শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাস

পর্দায় স্পর্শকাতর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা জানালেন মাইকেল ডগলাস

সিনেমায় স্পর্শকাতর ও অন্তরঙ্গ দৃশ্য ধারণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিশ্বাস, স্পষ্ট যোগাযোগ এবং সহশিল্পীর স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মত প্রকাশ করেছেন দুইবারের অস্কারজয়ী বর্ষীয়ান হলিউড অভিনেতা মাইকেল ডগলাস। তাঁর মতে, পর্দায় এই জাতীয় দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা সুনির্দিষ্ট কোরিওগ্রাফি বা যৌথ নাচের মহড়ার মতোই, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে পারস্পরিক সম্মতির বিষয়টি জড়িত থাকে। সম্প্রতি নিউইয়র্কের ‘৯২এনওয়াই’-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের আসন্ন স্মৃতিকথা ‘ওয়ান হেলুভা রাইড’-এর প্রচারকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড’ পডকাস্টের উপস্থাপক জশ হোরোভিটজ। 'বেসিক ইনস্টিংক্ট', 'ফ্যাটাল অ্যাট্রাকশন' ও 'ডিসক্লোজার'-এর মতো নব্বইয়ের দশকের বিশ্বখ্যাত সিনেমায় অভিনয়ের সুবাদে থ্রিলার ও স্পর্শকাতর চরিত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে ৮২ বছর বয়সী এই অভিনেতার। তিনি জানান, আরও পড়ুন,বিশ্বসংগীতে নতুন রেকর্ড দক্ষিণ কোরিয়ার বিটিএসের    সেই সময়ে আধুনিক শুটিং সেটের মতো 'ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর' বা অন্তরঙ্গ দৃশ্য সমন্বয়কের মতো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ফলে পুরো বিষয়টি পারস্পরিক গভীর বোঝাপড়া ও আস্থার ওপর নির্ভর করে করতে হতো। মারামারির দৃশ্য কোরিওগ্রাফির সাথে তুলনা করে ডগলাস বলেন, দৃশ্যধারণের আগেই সহশিল্পীর সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া হতো কীভাবে স্পর্শ করা হবে, যাতে অনভিপ্রেত কোনো অস্বস্তি না থাকে। বিশেষ করে তখনকার দিনে শুটিং সেটে প্রধানত পুরুষ কলাকুশলীদের দাপট থাকায় নারী সহশিল্পীরা যেন কোনোভাবেই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন, সেদিকে তিনি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতেন। আলোচনায় নিজের স্মৃতিকথা ‘ওয়ান হেলুভা রাইড’ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন মাইকেল ডগলাস। বইটিতে নিজের অতীতের প্রেমের সম্পর্ক, মাদকের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই এবং হলিউড আইকন কার্ক ডগলাসের পুত্র হিসেবে বেড়ে ওঠার মানসিক চাপের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। জীবনের এসব অন্ধকার অধ্যায় প্রকাশের কারণ হিসেবে তিনি জানান, যাতে তাঁর নাতি-নাতনিরা দাদুর জীবনের পূর্ণাঙ্গ সত্যটা জানতে পারে। এছাড়া স্ত্রী ক্যাথরিন জেটা-জোনসের সঙ্গে পরিচয়ের আগের অনেক অজানা তথ্যও বইটিতে স্থান পেয়েছে। জীবনের দুর্বলতাগুলো জনসমক্ষে আনায় পাঠকদের ইতিবাচক সাড়াতে স্বস্তি প্রকাশ করেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।

প্রবাসীদের ভোট নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা নিতে চায় নেপাল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রবাসী এবং দেশের অভ্যন্তরে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পোস্টাল ভোটিংয়ের আওতায় এনেছে নির্বাচন কমিশন। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং সিস্টেম’ এবার দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোরও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বাংলাদেশের এই প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা গ্রহণে আগ্রহ দেখাচ্ছে নেপাল ও শ্রীলঙ্কা। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের তৈরি এই প্রযুক্তি অন্য দেশেও ব্যবহৃত হলে কারিগরি ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বের করা সহজ হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে এবং ব্যবস্থাটির গ্রহণযোগ্যতাও বাড়বে।আরও পড়ুন,এলপিজির নির্ধারিত দাম কার্যকর না হওয়ায় বিপাকে কোটি পরিবার নির্বাচন কমিশনের ‘আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, বাংলাদেশের পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে তৈরি। নেপালের প্রতিনিধিদল নিজেদের উদ্যোগে এ প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে এসেছে এবং তারা ইতিবাচক আগ্রহ দেখিয়েছে। গত সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা সফরের সময়ও দেশটির পক্ষ থেকে একই ধরনের আগ্রহ দেখা গেছে। তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচন ও উপনির্বাচনে অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান করে ব্যবস্থাটিকে আরও কার্যকর করতে হবে। তাঁর মতে, এই অভিজ্ঞতা নির্বাচন কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, যা ভবিষ্যতে কাজে লাগানো সম্ভব।

প্রবাসীদের ভোট নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা নিতে চায় নেপাল