শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যু

১৩০ বছর বয়সে হজ করে আলোচনায় আসা নারীর মৃত্যু

আলজেরিয়ার সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ নারী হিসেবে পরিচিত হাজ্জা সারহুদা সিতিতি মারা গেছেন। প্রচলিত জন্মসন অনুযায়ী, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১৩২ বছর। জীবনের শেষ দিকে পবিত্র হজ পালন করে আলোচনায় আসা এই নারীর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া। ১৮৯৪ সালে আলজেরিয়ার গালমা প্রদেশের শিনিউ এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন সারহুদা সিতিতি। পরবর্তী সময়ে তিনি তেবেসা শহরে বসবাস করতেন। দীর্ঘ জীবন, বড় পরিবার এবং জীবনের শেষ পর্যায়ে হজ পালনের কারণে তিনি দেশজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন। মাত্র ২০ বছর বয়সে বিয়ে করেন সারহুদা। তাঁর ছিল ১৫ সন্তান। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি সন্তান, নাতি-নাতনি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কাটিয়েছেন। তাঁর জীবনকাহিনি আলজেরিয়ার একাধিক প্রজন্মের পারিবারিক ও সামাজিক পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।আরও পড়ুন,নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালেন ট্রাম্প ২০২৪ সালের জুনে ১৩০ বছর বয়সে পবিত্র হজ পালন করেন সারহুদা সিতিতি। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে সৌদি আরবে হজ করতে যাওয়ার ঘটনা সে সময় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর আগে তিনি দুইবার ওমরাহ পালন করেছিলেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি আল আরাবিয়া তাঁর হজ পালনের বিশেষ ভিডিওচিত্র প্রকাশের পাশাপাশি মৃত্যুর খবরও জানায়। ১৮৯৪ সালের জন্মসন সঠিক হলে সারহুদা তাঁর দীর্ঘ জীবনে আলজেরিয়ার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ নানা অধ্যায়ের সাক্ষী হয়েছেন। তিনি দেখেছেন ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসন, স্বাধীনতার সংগ্রাম এবং দেশটির স্বাধীনতা অর্জন। পাশাপাশি স্বাধীনতা-পরবর্তী কয়েক দশকের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনও প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে আলজেরিয়ায় শোকের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। তবে তাঁর জন্মসন অনুযায়ী ১৩২ বছর বয়সের দাবিটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। দীর্ঘ জীবনের নানা অভিজ্ঞতা, বড় পরিবার এবং জীবনের শেষদিকে পবিত্র হজ পালনের মধ্য দিয়ে হাজ্জা সারহুদা সিতিতি আলজেরিয়ার মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

সাত বছরের প্রেম ভাঙার অভিযোগে আলোচনায় সাবিলা নূর

ঢাকাই শোবিজে অভিনেত্রী সাবিলা নূর ও তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য জীবন নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছেন চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুন। তাঁর বিরুদ্ধে সাত বছরের প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রস্তুতি ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দীর্ঘদিনের প্রেমিকা তিশা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিশার দাবি, সাবিলা নূর অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর তাঁদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। শাকিব খানের মতো জনপ্রিয় তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগ বিবেচনায় তিনি নিজেই বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিতে রাজি হয়েছিলেন। দুই পরিবারের পক্ষ থেকেও বিয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিশার অভিযোগ, শুটিং শেষ হওয়ার পর হঠাৎ করেই আবদুল মামুন তাঁকে জানান, তিনি আর বিয়ে করতে চান না। এর কারণ জানতে চাইলেও স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাননি তিনি। পরে সাবিলা নূরের সঙ্গে মামুনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠার কথা জানতে পারেন বলে দাবি করেন তিশা। তিশা আরও বলেন, পরিবারের সদস্যরা মামুনকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য বোঝানোর চেষ্টা করলেও তাতে কোনো ফল হয়নি। তাঁর অভিযোগ, আরও পড়ুন,জেলার’-এর রেকর্ড ভাঙল রজনীকান্তের নতুন সিনেমাসাবিলা নূর তাঁদের সম্পর্কের বিষয়ে জানতেন। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এমন পরিণতিতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন বলেও জানান। তবে তিশার এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবিলা নূর, তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহের কিংবা আবদুল মামুনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে সাবিলা নূর ও নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়েও সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নানা খবর প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রেমের পর ২০১৯ সালে বিয়ে করেন এই দম্পতি। তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে এবং তাঁরা আলাদা থাকছেন—এমন খবরও ছড়িয়েছে। তবে নিজেদের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানাননি তাঁরা। অন্যদিকে সাবিলা নূর ও শাকিব খানের সম্পর্ক নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। ‘তাণ্ডব’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজের সূত্র ধরে তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিভিন্ন দাবি উঠলেও সেগুলোর পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সাত বছরের প্রেম ভাঙার অভিযোগে আলোচনায় সাবিলা নূর

আব্রাহাম লিংকনের ৩২১ দিনের অভিযান নিয়ে নতুন আলোচনা

যুদ্ধকালীন রেকর্ড ৩২১ দিনের দীর্ঘ অভিযান শেষে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগোতে ফিরে এসেছে মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর রণতরিটি বন্দরে পৌঁছায় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। দীর্ঘ এই মোতায়েনের সময় জাহাজটি মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সামরিক তৎপরতায় অংশ নেয়। এর আগে বুধবার সমুদ্রে অবস্থানকালে রণতরিটি পরিদর্শনে যান মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। সেখানে নাবিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এই ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এমন কিছু কাজ সম্পন্ন করেছে, যা এর আগে অন্য কোনো ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ করেনি।আরও পড়ুন,ইয়েমেনে সংঘাতের উত্তাপ ছড়াচ্ছে সৌদি আরবেওপ্রায় পাঁচ হাজার নাবিক ও মেরিন সেনা নিয়ে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন গত বছরের নভেম্বরে সান ডিয়েগোর মূল বন্দর থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের উদ্দেশে যাত্রা করে। পরে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হলে রণতরিটিকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে নিজস্ব ঘাঁটি থেকে দূরে অবস্থান করতে হয় জাহাজটির নাবিক ও সামরিক সদস্যদের। বিমানবাহী রণতরি সাধারণত যুদ্ধবিমান পরিচালনা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দূরবর্তী অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আব্রাহাম লিংকনের এই দীর্ঘ মোতায়েনও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সামরিক তৎপরতার অংশ ছিল। তবে দীর্ঘ অভিযানের সময় জাহাজের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়েও বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেসব প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থানের কারণে রণতরিটিতে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। এর প্রভাব পড়ে নাবিকদের মনোবল ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও। দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে থাকা, টানা দায়িত্ব পালন এবং সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যে কাজ করা নৌসেনাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আব্রাহাম লিংকনের ৩২১ দিনের অভিযান নিয়ে নতুন আলোচনা