শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
ক্রাইম এক্সপ্রেস
Topic Ads 1
সোয়াবি ইন্টারচেঞ্জে পিটিআইয়ের সমাবেশ, হুঁশিয়ারি শাহবাজ সরকারের

সোয়াবি ইন্টারচেঞ্জে পিটিআইয়ের সমাবেশ, হুঁশিয়ারি শাহবাজ সরকারের

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) লংমার্চ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। দলটির কর্মসূচির পাল্টা হিসেবে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি কিংবা গভর্নর শাসন আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে প্রদেশের বাইরে লংমার্চ না নেওয়ার বিষয়ে পিটিআইকে সতর্ক করেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীরা। আগামীকাল ১১ অক্টোবর সোয়াবি ইন্টারচেঞ্জে সমবেত হতে সারা দেশের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি। সেখান থেকে লংমার্চের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে পিটিআইয়ের। জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি পিটিআইকে ‘উগ্রবাদী’ রাজনীতি পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, সংঘাতমুখী রাজনৈতিক অবস্থান শেষ পর্যন্ত দলটির জন্যই ক্ষতিকর হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইমরান খান বর্তমান রাজনৈতিক পথ অব্যাহত রাখলে দীর্ঘ সময় কারাবন্দী থাকার ঝুঁকি রয়েছে। এদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। আরও পড়ুন,ঐক্যই শক্তি আলেমদের বিভক্তি নিয়ে উদ্বেগ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টারএ নিয়ে শনিবার ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এতে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা। বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক কেন্দ্রশাসিত উপজাতীয় এলাকাসহ প্রদেশের ১২টি জেলায় জরুরি অবস্থা জারির একটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। পাশাপাশি প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতাগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। তবে বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারির মতে, গভর্নর শাসন আরোপ হবে একেবারে শেষ পদক্ষেপ। ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাবন্দী। তাঁর মুক্তির দাবিতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল পিটিআই। পরে কর্মসূচি পিছিয়ে ৪ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়। লংমার্চ শুরুর আগে সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুই দফা আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি। ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি জানিয়েছেন, পেশোয়ার ও মালাকান্দ ডিভিশন থেকে গাড়িবহর ১৩ অক্টোবর সোয়াবি ইন্টারচেঞ্জে পৌঁছাবে। একই দিনে হাজারা ডিভিশনের জন্যও পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। কোহাট ডিভিশন থেকেও গাড়িবহর সেখানে যোগ দেবে। অন্যদিকে, বান্নু ও ডেরা ইসমাইল খান ডিভিশনের গাড়িবহর চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর বা সিপিইসি সড়ক দিয়ে লংমার্চে অংশ নেবে।