রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
আমিনবাজারের রূপান্তর দেখে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

আমিনবাজারের রূপান্তর দেখে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে একটি এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দরভাবে বদলে দেওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার দুপুরে ঢাকার সাভারের আমিনবাজার ভাঙা ব্রিজ এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে বর্জ্য অপসারণ, বৃক্ষরোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় দুই মাস আগে এই এলাকার যে অবস্থা ছিল, এখন সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। প্রায় চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের ফলে পরিবেশের উন্নতি হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা আগের তুলনায় সুন্দর পরিবেশে চলাচল ও শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ‘রূপান্তর’ নামের এই কার্যক্রমের আওতায় মহাসড়কের পাশ থেকে ময়লা অপসারণ, মাটি ও বালু ভরাট, পালিসেডিং, পানিনিষ্কাশনের জন্য সারফেস ড্রেন নির্মাণ এবং বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এলাকাটিকে সুন্দর করে গড়ে তুলেছে। এখন এই সৌন্দর্য ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিতে হবে।আরও পড়ুন,প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর সুপারিশএ ক্ষেত্রে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সমাধানের মাধ্যমে এলাকাগুলোকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলা সম্ভব। তারেক রহমান আরও বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসনের আওতাধীন মহাসড়কের পাশের অন্যান্য এলাকা এবং বিভিন্ন মিল-কারখানার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। যেখানে এখনো ময়লার স্তূপ রয়েছে, সেসব স্থান উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া গেলে পুরো এলাকাকে ধীরে ধীরে আরও সুন্দর করে তোলা সম্ভব হবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্যমতে, এই কার্যক্রমের আওতায় ১০ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নিম, সুপারি, তাল, মাধবীলতা ও রঙ্গনসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৬ হাজার ১৩০টি গাছ রোপণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৮ হাজার ৮০০ বর্গমিটার এলাকায় মাটি ও সমপরিমাণ জায়গায় বালু ভরাট করা হয়েছে। পানিনিষ্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ২০টি সারফেস ড্রেন। স্থাপন করা হয়েছে ১২০টি বৈদ্যুতিক বাতি, দুটি এক কিলোওয়াটের সোলার সিস্টেম এবং পরীক্ষামূলকভাবে একটি এক কিলোওয়াটের উইন্ড টারবাইন। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সাভার উপজেলা পরিষদ বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩ কোটি ৯৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।