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের আসন্ন স্মৃতিকথা ‘ওয়ান হেলুভা রাইড’-এর প্রচারকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড’ পডকাস্টের উপস্থাপক জশ হোরোভিটজ। 'বেসিক ইনস্টিংক্ট', 'ফ্যাটাল অ্যাট্রাকশন' ও 'ডিসক্লোজার'-এর মতো নব্বইয়ের দশকের বিশ্বখ্যাত সিনেমায় অভিনয়ের সুবাদে থ্রিলার ও স্পর্শকাতর চরিত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে ৮২ বছর বয়সী এই অভিনেতার। তিনি জানান, 

আরও পড়ুন,বিশ্বসংগীতে নতুন রেকর্ড দক্ষিণ কোরিয়ার বিটিএসের    

সেই সময়ে আধুনিক শুটিং সেটের মতো 'ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর' বা অন্তরঙ্গ দৃশ্য সমন্বয়কের মতো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ফলে পুরো বিষয়টি পারস্পরিক গভীর বোঝাপড়া ও আস্থার ওপর নির্ভর করে করতে হতো। মারামারির দৃশ্য কোরিওগ্রাফির সাথে তুলনা করে ডগলাস বলেন, দৃশ্যধারণের আগেই সহশিল্পীর সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হতো কীভাবে স্পর্শ করা হবে, যাতে অনভিপ্রেত কোনো অস্বস্তি না থাকে। বিশেষ করে তখনকার দিনে শুটিং সেটে প্রধানত পুরুষ কলাকুশলীদের দাপট থাকায় নারী সহশিল্পীরা যেন কোনোভাবেই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন, সেদিকে তিনি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতেন। আলোচনায় নিজের স্মৃতিকথা ‘ওয়ান হেলুভা রাইড’ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন মাইকেল ডগলাস। বইটিতে নিজের অতীতের প্রেমের সম্পর্ক, মাদকের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই এবং হলিউড আইকন কার্ক ডগলাসের পুত্র হিসেবে বেড়ে ওঠার মানসিক চাপের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। জীবনের এসব অন্ধকার অধ্যায় প্রকাশের কারণ হিসেবে তিনি জানান, যাতে তাঁর নাতি-নাতনিরা দাদুর জীবনের পূর্ণাঙ্গ সত্যটা জানতে পারে। এছাড়া স্ত্রী ক্যাথরিন জেটা-জোনসের সঙ্গে পরিচয়ের আগের অনেক অজানা তথ্যও বইটিতে স্থান পেয়েছে। জীবনের দুর্বলতাগুলো জনসমক্ষে আনায় পাঠকদের ইতিবাচক সাড়াতে স্বস্তি প্রকাশ করেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।

বিষয় : পর্দা অভিজ্ঞতা ডগলাস

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্রাইম এক্সপ্রেস

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাস

প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সিনেমায় স্পর্শকাতর ও অন্তরঙ্গ দৃশ্য ধারণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিশ্বাস, স্পষ্ট যোগাযোগ এবং সহশিল্পীর স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মত প্রকাশ করেছেন দুইবারের অস্কারজয়ী বর্ষীয়ান হলিউড অভিনেতা মাইকেল ডগলাস। তাঁর মতে, পর্দায় এই জাতীয় দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা সুনির্দিষ্ট কোরিওগ্রাফি বা যৌথ নাচের মহড়ার মতোই, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে পারস্পরিক সম্মতির বিষয়টি জড়িত থাকে। সম্প্রতি নিউইয়র্কের ‘৯২এনওয়াই’-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের আসন্ন স্মৃতিকথা ‘ওয়ান হেলুভা রাইড’-এর প্রচারকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড’ পডকাস্টের উপস্থাপক জশ হোরোভিটজ। 'বেসিক ইনস্টিংক্ট', 'ফ্যাটাল অ্যাট্রাকশন' ও 'ডিসক্লোজার'-এর মতো নব্বইয়ের দশকের বিশ্বখ্যাত সিনেমায় অভিনয়ের সুবাদে থ্রিলার ও স্পর্শকাতর চরিত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে ৮২ বছর বয়সী এই অভিনেতার। তিনি জানান, 

আরও পড়ুন,বিশ্বসংগীতে নতুন রেকর্ড দক্ষিণ কোরিয়ার বিটিএসের    

সেই সময়ে আধুনিক শুটিং সেটের মতো 'ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর' বা অন্তরঙ্গ দৃশ্য সমন্বয়কের মতো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ফলে পুরো বিষয়টি পারস্পরিক গভীর বোঝাপড়া ও আস্থার ওপর নির্ভর করে করতে হতো। মারামারির দৃশ্য কোরিওগ্রাফির সাথে তুলনা করে ডগলাস বলেন, দৃশ্যধারণের আগেই সহশিল্পীর সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হতো কীভাবে স্পর্শ করা হবে, যাতে অনভিপ্রেত কোনো অস্বস্তি না থাকে। বিশেষ করে তখনকার দিনে শুটিং সেটে প্রধানত পুরুষ কলাকুশলীদের দাপট থাকায় নারী সহশিল্পীরা যেন কোনোভাবেই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন, সেদিকে তিনি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতেন। আলোচনায় নিজের স্মৃতিকথা ‘ওয়ান হেলুভা রাইড’ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন মাইকেল ডগলাস। বইটিতে নিজের অতীতের প্রেমের সম্পর্ক, মাদকের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই এবং হলিউড আইকন কার্ক ডগলাসের পুত্র হিসেবে বেড়ে ওঠার মানসিক চাপের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। জীবনের এসব অন্ধকার অধ্যায় প্রকাশের কারণ হিসেবে তিনি জানান, যাতে তাঁর নাতি-নাতনিরা দাদুর জীবনের পূর্ণাঙ্গ সত্যটা জানতে পারে। এছাড়া স্ত্রী ক্যাথরিন জেটা-জোনসের সঙ্গে পরিচয়ের আগের অনেক অজানা তথ্যও বইটিতে স্থান পেয়েছে। জীবনের দুর্বলতাগুলো জনসমক্ষে আনায় পাঠকদের ইতিবাচক সাড়াতে স্বস্তি প্রকাশ করেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।


ক্রাইম এক্সপ্রেস

সম্পাদক : রিপন রুদ্র
নির্বাহী সম্পাদক:জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাস
0:00 0:00
1.0x